আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

নাজিরপুরে ইউপি চেয়ারম্যান উত্তম কুমার মৈত্রের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ মে ২০২১ | ৭৬২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পিরোজপুরের নাজিরপুরে ইউপি চেয়ারম্যান উত্তম কুমার মৈত্রের বিরুদ্ধে  অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

 

উত্তম কুমার উপজেলার ৮ নম্বর শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে ওই ইউনিয়নের ১২ জন মেম্বারের মধ্যে ১১ জন মেম্বার জেলা প্রশাসকের কাছে তার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাপারে অভিযোগ করেছেন।

 

শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের ইউপি সদস্যদের দেওয়া অভিযোগে জানা যায়, ওই ইউনিয়নের নৈলতলা জ্যোতি প্রকাশ রায়ের বাড়ির কাছে একটি লোহার পুল মেরামত বাবদ ২ লাখ টাকা, খেঁজুরতলা সপ্তগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন লোহার পুল মেরামত বাবদ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক বরাদ্দ করে তার কোনো কাজ না করে পুরো টাকাই আত্মসাৎ করেন উত্তম কুমার।

ইউপি সদস্য বাবু উত্তম কুমার মৈত্র, বলিবাবলা একটি খালের উপর লোহার ব্রীজের ছাওনি কাঠ অথবা স্লাবের পরিবর্তে সুপারী গাছ দিয়ে ছাওনি দেন ।

 

এছাড়াও অবৈধ ভাবে ইউনিয়নের মেইন সড়কের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে তার নামে। এলজিএসপি-৩ এর আওতায় প্রতি বছর বরাদ্দকৃত ১৮-২০ লাখ টাকা কাজের কোনো ইউপি সদস্যদের সংশ্লিষ্ট না করে তাদের নাম ব্যবহার করে নিজের খেয়াল-খুশি মতো প্রকল্প দেখিয়ে তা আত্মসাৎ করেন। এছাড়া ওই সব এলজিএসপির কাজে পুরাতন অকেজো মালামাল জোড়া তালি দিয়ে ব্যবহার করেন। গত অর্থ বছরে ৭৮ হাজার টাকায় মধুরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে থাকা লোহার পুল মেরামত প্রকল্পের কাজ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু তিনি সেখানে কোনো কাজ না করে পুরো টাকাটাই উত্তোলন করেন আত্মসাৎ করেন। ইউপি সদস্যদের দেওয়া কাজ বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দের ও ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক টিআর-কাবিখা কাজেরও তাকে শতকরা ৩০ ভাগ দিতে হয়। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, পঙ্গু ভাতা, হরিজন ভাতা, মৎস্য ভিজিএস কার্যক্রম, দুস্থ সাহায্যের তালিকাসহ গভীর নলকূপ প্রদানে স্বজনপ্রীতি ও বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ওই ইউনিয়নের কাঁঠালতলা সুনীল সন্যাসীর বাড়ির সামনের লোহার পুলের স্থলে ত্রাণ ও পুর্ণবাসন প্রকল্পের আওতায় কালভার্ট নির্মাণ করা হলে সেখানে থাকা লোহার ব্রিজটির মালামাল ইউনিয়ন পরিষদে জমা না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করেন।

 

এছাড়া চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় শালিশ-বৈঠকসহ বিভিন্নভাবে আর্থিক বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। তিনি নির্বাচিত হওয়ার এক বছরের মধ্যেই শ্রীরামকাঠীর বন্দর সংলগ্ন ভীমকাঠীতে তিন তলা বিশিষ্ট সুদৃশ্য পাকা ভবন নির্মাণ করেছেন।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার নির্বাচন পরিচালনাকারী একাধিক সদস্যরা জানান, তিনি নির্বাচনের সময় নিজের টাকা না থাকায় অন্যের কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য এনে নির্বাচন ওঠাতে হয়েছে।

 

জানা যায়, ওই ইউনিয়নের ৬ বারের চেয়ারম্যান ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ মালেক বেপারী। গত ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর তার মৃত্যু হয়। এতে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে পরের বছর ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিলের  অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন উত্তম কুমার মৈত্র।

 

ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খোকন কাজী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্থানীয় একাধিক শালিশ-বৈঠক থেকে টাকা গ্রহণ, জমি বিক্রির মধ্যস্থতা করে জমির ক্রেতার কাছ থেকে পুরো টাকা নিয়ে তা মালিককে না দিয়ে আত্মসাৎ করার বহু অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীরা নিরুপায় হয়ে আমার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন। চেয়ারম্যানকে বললে তিনি কোনো কর্ণপাত করেন না। 

 

এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান উত্তম কুমার মৈত্রের মোবাইলে ফোন করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে ইউপি সদস্যদের সঙ্গে একটি বৈঠকের মাধ্যমে মিটমাট হয়েছে।

 

তার বহুতল ভবন নির্মাণের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি ও তার স্ত্রীর চাকরি (এনজিও) থেকে অবসর যাওয়ার টাকা ও বাবার জমি বিক্রির টাকা দিয়ে ওই ভবন তৈরি করা হয়েছে। কেউ আমার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করলে তাদের টাকা দিয়ে দিবো।


আরও খবর



২ মামলায় মামুনুলের ২৪ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

প্রকাশিত:রবিবার ০২ মে 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ মে 2০২1 | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিয়েরে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের মামলাসহ আরও ২ মামলায় হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত হওয়া কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের ২৪ দিন রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে থানা ও ডিবি পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় করা সহিংসতা ও ধর্ষণসহ তার বিরুদ্ধে পৃথক ৩টি মামলা রয়েছে।

সোনারগাঁ থানার দায়ের করা জান্নাত আরা ঝর্ণার মামলায় আজ রবিবার (২ মে) নারায়নগঞ্জ আদালতে মামনুল হকের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। এছাড়াও রয়েল রিসোর্টে ভাংচুরের মামলায় ৭ দিনের ও সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস ভাংচুর মামলায় ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে ডিবি।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম জানান, পুলিশের তদন্তে থাকা ঝর্ণার মামলায় ১০ দিন, ডিবির তদন্তে থাকা রিসোর্টকাণ্ডের মামলা ও আওয়ামী লীগের অফিসে হামলা মামলায় পৃথকভাবে ৭ দিন করে ১৪ দিন মোট ২৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।


আরও খবর



ভোটে হেরেও যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মমতা

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ মে ২০২১ | ১৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
কেউ হেরে যাওয়ার পরও তার দল যদি সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায় এবং দলের নির্বাচিত সদস্যরা যদি তাকে নেতা নির্বাচিত করেন, তাহলে তার মুখ্যমন্ত্রী হতে আইনগত কোনো বাধা নেই। তবে ভোটে না জিতেও মুখ্যমন্ত্রী হলে তাকে ওই পদে বসার

বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিশাল জয় নিয়ে ক্ষমতায় বসছে তৃণমূল। তবে নিজ আসন নন্দীগ্রামে নিজেরই এক সময়কার ডানহাত শুভেন্দু অধিকারীর কাছে তুমুল লড়াই করেও হেরেছেন মমতা ব্যানার্জী। দলীয় নেত্রীর এই হেরে যাওয়ার পর প্রশ্ন উঠেছে- দল সরকার গঠন করলে তিনি কি মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন? উত্তর হলো- হ্যা, পারবনে।

ভারতীয় সংবিধানের ১৬৩ ও ১৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দেশটির কোনো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হতে হলে তাকে ভারতের নাগরিক হতে হবে এবং বয়স হতে হবে ২৫ বা তার বেশি। তাকে রাজ্যের বিধানসভার সদস্য হতে হবে। আর বিধানসভার সদস্য না হয়েও কেউ যদি মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন, তাকে রাজ্যপালের অনুমতি নিতে হবে।

কেউ হেরে যাওয়ার পরও তার দল যদি সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায় এবং দলের নির্বাচিত সদস্যরা যদি তাকে নেতা নির্বাচিত করেন, তাহলে তার মুখ্যমন্ত্রী হতে আইনগত কোনো বাধা নেই। তবে ভোটে না জিতেও মুখ্যমন্ত্রী হলে তাকে ওই পদে বসার ১৮০ দিনের মধ্যে কোনো একটি আসন থেকে জিতে আসতে হবে। তা না পারলে ছেড়ে দিতে হবে পদ।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার ২৯৪ আসনের মধ্যে দুটির ভোটগ্রহণ প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত রয়েছে। ফলে এর একটি আসনে ছয় মাসের মধ্যে জিতে এলেই মমতার মুশকিল আসান হতে পারে।

তিন দশকের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন মমতা। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, ওই সময় তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন। ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটে তিনি লড়েননি। পরে দল জয় পেলে তাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে মনোনয়ন দেন তৃণমূলের বিধায়কেরা । এরপর লোকসভা থেকে পদত্যাগ করেন মমতা।

ভবানীপুরে সুব্রত বক্সির জেতা আসনে উপনির্বাচনে জিতে আসেন তিনি। পরে ২০১৬ সাল পুনরায় মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি।


আরও খবর



করোনায় মৃত্যু কমে ৫৭ জন, শনাক্ত ২১৭৭

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | ১১৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।  এ নিয়ে দেশে করোনায় প্রাণ হারালেন মোট ১১ হাজার ৪৫০ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতি ভাইরাসটি ধরা পড়েছে ২ হাজার ১৭৭ জনের শরীরে।

শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যে এসব জানা গেছে। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল ১১২ জনের সর্বোচ্চ মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এটি দেশে এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুর রেকর্ড। এর আগে গত ১৬ ও ১৭ এপ্রিল করোনায় ১০১ জন করে মারা যান। আর ১৮ এপ্রিল করোনায় মারা যান ১০২ জন। দেশে প্রথম রেকর্ড মৃত্যু হয় সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিন ৯৬ জনের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ২১৭৭ জন নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৭ লাখ ৫৯ হাজার ১৩২ জন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। আর প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে করোনা পরিস্থিতি।

এ বছর মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মধ্যে কয়েক মাস ধরে শনাক্তের চেয়ে সুস্থ বেশি হওয়ায় দেশে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে আসছিল। কিন্তু মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও আবার বাড়তে শুরু করেছে।গত বছরে এত মৃত্যুর সংখ্যা দেখেনি দেশ। তবে এ বছরই আক্রান্ত ও মৃত্যু রেকর্ড হারে বাড়তে থাকে।


আরও খবর



লকডাউনে রিকশার রাজত্বে রাজধানী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | ১১৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ মোকাবেলায় সারাদেশে চলছে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন। কিন্তু লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে নানা অজুহাতে সড়কে যানবাহনসহ বেড়েছে সাধারণ মানুষের চাপ।

তবে ঢাকার সড়কগুলোতে রাজত্ব করছে রিকশা। এদিকে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য সড়কের মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। মুভমেন্ট পাস থাকলেই চলাফেরা করতে দিচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর সদরঘাট, গুলিস্থান, পল্টন, কাকরাইর, রামপুরা, বাড্ডা, প্রগতি সরণী, নতুনবাজার এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, লকডাউনের দ্বীতিয় দিন বৃহস্পতিবার  রাজধানীর সড়কে গাড়ির চাপ না থাকায় বেশির ভাগ সড়ক ছিলো ফাঁকা। তবে সড়কগুলোতে রিকশার রাজত্ব দেখা গেছে। প্রতিটা সড়কের মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। তবে লকডাউনের মধ্যেও ব্যাংকসহ জরুরি যেসব অফিস খোলা রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা রাস্তায় নেমে অফিসে পৌঁছাতে গিয়ে পড়েছেন বিপাকে।

এদিকে যাত্রী ছাড়া রিকশা দেখলেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে রিকশা উল্টিয়ে দিচ্ছে, আবার রেকারে দিচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের কাছে মুভমেন্ট পাশ আছে কি দেখতে চাইছে। দেখাতে পারলে ছেড়ে দিচ্ছে নইলে রির্টান করছে বাসা বা জরিমানা করতে দেখা গেছে।

রিকশ চালক আনোয়ার জানান, ভোর থেকেই রাস্তায় রিকশা চালাচ্ছি। সকালের দিকে পুলিশ কিছু রিকশায় রেকার দিয়েছে, আবার কিছু রিকশা উল্টিয়ে রেখেছে। আমার রিকশাও উল্টিয়ে রেখেছিলো। দুই তিন ঘণ্টা পরে ছেড়ে দিয়েছে। আমরা গরিব মানুষ ভাই একদিন রিকশা না চালালে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। রোজা রাখছি তাই ১টা পর্যন্ত রিকশা চালাবো। পড়ে বাসায় চলে যাবো।

এদিকে, রাজধানীর সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। যারা বিনা কারণে বাইরে ঘোরাঘুরি করবেন, মুভমেন্ট পাস না নিয়ে বাইরে বের হবেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মানবেন না তাদেরকে জরিমানা করা হচ্ছে। জরিমানার পাশাপাশি জনগণকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না আসার জন্য এবং স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদ্বুদ্ধও করছে র‍্যাব।


আরও খবর



কোডিভ আক্রান্তদের সাহায্যে ঈদের সিনেমার লভ্যাংশ দেবেন সালমান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ মে ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে দিশেহারা ভারত। সিনেমা ও টিভি শোর শুটিং স্থগিত রয়েছে। দ্বিতীয় দফায় মহারাষ্ট্র সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। এ অবস্থায় মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসছেন বলিউডের অনেক তারকা। গত বছরের মতো এবারও ত্রাতার ভূমিকায় আবির্ভূত হয়েছেন সুপারস্টার সালমান খান। ভারতের বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বলিউড বাবলের খবর, কোভিড আক্রান্তদের সহায়তায় রাধে সিনেমার লভ্যাংশ ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেবেন সালমান খান ও জি এন্টারটেইনমেন্ট।

সালমান খান ফিল্মস ও জি যৌথভাবে গিভইন্ডিয়ার সঙ্গে ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে কাজ করছে। তারা কোভিড আক্রান্তদের জন্য চিকিৎসাসামগ্রী, অক্সিজেন সিলিন্ডার, কনসেনট্রেটর ও ভেন্টিলেটরসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিচ্ছে। সম্প্রতি কোভিডে মারা যান কর্ণাটকের ১৮ বছরের এক তরুণের বাবা। সেই তরুণকে রেশন ও শিক্ষাসামগ্রী দিয়ে সহায়তা করেছেন সালমান খান।

নিউজ ট্যাগ: সালমান খান

আরও খবর