আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

ময়মনসিংহে ট্রাকচাপায় মা-মেয়েসহ নিহত ৩

প্রকাশিত:সোমবার ২২ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ট্রাকচাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। সোমবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে ময়নসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার ভাবকির মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার বিনোদবাড়ি মোনকোন গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী হাসিনা বেগম (৪০), তার তিন বছরের শিশুকন্যা আদিবা এবং অন্যজন গোড়শাইল গ্রামের মিনাল চন্দ্র দাস (৬৫)।

মুক্তাগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, দুপুর ২টার দিকে মুক্তাগাছা থেকে টাঙ্গাইলগামী একটি ট্রাক বেপরোয়া গতিতে যাচ্ছিল। ভাবকির মোড় চেরুমন্ডল নির্মাণাধীন ব্রিজের কাছে যেতেই কালীবাড়ী থেকে আসা মুক্তাগাছাগামী যাত্রীবাহী একটি অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এ সময় অটোতে থাকা মা-মেয়েসহ তিন যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনায় অটোচালকসহ গুরুতর আহত আরও চারজনকে উদ্ধার করে মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 

ওসি আরও জানান, মুক্তাগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও অটোরিকশা জব্দ করে। ঘটনার পর থেকে ঘাতক ট্রাকচালক পলাতক রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ময়মনসিংহ

আরও খবর



রাজাপুরে নির্মাণের ৮ মাসেও সেতুর নেই সংযোগ সড়ক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মো. নাঈম, রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

Image

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সদরের (পুরাতন বাজার) তরকারি বাজার সংলগ্ন খালের উপর ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি সেতু নির্মাণের কাজ সমাপ্ত হয় প্রায় ৮ মাস আগে। কিন্তু শেষ হলেও এই সেতুটি কোন উপকারে আসছেনা সাধারণ জনগণের।

সেতুর উভয় পাশের সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রচ সড়ক) নির্মাণ না করায় বাজারের ব্যবসায়ী, ক্রেতাসহ প্রতিদিন হাজারো মানুষকে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে সেতু নির্মাণের পরও যাতায়াতে দুর্ভোগ কাটেনি এলাকাবাসীর।

সেতু নির্মাণ হওয়ায় তাদের আশা ছিল জনভোগান্তি দূর হবে বরং এখন উল্টো তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। সিঁড়ি বেয়ে সেতুতে উঠতে গিয়ে কোমলমতি শিশুরা প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। বয়স্ক মানুষ কারো সাহায্য ছাড়া সেতুতে উঠতে পারচ্ছে না। আবার কারো সাহায্য নিয়ে পার হতে খুব কষ্ট হয়। সেতুর দুই পাড়েই রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অফিস।

বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও পথচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পৌনে দুই কোটি টাকায় সেতু নির্মাণ করা হলেও এর সুফল পাচ্ছে না এলাকাবাসী। ফলে কাঁচাবাজারে মালামাল নিয়ে অনেক দূরের পথ ঘুরে কষ্ট করে আসতে হচ্ছে। ফলে সময় ও অর্থ দুটোই অপচয় হচ্ছে। খালটির উভয় পাশে রয়েছে পিচঢালা পাকা রাস্তা কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় ক্রেতারা বাজার করে রিকশা বা ভ্যানে চড়ে বাড়ি যেতে পারছেন না। চলাচলের যোগ্য পুরাতন সেতু ভেঙে ওই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেতুটি নির্মাণের শুরু থেকে প্রায় দুই বছর ধরে এ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় ভুক্তভোগী শিক্ষক ছগির মৃধা বলেন, সেতুটির দক্ষিণ পাড়ে কাঁচাবাজারসহ উভয় পাড়ে স্থায়ী মার্কেট থাকায় এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ সেতুটি পারাপার হচ্ছেন। কিন্তু সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দেয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান।

বাজারে আসা উপজেলা সদরের বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম বলেন, সেতু নির্মাণের দুই বছর পার হলেও এখনো তৈরি হয়নি সেতুর দুপাশে চলাচলের রাস্তা। এতে সেতুর সুবিধা পাচ্ছেন না দুইপারের কয়েক হাজার মানুষ।

ভ্যান চালক জমিরউদ্দীন বলেন, এ রাস্তা দিয়ে কোনো যানবাহন চলাচল করে না। মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনা-নেওয়া করতে খুবই কষ্ট হয়। এত টাকার সেতু এখন অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

এ বিষয়ে সেতুটির ঠিকাদার (ঝালকাঠি জেলা যুবলীগ আহবায়ক) জিএস জাকির বলেন, সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলীর ডিজাইনের প্রয়োজন রয়েছে। ডিজাইন পেলেই সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দেয়া হবে।

এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার বলেন, সেতুটির সংযোগ সড়ক শীঘ্রই নির্মাণ করে দেয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: ঝালকাঠি

আরও খবর



দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৯ হাজার ৭২৭ মেগাওয়াট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে স্থাপিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বর্তমানে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৯ হাজার ৭২৭ মেগাওয়াট। এর মধ্যে গ্রিডভিত্তিক উৎপাদন ক্ষমতা ২৬ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট। এমন তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এম. আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

নসরুল হামিদ বলেন, ক্যাপটিভ ও অফগ্রিড নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বর্তমানে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৯ হাজার ৭২৭ মেগাওয়াট। বর্তমানে গ্রিডভিত্তিক স্থাপিত কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৬ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট। এর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস ভিত্তিক ১১ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট, যা মোট সক্ষমতার ৪৩ শতাংশ। এছাড়া ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক ৬ হাজার ৪৯২ মেগাওয়াট, যা মোট সক্ষমতার ২৪ শতাংশ। ডিজেল ভিত্তিক ৮২৬ মেগাওয়াট, যা মোট সক্ষমতার ৩ শতাংশ। কয়লা ভিত্তিক ৪ হাজার ৪৯১ মেগাওয়াট, যা মোট সক্ষমতার ১৭ শতাংশ। হাইড্রো ২৩০ মেগাওয়াট বা সক্ষমতার এক শতাংশ। এছাড়া অনগ্রিড সৌরবিদ্যুৎ ৪৫৯ মেগাওয়াট, যা মাত্র ২ শতাংশ। এছাড়া আমদানি করা হচ্ছে ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট বা ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিদ্যুতের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রাপ্যতা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়ে থাকে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদার বিপরীতে ২০২৩ সালের ১৯ এপ্রিল সর্বোচ্চ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার ৬৪৮ মেগাওয়াট। শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা কমে যাওয়ায় এবছর শীতকালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ উৎপাদন ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার মেগাওয়াটে নেমে আসে। আগামী গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের সম্ভাব্য চাহিদার পরিমাণ প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হবে।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




গাজায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১৭ ফিলিস্তিনি নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলের হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে চারমাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাতে গাজায় নিহতের সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়ালো। খবর রয়টার্সের।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গেল বছরের  ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরাইলের হামলায় গাজায় ২৮ হাজার ৬৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন ৬৭ হাজার ৬১১ জন।

চারমাসেরও বেশি সময় ধরে হামাসের হামলার পাল্টা জবাবে গাজায় হামলা চালাচ্ছে দখলদার ইসরাইলি সেনারা। এ সময়ে ৭০ শতাংশেরও বেশি বাড়িঘর ধ্বংস করেছে তারা। আর তাদের হামলার ভয়ে উপত্যকাটির ২৩ লাখ বাসিন্দার মধ্যে ৮৫ শতাংশ বাসিন্দাই বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

বর্তমানে ১০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি সীমান্তবর্তী শহর রাফাহতে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু সেখানেও রেহাই নেই তাদের। গাজা ধ্বংস করার পর এখন রাফাহতেও হামলা জোরদার করেছে ইসরাইল। রাফাহতে রমজান মাস শুরুর আগে অভিযান শেষ করার তাগিদ দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) যুদ্ধকালীন মন্ত্রীসভার বৈঠকে নেতানিয়াহু এমন কথা বলেন।

শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর দফতর একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, রাফাহ থেকে সব বেসামরিক ফিলিস্তিনিকে সরিয়ে নিতে সেনাবাহিনীকে পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু হুমকি দিয়েছেন, রাফাহতে শিগগিরই প্রবেশ করবে সেনারা। তাদের দাবি, সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সর্বশেষ ব্যাটালিয়নটি এখন রাফাহতে অবস্থান করছে।


আরও খবর



ত্রাণ প্রত্যাসী ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১০

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফের ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালাল ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ১০ ফিলিস্তিনি নিহত ও কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গাজা নগরীর উত্তরাঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, অবরুদ্ধ গাজা নগরীতে ত্রাণবাহী ট্রাক ঢোকার অপেক্ষায় ভিড় করছিলেন ফিলিস্তিনিরা। সেখানে গুলি ও গোলা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহতদের নিকটবর্তী আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ওই দিনই পার্শ্ববর্তী জেইতুন এলাকায় তিনতলা আবাসিক একটি ভবনেও বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ১৫ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়। ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স যেতে পারেনি বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

এছাড়া, এদিন গাজার দক্ষিণাঞ্চলেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানকার রাফা এলাকায় একটি বাড়িতে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন।


আরও খবর



পাকিস্তানে জোট সরকার গঠনে নতুন মোড়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এনের সঙ্গে জোট গঠনের কথা বলেছেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। এমনকি সংসদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পিএমএল-এনের প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।

গত বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের ভোট হয়েছে। ভোটগ্রহণের তিন দিন পর ২৬৫ আসনের মধ্যে অবশেষে ২৬৪ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ৯৭ আসনে জয় পেয়েছেন ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এরপরই পিএমএল-এন ৭৬ আসনে, পিপিপি ৫৪ আসনে জয়ী হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য ছোট দল পেয়েছে ৩৭টি আসন।

কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জোট সরকার গঠন করতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে বড় দলগুলো। তবে নাটকের এই দৃশ্যে বারবার ঘুরে-ফিরে দুটি দলই আলোচনায় আসছে। একটি নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন ও অন্যটি বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি।

জোট গঠন নিয়ে কয়েক দফা আলোচনাও করেছে দল দুটি। তবে জোট সরকরের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে তাদের সিদ্ধান্ত আটকে ছিল। এমনকি গণমাধ্যমে খবর আসে, ভাগাভাগি করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন দুই দলের দুজন নেতা। তবে এবার সব জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে দিয়ে নিজেই প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন বিলাওয়াল।

মঙ্গলবার বিলাওয়াল বলেন, বাস্তবতা হলো- কেন্দ্রে সরকার গঠনের জন্য আমার দলের প্রতি জনগণের ম্যান্ডেট নেই। এ কারণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আমি আর থাকব না।

পিপিপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির (সিইসি) বৈঠকের পর দলের চেয়ারম্যান বিলাওয়াল বলেন, পিএমএল-এনের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীকে সমর্থন করবে পিপিপি। পিপিপি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কোনো মন্ত্রিত্ব চাইবে না। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও আমরা নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছি। পিপিপি যদি পিএমএল-এনের সঙ্গে যোগ না দিত তাহলে দেশের ক্ষতি হতো। একটা দল সবসময় ভোটের ফলের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করবে, তা হতে পারে না।

৩৫ বছর বয়সী তরুণ এই নেতা বলেন, আমরা চাই সব রাজনৈতিক দল যেন ভুল-ত্রুটি দূরে রাখে। যাতে পরবর্তী নির্বাচনের দিকে কেউ আঙুল তুলতে না পারে। আমরা এসব সমস্যা মোকাবিলায় ইসিপি, সংসদের মতো ফোরামকে ব্যবহার করব।

পিপিপি নেতা বলেছেন, তাদের সঙ্গে জোট গড়তে অস্বীকার করেছে ইমরান খানের পিটিআই। তাই তারা পিএমএল-এনকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। কেননা একমাত্র পিএমএল-এন তাদের জোট সরকারে যোগদানের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

তবে তিনি এ-ও বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আসিফ আলী জারদারিকে তিনি পাকিস্তানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতে হতে চান। তিনি বলেন, দেশ জ্বলছে। একমাত্র আসিফ আলীই এ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন।


আরও খবর