আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হবে তা নির্ধারণ করবে ইসি: জিএম কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএম-এ। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, কোন পদ্ধতীতে নির্বাচন হবে সেই আলোচনা ওই সভায় কতটা প্রাসঙ্গিক সে বিষয়ে মতভেদ আছে। নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হবে তা নির্ধারণের দায়িত্ব মূলত নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচনে পদ্ধতিগত কোনো পরিবর্তন আনতে নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে মতামত নেবেন এটাই স্বাভাবিক।

আজ দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় যুব মহিলা পার্টির সাথে এক মতবিনিময় সভায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

এসময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরো বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সংবিধানকে এমন ভাবে কাটাকাটি করেছে তাতে গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব নয়। দেশে সাংবিধানিক এক নায়কতন্ত্র চলছে। ফলে  সরকারের কোনেক্ষেত্রেই জবাবদিহিতা নেই বললেই চলে।

আজ দুপুরে জাতীয় পার্টি মাননীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে জাতীয় যুব মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নাজনীন সুলতানার সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সৈয়দা জাকিয়া আফরোজ হিয়ার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের এমপি, মাসরুর মওলা, যুগ্ম মহাসচিব আশিক আহমেদ, দফতর সম্পাদক-২ এমএ রাজ্জাক খান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিন্টু। যুব মহিলা পার্টির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইলোরা ইয়াসমিন, কানিজ আফরোজা রসুল, নাহার ইতি, আফসানা ইয়াসমিন শান্তনু, তাছলিমা আক্তার, সীমানা আফরোজ পুতুল, তাহসিন রুবাইয়াত, রাবেয়া আক্তার মলি, তাসলিমা রহমান জুই, শাবনুর আক্তার, নূরুন্নাহার বেবী, আয়েশা আক্তার স্বর্ণা, মণি সরকার, রোজি, রোজিনা, সায়েকা হক, লুৎফুন্নাহার।


আরও খবর



ঈদের আগে কমল স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রেক্ষিতে ঈদের আগে কমল স্বর্ণের দাম। সব থেকে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৭ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৭ হাজার ৬৮২ টাকা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) থেকে স্বর্ণের এ নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

ভালো মানের স্বর্ণের পাশাপাশি কমানো হয়েছে সব ধরনের স্বর্ণের দাম। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ৭৫৮ টাকা থেকে ১ হাজার ১৬৭ টাকা পর্যন্ত। তবে রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি সোমবার (২৫ এপ্রিল) বৈঠক করে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তী সময়ে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল হক ভূইয়া লিটন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৭ টাকা কমিয়ে করা হয়েছে ৭৭ হাজার ৬৮২ টাকা।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৪ হাজার ১৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৯১ টাকা কমিয়ে ৬৩ হাজার ৫৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৫৮ টাকা কমিয়ে ৫৩ হাজার ৭১ টাকা করা হয়েছে।

স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার আগের নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৯৩৩ টাকা।

এর আগে স্থানীয় বুলিয়ান মার্কেটে দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে গত ১২ এপ্রিল থেকে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। তখন সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকা করা হয়েছিল।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৩৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২২৪ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছিল ৫৩ হাজার ৮২৯ টাকা। সোমবার পর্যন্ত দেশের বাজারে এ দামেই স্বর্ণ বেচাকেনা হয়েছে।


আরও খবর
ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




কক্সবাজারে অসাবধানতায় নিজ বন্দুকের গুলিতে ফরেস্ট গার্ড নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ১৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ঈদগাঁও রেঞ্জের ভোমরিয়াঘোনা ফরেস্ট অফিস এলাকায় অসাবধানতা বশত নিজ গুলিতে এক ফরেস্ট গার্ড (এফজি) নিহত হয়েছেন।

বুধবার দুপুরে ভাদিতলার পূর্ব পাশের বনে এ ঘটনা ঘটে।নিহত আখতারুজ্জামান (৪০) যশোরের কোতোয়ালি থানাধীন ইছালী গ্রামের বাসিন্দা রফি উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে।তিনি ঈদগাঁও রেঞ্জের ভোমরিয়াঘোনা বিটে বনরক্ষী হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি এক ছেলে এক মেয়ের জনক।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. আনোয়ার হোসেন সরকার জানান, আকতারুজ্জামান প্রতিদিনের মতো ডিউটি করছিলেন। শুনেছি তার বন্দুকটি কাজ করছিল না, তা ঠিক করার সময় অসাবধানতা বশত গুলি বের হয়ে বিদ্ধ হওয়ার পর আহত হন আখতারুজ্জামান। তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়ার পথেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

ভোমরিয়া ঘোনা বিটের হেডম্যান বাদশা মিয়া জানান, নিহত আখতারুজ্জামান আরেকজন সহকারীকে নিয়ে বনে নিয়মিত টহলে গিয়েছিলেন। সেখানে তার নামে বরাদ্দ থাকা বন্দুকটিতে ত্রুটি দেখা দিলে তা নিজেই মেরামতের চেষ্টা চালান আখতার। একপর্যায়ে বন্দুক থেকে এক রাউন্ড গুলি বের হয়ে তার গলার এক পাশে বিদ্ধ হয়ে অন্য পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়।

ঈদগাঁও থানার ওসি আবদুল হালিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে আহত বনকর্মীকে উদ্ধার করা হয়। বন বিভাগের পক্ষ থেকে অভিযোগ বা মামলা হলে তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



পুলিশ কর্মকর্তার মাথায় বটি দিয়ে কুপিয়ে জখম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এক পুলিশ কর্মকর্তার মাথায় বটি দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছেন হত্যা মামলার আসামির স্ত্রী। হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ধরতে গিয়ে এই হামলার শিকার হন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। সোমবার রাতে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় আহত বাকেরগঞ্জ থানার এএসআই কৃষ্ণ কান্তকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় জড়িত হত্যা মামলার ১৪ নম্বর আসামি মনির হাওলাদার ও তার স্ত্রী কুলসুম বেগমকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলাউদ্দিন মিলন বলেন, গত ১৯ এপ্রিল দিবাগত  রাত ১২টার দিকে ফরিদপুর ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামে মামুন মেম্বার ওরফে হাতকাটা মামুন এবং রনি মোল্লার লোকজনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে  সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় মামুনের সহযোগীরা রনি মোল্লা ও তার দুই ভাইকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে আহতদের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনার পর রাত সাড়ে ৩টার দিকে রনিকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসকরা।

ওসি বলেন, এই ঘটনায় হত্যা মামলা হলে তাৎক্ষণিক হত্যা মামলার আসামি সাইফুল মৃধাকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এর ধারাবাহিকতায় বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার রাতে সর্শী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তারিক হাসান রাসেলের নেতৃত্বে কয়েকজন অফিসার ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনাপুর গ্রামে হত্যা মামলার ১৪ নম্বর আসামী মনির হাওলাদারকে গ্রেফতার করতে গেলে তার স্ত্রী কুলসুম বেগম ঘরে থাকা ধারালো বটি দিয়ে এএসআই  কৃষ্ণ কান্ত মিত্রের মাথায় কোপ দিয়ে গুরুতর জখম করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( বাকেরগঞ্জ সার্কেল) সুদীপ্ত সরকার জানান, আসামি ছিনিয়ে নিতেই মূলত মনিরের স্ত্রী পুলিশের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এই ঘটনায় হত্যা মামলার আসামি মনির হাওলাদারসহ তার স্ত্রী কুলসুম বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় কুলসুমকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

নিউজ ট্যাগ: কুপিয়ে জখম

আরও খবর



ঈদে সক্রিয় চাঁদাবাজ-ছিনতাই চক্র, আটক ৪১

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজ ও ছিনতাই চক্রের ৪১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

র‍্যাব বলছে, চাঁদাবাজ চক্র রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সবজি ও ফলের দোকান, ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান, লেগুনা স্ট্যান্ড এবং মালবাহী গাড়ি থেকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছে। কেউ চাঁদা দিতে রাজি না হলে তাঁরা জীবননাশের হুমকি প্রদর্শন করে। এ ছাড়া ঈদের কেনাকাটার জন্য বের হওয়া সাধারণ মানুষের সর্বস্ব ছিনিয়ে নিত চক্রের সদস্যরা।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব-৩-এর অধিনায়ক (সিইও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।

আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাজধানীর সবুজবাগ, খিলগাঁও, হাতিরঝিল, তেজগাঁও, মুগদা, শাহবাগ, মতিঝিল, ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর ও পল্টনসহ বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী চক্রের মূল হোতাসহ ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে ৩৩ জন চাঁদাবাজ ও ৮ জন ছিনতাইকারী। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির মাধ্যমে আদায়কৃত নগদ ১ লাখ ২ হাজার ৫৩৩ টাকা, মোবাইল ৫৩টি, ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত ৯টি সুইচ গিয়ার, ১০টি অ্যান্টিকাটার, ১০টি ক্ষুর, ৭টি চাকু, ২টি চাইনিজ কুড়াল, ৪টি রামদা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলোসোলাইমান (২৫), নুর হোসেন (৩০), মো. শাহজালাল (২২), আলী হোসেন (৪০), আরিফ হোসেন (১৭), সাইফুল ইসলাম (৫৭), মাসুম (২৭), মো. শিবলু (২৫), মোক্তার হোসেন (৩০), মো. মুন্না (২০), মো. সাইমন (৩২), মো. রনি (২৫), মো. আব্দুল মান্নান (৪৪), মো. বাবুল হাওলাদার (৫০), মো. আবুল কাশেম (৪৫), নুরুল হক (৪০), মো. রাকিব খান (২০), মো. মাসুদ (৪০), মো. জনি (৩২), মো. আকাশ (২০), মো. নাইম (১৯), মাজাহারুল ইসলাম ওরফে তামিম (১৮), মো. রাকিব (১৯), মো. নাইম বেপারী (১৯), মো. সজীব (২৫), বাবুল হোসেন (৩২), ইসমাঈল (৩৫), মো. রবিন (২৮), মো. সেলিম (৪০), মো. ইয়াসিন আরাফাত (২২), মো. নুর হোসেন (৬৫), মহব্বত হোসেন (৪০), মো. লিটন (৪২), মো. আরিফ (২৫), সাব্বির হোসেন জুবায়ের (২০), হেমায়েত হোসেন মামুন (৩৮), মো. ফারুক (৫০), শাহ পরান (২৬), কামরুল হাসান (২৫), মো. মিজান (২৪) ও মো. সেলিম (৩৬)।

গ্রেপ্তারকৃতদের বরাত দিয়ে আরিফ উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সবজি ও ফলের দোকান, ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান, লেগুনা স্ট্যান্ড এবং পরে পণ্যবাহী গাড়ি থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছিল। ফুটপাতের দোকানদারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করত। এই কাজে চার থেকে পাঁচজনের একটি গ্রুপ জড়িত।

এ ছাড়া ঈদ সামনে রেখে সক্রিয় ছিনতাই চক্রের সদস্যরা। তারা পথচারী, রিকশা আরোহী, যানজটে থাকা সিএনজি অটোরিকশার যাত্রীদের ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে সর্বস্ব লুটে নিত। ইফতারের সময় এবং সাহরির পর তুলনামূলক জনশূন্য রাস্তায় ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তাদের ছিনতাইকাজে বাধা দিলে তারা নিরীহ পথচারীদের প্রাণঘাতী আঘাত করতে দ্বিধাবোধ করে না। খিলগাঁও, মালিবাগ রেলগেট, দৈনিক বাংলা মোড়, পীরজঙ্গির মাজার ক্রসিং, কমলাপুর বটতলা, মতিঝিল কালভার্ট রোড, নাসিরের টেক হাতিরঝিল, শাহবাগ, রাজউক ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং পল্টন মোড়, গোলাপ শাহর মাজার ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, আব্দুল গণি রোড, মানিকনগর স্টেডিয়ামের সামনে, নন্দীপাড়া ব্রিজ, বাসাবো ক্রসিং এলাকায় সন্ধ্যা থেকে ভোররাত পর্যন্ত ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বেশি পরিলক্ষিত হয়।


আরও খবর



চীনা বিমানের দুর্ঘটনা ছিল ইচ্ছাকৃত

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ১৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীনের সেই যাত্রীবাহী বিমানটি ইচ্ছাকৃতভাবে মাটিতে আছড়ে ফেলে বিধ্বস্ত করানো হয়েছিল। দুর্ঘটনার প্রায় দুই মাস পর এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে তদন্তে। ভয়ঙ্কর সেই বিমান দুর্ঘটনায় মোট আরোহীর ১৩২ জনই নিহত হয়েছিলেন। আজ বুধবার সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে।

বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স বিশ্লেষণ করে সুচিন্তিতভাবে মাটিতে বিমান আছড়ে ফেলার তথ্য মিলেছে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের বিষয়ে জানেন এমন দুজনের বরাত দিয়ে এই তথ্য দিয়েছে গণমাধ্যমটি।

চলতি বছরের ২১ মার্চ মাঝ আকাশ থেকে হঠাৎ নিচে আছড়ে পড়েছিল চীনের ওই যাত্রীবাহী বিমান। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় রক্ষা পাননি কোনো আরোহীই। গভীর জঙ্গলে প্রায় সপ্তাহখানেক খোঁজ চালানোর পর উদ্ধার করা হয় বিমানের ব্ল্যাক বক্স।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই জানানো হয়, মার্চ মাসে বিমানটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে মাটির দিকে নাক বরাবর নামিয়ে আনা হয়েছিল, যে কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

এ ছাড়া চলতি সপ্তাহে মার্কিন সংবাদমাধ্য্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ব্ল্যাক বক্স থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী- কোনো দুর্ঘটনা বা নিয়ন্ত্রণহীনতা নয়, ককপিট থেকে ইচ্ছাকৃতভাবেই বিমানটিকে প্রবল গতিতে মাটির দিকে নামিয়ে আনা হয়েছিল।

ককপিট থেকেই কারও নির্দেশে বিমানটি পরিচালনা করা হচ্ছিল বলে দাবি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের। ওই বিমানটি ছিল মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা বোয়িংয়ের তৈরি। তাই দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে ব্ল্যাক বক্স খতিয়ে দেখে তারা।

এর আগে চীনের পক্ষ থেকে এই দুর্ঘটনার একটি প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, বিধ্বস্ত ওই বিমানে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না। আর এরপরই নাশকতার তত্ত্ব আরও জোরালো হয়।

চীনের কুনমিং থেকে গুয়াংঝুতে যাচ্ছিল বোয়িং ৭৩৭ মডেলের বিমানটি। মাঝ পথে গুয়াঙশি এলাকায় এলাকায় সেটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তখন দুর্ঘটনাকবলিত স্থানে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। দুর্ঘটনার কারণ দ্রুত বের করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।


আরও খবর