আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

নিজ ঘর থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | ১১৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বগুড়ার শেরপুরে নিজ ঘর থেকে আজিজুর রহমান (৬৫)  নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার সকালে উপজেলার মির্জাপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, রোগে ভুগে অসহ্য হয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত কাজিম উদ্দিনের ছেলে আজিজুর রহমান প্রায় ১ বছর ধরে বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। এরই একপর্যায়ে অসুস্থতা সহ্য করতে না পারায় রবিবার সকাল ৭টার দিকে নিজ ঘরের তীরের সঙ্গে দড়ি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

এদিকে পরিবারের লোকজন তাকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া পায়নি। পরে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর গিয়ে দেখে গলায় ফাঁস দিয়ে তীরের সঙ্গে ঝুলে আছে। পরে শেরপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা আজিজুর রহমানের লাশ উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম শহিদ জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আরও খবর



গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় আরও ৫২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | ১২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে; একই সময়ে নতুন করে এক হাজার  ১৬৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

সোমবার দুপুর পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া জেলায়।  বাকিদের মধ্যে খুলনা জেলায় ১২ জন, যশোরে ১১ জন, নড়াইলে দুই, মাগুরায় দুই, ঝিনাইদহে তিন ও মেহেরপুরে পাঁচজন।

এর আগে রবিবার এই বিভাগে ৫১ জনের মৃত্যু এবং ১ হাজার ৩৪৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে এর আগে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত দৈনিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া জেলায়। বাকিদের মধ্যে খুলনায় ১২ জন, যশোরে ১১ জন, নড়াইলে দুজন, মাগুরায় দুজন, ঝিনাইদহে তিনজন ও মেহেরপুরে পাঁচজন।

করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৮২ হাজার ৫৮৬ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক হাজার ৯৪৭ জন। খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ।


আরও খবর



খুলনার ৪ হাসপাতালে ২৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে খুলনার চারটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সকাল সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (৯ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত তাদের মৃত্যু হয়। যা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। শুক্রবার জেলা সিভিল সার্জন এ তথ্য জানান।

খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১১ জন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ জন ও জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে পাঁচজন ও আবু নাসের হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকালপারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় এ হাসপাতালে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৮৫ জন। এর মধ্যে রেড জোনে ১২৬ জন, ইয়োলো জোনে ১৯ জন, আইসিইউতে ১৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪৬ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৯ জন।

গাজী মেডিকেল হাসপাতালের সত্ত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি এ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১২৯ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ৮ জন ও এইচডিইউতে আছেন ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৩৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১ জন।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, এ হাসপাতালে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭১ জন। এর মধ্যে ৩৪ জন পুরুষ ও ৩৭ জন মহিলা। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৩ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৬ জন।

শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৫ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচজন।


আরও খবর



মুনিয়ার মৃত্যু: বসুন্ধরার এমডি সায়েমের সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ১১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের চাঞ্চল্যকর ঘটনা কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার রহস্যজনক মৃত্যু। এই ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তদন্তে নেমে তার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পায়নি পুলিশ। এজন্য আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলা থেকে আনভীরকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, মুনিয়া আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় বসুন্ধরার এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করা হয়েছে। এটি গত সোমবার (১৯ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে দাখিল করা হয়।

এদিকে জানা গেছে, পুলিশের দেওয়া ওই প্রতিবেদনের ওপর আগামী ২৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওইদিন আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন পুলিশের জমা দেয়া চূড়ান্ত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করবেন কিনা।

গত ২৬ এপ্রিল রাতে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধারের পর দায়ের হওয়া মামলায় আসামি করা হয় বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে। মামলায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়।

ঘটনার দিন রাতেই মুনিয়ার বোন নুসরাত বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলাটি করেন। মামলার অভিযোগ করা হয়, এক বন্ধুর মাধ্যমে পরিচয়ের পর ২০১৯ সালে আনভীর মুনিয়াকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বনানীতে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনভীরের পরিবার মুনিয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা জানতে পারে। তখন আমার বোনকে (মুনিয়াকে) আনভীরের জীবন থেকে সরে যাওয়ার জন্য হুমকি দেন তার মা।

এ ঘটনার পর আনভীর মুনিয়াকে কৌশলে কুমিল্লায় পাঠিয়ে দেন এবং পরে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেন। গত মাসের (মার্চ) ১ তারিখে গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার বি/৩ ফ্যাটটি ভাড়া নেন আনভীর। ১ মার্চ থেকে মুনিয়া সেই ফ্ল্যাটেই ছিলেন এবং আনভীর মাঝে মাঝে ওই ফ্ল্যাটে আসা যাওয়া করতেন।

গত ২৩ এপ্রিল ফ্ল্যাট মালিকের বাসায় ইফতার পার্টিতে গিয়ে মুনিয়া ছবি তোলেন। ফ্ল্যাট মালিকের স্ত্রী ফেসবুকে সেই ছবি পোস্ট করলে সেটি আনভীরের পরিবারের একজন দেখে ফেলেন এবং আনভীরকে জানান। বিষয়টি নিয়ে আনভীর মুনিয়াকে বকাঝকা করেন এবং হুমকি দেন। ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে মুনিয়া তার মোবাইল নম্বর থেকে নুসরাতকে ফোন করে কান্নাকাটি শুরু করেন। তিনি বলেন, আনভীর আমাকে বিয়ে করবে না, সে শুধু আমাকে ভোগ করেছে। এছাড়া আমাকে সে মনে রাখিস তোকে আমি ছাড়ব না বলে হুমকি দিয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, মুনিয়া নুসরাতের কাছে চিৎকার করে বলেন, যেকোনো সময় আমার বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তোমরা তাড়াতাড়ি ঢাকায় আসো।

মোসারাত জাহান মুনিয়া মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। ২৬ এপ্রিল রাতে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

গুলশান থানা সূত্রে জানা যায়, মুনিয়া নিহত হওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। বাড়ির মালিক, মালিকের মেয়ের জামাইসহ বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মামলা সংক্রান্ত বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন তারা। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করেছে পুলিশ।

মুনিয়া যে ফ্ল্যাটটিতে থাকতেন সেই ভবনের বেশকিছু সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করে পুলিশ। সেসব সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওই ফ্ল্যাটে সায়েম সোবহান আনভীরের যাতায়াতের প্রমাণ পায় তারা। তবে ঘটনার দিন বা এর আগের দিন মুনিয়ার ফ্ল্যাটে আনভীরের যাতায়াতের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজে এই দুই দিন সন্দেহজনক কারও যাতায়াত ওই বাড়ি কিংবা ফ্ল্যাটের আশপাশে পাওয়া যায়নি।



আরও খবর



কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নন্দিত কথাশিল্পী ও নির্মাতা হ‌ুমায়ূন আহমেদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমান কিংবদন্তি এ কথাসাহিত্যিক। হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সীমিত পরিসরে গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে কিছু আয়োজন থাকছে আজ।

নুহাশপল্লীর ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, সোমবার সকালে নুহাশপল্লীতে কোরআনখানির আয়োজন করা হয়েছে। এরপর হুমায়ূন আহমেদের কবরে ফুল দেওয়া হবে। প্রতি বছর এতিম বাচ্চাদের খাওয়ানোর যে আয়োজন হয়, তা এ বছর হচ্ছে না। এই বাবদ যে টাকা খরচ হয় তা, এবার গরিব মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে। ঈদের আগেই সেই টাকা বিতরণ হবে। হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন সকালে নুহাশপল্লীতে যাবেন বলেও জানা গেছে।

হুমায়ূন আহমেদের শরীরে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মরণব্যাধি ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান। সেখানে ২০১২ সালের ১৬ জুলাই তিনি চলে যান লাইফ সাপোর্টে। ১৯ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ২৩ জুলাই দেশে ফিরিয়ে আনা হয় হুমায়ূন আহমেদের লাশ। ২৪ জুন তাকে দাফন করা হয় তার গড়ে তোলা গাজীপুরের নুহাশপল্লীর লিচুতলায়।

হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ডাকনাম কাজল। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা আর মা গৃহিণী। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। কথাসাহিত্যিক জাফর ইকবাল তার ছোট ভাই। সবার ছোট ভাই আহসান হাবীব নামকরা কার্টুনিস্ট ও রম্যলেখক। তার পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে আগুনের পরশমণি, শ্যামল ছায়া, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী, চন্দ্রকথা, নয় নম্বর বিপদসংকেত, ঘেটুপুত্র কমলা সহ প্রভৃতি।

বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৪ সালে একুশে পদক লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮১), হুমায়ূন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯০), লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩), জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৩ ও ১৯৯৪), বাচসাস পুরস্কার (১৯৮৮) লাভ করেন।

নিউজ ট্যাগ: হুহমায়ূন আহমেদ

আরও খবর



ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২২ কিলোমিটার যানজট

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ জুলাই ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

 সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার মহাসড়কে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। যানজট নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কটিতে এক লেন বন্ধ রেখে অপর লেনে চালানো হচ্ছে যানবাহন। বন্ধ থাকা লেনে ঘন্টার পর ঘন্টা থেমে রয়েছে গাড়ি। এতে করে যারা প্রিয়জনদের সাথে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছেন তাদেরকে পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ।

শনিবার (১৭ জুলাই) ভোর ছয়টা থেকে আটটা পর্যন্ত মহাসড়কে এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান আলী ও বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ মোসাদ্দেক আলী বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষ ও গরুবোঝাই যানবাহনের চাপ বাড়ায় বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার মহাসড়কে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন।

মহাসড়কটিতে যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে কখনো ঢাকাগামী লেন বন্ধ রেখে উত্তরবঙ্গগামি লেন আবার কখনও উত্তরবঙ্গগামী লেন বন্ধ রেখে ঢাকাগামী লেনে যানবাহন চলাচল করছে।

এদিকে বন্ধ থাকা লেনে ঘন্টার পর ঘন্টা থেমে থাকছে গাড়ি। ফলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন মহাসড়ক ঘরমুখো মানুষ ও চালকেরা।


আরও খবর