আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

নেত্রকোনায় কোভিড-১৯ দ্বিতীয় ধাপ মোকাবেলায় পুলিশের মাস্ক বিতরণ

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | ১৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নেত্রকোনা থেকে মোনায়েম খান

কোভিড-১৯ দ্বিতীয় ধাপ মোকাবেলায় সচেতনতার দেশব্যাপী অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগে নেত্রকোনায় মাস্ক বিতরন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় মাস্ক পরার অভ্যেস, করোনামুক্ত বাংলাদেশ এ শ্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে নেত্রকোনা পৌরসভার সামনের সড়কে নেত্রকোনা জেলা পুলিশের আয়োজনে এ কর্মসূচী পালন করা হয়।

এসময় শহরের মোক্তারপাড়ায় পৌরসভার মোড় থেকে শুরু করে নাগড়া ব্রীজ পর্যন্ত জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে যাত্রী সাধারণ, গাড়ী চালক, রাস্তার পাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, পথচারী সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এরআগে পৌরসভা মোড়ে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুনসী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় জনসচেতনায় পুলিশের পক্ষ থেকে এ ধরনের কর্মসূচী শহরের অন্যান্য স্থানে পালন করা হবে বলে জানান।

আলোচনায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. ফখরুজ্জামান জুয়েল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোরশেদা খাতুন, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সম্পাদক গাজী মোজাম্মেল হোসেন টুকু, এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এ.কে.এম. মানিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মো. আল আমিন হোসাইন, মডেল থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম, মধুমাছি কচিকাঁচা মেলার সম্পাদক এ.টি.এম.এ রাজ্জাক, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক আবু নাসের তালুকদার মিলু, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের  যুগ্ম-আহব্বায়ক এসএম আরিফুল হোসেন পুতুল, রেড ক্রিসেন্ট নেত্রকোনা ইউনিটের (ইউএলও) রুমা আক্তার সহ রেড ক্রিসেন্ট ও জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের সদস্যবৃন্দ।


আরও খবর



মতিঝিল ও ওয়ারীর সব থানায় ‘এলএমজি চৌকি’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের থানাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি থানায় বসানো হয়েছে লাইট মেশিনগান (এলএমজি) চৌকি। চৌকিতে সর্বদা প্রস্তুত থাকছেন একজন পুলিশ সদস্য। এসব থানাগুলোর সামনে বালুর বস্তার ওপর এলএমজি স্থাপন করা হয়েছে।

সোমবার (১২ এপ্রিল) ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, মতিঝিল বিভাগের মতিঝিল থানা, সবুজবাগ থানা, খিলগাঁও থানা, পল্টন মডেল থানা, রামপুরা থানা, মুগদা থানা ও শাজাহানপুর থানায় বালুর বস্তা দিয়ে চৌকি তৈরি করে সেখানে এলএমজি ও চাইনিজ রাইফেল দিয়ে পুলিশ সদস্যের ডিউটিতে নিয়োজিত রাখা হয়েছে।

ডিএমপির সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিরিক্ত নিরাপত্তার স্বার্থে রাজধানীর প্রতিটি থানাতেই এলএমজি স্থাপন করা হচ্ছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঢাকার সব থানার নিরাপত্তা বৃদ্ধির নির্দেশনা দেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। থানার আশপাশে ২৪ ঘণ্টা টহলের নির্দেশনা দেন তিনি।

নিউজ ট্যাগ: ডিএমপি এলএমজি

আরও খবর



লকডাউনে শুটিংয়ের নির্দেশনা প্রকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ায় এক সপ্তাহ লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ অবস্থায় নাটকের শুটিং করার জন্য নির্দেশনা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো। নির্দেশনা মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের জন্য আন্তঃসংগঠনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

এফটিপিও চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ, টেলিপ্যাব সভাপতি ইরেশ যাকের, ডিরেক্টরস গিল্ড সভাপতি সালাহউদ্দিন লাভলু, অভিনয়শিল্পী সংঘ সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম, টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সভাপতি মাসুম রেজার স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে-

নাটক রচনা:

ক। জনসমাগম হয় এমন স্থানে শুটিং করা যাবে না।

খ। একটি দৃশ্যে দুই থেকে তিনজন অভিনয়শিল্পী ছাড়া বেশিসংখ্যক শিল্পীর সমাগম ঘটানো যাবে না।

গ। এমন ভাবে চরিত্রের বিস্তার করতে হবে যাতে অন্তত তিন ফুট দূরুত্ব বজায় রেখে অভিনীত চরিত্রগুলো মাস্টার শটে অংশ নিতে পারে।

ঘ। ঘনিষ্ঠ দৃশ্য কোনোভাবেই গল্পে রাখা যাবে না।

ঙ। পাণ্ডুলিপিহীন কোনো নাটক নির্মাণ করা যাবে না।

চ। নির্ধারিত পাণ্ডুলিপি সংশ্লিষ্ট প্রযোজক/পরিচালক দেখে নেবেন যাতে একটি দৃশ্যে ২/৩ জন শিল্পীর বেশি উপস্থিতি না থাকে।

কলাকুশলী নির্বাচন:

ক। শিল্পীদের কাস্টিং করার পূর্বে তার স্বাস্থ্য অবস্থার খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হবেন যে তিনি অন্তত ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। তিনি সর্দিজ্বর বা অন্যান্য করোনা উপসর্গের মধ্যে পড়ে সেগুলো থেকে মুক্ত।

খ। নেপথ্য কুশলী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অপরিচিত/নতুন কোনো কর্মীকে তার স্বাস্থ্যগত অবস্থা না জেনে নেওয়া যাবে না।

গ। নিয়মিতভাবে কাজ করেন এমন সকল কর্মীর বিগত অসুখ সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া। প্রয়োজনে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে রিপোর্ট সংগ্রহ করে কাজে নেওয়া যেতে পারে।

ঘ। সম্ভব হলে শুটিং শুরুর ১৪ দিন পূর্বে নেপথ্য কর্মীদের হোম কোয়ারেন্টিনে রেখে নির্ধারিত বিরতিসহ এক টানা শুটিং করা যেতে পারে।

ঙ। ষাটোর্ধ্ব শিল্পী, কলা-কুশলীদের অংশগ্রহণ করালে তাদের বিষয়ে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

চ। শিশু/কিশোর শিল্পীদের আপাতত কোনো নাটকে অংশগ্রহণ না করানোই উচিত।

শুটিং শুরুর আগে করণীয়:

ক। সকল শিল্পী, কলাকুশলীর নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, শরীরের তাপমাত্রা রেজিস্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করতে হবে। শুটিং ইউনিট মুভ করার আগে মাইক্রোবাস জীবাণুনাশক দ্বারা স্প্রে করতে হবে।

খ। ডিজিটাল থার্মোমিটার দিয়ে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ানের তত্ত্বাবধানে ইউনিটের কলাকুশলীর প্রত্যেককে পরীক্ষা করে গাড়িতে তুলতে হবে। সেক্ষেত্রে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে গাড়িতে বসতে হবে।

গ। শুটিং ফ্লোরে প্রবেশের সময় যাদের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করা হয়নি তাদেরকে ফ্লোরে প্রবেশ দ্বারে একজন টেকনিশিয়ানের তত্ত্বাবধানে তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করিয়ে হাত ধুয়ে ভেতরে প্রবেশ করাতে হবে।

ঘ। শুটিং ফ্লোরে প্রবেশ দ্বারে অবশ্যই ব্লিচিং পাউডারে ভেজা পাপোস রাখতে হবে। প্রবেশ দ্বারে সম্ভব হলে ৭০ ভাগ অ্যালকোহল মিশ্রিত পানি দিয়ে স্প্রে করা যেতে পারে।

ঙ। শুটিং ফ্লোরের প্রতিটি রুম আগে থেকেই অ্যালকোহন মিশ্রিত স্প্রে দিয়ে জীবাণুনাশ করতে হবে।

চ। মেকআপ রুমসহ সকল ওয়াশরুম যথাযথভাবে জীবাণুনাশক স্প্রে করতে হবে। বিশেষ করে ওয়াশরুম প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর স্প্রে করতে হবে।

ছ। খাবার দেওয়ার সময় প্রডাকশন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অবশ্যই ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুয়ে সার্ভ করবেন। যিনি খাবার পরিবেশন করেন এবং সরবরাহের কাজে জড়িত থাকবেন তাকে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। হ্যান্ডগ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। মুখে মাস্ক সার্বক্ষণিকভাবে পরিধান করতে হবে।

জ। ইউনিটের প্রত্যেককে মাস্ক পরতে হবে। একই মাস্ক প্রতিদিন পরা যাবে না। যদি সেই মাস্ক ধৌত করার অপশন থাকে তাহলে ধুয়ে পরতে পারবেন। অন্যথায় ওয়ানটাইম মাস্ক প্রতিদিন ব্যবহার করে নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলে দিতে হবে।

ঝ। শুটিংয়ে ব্যবহৃত চাদর, জানালার পর্দা প্রতিদিন ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। সোফা বা অন্যান্য আসবাব স্পিরিট দিয়ে মুছে নিতে হবে। পাপসগুলো পরিষ্কার করে নিতে হবে।

চিত্রগ্রহণের পূর্বে করণীয়:

ক। প্রধান চরিত্রের অভিনয়শিল্পীরা (সম্ভব হলে) মেকআপ বাসা থেকে নিজ দায়িত্বে নিয়ে আসবেন। সঙ্গে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন। খুব প্রয়োজন না হলে সহকারী সঙ্গে না রাখাই শ্রেয়। সহযোগী শিল্পীদের মেকআপ ইউনিট থেকে সাবধানতা মেনে দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রডাকশন থেকে প্রদান করতে হবে।

খ। করোনাকালীন সময়ে খাবার নিজ দায়িত্বে করাই শ্রেয়। সে জন্য (সম্ভব হলে বা প্রয়োজন মনে করলে) প্রত্যেক শিল্পী তাদের খাবার এবং ক্রোকারিজ সামগ্রী সঙ্গে বহন করবেন। ইউনিটের অন্যান্যদের জন্য প্রযোজক সুষম খাবারের ব্যবস্থা করবেন। ওয়ানটাইম ক্রোকারিজ সামগ্রী ব্যবহার করাই ভালো।

গ। রূপসজ্জা শিল্পী অবশ্যই কাজ শুরুর পূর্বে পোশাক পরিবর্তন করবেন এবং মাস্ক, ফেস শিল্ড ব্যবহার করবেন।

শুটিং স্থানে করণীয়:

ক। নির্ধারিত শুটিং জোনে কেবল মাত্র ২/৩ জন শিল্পী থাকবেন। একজন ক্যামেরাম্যান, একজন পরিচালক, একজন লাইটম্যান একটি দৃশ্যে উপস্থিত থাকবেন। পরের দৃশ্যে আবার ক্রু পরিবর্তন করে কাজ করতে হবে। নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নিয়ে দৃশ্যধারণের কাজ করবেন।

খ। প্রত্যেকটা দৃশ্য শেষে পোশাক পরিবর্তন করার প্রয়োজন হলে সঙ্গে সঙ্গে হাত ধুতে হবে। হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে।

গ। কর্মক্ষেত্রে কেউ হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে তাকে সরাসরি ডাক্তারের কাছে নিতে হবে।

শুটিং শেষে করণীয়:

ক। সকলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন আছেন কিনা, স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়েছে কিনা প্রযোজকের পক্ষে একজন উপযুক্ত ব্যক্তি অবলোকন করে নিশ্চিত করবেন।

খ। ইউনিটের সবাইকে গাড়ি দিয়ে গন্তব্যে নামিয়ে দিতে হবে। পরদিন যথাযথ নিয়ম মেনে আবার কাজে যোগ দিতে হবে।

গ। সরকারের বেধে দেওয়া সময়সীমার সঙ্গে সমন্বয় করে শুটিং করতে হবে। আন্তঃসংগঠনের সিদ্ধান্ত শুটিংয়ের সময়কাল সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।

ঘ। পরিচালক ও ভিডিও সম্পাদক স্বাস্থ্যবিধির সব নির্দেশনা মেনে সম্পাদনার কাজ সমন্বয় করে তা সম্পন্ন করবেন।


আরও খবর



যেভাবে বানাবেন শসার স্মুদি

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
শসার স্মুদি তৈরি করতে প্রথমে শসা ছাড়িয়ে কুচি করুন। এরপর কুচানো শসা ব্লেন্ডারে দিয়ে তাতে আইস কিউব, দই, মধু, পুদিনা পাতা ও লেবুর রস দিন। যতক্ষণ না পর্যন্ত ভালোভাবে মিশছে,

শসা ত্বক ও স্বাস্থ্য, উভয়ের জন্যই অত্যন্ত উপকারী। শসা শরীর ঠাণ্ডা রাখে, বিশেষ করে গরমকালে। এ ছাড়া শসায় রয়েছে ফসফরাস, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান।

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শসায় থাকা ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে প্রচুর, যা রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। ডিহাইড্রেশন রুখতেও সাহায্য করে শসা।

আজ আমরা কিউকামবার বা শসার স্মুদি তৈরির রেসিপি বলব, যা গরমে আপনাকে একটু হলেও স্বস্তি দেবে

উপকরণ

১. দুটি শসা

২. দুই টেবিল চামচ মধু

৩. দেড় কাপ টক দই

৪. এক মুঠো পুদিনা পাতা

৫. হাফ কাপ আইস কিউব ও

৬. এক চা চামচ লেবুর রস

 

তৈরির পদ্ধতি

শসার স্মুদি তৈরি করতে প্রথমে শসা ছাড়িয়ে কুচি করুন। এরপর কুচানো শসা ব্লেন্ডারে দিয়ে তাতে আইস কিউব, দই, মধু, পুদিনা পাতা ও লেবুর রস দিন। যতক্ষণ না পর্যন্ত ভালোভাবে মিশছে, ততক্ষণ ব্লেন্ড করুন। তৈরি হয়ে গেলে কাঁচের গ্লাসে ঢালুন। প্রত্যেক গ্লাসের ওপর পুদিনা পাতা দিয়ে সাজিয়ে নিন। এরপর ঝটপট পরিবেশন করুন।

নিউজ ট্যাগ: শসা

আরও খবর
মাস্ক কখন পরিবর্তন করবেন

শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১




করোনায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিজির মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৫২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. এ কে এম রফিক আহাম্মেদ মারা গেছেন। শনিবার (১০ এপ্রিল) ভোর ৪টা ১৪ মিনিটে তিনি মারা যান।

ডা. এ কে এম রফিক আহাম্মেদ ২০১৯ সালের ২২ মে মহাপরিচালক হিসাবে পরিবেশ অধিদফতরে যোগদান করেন। ডা. আহাম্মেদ ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন এবং গত ২৭ বছরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে তিনি দুবাইয়ের বাংলাদেশের কনসুলেট জেনারেলের বাণিজ্যিক পরামর্শদাতা হিসাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্পর্কিত দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন।

এছাড়া তিনি তৎকালীন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব এবং মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসাবে কাজ করেছেন। ডা. আহাম্মেদ ২০১৪ সালে পরিচালক (জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক সম্মেলন) হিসাবে পরিবেশ অধিদফতরেও কাজ করেছিলেন।

ডা. এ কে এম রফিক আহাম্মেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় স্নাতক (অনার্স) এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে, তিনি ২০০১ সালে অ্যাডিলয়েড, অস্ট্রেলিয়া ইন এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ-এ একটি মাস্টার প্রোগ্রাম গ্রহণ করেন এবং একই বিভাগে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী

৮ম দিনের প্রতিপাদ্য ‘শান্তি, মুক্তি ও মানবতার অগ্রদূত’

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ মার্চ ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে মুজিব চিরন্তন শীর্ষক মূল প্রতিপাদ্যের দশ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আজ বুধবার অষ্টম দিনের প্রতিপাদ্য শান্তি, মুক্তি ও মানবতার অগ্রদূত। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং।

বিদ্যমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সীমিত আকারে ৫০০ জন আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব আলোচনা অনুষ্ঠান বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত। এরপর সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ৩০ মিনিটের বিরতি থাকবে। দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠানটি টেলিভিশন, বেতার, অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

আলোচনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আবদুল মোমেন এমপি। আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করবেন এ এইচ মাহমুদ আলী এমপি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. রওনক জাহান।

এ ছাড়া ভ্যাটিক্যান সিটি থেকে প্রাপ্ত পোপ ফ্রান্সিসের ভিডিও বার্তা প্রচার করা হবে। আলোচনা পর্বে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং বক্তব্য প্রদান করবেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথিদের মুজিব চিরন্তন শ্রদ্ধা-স্মারক প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আলোচনা পর্বের সমাপ্তি হবে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে বন্ধুরাষ্ট্র ভুটানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা, মুজিব চিরন্তন প্রতিপাদ্যের ওপর টাইটেল এ্যানিমেশন ভিডিও, ঐ মহামানব আসে শীর্ষক রবীন্দ্র সংগীত, অজর, অমর, অক্ষয় শীর্ষক নজরুল সংগীত, লোকনায়ক শীর্ষক লোকসংগীত, স্পন্দন পরিবেশিত মহাকালের গণনায়ক : তোরা সব জয়ধ্বনি কর, বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠান শতবর্ষ পরেও, কনসার্ট ফর বাংলাদেশ-১৯৭১ এর ১ আগস্টের অনুষ্ঠানের চুম্বক অংশ, কনসার্ট ফর বাংলাদেশ শীর্ষক দেশি শিল্পীদের পরিবেশনা এবং সব শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে জর্জ হ্যারিসনের বাংলাদেশ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হবে।


আরও খবর