আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

ময়মনসিংহে ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু, আটক ১

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ছুরিকাঘাতে মাসুম ওরফে মাজু (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের মাথুয়াদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে জড়িত থাকার অভিযোগে জহিরুল ইসলাম জহির (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াজেদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত মাসুম ওরফে মাজু মাথুয়াদী গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে। তিনি পেশায় বাসচালক ছিলেন। আটক জহিরুল ইসলাম জহির একই এলাকার মৃত মজিবর রহমানের ছেলে। 

আরও পড়ুন>> বাঁশখালীতে প্রশাসনের নাকের ডগায় ভরাট হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পুকুর

বিসকা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহমেদ খান বলেন, জহিরুল দা, ছুরি, চাকু নিয়ে ঘোরাফেরা করত। স্থানীয় হোসেন খাঁর মোড়ে মানুষকে বিভিন্নভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন করত। তার যন্ত্রণায় এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ছিল।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি ওয়াজেদ আলী বলেন, ঘটনার দিন জহিরুলের অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন বাসচালক মাসুম। হোসেন খাঁর মোড়ে জহিরুলকে কোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করতে দেবেন না বলে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ কথা কোনো একজন জহিরুলের কাছে বলে দেয়। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ছুরি নিয়ে এসে মাসুমকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এ সময় মাসুম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি ওয়াজেদ আলী আরও বলেন, ঘটনার পরপরই বখাটে জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ময়মনসিংহ

আরও খবর



‘সার সরবরাহের জন্য বরাদ্দ ১৭ হাজার কোটি টাকা’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, কৃষককে যাতে আমদানিমূল্যে সার ক্রয় করতে না হয়, সে লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরে ১৭ হাজার কোটি টাকা উন্নয়ন সহায়তা বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্ন উত্তর পর্বে তিনি কৃষক পর্যায়ে সাশ্রয়ীমূল্যে সার সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নুর লিখিত প্রশ্নের জবাবে কৃষি মন্ত্রী জানান, আমদানিকৃত সার কৃষক পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত ভর্তুকিমূল্যে টিএসপি প্রতি কেজি ২৭ টাকা, এমওপি প্রতি কেজি ২০ টাকা এবং ডিএপি প্রতি কেজি ২১ টাকায় বিক্রয় করছে। ২০০৯ সালের পূর্বে প্রতি কেজি টিএসপি, এমওপি এবং ডিএপি সারের বিক্রয়মূল্য যথাক্রমে ৮০, ৭০ ও ৯০ টাকা ছিল। 

আরও পড়ুন>> অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে : আরাফাত

মন্ত্রী আব্দুস শহীদ জানান, কৃষি উৎপাদন ব্যয় যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার সার ও কৃষি যন্ত্রপাতিতে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করছে। সেচ ও ভালো মানের বীজ সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ করছে। বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ শীর্ষক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে হাওর ও উপকূলীয় এলাকায় ৭০ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ শতাংশ উন্নয়ন সহায়তায় মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হচ্ছে।

কৃষি মন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর প্রক্রিয়া চলছে। জৈব কৃষি ও জৈব বালাইনাশকের ব্যবহারসহ সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের রোগ ও পোকামাকড় দমন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ফলে কীটনাশকের ব্যবহার প্রতিনিয়ত হ্রাস পাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে কৃষিমন্ত্রী জানান, সমগ্র দেশের প্রান্তিক কৃষকদের এবং কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫০টি প্রকল্প ধারণাপত্র (পিসিপি) যাচাই করা হচ্ছে, যা থেকে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। কৃষক ও কৃষির উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে- দুই কোটি ২৭ লক্ষ কৃষককে স্মার্ট কার্ড দেওয়া, ১০ লাখ কৃষককে উত্তম কৃষি চর্চার প্রশিক্ষণ দেওয়া, ৫০ লাখ কৃষককে সম্প্রসারণ সহায়তা, উন্নয়ন সহায়তা ও ঋণ সহায়তা দেওয়া, ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টি, ১০টি অ্যাক্রেডিটেশন ল্যাব স্থাপন, ১০ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ উন্নয়ন, দুই লাখ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের অ্যাডাপটেশন, ক্লাইমেট স্মার্ট ও কৃষির প্রবর্তন।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




লাগাম নেই সবজির বাজারে, ফের ঊর্ধ্বমুখী মাছ-ডিমের দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দীর্ঘদিন ধরেই নিত্যপণ্য, কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস, এমনকি মসলাজাত পণ্যের দামে হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। বিভিন্ন পণ্যের দাম বিভিন্ন সময়ে কিছুটা ওঠানামা করলেও বাজার ছুটছে ঊর্ধ্বমুখী। এখনও ভরা মৌসুমে লাগামহীন দামে বিক্রি হচ্ছে শীতকালীন সবজি।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন প্রতিটি সবজি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে নতুন আলুর ৫০ টাকা করে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বাজারে নতুন দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পুরাতন দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোয় প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, শিম ৭০ থেকে ৯০ টাকা, ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বাঁধা কপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পাকা টমেটো প্রকারভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৫০ টাকা, কচুরমুখী ১০০ টাকা এবং গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার এসব বাজারে বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকায়, খিরা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, শশা ৭০ টাকা, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০ টাকা, ধনে পাতা কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, জালি কুমড়া ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁয়াজের ফুলকলি ৬০ টাকা ও কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া বাজারগুলোয় লালশাক ১৫ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মুলা শাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, পালং শাক ১৫ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

চলতি সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বয়লার মুরগি, যা গত সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হয়েছে। এসব বাজারে সোনালি, সোনালি হাইব্রিড মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।

পাড়া-মহল্লার খুচরা দোকানে এখন প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা দরে। একটি ডিম ১৩ টাকা দরেও বিক্রি হতে দেখা গেছে। সে হিসাবে ডজন পড়ছে ১৫৬ টাকা। তবে বড় বাজারে ডিমের ডজন ১৪০-১৪৫ টাকায় মিলছে।

বাজারে গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোয় এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮০ টাকায়। 

শুক্রবার এসব বাজারে সপ্তাহ ব্যবধানে মাছের দাম বেড়েছে। বাজারগুলোয় ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা, এক কেজি চাষের শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই মাছ দাম বেড়ে (আকারভেদে) হয়েছে ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মাগুর মাছ ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাঙ্গাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৯০০ টাকায়, কাতল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়, পোয়া মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, কৈ মাছ ২২০ থেকে ২৪০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১ হাজার ৬০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৬০০ টাকায়, পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকায়, রূপচাঁদা ১ হাজার ২০০ টাকা, বাইম মাছ ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, দেশি কই ১ হাজার টাকা, মেনি মাছ ৭০০ টাকা, শোল মাছ ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা, আড়ই মাছ ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা এবং কাইকলা মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর
এক মাসে রিজার্ভ বাড়ল ৬৩ কোটি ডলার

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




একই দিনে তিন উৎসব, নিজেকে সাজাবেন যেভাবে

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

বসন্ত মানেই রঙের ছড়াছড়ি। শীতের জরাজীর্ণতা কাটিয়ে, ফুলে ফুলে সেজে ওঠার আনন্দময় প্রস্তুতি এখন প্রকৃতিজুড়ে। বসন্তবরণকে ঘিরে শুরু হয় নানা আয়োজন। তবে ঘটনাক্রমে এ বছর ১৪ ফেব্রুয়ারিতে একই সাথে ভালোবাসা দিবস, পহেলা ফাল্গুন ও সরস্বতী পূজা! একই দিনে বাঙালি তিনটি উৎসব পালন করবে।

এমন উৎসবমুখর দিনে নিজেকেও সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলতে কে না চায়! জেনে নেই এবার ১৪ ফেব্রুয়ারিতে কীভাবে নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে পারি।

পোশাক: ফাল্গুনে সবাই হলুদ বা সুবজ শাড়িতেই নিজেদের জড়িয়ে রাখতে পছন্দ করে। ভালোবাসা দিবসে আবার অনেকেই লাল পোশাক পরতে পছন্দ করেন। অন্যদিকে সরস্বতী পূজা মানেই লাল-সাদা শাড়ি। তাই নিজেদের পছন্দের রঙের শাড়ি নির্বাচন করতে পারেন এবারের ১৪ ফেব্রুয়ারিতে। ছেলেরা সাদা, হলুদ বা লাল রঙের পাঞ্জাবি পরতে পারেন। যেহেতু এখন দিনের বেলায় বেশ গরম পড়ে আর সন্ধ্যার পর হালকা শীত। তাই ভারি পোশাকের বদলে হালকা সুতির পোশাক পরাই আরামদায়ক। শাড়ি,পাঞ্জাবির সাথে শাল রাখতে পারেন সন্ধ্যায় বের হলে।

সাজসজ্জা: পোশাকের সঙ্গে চাই মানানসই সাজ। দিনের বেলা বের হলে হালকা মেকআপ করুন। চোখ সাজাতে হালকা আইশ্যাডো, মাশকারা আর গাঢ় করে আইলাইনার ও কাজল দিতে পারেন। যেহেতু চোখের মেকআপ একটু গাঢ়, তাই সামঞ্জস্য রাখতে ঠোঁটের মেকআপ মিউটেড রাখা ভালো। বিউটি ই-কমার্স প্লাটফর্ম চয়েজ লিগ্যাসির মেকআপ আর্টিস্ট তামান্না রহমান খান বলেন, বর্তমান আবহাওয়াতে পারফেক্ট মেকআপ এর জন্য বেইজ মেকআপটা ভালো হওয়া জরুরি। আর নিখুঁত মেকআপ লুকের জন্য স্কিন হাইড্রেশনের দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। সেজন্য স্কিন টাইপ অনুযায়ী ক্লিঞ্জার, মশ্চারাইজার, প্রাইমার অ্যাপ্লাই করে স্কিন প্রিপেয়ার করে নিতে হবে।

তিনি বলেন, শুষ্ক ত্বকের জন্য হাইড্রেটিং প্রোডাক্ট এবং তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ম্যাটিফাইং প্রোডাক্ট ব্যাবহার করতে হবে। ফাউন্ডেশনের বদলে স্কিন টিন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। মনে রাখতে হবে, ফ্রেশ এবং ক্লিন লুকের জন্য যত কম প্রোডাক্ট ব্যবহার করা যায় ততই ভালো। এছাড়া, লিপস্টিক দেয়ার আগে অবশ্যই লিপ বাম বা ভ্যাজলিন ব্যবহার করতে হবে। এবং সবশেষে মেকআপ সেটিং মিস্ট ব্যবহার করতে হবে সুন্দর ফিনিশিং লুক দেয়ার জন্য।

চুলের সাজ: খোলা চুল, বেণী কিংবা খোপা, তিনটিই বেশ মানায় শাড়ির সাথে। তবে এদিন ফুলের বাহার সবখানেই। তাই চুলে জড়িয়ে নিতে পারেন একটু ফুল। লাল, হলুদ, সাদা কিংবা আপনার পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে বাছাই করতে পারেন চুলের ফুল।

গয়না: দেশজ উপকরণে তৈরি কাঠ, পুঁতি বা মাটির গহনা পরতে পারেন। কানে বড় দুল পরলে, গলায় কিছু না পরলেও হবে। পরতে চাইলে ছোট পুতির বা মাটির লম্বা মালা পরতে পারেন। শুধু যদি ঘোরার পরিকল্পনা থাকে তাহলে হাত ভরে কাচের রেশমী চুড়ি পরতে পারেন। আর কর্মজীবি নারী বা ছাত্রীরা হাত ভরে চুড়ি না পরে কাঠ, সুতা বা মেটালের মোটা একটা বা দুইটা চুড়ি পরতে পারেন। এতে করে উৎসবের আমেজও বজায় থাকবে আর কাজ করতেও অসুবিধাও হবে না। ছেলেরা পোশাকের সাথে মানানসই হাতঘড়ি বা ব্রেসলেট পরতে পারেন।

ছবি : ফ্যাশন হাউজ মিরা।


আরও খবর
২৯ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আজকের রাশিফল: বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




তিন পেনাল্টির গোলে আবারও এশিয়ার সেরা কাতার

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই এএফসি এশিয়ান কাপ শুরু করেছিল কাতার। ঘরের মাঠে সুযোগ ছিল শিরোপা নিজেদের ঘরেই রাখার। সেই সুযোগ হাতছাড়া করেনি স্বাগতিক দলটি।

তিন পেনাল্টিতেই ভাগ্য গড়েছে ম্যাচের। ৩-১ গোলে প্রথমবারের মত কোয়ার্টার ফাইনালের গন্ডি পার করে ফাইনালে আসা জর্ডানকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখলো কাতার।

শনিবার রাতে দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে ফাইনালে পেনাল্টি থেকেই তিনটি গোল পেয়েছে কাতার। সবগুলো গোলই করেছেন আকরাম আফিফ। জর্ডানের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন ইয়াজান আল-নাইমাত।

দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও জাপানের পর পঞ্চম দল হিসেবে একাধিকবার এশিয়ান কাপ জিতল কাতার।

প্রথমার্ধে সাদামাটা ফুটবল খেলে জর্ডান। কাতারও শুরুতে খুজে পায়নি ছন্দ। তবে দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নেয় তারা।

২০ মিনিটে জর্ডানের আব্দুল্লাহ নাসিব কাতারের আকরাম আফিফকে বক্সে ফাউল করেন। পেনাল্টির পেয়ে স্পটকিকে দলকে এগিয়ে দেন আফিফ। পরে আর কেউ গোল না পাওয়ায় ১-০ তে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় কাতার।

দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে জর্ডান। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে তারা। কাতারের গোলরক্ষক বারশামকে ভেদ করা সহজ হয়নি তাদের জন্য। ৬৭ মিনিটে অবশেষে সফলতা মেলে জর্ডানের। নাইমাত গোল করে জর্ডানকে ম্যাচে ফেরান।

ছয় মিনিট পরেই ফের পেনাল্টি পায় কাতার। ভিআরে নিশ্চিত হওয়ার পর স্পট কিকে গোল করে কাতারকে ফের এগিয়ে দেন আফিফ।

এরপর যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে তৃতীয় পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। এবারও জালে বল পাঠিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে নেন আফিফ। পরে ৩-১ ব্যবধানে বাজে ম্যাচের শেষ বাঁশি।

নিউজ ট্যাগ: জর্ডান কাতার

আরও খবর



বাবা হারালেন চিত্রনায়িকা পপি

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভিন পপির বাবা আমির হোসেন আর নেই। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে পপির পারিবারিক একাধিক ঘনিষ্টজন।

তারা জানান, আজ সকাল সাড়ে ৬টায় পপির বাবা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মরদেহ ঢাকা থেকে খুলনায় নিয়ে যাওয়া হবে। জানাজা শেষে সেখানেই পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

পপির বাবা আমির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। বেশ কয়েক মাস ধরে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ছিলেন।

এদিকে, একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রনায়িকা পপি দীর্ঘ তিন বছর ধরে আড়ালে আছেন। হঠাৎ করেই শোবিজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এই অভিনেত্রী। প্রথম দিকে পপির এ অনুপস্থিতিকে স্বাভাবিক মনে করেছিলেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু সময় যতই এগোতে থাকে ততই তাকে ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়।

জানা যায়, গোপনে সংসার পেতেছেন পপি। সেই সংসারে রয়েছে একটি সন্তানও। ২০২১ সালের অক্টোবরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন এই চিত্রনায়িকা। বর্তমানে স্বামী-সন্তান নিয়ে ধানমন্ডি বসবাস করছেন পপি।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪