আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

নোয়াখালীতে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৫৫জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে জেলা .লীগের কমিটি গঠন নিয়ে .লীগের ৩টি গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

আগামীকাল সোমবার ( সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টা থেকে  সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সদর উপজেলার মাইজদী শহর আশপাশ  (মাইজদী, দত্তেরহাট, সোনাপুর) এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান।

রবিবার ( সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান। তিনি আরও  জানান, ১৪৪ ধারা চলার সময় মাইজদী শহর আশপাশ  (মাইজদী, দত্তেরহাট, সোনাপুর) এলাকায় মধ্যে ব্যক্তি, সংগঠন, রাজনৈতিক দল, গণজমায়েত, সভা, সমাবেশ, মিছিল, র‌্যালি, শোভাযাত্রা, যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠান এবং রাজনৈতিক প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সব এলাকায় চারজনের বেশি মানুষ জমায়েত হতে পারবে না।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার বিকেল ৫টার দিকে আগামীকাল সোমবারের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে মাইজদী শহরের টাউন হল মোড়ে ৩টি গ্রুপের নেতাকর্মিরা অবস্থান নেয় এবং পাল্টাপাল্টি স্লোগন দেয়। সময় তুমুল উত্তোজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে মাইর মুখি অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

উল্লেখ্য, গত কিছু দিন থেকে নোয়াখালী জেলা .লীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামীলীগ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মিদের মধ্যে প্রকাশ্যে বিভক্তি দেখা দেয়। এভাবে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহীদ উল্যাহ খান সোহেল সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন শাহীনের অনুসারীরা আলাদা ভাবে নিজেদের কর্মসূচি পালন করে আসছে। একপর্যায়ে বিবদমান তিনটি গ্রুপের অনুসারী নেতাকর্মিরা তাদের আগামীকাল সোমবারের পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে সফল করতে রবিবার বিকেল থেকেই  জেলা শহরে অবস্থান নেয়। সময় তিন গ্রুপের অনুসারী নেতাকর্মি জেলা শহরে পথ সভা,মিছিল করলে ত্রিমুখি উত্তেজনা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এবং প্রাণহানির আশঙ্কা দেখা দিলে জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে।


আরও খবর
মায়ের ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




অর্ধ-উলঙ্গ করে দুই সাংবাদিককে বেধড়ক মারধর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তালেবানের মারধরে আহত সাংবাদিকদের মর্মপীড়াদায়ক কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আফগানিস্তানের কট্টর ইসলামপন্থী এই গোষ্ঠীর শাসনকালীন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মানবাধিকার রক্ষা, বাক-স্বাধীনতা এবং অতীতের মতো এবারের শাসন হবে না বলে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তালেবান, সেসব এই গোষ্ঠী আদৌ রক্ষা করতে পারবে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকে।

তালেবানের নতুন সরকার গঠনের পর নিজেদের অধিকারের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন দেশটির অনেক নারী। এই বিক্ষোভের সংবাদ প্রকাশ করায় আফগানিস্তানের অন্তত দুজন সাংবাদিককে বেধড়ক মারপিটের পর হাসপাতালে পাঠিয়েছে তালেবানের সদস্যরা। তালেবানের মারধরে আহত দুই সাংবাদিকের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার অনেকে সমালোচনা করছেন।

ছবি দুটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এতিলাত্রোজ ও যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের প্রতিবেদক মারকাস ইয়াম। মারকাস ইয়ামের টুইট করা ছবিতে দেখা যায়, স্থানীয় দুই সাংবাদিকের অন্তর্বাস ছাড়া সব পোশাক খুলে ফেলা হয়েছে। তাদের পিঠ এবং পায়ে অসংখ্য মারপিটের দাগ। তালেবানের বেধড়ক মারপিটে রক্তাক্ত ও কালো হয়ে গেছে তাদের শরীর।

এতিলাত্রোজের টুইট করা ছবিতেও ওই দুই ব্যক্তিকে দেখা যায়। আফগান এই দৈনিক বলেছে, তালেবানের মারধরের শিকার দুই সাংবাদিক তাদের প্রতিষ্ঠানেই কর্মরত। একজনের নাম তাকি দারিয়াবি এবং অন্যজন নেমাতুল্লাহ নাকদি। তাদের দুজনের শরীরের জখম প্রায় একই।

বুধবার দেশটির রাজধানী কাবুলের পশ্চিমাঞ্চলের কারট-ই-চার এলাকায় নারীদের বিক্ষোভের সংবাদ কভার করছিলেন এতিলাত্রোজের ভিডিও সম্পাদক তাকি দারিয়াবি এবং প্রতিবেদক নেমাতুল্লাহ। সংবাদ কভার করার সময়ই নারীদের বিক্ষোভের স্থান থেকে তাদের তুলে নিয়ে যায় তালেবান। অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে তাদের বদ্ধ কক্ষে আটকিয়ে বেধড়ক মারপিট ও নির্যাতন করে তালেবানের সদস্যরা।

লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসকে নাকদি বলেন, আমরা চিৎকার করে বলেছিলাম যে, আমরা সাংবাদিক। কিন্তু তারা কোনও পরোয়া করেনি। আমি ভেবেছিলাম তারা আমাদের মেরে ফেলতে যাচ্ছে। তারা আমাদের নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করেছিল।

তালেবানের সদস্যরা লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের প্রতিবেদকদেরও নারীদের বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহে বাধা দিয়েছে। পরে তাদের ওই এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন এই সংবাদমাধ্যম।

অ্যাঞ্জেলস টাইমস বলেছে, ইউরোনিউজের স্থানীয় প্রধানসহ ফ্রান্সের একটি টেলিভিশন চ্যানেলের তিন সাংবাদিককেও অপহরণ করে তালেবান। তবে তাদের অক্ষত অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ইউরোনিউজের আফগান প্রধান বলেছেন, তালেবানের সদস্যরা তাকে বারবার চড় মেরেছেন।

এছাড়া আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজের ক্যামেরাপারসন ওয়াহিদ আহমাদি এবং আরিয়ানা নিউজের প্রতিবেদক সামি জাহেশ, ক্যামেরাম্যান সামিমকেও বিক্ষোভস্থল থেকে আটক করে তালেবানের সদস্যরা।

আফগানিস্তানের কট্টর এই গোষ্ঠী সাংবাদিকদের ওপর আরও চড়াও হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে দ্য কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট (সিপিজে)।


আরও খবর
বিশ্বজুড়ে বেড়েছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




উড়ে এসে জুড়ে বসারা ক্ষমতাকে ভোগের জায়গা বানায়: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ যখন দেশের ক্ষমতায় আসে তখন উন্নতি হয়। উড়ে এসে জুড়ে বসারা ক্ষমতাটাকে ভোগের জায়গা বানায়। অর্থ-সম্পদ বানানোর একটা মেশিন হিসাবে পায়। 

বুধবার ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমি ভবন, উপজেলা ও ইউনিয়নের ভূমি অফিস ভবন, অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ কার্যক্রম এবং ভূমি ডাটা ব্যাংকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।  ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন।  অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ সেবা পায়, দেশের উন্নতি ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়।

আমরা যখন সরকারে আসি তখন আন্তরিকতা, আদর্শ, নীতি ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করি। কারণ এদেশের মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছে আওয়ামী লীগের কর্মীরা, পাশে থেকেছে জনগণ। কিন্তু উড়ে এসে জুড়ে যারা ক্ষমতায় বসে, তাদের সেই দায়বদ্ধতা থাকে না।  দেশের মানুষের প্রতি তাদের কোনো খেয়ালই থাকে না। এটা হলো বাস্তবতা।

শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যার পরে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পালা যখন শুরু হল তখন থেকে দেশের ভাবমূর্তি বিদেশে নষ্ট হতে শুরু করে। বাংলাদেশ নাম শুনলে মনে করতো দুর্ভিক্ষ, ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত অসম্মানজনক। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আমরা মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতি করতে চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, বিএনপি সামরিক শাসকের হাতে তৈরি করা একটা সংগঠন। তাই মানুষের প্রতি, দেশের প্রতি তাদের কোনও দায়িত্ববোধও নেই। ক্ষমতা আর ক্ষমতায় থেকে টাকা বানানো, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এবং দুর্নীতি তাদের কাজ। সেটাই তারা করেছে।

এসময় হাতের মুঠোয় ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আমরা ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করতে চাই। সারাদেশের ভূমি অফিসগুলোর যে জীর্ণ দশা, আমাদের আগে তো অনেকই ক্ষমতায় ছিল; কেন এগুলো সংস্কার করেনি এটা বড় প্রশ্ন। দেশে ডিজিটাল টেলিফোন ছিল না। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আমরাই সেটা করি। মোবাইল ফোন উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এখন আমরা ফোর জি চালু করেছি। ফাইভ জিও চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এখন কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা ট্যাব ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, মোবাইলের মাধ্যমেও অনেক কাজ সহজে করতে পারেন। ট্যাক্স, খাজনা দিতে পারেন সেই ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। ভূমি মালিক এখন অফিসে না গিয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কর দিতে পারেন।



আরও খবর



করোনায় বাংলাদেশের ৪ কোটির বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | ৫৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতিসংঘের শিশু সহায়তা তহবিল-ইউনিসেফ প্রকাশিত নতুন এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে করোনা মহামারির পুরোটা সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চতর শিক্ষার স্তর পর্যন্ত চার কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে ইউনিসেফ প্রকাশিত বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, প্রায় ১৪ কোটি শিশুর ক্ষেত্রে স্কুলের প্রথম দিন, যা কিনা বিশ্বব্যাপী খুদে শিক্ষার্থী এবং তাদের মা-বাবার জন্য একটি বিশেষ মুহূর্ত, কোভিড-১৯ এর কারণে বিলম্বিত হচ্ছে। এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৮০ লাখ এমন স্থানে বসবাস করে, যেখানে মহামারির পুরো সময়ে স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। এ কারণে সশরীরে শিক্ষাগ্রহণের প্রথম দিনটির জন্য তারা এক বছরের বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছে এবং এই অপেক্ষা বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৪০ লাখ প্রথম বারের শিক্ষার্থীও রয়েছে।

বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে, যা কোভিড-১৯ এর কারণে স্কুল বন্ধের ক্ষেত্রে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম।

২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী স্কুলগুলো গড়ে ৭৯ শিক্ষা-দিবস পুরোপুরি বন্ধ ছিল। তবে, মহামারি শুরুর পর ১৬ কোটি ৮০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য স্কুলগুলো প্রায় পুরো বছর বন্ধ ছিল। এমনকি এখনও অনেক শিশুকে দ্বিতীয় বছরের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। স্কুল বন্ধ থাকার কারণে অনেক শিশুর, বিশেষ করে বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে থাকা ছোট শিক্ষার্থীদের, শেখার ক্ষতি, মানসিক চাপ, টিকা না পাওয়া এবং ঝরে পড়ার উচ্চ ঝুঁকি, শিশুশ্রম ও শিশুবিয়ের মতো পরিণাম ভোগ করতে হবে।

বাংলাদেশে মহামারির পুরোটা সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চতর শিক্ষার স্তর পর্যন্ত ৪ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যত বেশি সময় ধরে শিশুরা স্কুলের বাইরে থাকবে, সহিংসতা, শিশুশ্রম ও শিশুবিয়ের ঝুঁকির সম্মুখীন হওয়ায় ততই তাদের স্কুলে ফিরে আসার সম্ভাবনা কমে যাবে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি টোমো হোযুমি বলেন, স্কুল ও সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষাগ্রহণ কার্যক্রম বন্ধ থাকা শিশুদের কেবল পড়াশোনার ক্ষেত্রে নয়, একইসঙ্গে তাদের স্বাস্থ্য, সুরক্ষা ও মনস্তাত্ত্বিক সুস্থতার ওপর অত্যন্ত গুরুতর প্রভাব ফেলে। প্রান্তিক শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, যা তাদের অধিকতর দারিদ্র্য ও অসমতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও দেবে। নিরাপদে স্কুল পুনরায় খুলে দেওয়া এবং সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পড়াশোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিনিয়োগ করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আজকের এই সিদ্ধান্ত এই শিশুদের পুরো জীবনকে প্রভাবিত করবে।

ইউনিসেফ যত শিগগির সম্ভব সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষাগ্রহণের জন্য স্কুলগুলো পুনরায় খুলে দিতে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তার জন্য বিস্তৃত পরিসরে পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানায়। বিশ্বব্যাংক ও ইউনেস্কোর সঙ্গে মিলে ইউনিসেফ স্কুলগুলো আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের প্রতি মনোনিবেশ করতে সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানায় ।

১. সব শিশু ও তরুণদের স্কুলে ফিরিয়ে আনার জন্য সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক কর্মসূচি প্রণয়ন করা, যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মনোসামাজিক সুস্থতা এবং অন্যান্য চাহিদা পূরণের জন্য তারা তাদের প্রত্যেকের প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবে।

২. শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করতে কার্যকর প্রতিকারমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করা।

৩. শিক্ষার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং শিক্ষাদান প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য শিক্ষকদের সহায়তা দেওয়া।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক বলেন, স্কুলের প্রথম দিনটি আশা ও সম্ভাবনার দিনএকটি শুভ সূচনার দিন। তবে, সব শিশু এই শুভ সূচনার সুযোগ পায় না। এমনকি কিছু শিশু শুরুই করতে পারছে না। আমাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষা গ্রহণের জন্য স্কুলগুলো পুনরায় খুলে দিতে হবে এবং এই মহামারি এরই মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রমে যে ক্ষতি করেছে, তা পুষিয়ে নিতে আমাদের অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না করলে কিছু শিশু হয়তো কখনোই এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে না।

আগামী কয়েক সপ্তাহে, ইউনিসেফ তার অংশীদার এবং বৃহত্তর জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে, যাতে এই শিক্ষা সংকট কোনোভাবেই শিক্ষা বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত না হয়। অনলাইন ও অফলাইন প্রচারাভিযানে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে একটি সর্বসম্মত উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করবে, যাতে যত শিগগির সম্ভব সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষা গ্রহণের জন্য স্কুলগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া যায়। বিশ্বের সবচেয়ে অসহায় শিশুদের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে রয়েছে।


আরও খবর



পদ প্রত্যাশীদের বিলবোর্ড-ফেস্টুন ছিড়ে নদীতে

প্রকাশিত:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৮৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পিরোজপুরে আগামীকাল বৃহস্পতিবার জেলা যুবলীগের বর্ধিতসভা সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশ ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে একটি গ্রুপ। তারা কেন্দ্রীয় নেতা ও পদ প্রত্যাশীদের তোরণ ব্যানার ফেষ্টুনে ভেঙ্গে বর্ধিতসভকে বাঁধার সম্মুখীন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে ওই গ্রুপটি যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কামরুজ্জামান খান শামীম ও  পিরোজপুর সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এস এম বায়েজীদ হোসেনের বিলবোর্ড ও ফেষ্টুন ছিড়ে নদীতে ফেলে দেয়।

এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য মোহাম্মদ কামরুজ্জামান খান শামীম বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কেন্দ্রীয় যুবলীগরে দায়িত্বশীল নেতাদের জানিয়েছি। ফেস্টুন ছেড়া এটা কোন রাজনৈতিক শিষ্টাচার হতে পারে না। ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে বঙ্গবন্ধু ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সহ মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের ছবি ছিলো। কিন্তু তারা সে সবের তোয়াক্কা করেনি। এস এম বায়েজীদ হোসেন বলেন, আমাদের জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষ এ কাজটি করেছে।

এ ব্যাপারে পিরোজপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান ফুল বলেন, যে সব দুবৃত্ত এ কাজ করেছে তারা শুধূ মাত্র স্থানীয় নেতাদের অপমান করেনি। ওই ফেষ্টুনে জাতীর জনকের,আমাদের নেত্রীর (শেখ হাসিনার) কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতি সাধারন সম্পাদকের ছবিও ছিলো। এরা যারাই হোক দলের মঙ্গল চায় না। তাই এদেরকে আইনের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির নেতা পল্লব রায়ের উপর অতর্কিত হামলা করে কুপিয়ে ও পিটানোর ঘটনা ঘটেছে। জানাগেছে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নজিরপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল কান্তির সাথে মটর সাইকেল যোগে পিরোজপুর আসে পল্লব।

এসময় শহরের সিও অফিস সংলগ্ন  বৈদ্যপাড়া মোরের কাছে মটর সাইকেলের গতি আগলে পল্লবকে একটি গলির মধ্যে নিয়ে বেধরক মারধোর করে সন্ত্রাসী গ্রুপ। এ ব্যাপারে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শি নাজিরপুর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক চঞ্চল কান্তি বিশ্বাস বলেন, পৌরছাত্রলীগ নেতা আসিফের নেতৃত্বে ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ জন মিলে পল্লবকে কুপিয়ে মেরে ফেলে রেখে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  

 


আরও খবর



বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৪জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৬৫জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৪জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলো, সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের শীলমুদ গ্রামের শহীদ মাওলানা বাড়ির আবুল বাশারের ছেলে আব্দুর রহিম (৫৫) উজির আলীল ছেলে ইউসুফ (৪৮) নূর হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৮) মো.শহীদ উল্যার ছেলে  মো. জুয়েল (১৬)। নিহত সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা যায়।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বজরা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের শীলমুদ গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বজরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরন অর রশীদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরও  জানান, আব্দুর রহিম সন্ধ্যার দিকে ধানি জমিতে নামে। এ সময় ধানি জমিতে থাকা পল্লী বিদ্যুতের ষ্ট্রিলের পিলারে সাথে আব্দুর রহিম বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুত্বর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে একে একে আরও ৩জন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুত্বর আহত হয়। শেষে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে।

চেয়ারম্যান মিরন জানান, মরদেহ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে এনে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

নিউজ ট্যাগ: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট

আরও খবর
মায়ের ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১