আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

নারী পাচারে কোনো সুপারিশ বিজিবি পাত্তা দেয় না

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১ | ১৫৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেছেন, নারী-শিশু পাচার ও মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। নারী পাচারে কারো কোনো সুপারিশ বিজিবি পাত্তা দেয় না। নারী ও শিশু পাচারে কাউকে ছাড় দেয়া হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলশানে সীমান্ত ব্যাংক এর ১৯তম শাখা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেন, সাতক্ষীরায় নারী পাচারের অভিযোগে একজন নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলের স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়। ওই নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলকে ধরতে আমরা প্রতিদিনই তার বাসায় হানা দিই কিন্তু তিনি বাসায় নেই। এ বিষয়ে পুলিশকেও জানিয়েছি। পুলিশ-বিজিবি একই মন্ত্রণালয়ের কাজ করে এবং পরস্পরের সহযোগিতায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষাসহ সীমান্তেও আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, নারী পাচার রোধে মিডিয়ার একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। নারী পাচার রোধে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। কেউ যেন প্রলোভনে পড়ে নারী পাচারের শিকার না হয় সেদিকে সমাজের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। মিডিয়া ও জনগণের সহযোগিতা ছাড়া বিজিবি একার পক্ষে পাচার রোধ করা সম্ভব না।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, গত এক মাসে ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত, সাতক্ষীরা সীমান্ত ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত থেকে ৩০০ জনকে অবৈধ পারপারের অপরাধে ধরা হয়েছে এবং তাদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছে। কোয়ারেন্টাইন শেষে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এছাড়াও মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে রোহিঙ্গারা আসছে। গতকাল রাতেও তিনজন রোহিঙ্গা নৌকায় করে এসেছিল। পরে তাদের আবার রাতেই মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সীমান্তে করোনা প্রতিরোধে ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিরা এলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাধ্যতামূলক। তাদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিজিবিও কাজ করছে। এখন বাংলাদেশের সীমান্ত চার হাজার ৪২৭ কিলোমিটার। আমাদের একটি বিওপি থেকে আরেকটি বিওপির দূরত্ব পাঁচ থেকে সাত কিলোমিটার। বিওপিতে টহল দল থাকে তারপরও শতভাগ সম্ভব হয়ে ওঠে না।


আরও খবর



কঠোর বিধিনিষেধ কাল থেকে, শিথিলের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ২৩৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদের পরদিনের মধ্যে ঢাকায় ফিরতে না পারলে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন। আগামী ২৩ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে কঠোর লকডাউন। যা চলবে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এই ইস্যুতে কোনো গুজবে না দেওয়ার আহ্বান জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

বুধবার রাতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। লকাডাউনের শিথিলতা নিয়ে ছড়ানো গুজবে কান না দিতে গণমাধ্যমকে ফের বিধি-নিষেধের বিষয়ে তথ্য দেন প্রতিমন্ত্রী। 

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফরহাদ হোসেন বলেন, সরকার ঈদের আগে বিধি-নিষেধ শিথিল করায় সব শ্রেণির মানুষ সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করতে পেরেছেন। পশুর হাটগুলোতে ভালোভাবে কোরবানির পশু কিনতে পেরেছেন। যারা ঈদের আগে ঢাকা এসেছিলেন তারাও সুন্দর পরিবেশে ঈদের পরদিনের মধ্যে বাড়ি ফিরতে পারবেন। এরপর দিন ২৩ জুলাই থেকে বিধি-নিষেধ শুরু হবে। শেষ হবে ৫ আগস্ট। এটা পূর্ব নির্ধারিত প্রজ্ঞাপন। এই ইস্যুতে গুজবে কান দেবেন না।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধি-নিষেধ দিয়েছে সরকার। বিধি-নিষেধের সময় সব অফিস বন্ধ থাকবে। সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিল্প কারখানাসহ সারা দেশে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। বিধি-নিষেধ শেষে যেন ঢাকায় চাকরিরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফিরে আসেন।  আমি এবার ঢাকায় ঈদ করেছি। গ্রামে যাইনি।

কঠোর লকডাউন পালনে দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই ১৪ দিন যদি আমরা বিধি-নিষেধ মানি তাহলে সংক্রমণের চেইনটা ভাঙতে পারব। সবাই যার যার অবস্থানে থেকে সহযোগিতা করবেন।


আরও খবর



বিধিনিষেধ ভঙ্গ করে ঢাকায় এক হাজার ৭৭ জন আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সর্বাত্মক লকডাউনের বিধিনিষেধ ভঙ্গ করে বাইরে বের হওয়ায় সপ্তম দিনে এক হাজার ৭৭ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।পাশাপাশি মোবাইল কোর্টে ৩১৮ জনকে ১৬০০৭৯০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম। এছাড়া ট্রাফিক বিভাগ ৯৩৭টি গাড়িকে ২১ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে।

অতিরিক্ত উপ-কমিশনার বলেন, সরকারঘোষিত চলমান বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে আজ সপ্তম দিনেও রাজধানীজুড়েই সক্রিয় ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজধানীতে সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে অকারণে ও নানা অজুহাতে ঘর থেকে বের হওয়ায় এসব ব্যক্তিদের গ্রেফতার ও জরিমানা করা হয়।


আরও খবর



‘গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে’

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | ১৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গ্যাটকো দুর্নীতিতে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অপরাধের প্রাথমিক দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের।

বুধবার (১৪ জুলাই) গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বিষয়ে এই নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট।

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর জরুরি ক্ষমতা আইনে মামলাটি অন্তর্ভূক্ত করা হয়। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন।

মামলার ২৪ আসামির মধ্যে ছয়জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। তারা হলেন-সাবেক মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, এম কে আনোয়ার, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী, চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আহমেদ আবুল কাশেম ও বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো।

অন্য আসামিরা হলেন, বিএনপির সাবেক মন্ত্রী এম শামছুল ইসলাম, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান কমোডর জুলফিকার আলী, প্রয়াত মন্ত্রী কর্নেল (অব.) আকবর হোসেনের স্ত্রী জাহানারা আকবর, দুছেলে ইসমাইল হোসেন সায়মন এবং এ কে এম মুসা কাজল, এহসান ইউসুফ, সাবেক নৌ-সচিব জুলফিকার হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক সদস্য এ কে রশিদ উদ্দিন আহমেদ, গ্লোবাল অ্যাগ্রোট্রেড প্রাইভেট লিমিটেডের (গ্যাটকো) পরিচালক শাহজাহান এম হাসিব, গ্যাটকোর পরিচালক সৈয়দ তানভির আহমেদ ও সৈয়দ গালিব আহমেদ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এ এস এম শাহাদত হোসেন, বন্দরের সাবেক পরিচালক (পরিবহন) এ এম সানোয়ার হোসেন এবং বন্দরের সাবেক সদস্য লুৎফুল কবীর।


আরও খবর



আগুনে অঙ্গার শ্রমিকদের পরিচয় শনাক্তে সময় লাগবে ১ মাস

প্রকাশিত:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জুস কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫২ জনের পরিচয় জানতে এক মাস সময় লাগতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের ডিএনএ পরীক্ষক মোহাম্মদ মাসুদ রাব্বী সবুজ।

শনিবার (১০ জুলাই) সকাল ১১টায় তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত ২৬ টি মরদেহের বিপরীতে ৩৫ জন দাবিদারের নমুনা সংগ্রহ করেছি। এখনও সব দাবিদার আসেননি। তারা এলে পর্যায়ক্রমে তাদের নমুনা নেয়া হবে। একইসঙ্গে যাদের নমুনা নেয়া হয়েছে সেগুলো ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। সব মিলিয়ে আশা করা যায় এক মাস সময়ের মধ্যে পরিচয়গুলো আমরা শনাক্ত করতে পারব।

নিহতদের পরিচয় রূপগঞ্জ থানা ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জানা যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিহতদের পরিচয় রূপগঞ্জ থানা ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জানতে পারবেন স্বজনরা। তারা এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্ট। ওনাদের মাধ্যমে পরিবারগুলো তথ্য পেতে পারে।

মোহাম্মদ মাসুদ রাব্বী আরও বলেন, আমরা রেফারেন্স নমুনা সংগ্রহ করছি। মৃত ব্যক্তির দাবিদাররা এসেছেন। তাদের কাছ থেকে রক্ত নিচ্ছি। ডেড-বডির দাঁত ও হাড় সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ধরনের নমুনাগুলো আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করব।

এদিকে, ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কারণ উদঘাটনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম বেপারীকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।


আরও খবর



নদী পারের অপেক্ষায় দুই হাজারেরও বেশি যানবাহন

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ জুলাই ২০২১ | ১৩২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদুল আজহা উদযাপনে, ঘরে ফেরাকে কেন্দ্র করে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে দেখা দিয়েছে দীর্ঘ যানজট। পারের অপেক্ষায় দুই হাজারেরও বেশি যানবাহন।

শনিবার (১৭ জুলাই) ভোরে সরেজমিনে দেখা গেছে, মানিকগঞ্জ থেকে পাটুরিয়া ঘাটে অন্তত দুই হাজারেরও বেশি যানবাহন পারের অপেক্ষায় আছে। সাধারণ যাত্রীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের ভিড় পড়েছে। এতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ার ঘাট এলাকায় যানবাহনের ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ সারি দেখা দিয়েছে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা আরও বাড়ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন যাত্রীরা।

এদিকে, যানজট নিরসনে কাজ করছে হাইওয়ে পুলিশ। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজির হাট নৌরুটে ১৮টি ফেরি চলাচল করছে বলে জানা গেছে।

ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাম মিয়া জানান, যানবাহনের চাপের কথা চিন্তা করে সবগুলো ফেরি পরিচালনা করা হচ্ছে। কর্মচারী ও কর্মকর্তারা অতিরিক্ত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। পরিবহন এবং ছোট ও জরুরি যানবাহনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর