আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

নাজিরপুরে সরকারি জমি দখল করে আ.লীগ নেতার মার্কেট!

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ মে ২০২১ | ১৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে সরকারি এ সম্পত্তির উপর পাকা ও আধাপাকা প্রায় শতাধিক দোকান রয়েছে। দোকান গুলো ওই আ.লীগ নেতার কাছে ভাড়া নিয়ে বছরের পর বছর ব্যবসা করে আসছেন ব্যবসায়ীরা

পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলায় সরকারি খাস জমি দখল করে সেখানে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করেছেন মোশারেফ হোসেন খান নামে এক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি নাজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তার দখল করা সরকারি ওই খাস জমিতে তিনি প্রায় শতাধিক পাকা, আধাপাকা দোকান ঘরসহ বাসাবাড়ি করে বছরের পর বছর ভাড়া দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, নাজিরপুর উপজেলাকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মুখভাগ থেকে নাজিরপুর কলেজ পর্যন্ত পাকা সড়ক, ওয়াক ওয়ে, ড্রেন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। কিন্তু এই সড়কটির শুরুর স্থান নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মুখভাগ থেকে নদীর পাড় পর্যন্ত প্রায় ৩ শ মিটার লম্বা এবং ১শ মিটার চওড়া সরকারি খাস জমিতে ওই আ.লীগ নেতার শতাধিক অবৈধ স্থাপনা থাকায় চলমান এ উন্নয়ন প্রকল্পটি থমকে আছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে সরকারি এ সম্পত্তির উপর পাকা ও আধাপাকা প্রায় শতাধিক দোকান রয়েছে। দোকান গুলো ওই আ.লীগ নেতার কাছে ভাড়া নিয়ে বছরের পর বছর ব্যবসা করে আসছেন ব্যবসায়ীরা। একাধিক ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই আ.লীগ নেতার নিকট দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছেন বলে স্বীকার করেন। অনেকে এটা চেয়ারম্যান মার্কেট হিসেবে পরিচিত বলেও জানান।

স্থানীরা জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা প্রশাসন ওই আ.লীগ নেতাকে তার অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দিলেও এখন পর্যন্ত তিনি অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার কোনো উদ্যোগ নেননি। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় বইছে। একাধিক ব্যক্তি নানা মন্তব্য করে ফেসবুকে পোস্ট করছে। অনেকে লিখছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্পের কাজে এমন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি প্রকারান্তরে সরকারের বিরোধিতার শামিল। নাজিরপুর উপজেলার সাধারণ জনগণের কাঙ্খিত এই প্রকল্প নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের জন্য নাজিরপুর উপজেলা ও পিরোজপুর জেলা প্রশাসন এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

পারভেজ খান নামে একজন তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন, নাজিরপুর উপজেলাকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা মাফিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মুখভাগ থেকে নাজিরপুর কলেজ পর্যন্ত পাকা সড়ক, ওয়াক ওয়ে, ড্রেন নির্মাণের কাজ চলমান। নাজিরপুরের সাধারণ জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরন হবে এই কাজ সমাপ্ত হলে। কিন্ত অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে এই সড়কটির শুরুর স্থান, অর্থাৎ নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মুখভাগ থেকে নদীর পাড় পর্যন্ত প্রায় ৩ শত মিটার লম্বা এবং ১ শত মিটার চওড়া সরকারি খাস জমি দখল করে স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধি পাকা ভবন ও আধাপাকা ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে আসছেন। ওই জনপ্রতিনিধির অবৈধ স্থাপনা থাকার কারণে সড়কটির নির্মাণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। সড়ক নির্মাণ কাজ চলমান রাখার জন্য উপজেলা প্রশাসন ওই জনপ্রতিনিধিকে তার অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দিলেও এখন পর্যন্ত সেসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। অনেকে লিখছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পের কাজে এমন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি প্রকারান্তরে সরকারের বিরোধিতার শামিল। নাজিরপুর উপজেলার সাধারণ জনগণের কাক্সিক্ষত এই প্রকল্প নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের জন্য নাজিরপুর উপজেলা ও পিরোজপুর জেলা প্রশাসন এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আরেকজন লিখেছেন উপজেলায় প্রবেশদ্বারের মুখে অবৈধ স্থাপনার কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশের গাড়ি ঢুকতে পারে না।

সরকারি ওই খাস সম্পত্তি পুরোটাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন খান দখল করে দোকানসহ বাসাবাড়ি করে বছরের পর বছর ভাড়া দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এম খোকন কাজী বলেন, সরকারি খাস জমি যার দখলেই থাকুক, উন্নয়নের স্বার্থে সে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

নাজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন মিয়া বলেন, নাজিরপুর উপজেলা সদরের দৃশ্যমান সুন্দর্যবর্ধক প্রকল্প হিসেবে নাজিরপুর উপজেলা হেডকোয়াটার থেকে হুমায়ুন হাজরার বাড়ি পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ৪ কোটি টাকা ব্যয় হবে। তবে সড়কটি শুরু স্থান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে নদীর তীর পর্যন্ত প্রায় তিনশমিটার লম্বা ও ১শ মিটার চওড়া সরকারি খাস জমিটি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দখল করে অবৈধ স্থাপনা করে রেখেছে। সেগুলো অপসারণ না করায় ডিজাইন অনুযায়ি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রকল্পের অন্য অংশের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাখাওয়াত জামিল সৈকত বলেন, যারা ওই জায়গা দখল করে আছে। তাদের ইতোমধ্যে নোটিশ করা হয়েছে এবং উচ্ছেদ মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন দখলকারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান সেই প্রভাবে তিনি নোটিশ পেয়ে তার অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিচ্ছেন না। এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারি সম্পত্তি যেই অবৈধভাবে দখল করে রাখুক, আমরা যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ায় তা উচ্ছেদের ব্যবস্থা করবো এবং তা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান বলেন, ওই জায়গাটি সরকারি খাস জমি। কে দখল করে মার্কেট করেছেন বা ভাড়া দিয়েছেন সেটা বড় বিষয় নয়। যারা বর্তমানে দখলে রয়েছেন তারাই অবৈধ দখলদার। ইতোমধ্যে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা জন্য উচ্ছেদ মামলা করে অনুমোদনের জন্য ডিসি অফিসে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদনের পর উচ্ছেদের জন্য ডিসি অফিস থেকেই ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হবে।

নাজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন খান বলেন, ওই সম্পত্তিটা আমার ক্রয় করা সম্পত্তি ছিলো। একপর্যায়ে সরকার অধিগ্রহণ করে নিলে আমি সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করি। কিন্তু আমি মামলায় হেরে যাই। পরে বাধ্য হয়ে সরকারের কাছে একসনা লিজ নিয়ে ভোগ দখলে আছি। তবে সরকার নতুন লিজ না দেয়ায় নাবায়ন করা সম্ভব হয়নি। উন্নয়নের জন্য কর্তৃপক্ষ আমাকে যতটুকু ছেড়ে দিতে বলবে আমি ছেড়ে দিবো।


আরও খবর



আবু ত্ব-হার সন্ধান পেতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার স্ত্রীর আকুতি

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ছয় দিন ধরে নিখোঁজ ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান-এর সন্ধান চেয়ে তাঁর স্ত্রী সাবিকুন্নাহার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আকুতি জানিয়েছেন। 

বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ও তাঁর তিন সফরসঙ্গীর সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই আকুতি জানানো হয়।

আবু ত্ব-হা'র স্ত্রী সাবিকুন্নাহার বলেন, 'তিনি (আবু ত্ব-হা) নিরীহ মানুষ, ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে। তাঁকে আমার কাছে ফিরিয়ে দিন, নয়তো আমাকে তাঁর কাছে নিয়ে যান।'

তিনি আরও বলেন, 'আমার স্বামী যদি সত্যিকার অর্থে কোনো অপরাধে যুক্ত থাকেন তাহলে রাষ্ট্রীয় আইনে তাঁর বিচার হোক। আমি কিছু বলবো না। তিনি কোনো দলের সংগে যুক্ত নন। আমি এবং কিছু যুবক ছাড়া তাঁর পাশে কেউ নেই।' সে নিখোঁজ কেন? আমি শুধু তাঁর সন্ধান চাই। আমি একজন স্ত্রী হিসেবে জানি না আমার স্বামী কোথায়। আমি আপনাদের কাছে হাতজোড় করে মিনতি করছি, আপনারা আমার স্বামীকে ফিরিয়ে দিন। এর বেশি কিছু চাই না।'

সাবিকুন্নাহার বলেন, 'আমার স্বামী রংপুর থেকে রওনা দিয়েছিলেন বগুড়ার উদ্দেশ্যে। সেখানে তাঁর একটা প্রোগ্রাম ছিলো। কোনো কারণে সেই প্রোগ্রাম না হওয়ায় তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে মোবাইল ফোনে তিনি (ত্ব-হা) আমাকে জানিয়েছিলেন দুইটি বাইক তাঁদের কারটি অনুসরণ করছিলো। শেষ পর্যন্ত আমাকে তিনি তাঁর গুগল ম্যাপ শেয়ার করেছিলেন সেখানে আমি জানতে পেরেছি মিরপুরের আমার বাসা থেকে তিনি আর ১৭ মিনিটের দূরত্বে আছেন। তখন সময় ছিলো রাত ২টা ৩৭ মিনিটের কাছাকাছি।'

ত্ব-হা'র স্ত্রী বলেন, চার জন মানুষকে গাড়িসহ নিয়ে যাওয়া কোনো প্রাইভেট (ব্যক্তিগত) কাজ নয়। রংপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পথে বিকাল ৪টার দিকে তাঁর সংগে ফোনে কথা হয়। দু'টি মোটরসাইকেল তাঁদের অনুসরণ করছিল। তিনি (ত্ব-হা) বলছিলেন, দোয়া করো যেন কিছু না হয়। এর ২০ থেকে ২৪ মিনিট পর ফোন করে জানান বাইকগুলো চলে গেছে।'

তিনি বলেন, 'আমার এখন অনেক কিছু মনে হয়। তিনি জিও পলিটিক্স নিয়ে কথা বলতেন। ইন্টারন্যাশনাল গোয়েন্দাদের বিষয় হতে পারে। ফিলিস্তিন-ইসরাইল ইস্যুতে কী কথা বলতেন- এমন প্রশ্নে ত্ব-হা'র স্ত্রী সাবিকুন্নাহার বলেন, 'বিশ্বের সব মুসলিম আল আকাসাকে ভালোবাসে, তিনি সেই ভালোবাসার জায়গা থেকে কথা বলতেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, ত্ব-হা'র পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসাইন বলেন, 'একটি গাড়ি ও ৪ জনকে মানুষকে এভাবে গায়েব করে দেওয়া কোনো প্রাইভেট লোকের কাজ হতে পারে না। এখানে কোনো সংস্থা বা অন্য কোনো মানুষ জড়িত আছে বলে আমরা মনে করি।

এছাড়া সংবাদ সম্মেলন শেষে ডিআরইউ-এর সামনে দ্রুত সময়ের মধ্যে আবু ত্ব-হা'র সন্ধান চেয়ে 'আমরা আবু ত্ব-হা'র ভাই' ব্যানারে মানববন্ধন হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১০ জুন) দিনগত রাত থেকে আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান তাঁর দুই সফরসঙ্গীসহ ও গাড়ির চালক নিখোঁজ রয়েছেন।


আরও খবর



সংক্রমণ ছাড়ালো ১৭ কোটি, মৃত্যু আরও ১২ হাজার

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ মে ২০২১ | ১০৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারী করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের তাণ্ডবে গোটাবিশ্ব এখন তটস্থ। টিকা কার্যক্রম চললেও থেমে নেই মৃত্যুর মিছিল। যে মিছিলে গত ২৪ ঘণ্টায় শামিল হয়েছে আরও ১২ হাজার ৩শ ১৩ জন। আগের ২৪ ঘণ্টায় যা ছিল ১১ হাজার ৭২৬। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে আরও ৫ লাখ ৬ হাজার ৫০৬ জন, আগের ২৪ ঘণ্টায় যা ছিল ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৭৯০ জন।

করোনা আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, এ নিয়ে বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনা রোগীর মোট সংখ্যা ১৭ কোটি ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৮২। যাদের মধ্যে মারা গেছে ৩৫ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯৭ জন। এ পর্যন্ত ভাইরাসটির সংক্রমণ থেকে ১৫ কোটি ২০ লাখ ৯৯ হাজার ৯২৪ জন সুস্থ হলেও সক্রিয় রোগীর সংখ্যা এখনও ১ কোটি ৪৪ লাখ ৮৬ হাজার ৬১ জন।

বিশ্বে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় সবার ওপরে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ২২ হাজার ৮১৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬২৭ জনের। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৪০ লাখ ২২ হাজার ৬৫৭। যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৮ হাজার ৯৬১ জনের। চিকিৎসাধীন ৫৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৫৬ জন।

এর পরের স্থানেই অবস্থান করা এশিয়ার জনবহুল দেশ ভারতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায়ও প্রাণহানি ঘটেছে ৩ হাজার ৫৬৩ জনের। এ সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে আরও ১ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন। যাতে এ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ ১৯ হাজার ৪৩১ জনে। আর মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ২২ হাজার ৩৮৪ জনের। চিকিৎসাধীন ২২ লাখ ২৬ হাজার ৯৫ জন।

তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা ল্যাটিন আমেরিকার ফুটবলপ্রিয় দেশ ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৪১৮ জনের এবং শনাক্ত হয়েছে ৫০ হাজার ৪৯৫ জন। যা নিয়ে দেশটিতে এখন মোট মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ ৫৯ হাজার ১৭১ আর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯২ হাজার ৬৫৭। চিকিৎসাধীন ১১ লাখ ২২ হাজার ২২০ জন।

তালিকায় এরপরের স্থানে থাকা ফ্রান্স, তুরস্ক, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও ইতালিতে সংক্রমণের সংখ্যা ৪০ থেকে ৬০ লাখের মধ্যে থাকলেও তুরস্ক বাদে অপর দেশগুলোতে মৃত্যু লাখ ছাড়িয়েছে। ৩৩ নম্বরে থাকা বাংলাদেশেও মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১২ হাজার ৫শ।



আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




৫৩ দিন পর ফিরোজায় ফিরলেন খালেদা

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ৫৩ দিন চিকিৎসা শেষে গুলশানে নিজের বাসা ফিরোজায় ফিরলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শনিবার (১৯ জুন) রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে সিলভার রঙের গাড়িতে গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় আসেন তিনি। এসময় তার সঙ্গে কাজের সহকারী ফাতেমাও ছিলেন।

এর আগে রাত সোয়া ৮টার দিকে হাসপাতাল থেকে গাড়িতে করে তিনি বাসার উদ্দেশে রওনা হন। খালেদা জিয়ার বাসভবনে ফেরাকে কেন্দ্র করে বাসার আশেপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার লোকজনকেও দেখা গেছে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া ছিল, যেন কেউ ফিরোজার সামনে ভিড় না করেন। এ কারণে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ আল মামুন বলেন, শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় মেডিকেল বোর্ড হাসপাতাল থেকে ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বিকালে হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসায় গেছেন।

মামুন বলেন, খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল টিমই তাকে তার বাসায় চিকিৎসা দিবে। গত ১১ এপ্রিল ৭৬ বছর বয়সী এই বিএনপি প্রধানের করোনা শনাক্ত হয়। এরপর ২৭ এপ্রিল তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তির একদিন পর ২৮ এপ্রিল অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শুরুতে গুলশানের বাসভবন ফিরোজার দ্বিতীয় তলায় একটি রুমে চিকিৎসা চলছিল বিএনপি নেত্রীর। গত ১৫ এপ্রিল এভারকেয়ার হাসপাতালে সিটি স্ক্যান করানো হয় খালেদা জিয়ার। এরপর ফিরিয়ে আনা হয় গুলশানের বাসভবনে। অবস্থার অবনতি হলে ২৭ এপ্রিল একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপি-প্রধানকে।

আক্রান্তের ২৭ দিন পর ৪ মে পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ হন। কিন্তু করোনা পরবর্তী জটিলতা ও অন্যান্য শারিরীক অসুস্থতার কারণে তিনি হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। সিসিইউতে থাকা অবস্থায় গত ২৮ মে হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হন খালেদা জিয়া। গত ৩ জুন চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে কেবিন ফিরিয়ে আনা হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারের কাছে গত ৬ মে খালেদা জিয়ার পরিবার তাকে বিদেশে নেয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। কিন্তু সরকার তা নাকচ করে দেয়।

৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়ার বাতজ্বর, হাঁটুর ব্যাথা, চোখের সমস্যা, ডায়াবেটিসসহ নানা শারীরিক জটিলতা রয়েছে।

গত বছর ২৫ মার্চ করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে এক নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়াকে ছয় মাসের জন্য কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়।


আরও খবর



দেশের ছয় অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | ১২৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ছয় অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক পূর্বাভাসে আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার থেকে আসাম অতিক্রম করে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে অবস্থান করছে এবং অপর লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই কারণে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে এবং সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ছাড়া রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী তিন দিন আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।


আরও খবর



শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই দেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল

প্রকাশিত:শুক্রবার ১১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১১ জুন ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পিরোজপুর প্রতিনিধি:

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম (এমপি) বলেছেন, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই দেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার গরীব বান্ধব এবং জনবান্ধব সরকার। তিনি আছেন বলেই এ দেশে একটা লোকও না খেয়ে মারা যায় না। বাজার সহনীয় পর্যায় এবং খামারীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে বাজারে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে।

করোনা মহামারির পরিস্থিতিতে জীবন ও জীবিকা নির্বাহের মধ্য দিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে সামনের দিকে।

পিরোজপুর সদর উপজেলায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী দিনব্যাপী মেলা উপলক্ষে জেলা প্রাণিসম্পদ মিলনায়তনে এ প্রদর্শনী মেলার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, কেউ যদি মাছ চাষ করতে চায় আমরা তার পুকুর খনন করে বিনামূল্যে মাছের পোনাও সরবরাহ করব। চাকুরির পিছনে না ঘুরে আমাদের নিজেই নিজের উদ্যোক্তা হওয়া উচিত এবং আমরা স্বাবলম্বী হয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বচল রাখবো। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করতে না পারলে, আমাদের উন্নতি ব্যহত হবে। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে দেশটাকে সবাই মিলে এগিয়ে নিতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আবু আলী মো.সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান।

প্রদর্শনী মেলায় বিভিন্ন খামারীদের ২৫টি স্টল অংশ গ্রহণ করে। এসময় মন্ত্রী খামারীদের স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং তিনি প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গোখামারীদের হাতে গো খাদ্য ও ভিটামিন তুলে দেন। পরে সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন ও চেক বিতরণ, বিভিন্ন কর্মসংস্থানের নিমিত্তে সুফলভোগীদের মাঝে বকনা গরু বিতরণ এবং মন্দিরভিত্তিক শিক্ষাকার্যক্রমের পুরস্কার ও সাউন্ডসিস্টেম বিতরণ করেন।

অবহিতকরণ সভায়, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মৎস্য কর্মকর্তা, সরকারী কর্মকর্তা, মৎস্য খামারী ও মৎস্য চাষী, জেলেসহ বিভিন্ন পেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর