আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

নির্বাচনের আগে নতুন গাড়ি পাচ্ছেন না ডিসি-ইউএনওরা

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নির্বাচন সামনে রেখে ৬১ জন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও ২০০ জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) জন্য নতুন জিপ কেনার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার। সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, নির্বাচনের সময় সাধারণত ডিসিরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনওরা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এমন ২৬১টি জন কর্মকর্তার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) বা জিপ কেনার প্রস্তাব করা হয়েছিল। যা গত ১১ অক্টোবর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে প্রতিটি গাড়ির মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা ধরে মোট ৩৮১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে দরপত্র ছাড়া সরাসরি গাড়িগুলো কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নতুন গাড়ি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন না দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনটি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে সেসবের জবাব দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

আরও পড়ুন>> গাজীপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নারী পোশাক কর্মী নিহত

সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যেসব পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে, তাতে নতুন গাড়ি কেনার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব মনে হয়নি। ফলে নির্বাচনের আগে নতুন গাড়ি পাচ্ছেন না ডিসি-ইউএনওরা।

মূলত ডলার-সংকটের কারণে সরকার নতুন গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বলে জানিয়েছেন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

এদিকে গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, গাড়ি কেনার বিষয়টি স্থগিত করা হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও সরকারের কৃচ্ছ্রতাসাধন কর্মসূচি বাস্তবায়নে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিদেশে বসে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থার এখতিয়ার নেই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, বিদেশে বসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর অপতথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে আনাইনুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সরাসরি কোনো এখতিয়ার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নেই। তবে তথ্য অধিদপ্তরের অধীনে ফ্যাক্ট চেকিং কমিটি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে ও বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে গুজব ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার রোধে সরকার নিরবচ্ছিন্ন কাজ করছে। বৃহস্পতিবার সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তরে সরকারদলীয় এমপি চয়ন ইসলামের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, দেশের অভ্যন্তরে বসে দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা অন্তর্ঘাতমূলক কোনো কর্মকাণ্ড করলে তা প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু বিদেশের মাটিতে বসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারে ব্যবস্থা গ্রহণের সক্ষমতা গড়ে ওঠেনি। তবে এই বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সজাগ। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অপপ্রচারের জবাব তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমেই রোধ করা সম্ভব। প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে অচিরেই অপপ্রচার বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, কেবল বাংলাদেশ নয়, গোটা বিশ্বই অপপ্রচার ও গুজব নিয়ে খুবই চিন্তিত। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈঠকে মিস ইনফরমেশন ও ডিস ইনফরমেশনকে আগামী দিনের এক নম্বর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত ১৫ বছর ধরে আমরা নিজেরা আক্রান্ত। 


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বঙ্গবন্ধু টানেলে ২৩ গাড়ির টোল মওকুফ চায় পুলিশ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

বঙ্গবন্ধু টানেল যাত্রা শুরুর পর থেকে সম্প্রতি কার রেসিং, প্রাইভেটকারের পেছনে দ্রুত গতির বাসের ধাক্কা দেওয়া, টানেলের ভেতর সেলফি তোলা এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে টোল প্লাজার ব্যারিয়ারে ধাক্কা দেওয়ার কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলে দুর্ঘটনায় উদ্ধার তৎপরতাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালাতে ২৩টি গাড়ির টোলমুক্ত সুবিধা চেয়েছে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ। একই সাথে কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুততার সাথে যেকোন ঘটনার সাড়া পেলে চারটি গাড়ি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

যেসব কর্মকর্তার গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে যাবে সেগুলো টোলের আওতায় থাকবে; কিন্তু দুর্ঘটনাসহ টানেলের বিভিন্ন কাজে যাওয়া ২৩টি গাড়ির টোলমুক্ত সুবিধা চাওয়া হয়েছে।

সড়ক ও সেতু বিভাগে সম্প্রতি এ ব্যাপারে চিঠি পাঠানোর কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) এসএম মোস্তাইন হোসাইন।

গত বছরের ২৮ অক্টোবর টানেল উদ্বোধনের পরদিন থেকে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। টানেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে নৌবাহিনী। কিন্তু টানেলের অভ্যন্তরে দুর্ঘটনাসহ নানা বিষয়ে আইনগত কাজ করে পুলিশ।

উপ-কমিশনার এসএম মোস্তাইন হোসাইন বলেন, টানেলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনার জন্য পুলিশকে ডাকা হয়। পতেঙ্গা ও কর্ণফুলী থানার ওসির গাড়ি ছাড়া পুলিশের যেসব গাড়ি টানেলে প্রবেশ করে সেগুলোকে টোল পরিশোধ করতে হয়। অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিএমপির ট্রাফিক ও ক্রাইম বিভাগের বন্দর জোনের ২৩টি গাড়ির টোলমুক্ত রাখার জন্য সড়ক ও সেতু বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জানুয়ারিতে চিঠি পাঠানো হলেও এখনো কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, কোন কর্মকর্তার গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে টানেলে যাবে, সেগুলো টোলের আওতায় থাকবে। শুধুমাত্র গাড়ি অপারেশনাল কাজে থাকবে সেসব ধরনের ২৩টি গাড়িতে টোলমুক্ত সুবিধা দিতে বলা হয়েছে।

টোলমুক্ত সুবিধা চাওয়া গাড়িগুলো হলো- ট্রাফিক ও ক্রাইম বিভাগের বন্দর জোনের দায়িত্বরত কর্মকর্তা, টহল গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, রেকার ও ফোর্স আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত গাড়ি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সেতুতেও পারাপারের জন্য টোল দিতে হয়। কিন্তু সেতুতে দুর্ঘটনা ও টানেলের অভ্যন্তরে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ভিন্নতা আছে। টানেলে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তাড়াতাড়ি গিয়ে উদ্ধার করতে হয়। আমাদের গাড়ির সংকট আছে। টানেলের অভ্যন্তরে কোনো ঘটনা ঘটলে থানা থেকে ফোর্স আসতে সময় লাগে, সেজন্য দুই প্রান্তে আমরা দুটি করে চারটি গাড়ি স্ট্যান্ডবাই রাখার জন্য বলেছি। যাতে যে কোনো ঘটনা-দুর্ঘটনার জন্য পুলিশ দ্রুত মুভ করতে পারে। তাই টানেলের অপারেশনাল কাজে ব্যবহারের জন্য ডাবল কেবিনের চারটি গাড়ি চাওয়া হয়েছে। টানেলে কোনো গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়লে সেটি উদ্ধারে গেলে পুলিশকেও টোল দিতে হয়।

পতেঙ্গা প্রান্ত দিয়ে টানেলে প্রবেশ করলে বের হতে হয় অপর প্রান্তে। ফলে পতেঙ্গা থানার যেসব গাড়ি টানেলে প্রবেশ করে সেগুলোকে ফিরে আসতে হয় অপর প্রান্ত হয়ে। যার কারণে টানেলে প্রবেশ ও বাহির উভয়ক্ষেত্রে টোল দিতে হয়। আমরা সরকারি কাজে যাই, টোল দেওয়ার কোনো টাকা বরাদ্দ থাকে না। কিন্তু পতেঙ্গা ও কর্ণফুলী থানার ওসির গাড়ি ছাড়া অন্যসব গাড়িকে টানেলে প্রবেশ ও বের হতে উভয় দিকের টোল দিতে হয়।

উল্লেখ্য, কর্ণফুলী নদীর দুইপাড়ে চীনের সাংহাইয়ের আদলে ওয়ান সিটি টু টাউন গড়ে তুলতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে টানেল প্রকল্পের শুরুর দিকে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা। অনুমোদনের দুই বছর পরে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শুরু হলে ব্যয় বাড়িয়ে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা করা হয়। এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের মধ্যে একটি নতুন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বানানো হয়েছে এ টানেল। নির্মাণ কাজ করেছে চীনা কোম্পানি চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন লিমিটেড- সিসিসি

এ টানেলের নিরাপত্তার দায়িত্বে আছে নৌবাহিনী। টানেলের দুই প্রান্তে দুটি থানা নির্মাণের প্রস্তাব চট্টগ্রাম নগর পুলিশের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

গত বছরের ২৮ অক্টেবার টানেলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন সেটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।


আরও খবর



মারা গেছেন আমির খানের ‘দঙ্গল’খ্যাত তারকা সুহানি

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

মারা গেছেন বলিউড অভিনেতা আমির খানের দঙ্গল ছবিতে তার কন্যার চরিত্রে অভিনয় করা সুহানি ভাটনাগর। দঙ্গল ছবিতে মহাবীর সিং ফোগাটের (আমির খান) মেয়ে ববিতা ফোগাটের (ছোটবেলা) চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে দিল্লিতে মাত্র ১৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়েছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়া টিভির।

জানা গেছে, সুহানি ভাটনাগরের পা ভেঙেছিল। সেকারণে চিকিৎসা চলছিল তার। সেই চিকিৎসার জন্য বেশকিছু ওষুধ সেবন করতে হয়েছিল তাকে। ওষুধগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণ সুহানির শরীরে তরল পদার্থ জমা হতে শুরু করে। আর সেটাই সুহানির এই অকাল মৃত্যুর কারণ!

ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য বেশ কিছুদিন ধরে দিল্লির এইমস হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সুহানি। শনিবার ফরিদাবাদে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

প্রসঙ্গত, দঙ্গল ছবিতে কিশোরী ববিতা ফোগাটের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন সুহানি। ছবিতে সুপারস্টার আমির খান, সাক্ষী তানওয়ার, ফাতিমা সানা শেখ, সানিয়া মালহোত্রা এবং জাইরা ওয়াসিমের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি। এছাড়াও বেশকিছু টিভি বিজ্ঞাপনেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে পড়াশোনার জন্য অভিনয় থেকে কিছুদিনের বিরতি নিয়েছিলেন।


আরও খবর
ভারতীয় পরিচালক কুমার সাহানি আর নেই

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পাকিস্তানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আগামী ৯ মার্চ

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে আগামী ৯ মার্চ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তফসিল শনিবার ঘোষণা করতে পারে।

ইসিপির একাধিক সূত্র বলেছে, কেন্দ্র এবং প্রদেশগুলোতে সরকার গঠনের সিনেট নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন। জাতীয় পরিষদের সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ও অন্যান্য কয়েকটি দল জোটবদ্ধ হয়ে সরকার গঠন করছে। পিএমএল-এন ও পিপিপি জোটের শরিকদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হবেন আসিফ আলি জারদারি।

সূত্র বলছে, আগামী ৯ মার্চ পাকিস্তানের ১৪তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পিপিপি ও পিএমএল-এন তাদের ক্ষমতা ভাগাভাগির আলোচনার সময় রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আসিফ আলি জারদারির নাম প্রস্তাবের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছায়। 

আরও পড়ুন>> গ্রিসে বৈধতা পেলেন ৩ হাজার ৪০৫ বাংলাদেশি

পাকিস্তানে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও কোনও দলই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেনি। সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমানে কারাবন্দি নেতা ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) ৯২টি আসন। পিটিআইয়ের পর এই তালিকায় যথাক্রমে রয়েছে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) ৭৫টি আসন, পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৫৪টি আসন, মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) ১৭টি আসন, জামায়াতে উলামায়ে ইসলাম- ফজলুর (জেইউআইএফ)৪টি আসন এবং স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা পেয়েছেন ৯টি আসন।

অর্থাৎ কোনো দলই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম আসন পায়নি। এই অবস্থায় জোট সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু হয় পিএমএলএন এবং পিপিপির মধ্যে। ১২ দিন ধরে আলোচনার পর ঐকমত্যে পৌঁছায় পিএমএলএন এবং পিপিপি। সিদ্ধান্ত হয় পিএমএলএনের চেয়ারম্যান শেহবাজ শরিফ পাকিস্তানের নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন, আর রাষ্ট্রপতি হবেন পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পিতা ও দলটির কো-চেয়ারম্যান আসিফ আলী জারদারি।

এদিকে, নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দিয়েছে ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই)। শুক্রবার দেশটির সর্বোচ্চ আদালতে পিটিআই এ সংক্রান্ত একটি পিটিশন জমা দিয়েছে। 

আরও পড়ুন>> চীনের অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৫, আহত ৪৪

পিটিশনে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মোট ১৮০টি আসনে জয়ী হয়েছে পিটিআই। কিন্তু কারচুপি ও জালিয়াতির মাধ্যমে মাত্র ৯২টি আসনে পিটিআই প্রার্থীদের জয়ী দেখানো হয়েছে। দলটিকে ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতে এই ডাকাতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।


আরও খবর



বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী দেশের তালিকা জানাল আইএমএফ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদাতা সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। মোট দেশজ উৎপাদন (ডিডিপি), মাথাপিছু আয় এবং সাধারণ জনগণের ক্ষয়ক্ষমতার ভিত্তিতে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদেনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ইউরোপের অন্যতম ক্ষুদ্রতম দেশ লুক্সেমবার্গ। আয়তনে দুই হাজার ৫৮৫ বর্গকিলোমিটারের দেশটির মাথাপিছু আয় এক লাখ ২০ হাজার ৩১২ ডলার। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আয়ারল্যান্ড। দেশটির মাথাপিছু আয় এক লাখ ১৭ হাজার ৯৮৮ ডলার।

তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড। দেশটির মাথাপিছু আয় এক লাখ ১০ হাজার ২৫১ ডলার। এরপরে এক লাখ দুই হাজার ৪৬৫ ডলার মাথাপিছু আয় নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে নরওয়ে। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির মাথাপিছু আয় ৯১ হাজার ৭৩৩ ডলার।

তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড। দেশটির মাথাপিছু আয় ৮৭ হাজার ৮৭৫ ডলার। সপ্তম অবস্থানে রয়েছে কাতার। দেশটির মাথাপিছু আয় ৮৪ হাজার ৯০৬ ডলার। এরপরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির মাথাপিছু আয় ৮৩ হাজার ৬৬ ডলার। নবম অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক। দেশটির মাথাপিছু আয় ৭২ হাজার ৯৪০ ডলার। তালিকায় সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে ম্যাকাও এসএআর। দেশটির মাথাপিছু আয় ৭০ হাজার ১৩৫ ডলার।

কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রথম পরিমাপক হলো জিডিপি। এটি মূলত কোনো দেশের বার্ষিক পণ্য-পরিসেবা উন্নয়নের সামষ্টিক হিসাব। এ হিসাবকে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ দিলে যে কোনো দেশের মাথাপিছু আয় বের করা যায়। তবে আইএমএফ এ তালিকায় মাথাপিছু আয়ের সঙ্গে জনগণের গড় ক্রয়ক্ষমতাকেও যোগ করা হয়েছে।

আইএমএফ এ তালিকা বার্ষিক ও ত্রিমাসিক হিসেবে প্রকাশ করে থাকে। এবারের প্রকাশিত তালিকাটি হলো ত্রিমাসিক। গত বুধবার এটি প্রকাশ করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: আইএমএফ ধনী দেশ

আরও খবর