আজঃ রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

নেত্রকোনায় খেলা নিয়ে মারামারি, নিহত ২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

Image

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় পৃথক স্থানে খেলাকে কেন্দ্র করে মারামারিতে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের পিজাহাতী ও বলাইশিমুল ইউনিয়নের নোয়াদিয়া গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে। নিহত দুই ব্যক্তি হলেন পিজাহাতী গ্রামের তাহের উদ্দিনের ছেলে কবির (৫০) এবং নোয়াদিয়া গ্রামের জালু মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া (২০) ।

পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, সোমবার পিজাহাতী গ্রামের পতিত জমিতে ফুটবল খেলার সময় দুইপক্ষের শিশুদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে হামজা মিয়া ও আলিম উদ্দিনের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে মঙ্গলবার দুপুরে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে মারামারিতে হামজা মিয়ার চাচাতো ভাই কবির মিয়া আহত হন। পরে তাকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে নোয়াদিয়া গ্রামের সোহেল মিয়ার বড় ভাই আনিস মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের আমান মিয়ার ছেলে আলী হোসেন ও কামাল মিয়ার পূর্বশত্রুতা চলে আসছিল। সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বাজারে মানিক মিয়ার দোকানে কেরাম খেলা নিয়ে দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।

একপর্যায়ে দুপক্ষের লোকজন মারামারিতে জড়িয়ে পড়লে প্রতিপক্ষের কুড়ালের আঘাতে গুরুতর আহত হয় সোহেল মিয়া। পরে তাকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক। উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার দুপুরে সেখানে সোহেলের মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে কথা হলে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থল দুটি ঘুরে এসেছি। এসব ঘটনায় লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



১৭ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসে আজকের এই দিনে

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

আজ শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:

১৪০৫ - মোঙ্গল সর্দার তৈমুরলঙের মৃত্যু।

১৬০০ - বৈজ্ঞানিক জোদার্নো ব্রুনোকে পোপের নির্দেশে পুড়িয়ে মারা হয়।

১৬১৮ - সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলের ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত টমাস রো ভারত ত্যাগ করেন।

১৮৫৯ - কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর মাসিক পত্রিকা পূণির্মা প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৯১৫ - সন্ধ্যায় প্রচন্ড তুষার ঝড়ের কারণে ডেনমার্কের উপকুলস্থ নর্থসীতে জার্মানির জেপেলিন এল ফোর পতিত হয়।

১৯৩৪ - বেলজিয়ামের রাজা প্রথম আলবার্ট পর্বত আরোহণের সময় পড়ে নিহত।

১৯৪৪ - ব্রিটিশ জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত শ্বেতপত্র প্রকাশ।

১৯৪৮ - ইয়েমেনের বাদশা ইমাম ওয়াহিদকে হত্যা।

১৯৫২ - বৃটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী উইস্টন চার্চিল ঘোষণা করেন, বৃটেন পরমাণু বোমা তৈরি করেছে।

১৯৯০ - পূর্ব জার্মানি বার্লিন প্রাচীরের ৬শ ফুট ভেঙে ফেলার ঘোষণা দেয়।

১৯৯৬ - ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে ৫৩ জন নিহত।

২০০৬ - দক্ষিণ ফিলিপাইনে প্রকাণ্ড ভূমিধসে কমপক্ষে ১,১২৬ জন নিহত হয়।

২০০৮ - কসভো স্বাধীন ঘোষণা হয়। কসোভো প্রজাতন্ত্র নামে দেশটির জন্ম হয়।

২০১৫ - হাইতিতে মারদি গ্রাস প্যারেডে পদদলিত হয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয় ও ৭৮ জন আহত হয়।

২০১৬ - তুরস্কের আংকারায় সেনাবাহিনীর একটি ব্যারাকে বিস্ফোরণ ঘটে ২৯ জনের প্রাণহাণি ও ৬১ জন আহত হয়।

জন্ম:

১৭৭৫ - বাংলায় ইংরেজী শিক্ষা প্রবর্তনের অন্যতম পথিকৃৎ ডেভিড হেয়ার জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৫৬ - ছবি মুদ্রনের হাফটোন প্রক্রিয়ার আবিষ্কারক ফেডারিক ইউজেন আইভস জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯০ - বিখ্যাত পরিসংখ্যানবিদ রোনাল্ড ফিশার জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু:

১৬৭৩ - ফরাসি নাট্যকার মলিয়েরের মৃত্যু হয়।

১৮২৭ - সুইজারল্যান্ডের জ্ঞান তাপস, শিক্ষাবিদ, শিক্ষা সংস্কারক জন হেনির পেস্টাল€জি পরলোকগমন করেন।

১৮৫৬ - জার্মান কবি ও প্রাবন্ধিক হাইনরিখ হাইনের মৃত্যু হয়।

১৮৯০ - টাইপরাইটারের উদ্ভাবক ক্রিস্টোফার ল্যাথাম শোলসের মৃত্যু হয়।

১৯৬১ - শিক্ষাবিদ ও আইনজ্ঞ অতুলচন্দ্র গুপ্তের মৃত্যু হয়।

১৯৭০ - নোবেলজয়ী হিব্রু কথাশিল্পী শামুয়েল আগনোনের মৃত্যু হয়।

১৯৮৪ - বিচারপতি রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



ধামরাইয়ে ধনিয়া ফুল থেকে মৌমাছির মধু সংগ্রহ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
ধামরাই প্রতিনিধি

Image

মৌমাছি মৌমাছি ,কোথা যাও নাচি নাচি, দাঁড়াও না একবার ভাই,ওই ফুল ফোটে বনে,যাই মধু আহরণে, দাঁড়াবার সময় তো নাই। নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের এই কবিতার মত ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের দেউলি গ্রামে মৌমাছিরা এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ধনিয়া ক্ষেতের ধনিয়া ফুল থেকে মধু আহরণে।

ধনিয়া ক্ষেতের সুগন্ধি ও ফুলের অপরূপ দৃশ্য যেন মনমুগ্ধকর । এই সুযোগে ফসলের জমির পাশে পোষা মৌমাছির বাক্স নিয়ে হাজির হয়েছেন মৌয়ালরা। ওই সব বাক্স থেকে হাজার হাজার মৌমাছি উড়ে গিয়ে মধু সংগ্রহে ঘুরে বেড়াচ্ছে সরিষা ফুলের মাঠে।

ধনিয়া ফুলের মধুর বৈশিষ্ট এটা সংগ্রহের পর দেখতে সাদা পানির কালার মত দেখায়, এটা সংগ্রহ করা হয় সাধারণত জানুয়ারী মাসের শেষে থেকে ফেব্রুয়ারী মাস জুড়ে তবে সময়ের কম বেশি হতে পারে। এই মধুটি অন্যান্য মধুর মত কালার ও স্বাদের পরিবর্তন হয় দীর্ঘ সময় পার হওয়া পর। ধনিয়া ফুলের মধুর প্রধান বৈশিষ্ট এটা সরিষা ফুলের মত জমে বা বসে যায়। এই মধুটি আমাদের দেশে উৎপাদন পরিমান খুবই সীমিত।

চাষীরা সাধারণত পছন্দের একটি ধনিয়া ক্ষেতের পাশে খোলা জায়গায় চাক ভরা বাক্স ফেলে রাখেন। একেকটি বাক্সে মোম দিয়ে তৈরি ছয় থেকে সাতটি মৌচাকের ফ্রেম রাখা হয়। আর তার ভেতর রাখা হয় একটি রাণী মৌমাছি। রাণী মৌমাছির কারণে ওই বাক্সে মৌমাছিরা আসতে থাকে। মৌমাছিরা ফুল থেকে মধু এনে বাক্সের ভেতরের চাকে জমা করে। আর এই চাক থেকেই মধু সংগ্রহ করেন মৌচাষীরা। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মৌ-চাষিরা এসব মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করেন। মৌ চাষের মাধ্যমে চাষীরা একদিকে যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে দূর হচ্ছে বেকারত্ব।

ময়মনসিংহ থেকে আসা মৌ-চাষী জিহাদ বলেন, ধনিয়া ক্ষেতের পাশে মধু সংগ্রহের জন্য ২৬টি বাক্স বসানো হয়েছে।ওইসব বাক্স থেকে হাজার হাজার মৌমাছি উড়ে গিয়ে মধু সংগ্রহে ঘুরে বেড়াচ্ছে ধনিয়া ফুলের ক্ষেতে । তবে আবহাওয়া কিছুটা খারাপ হওয়ার কারণে মধু কম সংগ্রহ হয়েছে।

ধামরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আরিফুর রহমান জানান, ধনিয়া ক্ষেতের পাশে মৌমাছির চাষ হলে ফলন বেড়ে যায় ফলনও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বাক্স পদ্ধতি ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে এসব মধু সংগ্রহ করা হচ্ছে। এতে মৌমাছি ব্যবসায়ীরা যেমন একদিকে মধু বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে ক্ষেতে মধু চাষ করায় ফলনও বাড়ছে।

নিউজ ট্যাগ: মৌমাছি

আরও খবর



তেঁতুল কি আসলেই রক্ত পানি করে, ব্যথা বাড়ায় পিরিয়ডে ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

কাঁচা কিংবা পাকা, তেঁতুল নাম শুনলে প্রায় সব বয়সীদেরই জিভে জল আসে। টকজাতীয় এ ফলটিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা কিনা ক্যানসার, হৃদরোগ ছাড়াও ডায়াবেটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রে উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। আবার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও তেঁতুল অনন্য।

যুগের পর যুগ ধরে রূপচর্চা ছাড়াও চিকিৎসার ক্ষেত্রজুড়ে আছে টকজাতীয় এই ফল। তবে উপকারী গুণের বাইরেও লোভনীয় এই ফলটি নিয়ে নানা নেতিবাচক কথাও শোনা যায়। তেঁতুল খেলে বুদ্ধি কমে যায়, রক্ত পানি হয়ে যায় কিংবা পিরিয়ডের সময় ফলটি খেলে পেটব্যথা ছাড়াও অতিরিক্ত রক্তস্রাব হয়- বয়োজ্যেষ্ঠদের মুখে এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। তাহলে কি আসলেই তেঁতুল এমন ক্ষতিকর?

নানা গুণসমৃদ্ধ তেঁতুলে আছে ভিটামিন ছাড়াও ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, আয়রন, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো উপাদান। এক কাপ বা ১২০ গ্রাম তেঁতুলে ৪৩ শতাংশ ভিটামিন বি-১, ১৫ শতাংশ ভিটামিন বি-৩ ও ১৪ শতাংশ ভিটামিন বি-২ পাওয়া যায়। পাশাপাশি এই পরিমাণ তেঁতুলে ক্যালসিয়াম থাকে ৭ শতাংশ, আয়রন ১৯ শতাংশ, ম্যাগনেশিয়াম ২৬ শতাংশ ও ১৬ শতাংশ পটাশিয়াম থাকে। এছাড়াও ভিটামিন সি, কে ও ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ১২০ গ্রাম তেঁতুলে থাকে ২৮৭ ক্যালরি- এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ লাইন।

টকজাতীয় লোভনীয় এই ফলটির ব্যবহার নিয়ে ওয়েবসাইটটিতে বলা হয়েছে, ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় তেঁতুল অনন্য ভূমিকা রাখে। ক্ষত সারানোর ক্ষেত্রে ফলটির পাতা ছাড়াও গাছের বাকল ব্যবহারের তথ্য পাওয়া যায়। আবার কোষ্ঠকাঠিন্য ছাড়াও ডায়রিয়া, জ্বর ও ম্যালেরিয়ার মতো চিকিৎসায়ও তেঁতুলের পানীয় ব্যবহার হতো।

ওয়েবসাইটটিতে প্রকাশিত ওই নিবন্ধটি লেখেন তুরস্কের মারমারা ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের ইন্টার্ন চিকিৎসক পিনার কুরু। যেখানে তেঁতুলকে ভিটামিন ছাড়াও ফাইটোকেমিক্যাল, এসেনশিয়াল অ্যামিনো অ্যাসিডের (যা মানুষ ও অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণী বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় তৈরি করতে পারে না) সহজলভ্য ও স্বস্তা একটি ফল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তেঁতুলের এমন উপকারী সব গুণের কথা উঠে এসেছে স্বাস্থ্য বিষয়ক সংবাদ ও তথ্য সরবরাহকারী আমেরিকান করপোরেশন ওয়েব এমডিতে। এতে বলা হয়েছে, রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর তেঁতুলের ব্যবহার নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব রাখা টকজাতীয় এই ফলটি প্রাচীনকাল থেকেই ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে মানুষ।

ওয়েব এমডিতে লোভনীয় ফল তেঁতুলের উপকারিতা সম্পর্কে বলা হয়েছে, তেঁতুল থেকে ট্রিপটোফান ছাড়াও প্রয়োজনীয় সব অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায়। ফলটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আদর্শ প্রোটিনের মান পূরণ করে। পাশাপাশি তেঁতুল থেকে পাওয়া প্রোটিন অ্যামিনো অ্যাসিড, টিস্যু তৈরি ও মেরামতের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে।

তেঁতুলের এমন উপকারী নানা দিকের কথা পাওয়া যায় বিবিসি গুড ফুডের ওয়েবসাইটেও। যেখানে বলা হয়েছে, তেঁতুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। পাশাপাশি টকজাতীয় এই ফলটি হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য ও কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে। সেই সঙ্গে লিভারের সুরক্ষামূলক কাজের পাশাপাশি তেঁতুল প্রাকৃতিক অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল বা জীবাণু নিরোধক হিসেবেও কাজ করে।

তবে ওয়েবসাইটটির প্রশ্নোত্তর অংশে তেঁতুল সবার জন্য নিরাপদ কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে বলা হয়েছে, উপকারী ফলটি কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে সক্ষম তেঁতুল ডায়াবেটিস থাকলে সতর্কতার সঙ্গে খাওয়া উচিত।

অন্যদিকে, দেশের কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইটে তেঁতুল রক্ত পানি করে বা বুদ্ধি কমায় এমন ধারণাকে কুসংস্কার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, লোভনীয় এই ফলটি রক্ত পরিষ্কারের পাশাপাশি চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, কাঁচা তেঁতুল খেতে টক, পাকা ফল টকমিষ্টির এক ভিন্ন স্বাদ। এটি খাবারে স্বাদ বাড়ায়। তাই মাংসের রোস্ট ছাড়াও পোলাও, খিচুড়িতে এর ব্যবহার হয়। এছাড়াও তেঁতুলের টক, ভর্তা, ডাল অনেকেরই প্রিয়। আবার তেঁতুল দিয়ে তৈরি করা যায় আচার, সস, জ্যাম, চাটনিসহ হরেক রকমের খাবার। এমনকি তেঁতুলের বীজ নকশি শিল্পেও ব্যবহার করা হয়।

অন্যদিকে, টকজাতীয় এই ফলটির পিরিয়ড বা ঋতুস্রাবের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই জানিয়ে ইউনিসেফ বলছে, ঋতুকালে রক্তস্রাবের সঙ্গে খাবারের কোনো সম্পর্ক নেই। পিরিয়ডের সময় খাওয়া যাবে না এমন কিছু নেই।


আরও খবর



ইজতেমা মাঠে ১৪টি যৌতুক বিহীন বিয়ে

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ধর্ম ও জীবন

Image

তুরাগ তীরে চলছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় ধাপ। আজ শনিবার বাদ আসর ইজতেমা ময়দানের মূল বয়ান মঞ্চ থেকে যৌতুক বিহীন বিয়ে পড়ানো হয়।

যৌতুক বিহীন বিয়ে পড়ান মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ। আজ ১৪টি যৌতুক বিহীন বিয়ে পড়ানো হয়। তবে আজ যৌতুক বিহীন বিয়ে মূল বয়ান মঞ্চে পড়ানো হয়নি। মাশোয়ারা (আলোচনা) কামড়ায় পড়ানো হয়।

বিশ্ব ইজতেমার গণমাধ্যম সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিয়ে পড়ানোর আগে মাওলানা ইউসুফ সাদ বলেন, ইসলাম শুধু যৌতুক প্রথার বিরোধীই নয়, বিয়ে-শাদির ক্ষেত্রে সব ধরনের অপচয়েরও বিপক্ষে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সেই বিয়েই সর্বাধিক বরকতময়, যে বিয়েতে ব্যয় খুব সামান্যই হয়। তবে কোনো ধরণের চাপ ও শর্ত ছাড়া কন্যাপক্ষ খুশিমনে বরকে বা বরপক্ষকে কিছু দিলে তা যৌতুক হবে না, বরং তা উপহার বা হাদিয়া হিসেবে গণ্য হবে।

উল্লেখ, আগামীকাল আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বের সমাপ্তি হবে।

নিউজ ট্যাগ: বিশ্ব ইজতেমা

আরও খবর
শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আপাতত শঙ্কামুক্ত মোস্তাফিজ, থাকবেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসরের চট্টগ্রাম পর্বের খেলা চলছে। টানা দুদিনের ম্যাচের পর আজকের ম্যাচহীন দিনে ঘটল অনাকাঙ্ক্ষিত এক দুর্ঘটনা। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমান অনুশীলনের সময় মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্র্যাকটিস সেশনে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার ম্যাথু ফোর্ডের বল ফিজের মাথায় আঘাত করলে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে সিটি স্ক্যান সম্পন্ন করার পর তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য জানিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কর্তৃপক্ষ

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলনের সময় একটি বল মোস্তাফিজের মাথার পেছনে এসে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ফিজ। এরপর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে দ্রুত নেওয়া হয় হাসপাতালে।

সিটি স্ক্যান শেষের পর কুমিল্লা দলের ফিজিও এমএস জাহিদুল ইসলাম জানান, মোস্তাফিজের অবস্থা অনেকটাই ভালো। বড় ধরনের ইনজুরির আশঙ্কা করা হলেও কেবল বাহ্যিকভাবেই আঘাত পেয়েছেন তিনি। 

আরও পড়ুন>> মাথায় বল লেগে হাসপাতালে মুস্তাফিজ

জাহিদুল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, অনুশীলনের সময় একটি বল মোস্তাফিজের মাথার পেছনের অংশে এসে লাগে। ফলে সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। রক্তপাত বন্ধ করতে দ্রুত ব্যান্ডেজ করা হয়। এরপর নেওয়া হয় ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে। সিটি স্ক্যান করার পর আমরা সন্তুষ্ট। তার অভ্যন্তরীণ কোনো ক্ষতি হয়নি, অভ্যন্তরীণ রক্তপাতও হচ্ছে না। তাকে এখন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এবারের আসরে কুমিল্লার হয়ে ৯ ম্যাচ খেলেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ২৩.৯১ গড়ে তিনি শিকার করেছেন ১১ উইকেট। ৯ ম্যাচে কুমিল্লার পয়েন্ট ১৪। ৭ ম্যাচে জয়ের বিপরীতে ২ ম্যাচে হেরেছে তারা।


আরও খবর