আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

না বুঝে লো কার্ব ডায়েট হতে পারে মারাত্নক ক্ষতি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ফ্যাটি খাবার খাওয়াসহ নানা কারণে মানুষ স্থূলকায় হয়ে যাচ্ছে। ওজন বাড়ার কারণে নানা ধরনের রোগব্যাধি বাসা বাধে শরীরে। রোগাক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পর অনেকে ডায়েট করা শুরু করেন। এতে অনেকে সুস্থ জীবন ফিরে পান, অনেকে পান না।

নিয়ম মেনে চললে সুস্থ থাকা যায়। পরিমিত খাবার ও নিয়মিত শরীরচর্চার মধ্য দিয়ে রোগব্যাধি থেকে বাঁচা যায়।

বর্তমানে অনেকে ডায়েটের দিকে ঝুঁকছেন। ডায়েট সম্পর্কে সঠিক ধারণা ছাড়াই ইন্টারনেট, ইউটিউব দেখে অল্প সময়ে ওজন কমাতে কিটো ডায়েট করছেন, যা লো কার্ব ডায়েট নামেও প্রচার হচ্ছে। কিন্তু কিটো ডায়েট সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত। এটি এমন এক ধরনের ডায়েট, যা পরীক্ষামূলকভাবে ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে নিজের ওপর প্রয়োগ করা হয়ে উঠতে পারে নিজেকে মৃত্যুঝুঁকির দিকে ঠেলে দেওয়া।

কিটো ডায়েট কেন করবেন, না বুঝে এ ডায়েট করলে কি কি ক্ষতি হতে পারে- যুগান্তরের সঙ্গে আলাপে এসব বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন মেডিনোভা মেডিকেলের ডায়াবেটলজিস্ট ও পাবলিক হেলথ নিউট্রিশন স্পেশালিস্ট ডা. মৌসুমী আফরিন ইভা।

স্বাভাবিক ডায়েটে আমরা আমাদের দৈনিক শক্তির চাহিদার ৫৫-৬০ শতাংশ পাই কার্বোহাইড্রেট থেকে, ১৫-২০ শতাংশ পাই প্রোটিন এবং ২৫-৩০ শতাংশ পাই ফ্যাট থেকে। কিন্তু একজন ব্যক্তি যখন কিটো ডায়েট করেন, তখন তার খাদ্যের ৭৫ শতাংশ নেন ফ্যাট-চর্বি থেকে, ২০ শতাংশ প্রোটিন-আমিষ এবং মাত্র ৫ শতাংশ নেন কার্বোহাইডেট-শর্করা থেকে।

কিটো ডায়েট আসলে সর্বসাকল্যে সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত কোনো ডায়েট নয়। যিনি উচ্চরক্তচাপে ভুগছেন, তার জন্য যেমন লবণ খাওয়া বারণ, যিনি থাইরয়েড ডিজঅর্ডারে ভুগছেন, তার জন্য গ্লুটেনযুক্ত খাবার যেমন নিষিদ্ধ, ঠিক তেমনি শুধু চিকিৎসার ক্ষেত্রে থেরাপডিউডিক ডায়েট হিসাবে এপিলেপসি বা মৃগী রোগীদের জন্য গবেষণার মাধ্যমে কিটো ডায়েটের এ খাদ্যতালিকাকে সাজানো হয়েছিল। মৃগী রোগীদের সুস্থতার কথা মাথায় রেখে অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানকে বাদ দিয়ে হাই ফ্যাট, হাই প্রোটিন এবং অল্প কার্বোহাইড্রেড দিয়ে এ ডায়েট তৈরি করা করা হয়।

কিন্তু নিদিষ্ট ওষুধ আবিষ্কারের পর এ ডায়েট গ্রহণযোগ্য নয় বলা হয়েছে। কারণ সাইড ইফেক্ট হিসেবে অতিরিক্ত ওজন হ্রাস পেত সেই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য জটিলতাও দেখা দিত।

ব্রেনের প্রধান খাদ্য হচ্ছে শর্করা বা গ্লুকোজ, যা আমাদের সারা দিনের কাজের এনার্জি দেয়। এ শর্করাকে না বলে যখন আপনি চর্বিকে মাত্রাতিরিক্ত খেয়ে যাচ্ছেন, তখন শর্করার প্রয়োজন মেটাতে, অতিরিক্ত চর্বিকে পুড়িয়ে শরীরের স্বাভাবিক মেটাবলিজমের বিরুদ্ধে কাজ করে হয়তো অল্প সময়ের মধ্যে আপনার শরীরের জমে থাকা চর্বিকে ভেঙে ওজনকে কমিয়ে দিচ্ছে; কিন্তু একটি বিশেষ সময় পার করার পর ফ্যাট বার্ন হওয়ার ফলে কিটন বডি অতিরিক্ত তৈরি হওয়াতে রক্তে প্রাথমিকভাবে কিটোসিস এবং পরবর্তী সময়ে কিটোএসিডোসিস দেখা দেয়, যা কিনা রক্তের সাধারণ পিএইচ লেভেলকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

কিটো ডায়েট শুরুর প্রথম দুই-তিন সপ্তাহ ঝুঁকি কম হলেও দীর্ঘমেয়াদি কিটো পালনে মাথা ঘোরানো, মাথাব্যথা, শরীর কাঁপা, বুক ধড়ফড় করা, বমি বমি ভাবসহ কাজে অমনোযোগী হওয়া, সব কিছু ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়া, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া, মেজাজ খিটখিটে বা হঠাৎ রেগে যাওয়া, সারা দিন পানির পিপাসা পাওয়াসহ ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। না বুঝে বেশি সময়ের জন্য এ ডায়েট অনুসরণ করায় অতিরিক্ত চর্বি গ্রহণের কারণে আপনার রক্তের কোলেস্টেরল, এলডিএল, টিজিকে বাড়িয়ে স্ট্রোক এবং হৃদরোগের ঝুঁকিকে বাড়িয়ে তোলে।

অন্যদিকে অধিক চর্বি ও প্রোটিন গ্রহণের কারণে একদিকে ডায়রিয়া, অপরপ্রান্তে এ ডায়েটে ফাইবারের পরিমাণ কম থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য পর্যন্ত দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া যারা ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত তাদের লিভারকে আরও দুর্বল করার পাশাপাশি পিত্তথলিতে পাথর, প্যানাক্রিয়াসের জটিলতা, হজম শক্তি কমে যাওয়া, ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যাওয়া, চুল পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা তৈরি হয়। পাশাপাশি যারা গর্ভবতী, দুগ্ধদানকারী মা, হরমোনাল ইমব্যালেন্স আছে, আর্থ্র্রাইটিসে ভুগছেন তারা যদি এ ডায়েট ফলো করেন, অত্যন্ত ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন।

এ ছাড়া না বুঝে এ ডায়েট শুরু করলে অনেক মেয়ের ক্ষেত্রে ঋতুস্রাবের সমস্যা হয় এবং পরবর্তী সময়ে রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেমসহ বাচ্চা ধারণক্ষমতাও ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে। নানারকম পুষ্টি উপাদানের অভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়, অন্যান্য রোগ দেখা দিতে পারে।

কিডনি রোগী যারা তাদের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রোটিনের বেশি খেতে নিষেধ করা হয়। সেই প্রোটিন জাতীয় খাবার যখন একজন সুস্থ ব্যক্তি শরীরের চাহিদার চেয়ে বেশি নিচ্ছেন, তখন তার কিডনিতে চাপ পড়ে যায়। দীর্ঘ সময় এ চাপ নিতে না পেরে কিডনিতে পাথর হওয়াসহ বিকল পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।

এ ডায়েটের পরিণতি না জেনেই শর্করাকে কমানোর কারণে অনেক ডায়াবেটিস রোগীই তাৎক্ষণিক উপকার পেয়ে ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করে দেন এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর শরীরের স্বাভাবিক মেটাবলিজমে ব্যাঘাত ঘটার কারণে রোগীকে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে কিটো অ্যাসিডোসিস নিয়ে আইসিইউ পর্যন্ত যেতে হয়।

বর্তমানে কিটো ডায়েটের মাধ্যমে ওজন কমানোর যে প্রচলন শুরু হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবিক ক্লিনিক্যাল প্রয়োগের কোনো সামঞ্জস্যতা নেই।

কিটো ডায়েটের ফলে প্রাথমিকভাবে ওজন কমে গেলেও পরবর্তী সময়ে এ ডায়েট ছেড়ে দিলে তার থেকে আরও বেশি ওজন বাড়ে। কোনো গবেষণায় এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি কী পরিমাণ সময় এ ডায়েট অনুসরণ করা নিরাপদ।

তাই ডাক্তার ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ ছাড়া শুধু ফেসবুক আর ইউটিউবের কয়েকটি ভিডিওর ওপর ভিত্তি করে কিটো ডায়েটকে অনুসরণ না করে আপনার শরীরে চাহিদার ওপর ভিত্তি করে পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ সুঠাম খাদ্যাভ্যাস ও পাশাপাশি হাঁটা এবং ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

 

নিউজ ট্যাগ: লো কার্ব ডায়েট

আরও খবর
যেভাবে রান্না করবেন মেজবানি মাংস

বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১




মাওয়া-শিমুলিয়ায় মানুষের ঢল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | ১৪৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুন্সীগঞ্জ থেকে জিতু রায়:

লকডাউন ও বৃষ্টি অপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষের ঢল নেমেছে মাওয়া-শিমুলিয়ায়।

দ্বিতীয় লকডাউনের তৃতীয় দিন আজ শুক্রবার। এই কঠোর লকডাউনের মধ্যেও মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে যেন জনস্রোত শুরু হয়েছে। গণপরিবহন না থাকায় বিড়ম্বনা মাথায় নিয়েই ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্নভাবে শিমুলিয়ায় ঢল নেমেছে মানুষের। ফেরিতে গাদাগাদি করেই ছুটছে দক্ষিণের জেলাগুলোতে। শুক্রবার ভোর থেকে  দেখা গেছে এমন দৃশ্য।

শুক্রবার সকাল থেকে দক্ষিণবঙ্গমুখী মানুষ শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে যাত্রীর চাপ থাকলেও ১০টি ফেরি চলাচল করায় ফেরিতে উঠতে সমস্যা হচ্ছে না কারও। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় যাত্রীর চাপ সবচেয়ে বেশি আজ।

জানা যায়, দ্বিতীয় দফায় কঠোর লকডাউনের ঘোষণা শেষ হতে না হতেই দেশে কারফিউ জারির পরামর্শ দেয়া হয়েছে সরকারকে। এই পরামর্শ দেওয়া খবরে শুক্রবার সকাল থেকে মানুষের ঢল নেমেছে মাওয়া-শিমুলিয়া ঘাটে।


আরও খবর



খুলনা বিভাগে একদিনে করোনায় ৩৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে শনাক্ত হয়েছেন ৭৯৩ জন।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বিভাগে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ আট জন করে মৃত্যু হয়েছে খুলনা ও কুষ্টিয়ায়। বাকিদের মধ্যে যশোরে সাত জন, ঝিনাইদহে পাঁচ জন, চুয়াডাঙ্গায় দুই জন, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, নড়াইল ও মেহেরপুরে একজন করে মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৯২ হাজার ৩৬১ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৩৬৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৭ হাজার ৭৭১ জন। 


আরও খবর



বিএনপির মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে : কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | ১১৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নেতিবাচক রাজনীতির কারণে  বিএনপির মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, নেতিবাচক রাজনীতির কারণে  নির্বাচন ও আন্দোলনে বিএনপি ব্যর্থ। তাদের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে এবং সংগঠন হয়ে গেছে দুর্বল।তাই অনেকেই মনে করেন বিএনপি শেষ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, বিএনপির অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের জবাব অনিচ্ছা সত্ত্বেও দিতে হয়, তা না হলে জনগণ তাদের মিথ্যাচারকেই সত্য বলে ধরে নিবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা সরকার দিনরাত জনকল্যাণে কাজ করছে আর বিএনপি দেশ ও জাতির দুর্যোগকালে তাদের দায়িত্বশীলতা ভুলে গিয়ে প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করছে।আওয়ামী লীগ দোষারোপের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেওয়ার মানসিকতাও আওয়ামী লীগ পোষণ করে না

তিনি বলেন, বিএনপি, আওয়ামী লীগ বিরোধী সকল শক্তির অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এবং তারা স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব ও উন্নয়ন বিরোধী সকল অপশক্তির মোহনা।

বিএনপি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হতে পারে কিন্তু আওয়ামী লীগ বিরোধী বলয় হিসেবে তারা মোটেই দুর্বল নয় উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এদেশের রাজনীতিকে কলুষিত করতে জনগণ ও দেশের সম্পদ ধ্বংস এবং লুন্ঠনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন শক্তি এখনও সক্রিয়।

তিনি বলেন, যে কোনো দুর্যোগ ও সংকটে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করে মিডিয়ায় ঝড় তোলাই বিএনপির স্বভাব। করোনাকালেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি।

শেখ হাসিনার সরকার যখন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে জনগণের জীবন-জীবিকার সুরক্ষায় অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে তখন বিএনপি জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে ঘরে বসে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েই তাদের দায়িত্ব শেষ করেছে বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।


আরও খবর



অলিম্পিকে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের স্বপ্ন ভালো কিছু করা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ জুলাই ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আর কদিন বাদে পর্দা উঠছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞ অলিম্পিক গেমসের। ২৩ জুলাই থেকে জাপানের টোকিওতে শুরু হচ্ছে গমসটি। এবারের অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের স্বপ্ন ভালো কিছু করা।

এবারের গেমেসে বাংলাদেশের ছয় জন ক্রীড়াবিদ চারটি ডিসিপ্লিনে অংশ নেবেন। তাঁরা হলেন, আরচার রোমান সানা, দিয়া সিদ্দীকি, সাঁতারু আরিফুল ইসলাম, জুনাইনা আহমেদ, শুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকি ও অ্যাথলেট জহির রায়হান।

বাংলাদেশ দলের সাফল্যে আশাবাদী বিওএর সহসভাপতি বশির আহমেদ মামুন বলেন, আমাদের আরচার রোমান সানা নিজ যোগ্যতায় টোকিও অলিম্পিকে জায়গা করে নিয়েছে। তাকে নিয়ে আমরা ভালো কিছু আশা করছি। অলিম্পিক গেমস থেকে আমাদের যদি কোনো পদক আসে তাহলে বিওএ থেকে পুরস্কৃত হবেন তারা। আমরা ক্রীড়াবিদদের বলেছি, টাকার অঙ্ক নিয়ে ভাববেন না। তোমরা পদক পেলে পুরো দেশবাসী তোমাদের নিয়ে আনন্দ করবে।

বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা বলেন, যদি তারা সেরাটা উজাড় করে দিতে পারে, তাহলে দেশের জন্য সাফল্য এনে দিতে পারবে বলে বিশ্বাস করি।

আগামী ২৩ জুলাই শুরু হয়ে গেমসটি চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। এরই মধ্যে অলিম্পিক ভিলেজ খুলে দেওয়া হয়েছে। গেমসে অংশ নিতে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা জাপানে যাবেন কয়েক ধাপে।

শুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকি এবং আরচার রোমান সানা ও দিয়া সিদ্দীকির আগামী শুক্রবার রওনা দেওয়ার কথা।

অ্যাথলেট জহির রায়হান রওনা দেবেন ২৫ জুলাই। তিনি ৪০০ মিটারে অংশ নেবেন। সাঁতারু আরিফুল ইসলাম প্যারিস থেকে এবং জুনাইনা আহমেদ লন্ডন থেকে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের পতাকা বহন করবেন সাঁতারু আরিফুল।

নিউজ ট্যাগ: অলিম্পিক গেমস

আরও খবর



শিল্পার স্বামীর হাত ধরেই অ্যাডাল্ট সিনেমায় পুনম-শার্লিন!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | ১৫২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বহু দিন ধরেই নাকি পর্ন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাজ কুন্দ্রা। শিল্পা শেট্টির স্বামীর হাত ধরেই এই জগতে এসেছিলেন পুনম পাণ্ডে, শার্লিন চোপড়া। সূত্রের খবর মানলে, মহারাষ্ট্রের সাইবার সেলকে বহু আগেই এই তথ্য দিয়েছিলেন দুই অভিনেত্রী।

অ্যাডাল্ট ভিডিওর জগতে বেশ পরিচিত নাম শার্লিন চোপড়া ও পুনম পাণ্ডে। প্রায় দিনই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন তাঁরা। শোনা যায়, বহু আগে রাজের প্রজেক্টে কাজ করেছিলেন দুই অভিনেত্রী। সূত্রের খবর মানলে সেই সময়ও এক একেকটি প্রজেক্টের জন্য রাজের কাছ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা পেতেন শার্লিন চোপড়া। এমন ১৫ থেকে ২০টি প্রজেক্টে কাজ করেছিলেন তিনি। শুধু রাজ কুন্দ্রা নন, আরও কয়েকজন এই পর্ন কনটেন্ট তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে মাস্টারমাইন্ড বা মূল ষড়যন্ত্রকারী শিল্পা শেট্টির স্বামী। মুম্বই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই কুন্দ্রার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সোমবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তারপরই রাতের দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কুন্দ্রা যে এই কাজে জড়িত সেই ব্যাপারে যথেষ্ট প্রমাণ ছিল। সেই কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি মুম্বই পুলিশের।

শোনা গিয়েছে, দেশে তৈরি অ্যাপের মাধ্যমে পর্ন কনটেন্টগুলি তৈরি করা হত। তারপর তা বিদেশের এক OTT প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা হত। সাতদিন পর নাকি সেগুলি আপনা থেকেই ডিলিট হয়ে যেত। এই কাজে উঠতি অভিনেত্রী-মডেলদেরও জড়ানো হত বলে অভিযোগ। প্রতি প্রজেক্টের জন্য নাকি দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা দেওয়া হত। সংস্থায় রাজ কুন্দ্রার ৮ থেকে ১০ কোটি টাকা বিনিয়োগ ছিল।

২০০৯ সালে রাজ কুন্দ্রার সঙ্গে বিয়ে হয় শিল্পা শেট্টির। ২০১২ সালে তাঁদের সন্তান ভিয়ানের জন্ম হয়। গত বছর রাজ ও শিল্পার ঘরে আসে কন্যা সামিশা। এর আগে আইপিএলে ম্যাচ গড়াপেটা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছিল রাজ কুন্দ্রার। তখন তিনি রাজস্থান রয়্যালসের মালিক ছিলেন। ২০১৩ সালের আইপিএলে স্পট ফিক্সিং কাণ্ড ঘটেছিল। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে দুবছরের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসকে। দুবছরের নির্বাসন কাটিয়ে রাজস্থান রয়্যালস আবার আইপিএলের মূল স্রোতে ফেরে। কিন্তু রাজ কুন্দ্রাকে আর দেখা যায়নি মেগা টুর্নামেন্টে।



আরও খবর
পরীমনির বাসায় শত শত মদের বোতল

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১

নায়িকা পরীমণি আটক

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১