আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

নাফ নদী পাড়ি দেওয়ার অপেক্ষায় শত শত রোহিঙ্গা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্তের কাছে মিয়ানমারের ভেতরে দেশটির সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী দল আরাকান আর্মির মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ, গুলি ও বোমাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে টেকনাফ অংশে মিয়ানমারের শীলখালী ও বলিবাজার এলাকার বাসিন্দাদের সেখানে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এসব এলাকার জীবনের ঝুঁকি বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের আশায় মিয়ানমারের শত শত রোহিঙ্গা টেকনাফ ও উখিয়াসংলগ্ন নাফ নদীতে নৌকা নিয়ে ভাসছেন। দিনের বেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্টগার্ড বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুপ্রবেশ সম্ভব হচ্ছে না। তাই রাতে নজরদারি এড়িয়ে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করছেন অনেকেই।

সরেজমিনে দেখা যায়, লম্ববিল, উনছিপ্রাংকানজড় পাড়া এলাকাসহ নাফ নদীতে ছোট ডিঙি নৌকা নিয়ে অবস্থান করছে কিছু রোহিঙ্গা। যেখানে ছোট শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ আছে। তারা বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে বিজিবি বাঁশি দিলে তারা মিয়ানমারের সীমান্তে চলে যান। তারা মিয়ানমারের কুমিরখালী জুমহাড়া ও ঘোনা পাড়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা যায়।

বিজিবি ও কোস্টগার্ড সূত্র মতে, নাফ নদী অতিক্রম করে টেকনাফে অনুপ্রবেশের সময় রোহিঙ্গা নাগরিকবোঝাই ৪-৬টি নৌকা মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময় টেকনাফ সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে বিজিবি ১০ জন রোহিঙ্গাকে আটক করে আবার মিয়ানমারে ফেরত পাঠিয়েছে।

উখিয়া পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর চৌধুরী বলেন, আমার ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকা দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। শুনেছি বলিবাজার থেকে কিছু রোহিঙ্গা নদীতে ডিঙি নৌকা নিয়ে অবস্থান নিয়েছে সুযোগ বুঝে অনুপ্রবেশ করার জন্য। এর আগেও ২৩ জন রোহিঙ্গা অস্ত্র নিয়ে অনুপ্রবেশের সময় স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে আমি তাদের আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছি। আমরা সজাগ আছি কোনো রোহিঙ্গাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

হোয়াইক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আনোয়ারী বলেন, আমাদের এলাকা দিয়ে রোহিঙ্গারা প্রবেশের চেষ্টা করছে। দুই থেকে তিন দিনে ৬ জন রোহিঙ্গাকে বিজিবি আটক করে পুশব্যাক করেছে। আরও কিছু রোহিঙ্গা ডিঙি নৌকা নিয়ে নাফ নদীতে অবস্থান করছে শুনেছি। এইজন্য আমার সব ইউপি সদস্যদের সর্তক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনোভাবেই যেন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করতে না পারে।

উনছিপ্রাং ২২নং ক্যাম্পের হেড মাঝি রফিক বলেন, এই মুহূর্তে কুমিরখালী ঘাঁটি দখল নিতে কয়েকদিন ধরে যুদ্ধে চলছে। কুমিরখালী জুমহাড়া ও ঘোনা পাড়া এলাকায় কয়েকশ রোহিঙ্গা পরিবার আছে। এলাকাগুলোতে ব্যাপক হামলা হচ্ছে। অনেকেই ঝুঁকিতে আছেন।

বিজিবির টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ৯ ফেব্রুয়ারি হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল এলাকায় নাফ নদীর শূন্যরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমার থেকে আসা সন্দেহজনক দুই নারী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করে। এ সময় বিজবির সদস্যরা ওই দুই নারীকে দেখতে পেয়ে থামার জন্য নির্দেশ দেন। পরে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথামিক জিজ্ঞাসাবাদে, ওই দুই নারী নিজেদের মিয়ানমারের নাগরিক পরিচয় দেন। পরে তাদের পুশব্যাক করা হয়। আমরা সব সময়ই সজাগ আছি।


আরও খবর



দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন এশা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

সংসার ভাঙল বলিউড অভিনেত্রী এশা দেওলের। ২০১২ সালের জুন মাসে হিরে ব্যবসায়ী ভরত তখতানির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন এশা। গেল মাসেই গুঞ্জন উঠেছিল এ তারকা দম্পতির বিচ্ছেদের। আর এক মাস না যেতেই সে গুঞ্জনে সিলমোহর দিলেন এশা। তবে এশা ও ভরতের সংসার কেন ভাঙল, সে বিষয় জানা যায়নি।

ভারতীয় গণমাধ্যম দিল্লি টাইমসকে যৌথ একটি বিবৃতি পাঠিয়েছেন এশা ও ভরত। বিবৃতিতে এ দম্পতি লেখেন- আমরা যৌথভাবে আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জীবনের এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকার পাবে আমাদের দুই সন্তান। আমাদের প্রাইভেসি রক্ষা করলে সম্মানিত বোধ করব।

মূলত, সোশ্যাল মিডিয়া রেডিট থেকে এশা দেওল ও ভরতের বিয়েবিচ্ছেদের গুঞ্জন চাউর হয়। সংসার ভাঙার কারণ ব্যাখ্যা করে নেটিজেনরা দাবি করেছিলেন, ভরত অন্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে এশার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তবে কী কারণে সংসার ভেঙে গেলো, তার কোনো ব্যাখ্যা বিবৃতিতে দেননি এই দম্পতি।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের জুন মাসে হিরে ব্যবসায়ী ভরত তখতানির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন এশা। ২০১৭ সালে প্রথম সন্তান রাধ্যার জন্ম হয়। এর ঠিক দুবছর পর দ্বিতীয় সন্তান মীরার জন্ম হয়।

২০০২ সালে রোমান্টিক থ্রিলার সিনেমা কোই মেরে দিল সে পুছে দিয়ে হিন্দি সিনেমায় অভিষেক হয় এশার। ছবিটির জন্য ফিল্মফেয়ারে সেরা নবাগত অভিনেত্রীর পুরস্কার পান এশা। এরপর এশাকে দেখা যায় ধুম, নো এন্ট্রি, কাল ইত্যাদি সিনেমায়।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




খালেদার গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ৬ মার্চ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। আগামী ৬ মার্চ নতুন এ দিন ধার্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক আলী হোসেনের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল।

এ দিন খালেদা জিয়ার পক্ষে আংশিক শুনানি করেন তার আইনজীবী মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার। এরপর শুনানি মুলতবি রাখার জন্য সময়ের সময়ের আবেদন করেন তিনি। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৬ মার্চ দিন ধার্য করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী চার দলীয় জোট সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন।

মামলার ২৪ আসামির মধ্যে ১১ জন এরই মধ্যে মারা গেছেন। মামলার জীবিত আসামিরা হলেন, সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান কমোডর জুলফিকার আলী, প্রয়াত মন্ত্রী কর্নেল (অব.) আকবর হোসেনের স্ত্রী জাহানারা আকবর, তিন ছেলে ইসমাইল হোসেন সায়মন ও এ কে এম মুসা কাজল, এহসান ইউসুফ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক সদস্য এ কে রশিদ উদ্দিন আহমেদ, গ্লোবাল অ্যাগ্রোট্রেড প্রাইভেট লিমিটেডের (গ্যাটকো) পরিচালক শাহজাহান এম হাসিব, গ্যাটকোর পরিচালক সৈয়দ তানভির আহমেদ ও সৈয়দ গালিব আহমেদ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এ এস এম শাহাদত হোসেন, বন্দরের সাবেক পরিচালক (পরিবহন) এ এম সানোয়ার হোসেন ও বন্দরের সাবেক সদস্য লুৎফুল কবীর।


আরও খবর
জজ কোর্ট চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পাকিস্তানের রাজধানীতে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভোট কারচুপির অভিযোগে পিটিআইসহ পাকিস্তানের কয়েকটি রাজনৈতিক দল বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। আর এর প্রেক্ষিতে দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

ইসলামাবাদ পুলিশ হুমকি দিয়েছে, যে বা যারা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গণ জমায়েত বা সমাবেশ করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) মাইক্রো ব্লগিং সাইটে ইসলামাবাদ পুলিশ বলেছে, কিছু মানুষ নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য সরকারি অফিসের সামনে উস্কানিমূলক জমায়েত করছে। পরিষ্কারভাবে বলা হচ্ছে, গণ জমায়েতের জন্য উস্কানি দেওয়াও এক ধরনের অপরাধ।

ঔপনিবেশিক (ব্রিটিশ আমল) শাসনের একটি বিধান হলো ১৪৪ ধারা। যে জায়গা বা স্থানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় সেখানে প্রকাশ্যে চারজনের বেশি মানুষ জড়ো হতে পারেন না। এই ধারা ভঙ্গ করলে সরাসরি গুলিও ছোড়া হয়।

রাষ্ট্রীয়ভাবে ভোট চুরির অভিযোগ তুলে পুরো পাকিস্তানে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই। যদিও প্রথমে পিটিআই তাদের কর্মী-সমর্থকদের বিভিন্ন শহরে জড়ো হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে দলটি। শহরের বিভিন্ন জায়গায় জড়ো হওয়ার বদলে নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করে রাখার কর্মসূচি দেয় তারা।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের ২৬৬ আসনের মধ্যে ২৬৫ আসনে নির্বাচন হয়। বৃহস্পতিবার নির্বাচন হলেও; রোববার সব আসনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ ঘোষণা অনুসারে, এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১০১টি আসন জিতেছে। যার মধ্যে ৯৬টি আসনে জিতেছেন ইমরান খানের পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ৭৫টি আসনে জয় পেয়েছে।

এছাড়া প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি ৫৪টি আসনে জয় পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। করাচি-ভিত্তিক দল মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) ১৭টি আসন জিতেছে।

পিটিআইয়ের দাবি, তারা আরও বেশি আসনে জয় পেয়েছে এবং একক দল হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। কিন্তু তারা যেন সরকার গঠন করতে না পারে; সেজন্য বিভিন্ন আসনের ফলাফল পাল্টে দিয়ে তাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: পাকিস্তান

আরও খবর



মাংস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কুকুর জবাইয়ের অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বরিশাল প্রতিনিধি

Image

বরিশাল নগরীর বটতলা বাজারে একটি কুকুর জবাইর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ী রায়হান মোল্লার বিরুদ্ধে। ঘটনা ধরার পরপরই স্থানীয়দের রোষাণলে পড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।

অভিযুক্ত রায়হান নগরীর বটতলা এলাকার দিলবাগ গলির বাসিন্দা মিন্টু মোল্লার ছেলে। সে বটতলা বাজারের মাংস বিক্রেতাদের কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো।

এদিকে, বটতলা মাংস বাজারের ব্যবসায়ীরা প্রকৃত ঘটনা উদ্ধার করে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গতকাল রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বটতলা বাজারের মাংস বিক্রির দোকানের পিছনে নিয়ে মাংস কাটার রামদা দিয়ে কুকুরটিকে জবাইয়ের চেষ্টা চালায় রায়হান। এক পর্যায়ে কুকুরটি দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় কুকুরটির গলা থেকে রক্ত ঝরতে থাকে। বটতলা থেকে দৌড়ে হালিমা খাতুন স্কুল সংলগ্ন এলাকার গলিতে গিয়ে মাটিতে পড়ে যায়। এরপর এ্যানিমেল ওয়েলফেয়ারের সদস্যরা এসে চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা চালায়। কিন্তু ততক্ষণে কুকুরটি মারা যায়।

পরবর্তীতে বটতলা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা রায়হানকে আটকে অভিযান চালালে সে পালিয়ে যায়।

একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ, ওই কুকুর জবাই করে চামড়া ছাড়ানোর পর তা কুকুর না ছাগল, কেউ বলতে পারবে না। তাদের ধারণা কুকুরটি জবাই করে ছাগলের মাংস হিসেবে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল রায়হানের। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান তারা।

জানা গেছে, বটতলা বাজারে ১১টি মাংস বিক্রির দোকান আছে। সিটি করপোরেশনের তালিকাভুক্ত শহরের মধ্যে বাজার আছে ১৭টি। অর্ধশত মাংসের দোকান রয়েছে এসব বাজারে। এর একটিতে কাজ করে রায়হান।

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিচুল হক বলেন, খবর পেয়ে অভিযুক্ত রায়হানের বাড়িতে আমরা অভিযান চালাই। তবে তাকে পাইনি। সে বটতলা বাজারের একটি মাংসের দোকানের কর্মচারী। এ ঘটনার তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এলেন আরও ৬৩ জন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রাষ্ট্রীয় জান্তা বাহিনীর সঙ্গে জাতিগত বিদ্রোহীদের চলমান সংঘর্ষে জীবন বাঁচাতে আরও ৬৩ জন বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২৭ জনে।

তাদের মধ্যে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্য, সেনা সদস্য, পুলিশ সদস্য, ইমিগ্রেশন সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।

বিজিবি বলছে, যারা অস্ত্রসহ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন তাদের নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিজিবি সদরদপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিজিপিসহ অন্য ৩২৭ সদস্যকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে বিজিবি। নতুন করে আরও এসেছে ৬৩ জন। এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত টহল ও চেকপোস্ট বাড়ানো হয়েছে। কোনো রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দেশের স্বার্থে সীমান্তে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে বিজিবি।

এদিকে, বুধবার বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়নের আওতাধীন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিজিবির নিয়ন্ত্রণে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে ধৈর্য ধারণ করে, মানবিক থেকে এবং আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, অবৈধভাবে আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। দেশ মাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মহাপরিচালক সকালে বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্ত এবং তৎসংলগ্ন বিওপি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে দায়িত্বরত সব পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি দেশ মাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সীমান্তে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সদা তৎপর থাকার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য দায়িত্বরত সব বিজিবি সদস্যের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

বিজিবি মহাপরিচালক মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘর্ষের জেরে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি), মিয়ানমার সেনাবাহিনী, ইমিগ্রেশন সদস্য, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সব সদস্য খোঁজ খবর নেন এবং আহত অবস্থায় আসা ও হাসপাতালে চিকিৎসারত বিজিপি সদস্যদের দেখতে যান।

নিউজ ট্যাগ: বিজিপি

আরও খবর