আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের আধ্যাত্মিক নেতা গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ জুলাই ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের আধ্যাত্মিক নেতা মাহমুদ হাসান গুনবি ওরফে হাসানকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।  বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর শাহ আলী থানাধীন বেড়িবাঁধসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাবের মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।  বার্তায় আরও বলা হয়, শুক্রবার বিকাল ৪ টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

সম্প্রতি আনসার আল ইসলামের কয়েক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  এর আগে এপ্রিলে আনসার আল ইসলামের আইটি বিভাগের প্রধানসহ দুই সদস্য আরিফুল ইসলাম জাহেদ ওরফে আইমান ওরফে আরাহান ওরফে রেহান (৩০) এবং বাকী বিল্লাহ ওরফে আবু সামির ওরফে জাফর ওরফে ফয়সালকে (৩৪) গ্রেফতার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগ (সিটিটিসি)। 

 


আরও খবর



গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ জেলায় ১১৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | ১০৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকার বাহিরের বারো জেলায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১১৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে কুষ্টিয়ায়। এ জেলায় মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। বরিশালে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এরপরই রয়েছে ময়মনসিংহে-১২ জন, খুলনায়-১০ জন, সাতক্ষীরায়-১০ জন, চুয়াডাঙ্গায়-৮ জন, টাঙ্গাইলে-৭ জন, মেহেরপুরে-৬ জন, কুমিল্লায়-৭ জন, গাইবান্ধায়-৪ জন এবং চট্টগ্রামে ৩ জন।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে ২১২ জনের মৃত্যু হয়ে বলে জানানো হয়েছে। একই সময়ে দেশে করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৩২৪ জন।


আরও খবর



ভারতের মহারাষ্ট্রে বন্যা-ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ১১২ ছাড়িয়েছে

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহারাষ্ট্রে বৃষ্টিপাত এবং এর কারণে নানান জায়গায় হওয়া ভূমিধসের কারণে প্রাণ হারিয়েছে ১১২ জনেরও বেশি মানুষ। এরমধ্যে মুম্বাই থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে রায়গড় জেলাতেই ভূমিধসে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়।

গত কয়েকদিন ধরেই চলমান বৃষ্টিপাতে রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় বন্যা দেখা দেয়। তাতে হাজার হাজার মানুষ বন্যা ও ভূমিধসে আটকা পড়ে।

মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে বলেন, তেত্রিশটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও ৫২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। সকালে আবার উদ্ধার অভিযান শুরু করা হবে। ৩২টি ঘর পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

পশ্চিম মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলাতেও তীব্র আঘাত হেনেছে বন্যা। বন্যার পানিতে বেশ কয়েকজন ভেসে গেছে বলে পিটিআইকে জানিয়েছেন এক সরকারি কর্মকর্তা। সরকারি হিসেবে সেখানে প্রাণ হারিয়েছে ২৭ জন।

বাকি মরদেহগুলোর খোঁজ মিলেছে পূর্বের জেলাগুলো যেমন গন্ডিয়া ও চন্দ্রপুরে। অন্তত ৮৪ হাজার ৪৫২ জনকে পশ্চিম মহারাষ্ট্রের পুনে বিভাগে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪০ হাজারই কোলহাপুর জেলার। অন্তত ৫৪ টি গ্রাম পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আহতদের সরকারি খরচে হাসপাতালে সেবা দেওয়া হচ্ছে। গত দুদিনের ভয়াবহ বৃষ্টিতেই মহারাষ্ট্রের রায়গড়, রত্নগিরি, পালঘর, থানে, সিন্ধুদূর্গ, কোলহাপুর, সাংলি ও সাতারা জেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়।


আরও খবর
ভারতে আবারও বেড়েছে মৃত্যু

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন: বাবুনগরী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | ১৬৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সারাদেশে বহু নিরীহ আলেম-ওলামাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কারাগারে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বৈঠকে আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিষয়গুলো তুলে ধরেছি

হেফাজতে ইসলামের কারাবন্দী নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের কাছে গিয়েছিলেন সংগঠনটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। বৈঠকের পরদিন তিনি বললেন, দাবি পূরণের মৌখিক আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ব্যক্তি স্বার্থে নয়, জাতীয় স্বার্থে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৬ জুলাই) খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদরাসায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাবুনগরী বলেন, বৈঠকে আমরা আলেম-উলামাদের মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধ এবং কওমি মাদরাসা খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছি। আমাদের দাবিগুলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেনে নেয়ার মৌখিক আশ্বাস দিয়েছেন। আশা করছি সরকার দ্রুত আমাদের দাবি মেনে আলেম-উলামাদের মুক্তি দেবেন।

তিনি বলেন, সারাদেশে বহু নিরীহ আলেম-ওলামাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কারাগারে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বৈঠকে আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিষয়গুলো তুলে ধরেছি। আমরা জানিয়েছি, হেফাজতের বিরুদ্ধে কথিত যে সহিংসতার অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। হেফাজতের কোনও নেতাকর্মী সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত ছিল না। কিছু দুষ্কৃতকারী হেফাজতের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করেছে। তাদের খুঁজে বের করা দরকার। নিরীহ আলেম-ওলামাদের এসবের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- হেফাজতের মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম, সিনিয়র নায়েবে আমির আল্লামা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল আওয়াল, প্রচার সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী ও মাওলানা জহুরুল ইসলাম।

এর আগে সোমবার (৫ জুলাই) রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় গিয়ে দেখা করেন জুনায়েদ বাবুনগরী। দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মন্ত্রীর বাসা থেকে তিনি একটি মাইক্রোবাসে করে বেরিয়ে যান। তবে তখন তিনি সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান।

উল্লেখ্য, গেল মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ ও সহিংস ঘটনার পর হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয় সরকার। সংগঠনের প্রায় অর্ধশত নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে হেফাজতের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর গ্রেপ্তার নেতাদের বাদ দিয়ে হেফাজতের নতুন কমিটি গঠন করা হয়।


আরও খবর



নগদের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর সাথে বিকাশের সংশ্লিষ্টতা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | ১৪৫জন দেখেছেন
Image

মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) কোম্পানি নগদের বিরুদ্ধে প্রচারণার পেছনে এটির প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি বিকাশের যোগসাজশ পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে পুলিশের এই সংস্থাটি।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নগদের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (লিগ্যাল অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স) তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বিকাশের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।

এজাহারে বলা হয়, নগদের সুনামে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি অপরাধী চক্র সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক ক্ষতি ও জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে লিফলেট মুদ্রণ ও বিতরণ করছে।

সারা দেশে নগদ লিমিটেডের প্রায় ৩ লাখ আউটলেটসহ বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে বিভিন্ন সময়ে একটু ভেবে দেখবেন কী শিরোনামে একটি লিফলেট ছড়ানো হয়। এর মাধ্যমে নগদের আর্থিক ও সামাজিক সুনামের ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান নগদের ৫১ শতাংশ শেয়ার ডাক বিভাগের। বাকি ৪৯ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের।

এজাহারে আরও বলা হয়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে অপপ্রচার, প্রতারণা ও মানহানিকর গুজব রটিয়ে কোম্পানির সুনাম ও আর্থিক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।

মামলা গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেয় আদালত। ২৮ ফেব্রুয়ারি মামলা তদন্ত শুরু করে পিবিআই। তদন্ত শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয় সংস্থাটি।

তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক মেছবা উদ্দিন বলেন, নগদের অভিযোগ সত্য কি না যাচাই করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয় আমাদের। আমরা রিপোর্ট করে দিয়েছি যে, ঘটনার সত্যতা আছে। নগদের অভিযোগ সঠিক।

পিবাআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে বিকাশের ১৬ কর্মকর্তার জড়িত থাকার তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তারা হলেন এ কে এম নাজমুল করিম (ক্লাস্টার বিজনেস হেড, সেন্ট্রাল নর্থ ক্লাস্টার, বিকাশ লিমিটেড), মশিউর রহমান (নারায়ণগঞ্জ রিজিওনাল ম্যানেজার, বিকাশ লিমিটেড), আব্দুহ সুফী (রিজিওনাল ম্যানেজার, বিকাশ লিমিটেড), আলামিন হোসেন (রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর, বিকাশ লিমিটেড), আবু হেনা গোলাম কিবরিয়া (এরিয়া ম্যানেজার, বিকাশ লিমিটেড), গোলাম সারোয়ার (ডি এমপি ঢাকা, টেরিটরি অফিসার, বিকাশ লিমিটেড), রফিকুল ইসলাম (ম্যানেজার, ট্রিলজি ডিস্ট্রিবিউশন লি., বিকাশ লিমিটেড), নাহিদ হাসান (সুপারভাইজার, ট্রিলজি ডিষ্ট্রিবিউশন লি., বিকাশ লিমিটেড), নুমানুল হক (টেরিটরি ম্যানেজার, বিকাশ লিমিটেড), মির্জা শিহাব উদ্দিন (জেনারেল ম্যানেজার, জারাফ সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং লি, বিকাশ লিমিটেড), রামানন্দ চন্দ্র সরকার (ডিস্ট্রিবিউটর অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং মানেজার, জারাফ সেলস এন্ড মার্কেটিং), মাজহারুল ইসলাম শাওন (ডিএসও, জারাফ সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং, বিকাশ লিমিটেড), আরিফ (ডিএসও, ট্রিলজি ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, বিকাশ লিমিটেড), তরিকুল ইসলাম (ডিএসও, ট্রিলজি ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, বিকাশ লিমিটেড), শেখ ফরিদ (ডিএসও, এ আই ডি ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, বিকাশ লিমিটেড) ও নাঈম (ডিএসও, মাজিম অ্যাগ্রো লিমিটেড।)

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তদন্তকালে সাক্ষ্যপ্রমাণে জানা যায়, বিকাশ লিমিটেডের ক্লাস্টার বিজনেস হেড নাজমুল করিম এবং রিজিওনাল ম্যানেজার আব্দুহু সুফী তাদের মোবাইল নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সেন্ট্রাল নর্থ ক্লাস্টার থেকে লিফলেট সরবরাহ করার জন্য অন্যদের কাছে পাঠিয়েছিলেন।

লিফলেট শেয়ার, প্রিন্ট ও সরবরাহ শেষে লিফলেটটি তারা সকলে ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে মুছে ফেলেন। তাদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, চাকুরির স্বার্থে, বিকাশ কোম্পানিকে আর্থিকভাবে লাভবান করতে ও নগদকে হেয় প্রতিপন্ন ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে তারা এ কাজ করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্যে রাজি হয়নি বিকাশ কর্মকর্তারা।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম আজকের দর্পণকে বলেন, এই বিষয়টা এখন তদন্তাধীন। পিবিআই তাদের প্রতিবেদন কোর্টে জমা দিয়েছে। একটা হেয়ারিং হবে। এই প্রতিবেদন তারা গ্রহণ করবে কি করবেন না, এটা কি পরবর্তীতে মামলা চলবে কি চলবে না, এটার অনেকগুলো প্রক্রিয়া রয়েছে।

এই তদন্তাধীন অবস্থায় মন্তব্য করা সমীচীন না। তদন্তে তারা যা পেয়েছে, সেটা তো কোর্টে প্রমাণ করতে হবে, সে যে পক্ষই হোক। এটা একটা লম্বা প্রক্রিয়া। তাই প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো মন্তব্য করতে পারব না।


আরও খবর



দূর্গম চরে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | ১৩৬জন দেখেছেন
Image

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

মুজিবশতবর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে পটুয়াখালীর সাগর ও নদী বেষ্টিত দূর্গম রাঙ্গাবালী উপজেলায় গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের জন্য নির্মিত হচ্ছে সুদৃশ্য রঙিন টিনশেডের সেমিপাকা ঘর। আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় দ্বিতীয় ধাপে দুই শতক জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে এসব পরিবারের জন্য। মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্পের নির্মাণাধীন এসব ঘর পরিদর্শনে দূর্গম এলাকা রাঙ্গাবালীতে আসেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ কামাল হোসেন।

স্পীডবোটযোগে রাঙ্গাবালী উপজেলায় পা রাখার পরে বৃষ্টিবর্ষা উপেক্ষা করে কাঁদা মাটিতে মটর সাইকেল নিয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ঘরগুলো পরিদর্শনে নামেন তিনি। উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের গৃহহীনখালী, রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের চর মাদারবুনিয়া ও বাহেরচরের শতাধিক ঘর পরিদর্শন করেন এবং ভূমিহীন অসহায় পরিবারের খোঁজ খবর নেন। জেলা প্রশাসকের আগমনে অসহায় গৃহহীনরা খুশিতে আত্মহারা হয়েছেন। অনেকেই আবার ঘর পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসকের কাছে।

ঘর পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গাবালী উপজেলা চেয়ারম্যান ডা.জহির উদ্দিন আহম্মেদ, রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মাশফাকুর রহমান, রাঙ্গাবালী সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধাণ সম্পাদক সাইদুজ্জামান মামুন। 

উল্লেখ্য, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় রাঙ্গাবালী উপজেলায় দ্বিতীয়ধাপে ৭৭৬টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি ঘরে থাকছে দুটি বেডরুম, একটি টয়লেট ও রান্না ঘর। একেকটি ঘর নির্মাণে ব্যায় হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এর আগে প্রথমধাপে রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৪৯১টি পরিবারকে ঘর দেয়া হয়েছিল।


আরও খবর