আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

নামের মিল : রহিমার পরিবর্তে রাহিমা গ্রেফতার

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শুধুমাত্র নামের মিল থাকায় রাজধানী পল্লবীর চিহ্নিত মাদককারবারি রহিমার পরিবর্তে রাহিমা বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নিরপরাধ রাহিমা নামে এক নারীকে একটি মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

রাহিমা নিজেকে নির্দোষ ও নিরপরাধ দাবি করলেও পুলিশ তার কথা শুনেনি। রাহিমাকে রহিমা ভেবেই আদালতে পাঠায় পুলিশ। 

শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পল্লবী থানার মিরপুর ১১ নম্বর বাউনিয়াবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৫ মার্চ পল্লবী থানার একটি মাদক মামলায় মৃত আ. মতিনের স্ত্রী রহিমাসহ তিনজনকে আসামি করা হয়। সেই সময় ওই মামলায় রহিমা কয়েক দফা জেল খাটেন। এরপর জেল থেকে বের হয়ে বাউনিয়াবাঁধ এলাকা ছেড়ে মিরপুর ১২ নম্বর বেগুনটিলা বস্তিতে বসবাস করেন তিনি। ওই মামলার ওয়ারেন্ট বের হলে গত ১০ সেপ্টেম্বর পল্লবী থানার পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আবুল কালাম আজাদ বাউনিয়াবাঁধ এলাকা থেকে রাহিমাকে গ্রেফতার করেন।

আরও জানা যায়, রাহিমা পুলিশের কাছে আকুতি-মিনতি করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও পুলিশ তা শুনেনি। জেল খেটে বের হয়ে লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে মুখ দেখাননি নিরপরাধ রাহিমা।

এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগী রাহিমা। 

অভিযোগে রাহিমা উল্লেখ করেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর পল্লবী থানা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আবুল কালাম আজাদ সকাল ১১টায় আমার বাউনিয়াবাঁধ সি ব্লকের, ১৯ নম্বর লাইনের মাথায় আমার বাসায় এসে বলেন থানায় গিয়ে সাক্ষী দিতে হবে, ওসি স্যার ডেকেছেন। আমি বলি কিসের সাক্ষী দেব, আমি তো কিছু জানি না। এ কথা বলার পর আমাকে বলে কিছু না জানলে সমস্যা নেই। থানা থেকে চলে আসবি।

এ কথা বলে  আমাকে অ্যারেস্ট (গ্রেফতার) করে থানায় নিয়ে যান তিনি। পরের দিন আমাকে কোর্টে চালান দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আমি কোর্ট থেকে উকিলের (আইনজীবী) মাধ্যমে অস্থায়ী জামিন নেই। কোর্ট থেকে এসে আমি জানতে পারি ২০১৭ সালের একটি মাদক মামলায় বাউনিয়াবাঁধ কলাবাগানবস্তির লালমতি নামের এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়।

ওই সময় লালমতি পুলিশের কাছে তার পরিচয় গোপন রেখে তার নিজের নাম রহিমা ও স্বামীর নাম মতি বলেছেন। পুলিশ তাকে ওই মামলায় দুই বার গ্রেফতারও করেছে।  ওই মামলার ওয়ারেন্ট বের হওয়ার পর রহিমাকে গ্রেফতার না করে পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করেছে। এখন আমি সমাজে মুখ দেখাতে পারছি না। এলাকায় সবাই আমাকে মাদককারবারি হিসেবে জেনেছে। কিন্তু আমার নামে থানায় কোনো প্রকার জিডি বা মামলা নেই। 

এ বিষয়ে এএসআই আবুল কালাম আজাদ জানান, ঠিকানা অনুযায়ী যাকে পেয়েছি তাকে গ্রেফতার করেছি। এখন যাচাই-বাছাই চলছে। আমার দ্বারা কারও ক্ষতি হবে না।

নিউজ ট্যাগ: মাদককারবারি

আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আদালতে হাজির করা হচ্ছে ইভ্যালির রাসেলকে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




নুসরাতের পেছনে যুদ্ধাপরাধী-সুশীল সিন্ডিকেট

প্রকাশিত:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুনিয়ার মৃত্যুর মামলাকে জিইয়ে রাখতে উৎসাহী যুদ্ধাপরাধী এবং সুশীল সিন্ডিকেট এই মামলাটি যেন চলমান থাকে, জনমনে যেন এই মামলা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়, সেজন্য তৎপর এই যুদ্ধাপরাধী সিন্ডিকেট। এরা নুসরাতকে যেকোনো মূল্যে এই মামলা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দিচ্ছে এবং প্ররোচিত করছে।

নুসরাত যেন এই মামলা থেকে সরে না আসে সেজন্য যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠী সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রেখেছে নুসরাতকে।

মুনিয়া ইস্যুকে জিইয়ে রাখতে যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠী এবং সুশীল সমাজ দুটি কৌশল গ্রহণ করেছে।

প্রথমত, আইনি সহায়তা, মুনিয়ার মৃত্যুর বিষয়টিকে আইনি সহায়তা দিতে যুদ্ধাপরাধীদের অর্থায়নে একটি আইনজীবী প্যানেল করা হয়েছে। প্রকাশ্যে যে কজন আইনজীবী আছেন এরা সবাই জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধী ঘরনার। নেপথ্যে থেকে এদের সহায়তা দিচ্ছে সুশীল সমাজ নিয়ন্ত্রিত কয়েকজন আইনজীবী।

দ্বিতীয়ত, মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাগামহীন প্রচারণা এবং মিথ্যাচার করছে। যুদ্ধাপরাধীদের অর্থায়নে পরিচালিত কিছু তথাকথিত ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুকে এই ইস্যুতে অবিরাম মিথ্যাচার করা হচ্ছে। আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি অথবা বসুন্ধরা শিল্প পরিবারকে ঘায়েল করার জন্য বা তাদের ইমেজ নষ্ট করার জন্যই হয়তো এতো আয়োজন। কিন্তু একটু অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে, বসুন্ধরা গ্রুপ না মূল টার্গেট হলো সরকার।

বসুন্ধরা ইস্যুকে সামনে রেখে সরকারকে অস্থির করে তোলাই যুদ্ধাপরাধী এবং সুশীলদের মূল লক্ষ্য। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব নোংরা কথাবার্তা বলা হচ্ছে সেগুলোতে আক্রমণ করা হচ্ছে, পুলিশ বাহিনীকে, আইন ও বিচার মন্ত্রীকে এবং সরকারকে। পাশাপাশি এই ঘটনাকে রং মিশিয়ে প্রচারের মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে। অন্যান্য ব্যবসায়ীরা এই ঘটনায় আতঙ্ক অনুভব করছেন। কোনো কিছু না করেই, একজনকে না চিনে, না জেনেও যদি বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের মতো একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে আসামি করা যায়।

এ ধরনের খ্যাতিমান ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি যাচাই-বাছাই ছাড়াই মামলা আমলে নেওয়া হয়, তাহলে কোনো ব্যবসায়ীই নিরাপদ নয়। দেশের পুলিশ বাহিনীকে বিতর্কিত ও বিব্রত করা, আইন ও বিচারমন্ত্রী, যনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারে যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে মুনিয়া ইস্যুতে একের পর এক নাটক সাজানো হচ্ছে।

সোশাল মিডিয়াতে যুদ্ধাপরাধীদের টাকায় খোলা হয়েছে অনেকগুলো গুজবের ফ্যাক্টরি। এসবের মূল লক্ষ্য একটাই, সরকারকে বিব্রত করা। মুনিয়া ইস্যু আসলে সরকারের বিরুদ্ধে সাইবার যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধী ও সুশীলদের সৃষ্ট নতুন নাটক।


আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আদালতে হাজির করা হচ্ছে ইভ্যালির রাসেলকে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




চাকরির আবেদনে থাকবে না সত্যায়ন প্রক্রিয়া

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অধিকাংশ সরকারি চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে সত্যায়ন প্রক্রিয়া থাকায় অনেক সময় প্রার্থীকে ব্যাপক ঝামেলার মধ্যে পড়তে হয়। ডিজিটাল যুগে অ্যানালগ প্রক্রিয়া থাকায় এর ব্যাপক সমালোচনা করেছে চাকরি প্রার্থীরা। তাদের দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে সত্যায়ন প্রক্রিয়া তুলে দিলে সরকারি চাকরিতে আবেদন করার আর বিড়ম্বনা থাকবে না।

প্রার্থীদের সরকারি চাকরিতে আবেদনে সত্যায়নের ক্ষেত্রে বিড়ম্বনাটি বিবেচনায় নিয়ে এবার এ প্রক্রিয়া তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে প্রার্থীর তথ্য খুব সহজে যাচাই-বাছাই করা যায়। এজন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

চাকরির আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া কাগজপত্র আসল কি না অথবা আসল ডকুমেন্টের অনুলিপি কি না, তা নিশ্চিত করার জন্যই মূলত সত্যায়িত করতে বলা হয়। নিয়ম অনুযায়ী কাগজপত্রে একজন সই করে সাক্ষ্য দেবেন। সাক্ষী এমন ব্যক্তি হবেন, যার সাক্ষ্য বিশ্বাস করার যুক্তিযুক্ত কারণ আছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা, অষ্টম গ্রেড থেকে তদূর্ধ্ব, বিশেষ ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য, মেয়র বা স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান, সরকারি অধ্যক্ষ, গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সত্যায়নের এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে।

তবে বর্তমানে এ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকসহ প্রায় সব বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়েরই নিজস্ব ওয়েবসাইটে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর নম্বরপত্রসহ হালনাগাদ তথ্য দেওয়া থাকে। নির্দিষ্ট ব্যক্তির রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও পাসের সাল দিয়ে যে কেউ যে কারো শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই করতে পারে।

যদিও ২০১৫ সালে সত্যায়ন প্রক্রিয়া বাদ দেওয়ার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সচিব পর্যায়ের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু ওই বৈঠক গ্রহণ করা সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, সরকারি চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে সত্যায়নি প্রক্রিয়াটি বাদ দিয়ে দেওয়া হবে। কারণ বর্তমানে সত্যায়ন প্রক্রিয়ার বিকল্প আছে। তিনি বলেন, আমরা ডিজিটালাইজেশনের যুগে প্রবেশ করেছি। তাই এখন আর আমরা আগের ঝামেলাকর সার্ভিসের মধ্যে থাকতে চাই না।

অনেক সময় চাকরিপ্রার্থীরা প্রথম শ্রেণির কোনো কর্মকর্তার কাছে সত্যায়নের জন্য গেলে তারা প্রার্থীকে না চেনায়, সত্যায়ন করতে চায় না। এক্ষেত্রে ব্যাপক বিড়ম্বনায় পড়েন তারা।

অনেক সময় দেখা যায়, সহজে সত্যায়ন করতে না পেরে নিজেরাই সত্যায়নের সিল নকল করে কাজ চালিয়ে নেয়। কিন্তু এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তারপরও বিষয়টি সবার কাছে সহনীয় হয়ে গেছে।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




সংক্রমণ বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ করে দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লে আবার বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর মহাখালীর তিতুমীর সরকারি কলেজে বিডিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর আমাদের দেশ এক নয়। করোনা সংক্রমণ হলে অবশ্যই শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করবে আমরাও সেই ধরনের পরামর্শ দেব।

তিনি বলেন, ১৮ বছরের কম বয়সীদের টিকা দিতে এখনও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে অনুমতি আসেনি। অনুমতি দিলে শিশুদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিশুদের করোনা আক্রান্তের হার কম।

জাহিদ মালেক বলেন, এ মাসে দুই কোটি টিকা পাওয়া যাবে। গণটিকা কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়া। প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ ডোজ করে টিকা আসবে আগামী তিন মাসে। কোভ্যাক্স থেকে ১০ কোটি টিকা কেনা হবে। যেখানে যেখানে সম্ভব সেখানে ফাইজার টিকা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



পরীমণিকে ধর্ষণ-হত্যা চেষ্টা: নাসিরসহ ৩ জনের নামে চার্জশিট

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আসামিদের মধ্যে নাসির ও অমি জামিনে আছেন এবং শহিদুলকে চার্জশিটে 'পলাতক' দেখানো হয়েছে। শহিদুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তরা ক্লাব লিমিটেডের সাবেক সভাপতি নাসির ইউ মাহমুদ ও তার সহযোগী তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ।

এফআইআর এ আসামি শাহ শহিদুল আলমের নাম না থাকলেও তদন্তের সময় পুলিশ তার সম্পৃক্ততা পাওয়ায় চার্জশিটে নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই চার্জশিট জমা দেন।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মইনুল ইসলাম জানান, আসামিদের মধ্যে নাসির ও অমি জামিনে আছেন এবং শহিদুলকে চার্জশিটে 'পলাতক' দেখানো হয়েছে। শহিদুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জন্য আদালতে আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

গত ১৪ জুন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসির, অমি এবং আরও চার জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন পরীমণি। সেদিনই উত্তরা ১ নম্বর সেক্টরের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নাসির ও অমিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদেরকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা আরও একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।


আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আদালতে হাজির করা হচ্ছে ইভ্যালির রাসেলকে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




আবরার হত্যা : ২৫ জনের বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ গঠন

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ২৫ আসামির বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ গঠন করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানে আসামিদের বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আগামী ১৪ সেপ্টম্বর দিন ধার্য করেন।

এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষ পুনরায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আবেদন করেন। এরপর আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আসামিদের বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ গঠন করেন।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলার সিঁড়ি থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় আবরার ফাহাদকে। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত  চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনার পরের দিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ।


আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আদালতে হাজির করা হচ্ছে ইভ্যালির রাসেলকে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১