আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

নওগাঁ-২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ফয়সাল আহম্মেদ, নওগাঁ প্রতিনিধি

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নওগাঁ-২ আসনের নির্বাচন ভোটগ্রহণ চলছে। আজ সোমবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় সাধারণ কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ ও ব্যাটেলিয়ন আনসারে ১৬ জনের ফোর্স নিয়োজিত রাখা হয়েছে। আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে নিয়োজিত রয়েছে ১৭ জনের ফোর্স।

এছাড়া ভোটের এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়োজিত করা হয়েছে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটেলিয়ন আনসারের ৩১টি মোবাইল ও সাতটি স্ট্রাইকিং ফোর্স। দায়িত্ব পালন করছে র‌্যাবের চারটি টিম ও আট প্লাটুন বিজিবি। এছাড়া আটজন নির্বাহী ও দুইজন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটও দায়িত্ব পালন করছেন।

ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান জানিয়েছেন, নির্বাচনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মো. শহীদুজ্জামান সরকার, জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন। এছাড়া স্বতন্ত্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এইচএম আখতারুল আলম ও মো. মেহেদী মাহমুদ রেজা।

৭ জানুয়ারি এই আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে একজন বৈধ প্রার্থী মারা যাওয়ায় ভোটের প্রক্রিয়া বাতিল করে পরবর্তীতে নতুন করে তফসিল দেয় নির্বাচন কমিশন।


আরও খবর



বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে জাহ্নবীর জয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

রূপের রানির রক্ত বইছে তার শরীরে। সেটার ছাপ যেন তার রূপেও স্পষ্ট। আবার মা যেমন অভিনয়ে সাফল্যের চূড়া ছুঁয়েছিলেন, তিনিও ধীর পায়ে এগোচ্ছেন সে দিকেই। নাম তার জাহ্নবী কাপুর। কিংবদন্তি তারকা শ্রীদেবীর কন্যা। ২০১৮ সালে ধড়ক ছবি দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয়েছে তার।

এরপর জাহ্নবীকে দেখা গেছে গুঞ্জন সাক্সেনা, রুহি, গুড লাক জেরি, মিলিবাওয়ালর মতো প্রশংসিত ছবিতে। বক্স অফিসে ছবিগুলো আহামরি ব্যবসা না করলেও জাহ্নবী তার প্রতিভা মেলে ধরতে মোটেও ভুল করেননি। তাই হিন্দির সীমানা পেরিয়ে জয় করেছেন দক্ষিণের ইন্ডাস্ট্রি। নাম লিখিয়েছেন তেলুগু ছবিতে। ইতোপূর্বে জুনিয়র এনটিআরের সঙ্গে দেবারা ছবির কাজ সেরেছেন।

সেই ছবি মুক্তির আগেই আরেক তেলুগু সুপারস্টারের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়েছেন জাহ্নবী। এবার তার নায়ক রাম চরণ। খবরটি অভিনেত্রীর বাবা, প্রযোজক বনি কাপুর নিশ্চিত করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, জুনিয়র এনটিআরের সঙ্গে জাহ্নবী ইতোমধ্যে একটি ছবি করেছে। শুটিংয়ের প্রতিটি মুহূর্ত ও উপভোগ করেছে। শিগগিরই সে রাম চরণের সঙ্গে একটি ছবির কাজ শুরু করবে। এই দুটো ছেলে (এনটিআর ও রামচরণ) খুবই ভালো কাজ করছে। কাজের জন্য এখন প্রচুর তেলুগু ছবি দেখছে জাহ্নবী। আশা করছি মুক্তি পেলে ছবিগুলো ভালো করবে এবং সে আরও কাজ পাবে।

রাম চরণের আগামী ছবিটি নির্মাণ করবেন বুচি বাবু সানা। সেখানেই নাকি দেখা যাবে জাহ্নবীকে। তবে নির্মাতা কিংবা প্রযোজক কারও পক্ষ থেকে নায়িকার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

এখানেই শেষ নয়, বনি জানালেন, দক্ষিণী সিনেমার আরেক তারকা সুরিয়ার সঙ্গেও নাকি একটি ছবিতে অভিনয় করবেন জাহ্নবী। এতেই বোঝা যায়, বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের দাপুটে পায়ের ছাপ ফেলছেন এই তরুণী।

কন্যার এমন পদচারণায় বনির ভাষ্য, আমার স্ত্রী (শ্রীদেবী) বিভিন্ন ভাষায় কাজ করেছে। আশা করি আমার মেয়েও সেই ধারা অব্যাহত রাখবে।

এদিকে হিন্দিতে জাহ্নবীর হাতে রয়েছে মিস্টার অ্যান্ড মিসেস মাহিউলাঝ ছবির কাজ।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছেন? জেনে নিন কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

অ্যান্টিবায়োটিক্স বা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল আসলে এক ধরনের ক্ষমতাশালী ওষুধ, যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায়। তবে এর সমস্যা হচ্ছে এটি এমন কিছু ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করে দেয়, যা শরীরের জন্য উপকারী। অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের ফলে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেবে সে ব্যাপারে বাড়তি কিছু যত্নেরও প্রয়োজন আছে।

ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এ বিষয়ে কী পরামর্শ দিয়েছেন আসুন জেনে নেয়া যাক।

ভালো ব্যাকটেরিয়া, খারাপ ব্যাকটেরিয়া : মানবদেহে প্রায় ৪০ ট্রিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। এর মধ্যে কিছু ভালো ও খারাপ রয়েছে। এই ব্যাকটেরিয়া শরীরকে একটি ভারসাম্যের মধ্যে রাখে। অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করা। এটি ভালো না খারাপ সেটা অ্যান্টিবায়োটিক বুঝতে পারে না। তাই কোনো রোগী অ্যান্টিবায়োটিক নিলে  শরীরের খারাপ  ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়। পাশাপাশি ভালো ব্যাকটেরিয়াও নষ্ট হয়ে যায়। এতে শরীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারায়। ফলে সবচেয়ে সাধারণ যে দু'টি সমস্যা দেখা দেয় তা হলো ডায়রিয়া ও ছত্রাক সংক্রমণ।

ডায়রিয়া : শরীরে যেসব ব্যাকটেরিয়া আছে, বেশিরভাগই আমাদের পাচনতন্ত্রে থাকে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া খাবার হজম করা থেকে শুরু করে ক্ষতিকর ভাইরাস, পরজীবী থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। অ্যান্টিবায়োটিক অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে এবং বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। ফলে রোগীর মারাত্মক ডায়রিয়া, বদহজম, বমি বমি ভাব, জ্বর, পেটে ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, মাথা ঘোরানো ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

যা করতে হবে : অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে পেটে সমস্যা দেখা দিলে  প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার ভালো কাজ করবে। এসব খাদ্য অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার সুস্থ ভারসাম্য ফেরাতে, এককথায় পেট সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। এক্ষেত্রে প্রোবায়োটিক যুক্ত খাবারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে দই। তবে দইটি যেন অবশ্যই রং ও চিনিমুক্ত হয়। এতে হজম প্রক্রিয়া দ্রুত ও কার্যকর হবে। এছাড়া অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য ফেরাতে প্রিবায়োটিক যুক্ত খাবারও কাজে দেবে। প্রিবায়োটিক হচ্ছে প্রোবায়োটিকের উল্টো।

প্রিবায়োটিক খাবারে জটিল কার্বোহাইড্রেট থাকে যা সহজে হজম হয় না, সময় লাগে। কাঁচা কলা, ঠান্ডা ভাত, সেদ্ধ ঠান্ডা আলু, আটার রুটি, পাস্তা, ওটস, বিভিন্ন ধরনের ডাল যেমন ছোলা, মসুর, কিডনি বিন। এছাড়া মটরদানা, পেঁয়াজ, রসুন, ভুট্টা, কাজু, পেস্তা বাদাম, ইত্যাদি প্রিবায়োটিক যুক্ত খাবারের উৎস। সেইসঙ্গে বিভিন্ন ফল যেমন তরমুজ, ডালিম, খেজুর, ডুমুর, জাম্বুরা ও শাক, বাঁধাকপি কাজে দেবে। এসব খাবার অন্ত্রের প্রাচীরকে সুগঠিত করে তোলে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক অন্ত্রের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। এতে শরীরের ভারসাম্য আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কিছুটা সময় লাগে। অ্যান্টিবায়োটিকের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে সেটা পুনরুদ্ধার করতে অনেকের প্রায় ছয় মাস বা সেটারও বেশি সময় লেগেছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করা, বিশেষ করে হাঁটাহাঁটি বা দৌড়ানো, অন্ত্রের স্বাস্থ্য ফেরাতে সাহায্য করবে।

ছত্রাক সংক্রমণ : ছত্রাক সংক্রমণ বা ইস্ট ইনফেকশনে প্রধানত নারীরা ভুগে থাকেন। নারীদের যোনিপথে যে ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে, তা ছত্রাকের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কাজ করে। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে ওই ব্যাকটেরিয়া যখন মরে যায়, তখন সহজেই যোনিতে ছত্রাকের সংক্রমণ দেখা দেয়। এমনটা হলে নারীদের উচিত হবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া।

ইস্ট ইনফেকশন হলে যোনি এবং এর আশপাশে তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হয়। বিশেষ করে সহবাস ও প্রস্রাবের সময় ব্যথা ও জ্বালাপোড়া করে। অনেক সময় রক্তও যেতে পারে। সেই সঙ্গে পানির মতো পাতলা বা পনিরের মতো ভারী স্রাব হয়। যোনিপথে ফুঁসকুড়ি ও তলপেটে তীব্র ব্যথা হতে পারে।

করণীয় : অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার মধ্যেই কিংবা ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসককে জানাতে হবে। সেই সঙ্গে নারীদের উচিত হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিয়মিত শুকনো সুতির অন্তর্বাস পরা এবং যেটাই পরবেন সেটি যেন শরীরের সঙ্গে লেগে না থাকে, যথেষ্ট ঢিলেঢালা হয়। প্রতিদিন কয়েকবার, বিশেষ করে প্রতিবার টয়লেট শেষে গরম পানিতে যোনিপথ পরিষ্কার করে নিতে হবে।

এছাড়া গোসলের সময় বালতিতে কিংবা বাথটাবে গরম পানি পূর্ণ করে সেখানে কিছুক্ষণ বসে থেকে সেক দেয়া যেতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে ভেজা পোশাকে থাকা যাবে না। যেমন সাঁতারের বা ঘামে ভেজা পোশাক দ্রুত বদলে ফেলতে হবে। তবে কোনও অবস্থাতেই যোনিপথ সাবান পানিতে ধোয়া যাবে না। বাজারে অনেক ধরনের ইন্টিমেট ওয়াশ রয়েছে। চিকিৎসকরা সেগুলো ব্যবহার করতেও মানা করেছেন। সেই সঙ্গে যেসব টিস্যু বা স্যানিটারি প্যাড রঙিন বা সুগন্ধিযুক্ত, সেগুলো ব্যবহার করাও এড়িয়ে যেতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে আরও দুটি সমস্যা হয় যা গুটিকয়েকের মধ্যে দেখা যায়।

আলোক সংবেদনশীলতা : অ্যান্টিবায়োটিক ত্বককে সাময়িক সময়ের জন্য সূর্যালোকের প্রতি সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। এই অবস্থাকে ফটোসেনসিটিভিটি বলে। ফলে ত্বক অল্প সময়েই রোদের সংস্পর্শে পুড়ে যায়, ত্বক বিবর্ণ হয়ে পড়ে। অনেক সময় ফোস্কা বা প্রদাহ দেখা দিতে পারে। অনেকের রোদে গেলে চুলকানি হয়। এক্ষেত্রে উচিত হবে, যতটা সম্ভব সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা।

কিডনি রোগ : ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের মতে, কিডনি শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের অবশিষ্টাংশ ফিল্টার করে বের করে দেয়। যখন সঠিকভাবে কাজ করে না, তখন এই ওষুধগুলো জমা হতে থাকে, যা কিডনিকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক দেয়ার আগে চিকিৎসকরা কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে থাকেন। এক্ষেত্রে রোগীদেরও উচিত হবে চিকিৎসককে নিজের জটিলতার সম্পর্কে জানানো।

অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাবে অনেকের গলা, গালে, মুখের তালুতে বা জিহ্বায় সাদা দাগ পড়তে পারে। খাওয়া বা গিলে ফেলার সময় ব্যথা হয় এবং দাঁত মাজার সঙ্গে রক্তপাত হয়। এছাড়া শ্বাসকষ্ট, চুলকানি, ফুসকুড়ি, ঠোঁট/মুখ/জিহ্বা ফুলে যাওয়ার মতো অ্যালার্জিজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়।

তবে এ ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার আশঙ্কা খুবই কম। তবুও যদি দেখা দেয় বিন্দুমাত্র দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ বন্ধ করে দিলে অর্থাৎ এর কোর্স সম্পন্ন হলে এই সমস্যাগুলো ঠিক হতে শুরু করে। যারা ইতোমধ্যে নানা ধরনের ওষুধ নিচ্ছেন যেমন, গর্ভ-নিরোধক খাচ্ছেন, তাদের অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার আগে বিষয়টি চিকিৎসককে জানানো দরকার।

গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের সময় মদপান করলে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যায়; সেই সঙ্গে জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।


আরও খবর
২৯ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আজকের রাশিফল: বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সাতক্ষীরা সীমান্ত নদী ইছামতি থেকে বিএসএফ সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

Image

সাতক্ষীরার সীমান্ত নদী ইছামতিতে ঘূর্ণিঝড়ে ট্রলার ডুবে ভারতীয় বিএসএফ সদস্য রিয়াজুল ইসলাম (৩০) নিহত হয়েছেন। দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ হাড়তদ্দাহ এলাকায় নদীর চরে তার মৃতদেহ পড়ে ছিল। পরে ভারতীয় বিএসএফ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে মৃতদেহটি নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে ইছামতি নদীতে টহলকারী ট্রলার ডুবে এ দুর্ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়। নিহত বিএসএফ সদস্য সৈনিক পদে চাকরিরত ছিলেন।

১৭ বিজিবির শাখরা টাউন শ্রীপুর কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মুজিবর রহমান জানান, রাতে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড় ও বৃষ্টিপাত হয়। ওই সময়ে নদীতে ভারতীয় বিএসএফের একটি টহলকারী ট্রলার অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড় কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। রাতেই বিএসএফ অভিযান করে ট্রলারের মাঝিকে খুঁজে পায়। তবে একজন সৈনিক নিখোঁজ ছিলেন। নদীতে তখন জোয়ার ছিল। সকালে ভাটার সময় নিখোঁজ ট্রলার ও বিএসএফ সৈনিকের মৃতদেহ দক্ষিণ হাড়তদ্দাহ বালুরচরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তখন ভারতীয় বিএসএফ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে মৃতদেহটি নিয়ে যায়। বিএসএফের কাছে থাকা অস্ত্র উদ্ধার হলেও একটি ওয়ারলেস পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



পুনমের মৃত্যু নাটকের জন্য ক্ষমা চাইলো জড়িত এজেন্সি

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

২ ফেব্রুয়ারি, সোশ্যাল মিডিয়ায় মডেল পুনম পাণ্ডের মৃত্যুর খবর ভাইরাল হয়ে যায়। একদিন পর তিনি জানান, মারা যাননি তিনি। জরায়ুর ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে তিনি এমন কাজ করেছেন বলে সাফাই দেন। এবার পুরো ঘটনার দায় নিয়ে মৃত্যু নাটকের জন্য ক্ষমা চাইলো এজেন্সি।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ক্ষমা চায় ডিজিটাল এজেন্সিটি। পোস্টে লেখা হয়, হটারফ্লাইয়ের সঙ্গে চুক্তি করে আমরা জরায়ুর ক্যানসার নিয়ে সতর্কতা বাড়াতে চেয়েছিলাম, সেখানে পুনম পাণ্ডেকে জড়ানো হয়। আমরা তাই প্রথমেই সবার থেকে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, বিশেষ করে তাদের থেকে যারা তাদের প্রিয়জনকে ক্যানসারের জন্য হারিয়েছেন বা এই রোগের সঙ্গে লড়াই করেছেন।

আরও লেখা হয়, আমাদের উদ্দেশ্য একটাই ছিল, জরায়ুর ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো। ২০২২ সালে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯০৭টি জরায়ুর ক্যানসারের কেস এসেছিল তার মধ্যে ৭৭ হাজার ৩৪৮ জন মারা গিয়েছেন। ব্রেস্ট ক্যানসারের পর জরায়ুর ক্যানসারেই সব থেকে বেশি আক্রান্ত হন ভারতের মধ্যবয়সী নারীরা।

পুনমের এ ধরনের আচরণে ক্ষুব্ধ সবাই। মানুষ তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন বিষয়টিতে। দাবি জানাচ্ছেন তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নেয়ার জন্য।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জেড খনির দখল নিয়ে জান্তা ও বিদ্রোহীদের মধ্যে তীব্র লড়াই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং মিয়ানমারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জেড (মূল্যবান পাথর) খনির দখল নিয়ে বিদ্রোহী গ্রুপ কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্মি (কেআইএ) এবং সামরিক জান্তার মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। এই পাথর দিয়েই বানানো হয় মূল্যবান জেড পাথর।

স্থানীয় অধিবাসী এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বছরের শুরু থেকেই এই যুদ্ধ শুরু হয়। তবে যুদ্ধ বর্তমানে তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছে।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর অর্থ সংগ্রহের জন্য জান্তাবাহিনী এবং বিদ্রোহী গ্রুপ কেআইএ নির্ভরশীল হয়ে পড়ে প্রাকৃতিক এই উৎসের ওপর।

কাচিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক অং সেইন মিন বলেন, এর মধ্যে বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হপাকান্ত। তিনি বলেন, সশস্ত্র গ্রুপগুলো এই এলাকাকে তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ, এটা সামরিক এবং আর্থিক সমর্থনের জন্য কৌশলগত এক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এ জন্য জেড উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে জোর লড়াই করছে উভয়পক্ষ।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে মোট যে পরিমাণ জেড পাথর উৎপাদন হয় তার প্রায় ৭০ ভাগই মিয়ানমারের এই খনির।

এই পাথর প্রতিবেশী চীনে ভীষণ জনপ্রিয়। গত ২০ জানুয়ারি ৩৩তম মিলিটারি ডিভিশনের কাছ থেকে জান্তাবিরোধী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস (পিডিএফ) এবং কেআইএ একসঙ্গে কৌশলগত পাহাড় হওয়ে হকার দখলে নিতে আক্রমণ করে এবং তা তাদের দখলে নেয়। মিয়ানমারের কাচিন রাজ্যে  প্রবেশের জন্য হপাকান্ত একটি বড় গেটওয়ে বা প্রবেশদ্বার।

স্থানীয় অধিবাসীরা বলেছেন, ২ ফেব্রুয়ারি ন্যাম তেইন সামরিক ক্যান্ড নিজেদের দখলে নিয়েছে কেআইএ এবং পিডিএফ। নাম প্রকাশ না করে একজন অধিবাসী বলেন, এটা গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়। এক দশক ধরে এখানে অবস্থান করছিল সেনাবাহিনী। বিদ্রোহীদের মারাত্মক হামলায় এসব পাহাড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে জান্তা বাহিনী।


আরও খবর