আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

নারায়ণগঞ্জে কেমিক্যাল কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯

প্রকাশিত:বুধবার ৩০ মার্চ ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ৩০ মার্চ ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার গোলাকাইন্দা এলাকায় লিলি কেমিক‍্যাল কারখানায় বিস্ফোরণে ৯ জন দগ্ধ হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে বারোটায় তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। দগ্ধরা হলেন- বায়েজিদ (৩০), আকালু (৩৫), রোকন (২৫), খাদেমুল (২৬), সজীব (৩০), রিপন (২৮), মেহেদী (২১), রাসেল (২২) ও মুজাহিদ (২০)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা এস এম আইউব হোসেন বলেন, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকা থেকে কেমিক্যাল কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জন আমাদের এখানে এসেছেন। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক সবারই জরুরি বিভাগের চিকিৎসা চলছে। কার কত শতাংশ দগ্ধ হয়েছে সে বিষয়ে পরে জানানো হবে।

দগ্ধদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা বাতেন জানান, কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। কয়েকজনের অবস্থা খুবই খারাপ। এখন কথা বলতে পারছি না রোগীদের নিয়ে ব্যস্ত আছি।

নিউজ ট্যাগ: নারায়ণগঞ্জ

আরও খবর



নীলফামারীতে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জুয়েল বসুনীয়া, নীলফামারী

Image

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বরনা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী বাদশা মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আটক করেছে।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালে শহরের কাশিরাম বেলপুকুর হাজিরজাট এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বাদশা মিয়ার সঙ্গে বরনার পারিবারিকভাবে দুই বছর আগে বিয়ে হয়। রাতে বরনা তার বাবার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলছিলেন, এসময় হঠাৎ কল কেটে যায়। পরে স্বজনরা যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। মধ্যরাতে বরনা আক্তারের প্রতিবেশীর মাধ্যমে তার স্বজনরা জানতে পারেন তিনি মারা গেছেন। পরে তারা ছুটে এসে তার মরদেহে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। সকালে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহা আলম বলেন, এ ঘটনায় বরনার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।


আরও খবর



জুলাইয়ের ১৩ দিনে এলো সাড়ে ১১ হাজার কো‌টি টাকার প্রবাসী আয়

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

নতুন ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের প্রথম ১৩ দিনে দেশে বৈধ পথে ৯৭ কোটি ৮৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১১৮ টাকা ধ‌রে) যার পরিমাণ ১১ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা। প্রতিদিন গড়ে এসেছে ৭ কোটি ৫২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

রোববার (১৪ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১৩ দিনে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৩ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৫ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে সদ্য সমাপ্ত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। যা গত তিন অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। একক মাস হিসেবে যা ৪৭ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স।

গেল ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ, সেপ্টেম্বর মাসে ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ, অক্টোবরে ১৯৭ কোটি ১৪ লাখ, নভেম্বর ১৯৩ কোটি, ডিসেম্বরে ১৯৯ কোটি ১২ লাখ, জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ৩১ লাখ, ফেব্রুয়া‌রিতে ২১৬ কো‌টি ৪৫ লাখ, মার্চ মাসে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ, এপ্রিলে এসেছে ২০৪ কোটি ৪২ লাখ, মে মাসে এসেছে ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

সদ্য সমাপ্ত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দুই হাজার ৩৯২ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রারর রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ দুই লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা। রেমিট্যান্সের এ অঙ্ক এযাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আহরণ। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।


আরও খবর



খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে বসানো হলো পেসমেকার

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। রোববার (২৩ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় এ তথ্য জানিয়েছেন ডা. জাহিদ।

তিনি বলেন, ম্যাডামের হৃদরোগের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। হার্টে ব্লক ধরা পড়েছিল। সেখানে একটা স্টেন্টও (রিং) লাগানো ছিল। সবকিছু পর্যালোচনা করে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিছুক্ষণ আগে তার হার্টে পেসমেকার বসানো হয়েছে।

পেসমেকার হলো হৃৎস্পন্দন নিয়মিত রাখার কৃত্রিম বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যা বৈদ্যুতিক স্পন্দন তৈরি করে হৃদপেশিতে পাঠায় এবং হৃদপিণ্ডের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

যখন হৃদপিণ্ডের নিজস্ব পেসমেকার বা এসএ নোড যথেষ্ট পরিমাণে বা গতিতে ইমপাল্স তৈরি করতে পারে না বা হৃদপিণ্ডের তড়িৎ পরিবহনের রাস্তা আটকে যায়, তখন হৃদপিণ্ডের গতি একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় নিয়ে যাওয়া হলো পেসমেকারের প্রাথমিক কাজ, যাতে হৃদপিণ্ড ঠিকভাবে কাজ করতে পারে।

গত শুক্রবার গভীর রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। তারপর তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।


আরও খবর



অবশেষে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

অবশেষে সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। দলের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন্নাহার চাপা।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীও বৈঠকে উপস্থিত আছেন।

এর আগে গত ৪ জুলাই এ বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা স্থগিত করা হয়। এর কারণ হিসেবে তখন ওবায়দুল কাদেরের রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকার কথা জানা যায়।

সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় কর্মসূচি নিয়ে প্রজ্ঞাপন বাতিল করাসহ তিন দফা দাবিতে ১ জুলাই থেকে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একযোগে এই সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করে আসছেন। কর্মসূচির কারণে তালা ঝুলছে শ্রেণিকক্ষ ও অফিসে। এ কারণে ক্লাসপরীক্ষা হচ্ছে না। প্রশাসনিক ভবনেও কোনো কাজ হচ্ছে না।


আরও খবর



মিয়ানমার থেকে গুলি হলে আমরাও পাল্টা গুলি করব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং মিয়ানমার আর্মি দুই দলকেই বলে দিয়েছি, এরপর গুলি করলে আমরাও পাল্টা গুলি করব। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এমপি আনার হত্যা মামলার কোনো আপডেট রয়েছে কিনা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি বারবার বলছি, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কিছুই বলতে পারব না। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে আমি কিছু বললে সেটা একটা অন্য পক্ষের সমর্থনে চলে যেতে পারে। তাই আমি তদন্ত শেষের আগে কিছুই বলব না। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, সঠিক তদন্ত হচ্ছে। আমরা খুব কাছাকাছি আছি। হত্যার সকল উত্তর আমরা পেলে আপনাদের জানিয়ে দেব। ডিবি স্বাধীনভাবে কাজ করছে। 

আনারকন্যা ডরিনের বক্তব্য প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এগুলো তার অনুমান ভিত্তিক তথ্য। আমাদের পক্ষ থেকে ডিবি পুলিশকে কোন রকমের চাপ প্রয়োগ করা হয়নি। আমাদের ডিবি পুলিশ এবং ভারতের পুলিশও এই হত্যা মামলা তদন্ত করছে। সুতরাং কোনো জায়গায় কোনো ফাঁকফোকর থাকবে বলে আমার মনে হয় না। 

সেন্টমার্টিন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেন্টমার্টিনে কিছুই হয়নি তো। মিয়ানমারে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠী তাদের সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। আমরা যতদূর জানি আরাকান আর্মি আরাকান রাজ্যের অনেক অংশই দখল করে ফেলেছে। সেই কারণে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড আত্মরক্ষার্থে আমাদের এখানে পালিয়ে আসছে। তারা মাঝে মাঝে ভুল করে আমাদের টহলবাহিনীর উপরেও গুলি করেছিল। তাদের আমরা জানিয়েছি। তারা আমাদের যেটা জানিয়েছে, আমরা যেন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে রাখি, তাহলে সেখানে আর তারা গুলি করবে না। 

তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন সেন্টমার্টিন যেতে হলে আমাদের নাফ নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ার ফলে, মিয়ানমারের অংশ দিয়েই যেতে হয়, সেখানেই এই বিপত্তিটা ঘটে। কখনো মিয়ানমার আর্মি, আবার কখনো আরাকান আর্মি ফায়ার ওপেন করে। আমরা দুজনকেই বলে দিয়েছি, এরপর আমাদের গুলি করলে আমরাও পাল্টা গুলি করব। সেখানে এখন আর কোনো গোলাগুলি হচ্ছে না। সেখানে মিয়ানমারের দুটি জাহাজ ছিল, সেটিও তারা ফেরত নিয়ে গেছে। আমরা আশা করি সেখানে আর কোনো গুলি চলবে না। তারপরেও আমাদের যারা পার হচ্ছেন তারা সাবধানতা অবলম্বন করে চলবেন।


আরও খবর