আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

নোয়াখালীতে এক সপ্তাহের বিশেষ লকডাউন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৪ জুন ২০২১ | ১৩২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আগামীকাল শনিবার সকাল থেকে নোয়াখালী পৌরসভাসহ সদর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে বিশেষ লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। আজ শুক্রবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নোয়াখালীতে গত একসপ্তাহে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৫৮৯ জন। এ সময়ে করোনায় মারা গেছেন চারজন।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার বলেন, গত কয়েকদিনে নোয়াখালী পৌরসভাসহ সদর উপজেলার কয়েকটি উপজেলায় করোনা সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। ফলে নোয়াখালী পৌরসভা, নোয়ান্নই, বিনোদপুর, কাদির হানিফ, নেয়াজপুর, অশ্বদিয়া ও নোয়াখালী ইউনিয়নে ৫ জুন থেকে ১১ জুন পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার শনিবার ভোর ৬টা থেকে এ লকডাউন কার্যকর হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান জানান, লকডাউন ঘোষিত এলাকাগুলোতে ফার্মেসি ছাড়া সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। কাঁচা বাজার খোলা থাকবে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। শর্তসাপেক্ষে খোলা থাকবে খাবার হোটেল। তবে হোটেলে বসে খাবার খাওয়া যাবে না। জরুরি সেবা বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন, ইন্টারনেট, চিকিৎসা সেবাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর কাজে নিয়োজিত পরিবহন এবং যানবাহনের পরিসেবা চালু থাকবে।

জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে আয়োজিত বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন-পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী। আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান, পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন, জেলা সিভিল সার্জন মাসুম ইফতেখার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম শামসুউদ্দিন জেহান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইসরাত সাদমীন প্রমুখ।


আরও খবর



বাবার জন্য ভালোবাসা

প্রকাশিত:রবিবার ২০ জুন ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাবা অভিভাবক, বন্ধু, সুরক্ষাদাতা, শিক্ষক এবং কখনও কখনও প্রিয় ব্যক্তিত্ব। সন্তানের মঙ্গলের জন্য তাঁরা কঠোর পরিশ্রম করেন, জলাঞ্জলি দেন নিজের আকাঙ্ক্ষা। বাবার এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা উদযাপন করতেই প্রতি বছর জুনের তৃতীয় রোববার বিশ্বব্যাপী পালন করা হয় বাবা দিবস। এ বছর ২০ জুন, অর্থাৎ আজ বিশ্ব বাবা দিবস।

বিশেষ এই দিনে আপনি চাইলেই বাবার জন্য বিশেষ কিছু করতে পারেন, যা তাঁর প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করবে। ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে এমন কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আসুন, আমরা একবার চোখ বুলিয়ে নিই

সারা দিন বাবার সঙ্গে কাটান-

বাবা দিবস উদযাপনের অন্যতম সেরা উপায় হলো, এ দিনে তাঁর সঙ্গে সময় কাটানো। বাবাকে নিয়ে বাইরে ভ্রমণেও যেতে পারেন। বাবার সঙ্গে নিজের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে পারেন। শুনতে পারেন তাঁর অনুভূতি।

বাবার জন্য বিশেষ রান্না-

এমন দিনে বাবার জন্য বিশেষ রান্না করুন। আপনি তো জানেন, বাবার কোন খাবার পছন্দ। সেই খাবারই তৈরি করুন এবং দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করুন।

বাবাকে উপহার দিন-

সারা জীবনই সন্তানের সব আবদার যথাসাধ্য পূরণের চেষ্টা করেছেন বাবা। বাবা দিবসে আপনি কি তাঁর জন্য সুন্দর জামা বা টি-শার্ট উপহার দিতে পারবেন না? এক জোড়া জুতা, ঘড়ি বা চশমাও উপহার দিতে পারেন। বাবা সন্তানের কাছ থেকে তেমন প্রত্যাশা না করলেও আপনার উপহার বাবাকে উজ্জীবিত করবে।

বাবার সঙ্গে প্রিয় সিনেমা দেখুন-

আপনি নিশ্চয়ই জানেন, বাবার প্রিয় সিনেমা কোনটি। বিশেষ এই দিনে আপনি তাঁর সঙ্গে সেই সিনেমাটি দেখতে পারেন। অথবা তাঁর প্রিয় কোনো টিভি শো দেখতে পারেন। এমনও হতে পারে, আপনিই একটি প্রিয় সিনেমা নির্বাচন করলেন এবং বাবার সঙ্গে বসে দেখলেন।

স্মৃতিচারণ করুন-

বাবার পাশে বসে বাবার হাত ধরে ফিরে যান সেই ছেলেবেলায়। এর পর ধীরে ধীরে জীবনের প্রিয় মুহূর্তগুলো ভাগ করে নিন। আমরা নিশ্চিত, বাবার মন ভালো হয়ে যাবে।

ভবিষ্যতের ভাবনা ব্যক্ত করুন-

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাবার সঙ্গে ব্যক্ত করা কিছু কঠিন। কিন্তু আপনি যদি তা ভাগ করেন, বাবার ভেতরে বিশেষ অনুভূতি এনে দেবে। এর কারণ হচ্ছে, যখন আপনি নিজের ভবিষ্যৎ-ভাবনা ভাগ করবেন, তার মানে দাঁড়াবে বাবার কাছে আপনি খোলা মনের। বাবার পরামর্শ আপনার পাথেয়।

পৃথিবীর সব ঝড়-ঝঞ্ছা থেকে আগলে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেন যে মানুষটি, তিনি বাবা। বাবা-মায়ের প্রতি ভালোবাসা এমন একটি বিষয়, যেটি বলার জন্য কোনো বিশেষ দিনের প্রয়োজন হয় না। তবুও পালন করতে পারেন একটি দিন একেবারে বাবাকে উৎসর্গ করে।


নিউজ ট্যাগ: বাবা দিবস

আরও খবর



পাহাড় ধসের আশঙ্কায়

সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট-বায়েজিদ সংযোগ সড়ক বন্ধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৮ জুন ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বর্ষণে পাহাড় ধসের ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় চট্টগ্রামের দৃষ্টিনন্দন ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিংক রোড বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় মঙ্গলবার (৮ জুন) থেকে সড়কটিতে ২ থেকে ৩ মাসের জন্য সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী হাসান বিন শামস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, চট্টগ্রামের বায়েজিদ থেকে আরেফিন নগর হয়ে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে লিংকরোডটি তৈরি করা হয় পুরোপুরি পাহাড় কেটে। বিশেষ করে আরেফিন নগর এলাকা থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত সড়ক দুই পাশে খাড়াভাবে পাহাড় কেটে দৃষ্টিনন্দনভাবে সড়কটি নির্মিত হয়েছে। গত এক বছর ধরে এই সড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয় এবং অনেকের কাছে সড়কটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেও পরিচিতি লাভ করে।

সম্প্রতি চট্টগ্রামে ভারি বর্ষণ শুরু হওয়ার পর এই সড়কের পাশ্ববর্তী বিভিন্ন পাহাড় ধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কয়েকটি স্থানে ছোট ছোট পাহাড় ভেঙে পড়তেও দেখা গেছে। এই অবস্থায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে কর্তৃপক্ষ এই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সাময়িক সময়ের জন্য।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী হাসান বিন শামস জানান, বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিংক রোডের কয়েকটি স্থানে পাহাড় ধসের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।  এই অবস্থায় এই সড়কে ২ থেকে ৩ মাসের জন্য সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময়ে মধ্যে সড়কটি পাহাড় ধসের ঝুঁকিমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ ও অন্যান্য নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



কুমারখালীতে সড়কের গাছ কেটে সাবার করল চেয়ারম্যানের ভাতিজারা

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | ১২৩জন দেখেছেন
এস এম সুমন, কুষ্টিয়া

Image

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সরকারি সড়কের মোটা চিকুন ১৮ টি মেহগুনি গাছ কেটে সাবার করেছে স্থানীয় এক সাবেক চেয়ারম্যানের ভাতিজারা। কাটা গাছগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য তিন থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা। কাটার অপেক্ষায় আছে আরো ৮ টি গাছ। তবে গাছ গুলো বিক্রি করা হয়েছে মাত্র আশি হাজার টাকায়।

ঘটনাটি উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামের রসাইমোড় টু কুঠিবাড়ি গ্রামীণ সড়কে ঘটেছে। সাবেক চেয়ারম্যান মৃত হামিদুর রহমানের ভাতিজারা হলেন হানিফের ছেলে উজ্জল ও ফাকের এর ছেলে রকি।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, রসাইমোড় সড়কের মেহগুনি গাছ কাটছেন কয়েকজন শ্রমিক। কাটা ৮ থেকে ১০ টা গাছ মাটিতে পরে আছে। কাটা বেশকিছু গাছ ইতিমধ্যে সড়িয়ে নেওয়া হয়েছে। গাছের ডালপালা গুলো সেলোইঞ্জিন চালিত করিমন গাড়িতে নেওয়া হচ্ছে।

এসময় গাছকাটা শ্রমিক রফিক বলেন, হামিদুর চেয়ারম্যানের ভাতিজা উজ্জল ও রকির নিকট থেকে সড়কের গাছগুলো কেনা হয়েছে। গাছগুলো আশি হাজার টাকায় কিনেছে শিলাইদহের আড়পাড়ার আজিজ মিস্ত্রি। আমরা তার লেবার হিসেবে গাছ কাটছে। তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে ১৮ টি গাছ কাটা হয়েছে। কিছু সড়িয়ে নিয়েছি। কিছু পরে আছে মাটিতে। বাকী গুলোর কাটাকাটি চলছে।

গাছ কাটার বিষয়ে চেয়ারম্যানের ভাতিজা উজ্জল উগ্র মেজাজে বলেন, গাছগুলো আমরা লাগিয়েছি। আমরা কাটছি। কার কি করার আছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান বলেন, খবর পেয়ে ভূমি অফিসের স্টাফ পাঠিয়েছি। পুলিশকেও গাছগুলো জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, ইউএনও স্যারের নির্দেশে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। শিলাইদহ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার মুঠোফোনে বলেন, ইউএনও স্যারের নির্দেশে ঘটনাস্থলে এসেছি। সড়কের পাশের বেশকিছু গাছ কাটা হয়েছে। ম্যাপ ধরে দেখা হচ্ছে গাছগুলো সড়কের কিনা।


আরও খবর



সিনোফার্মের ৬ লাখ টিকা আসছে আজ বিকেলে

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিনোফার্মের ৬ লাখ উপহারের টিকার দ্বিতীয় চালানটি রবিবার (১৩ জুন) বিকেলে ঢাকায় পৌঁছাবে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুটি বিমান টিকা নিয়ে বেইজিং এয়ারপোর্ট থেকে ঢাকায় আসবে।

রবিবার ঢাকার চীনা দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছেন। ঢাকার চীনা দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশকে ৬ লাখ উপহারের টিকা বেইজিং এয়ারপোর্টে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুটি বিমানে উঠানো হয়েছে। বিমান দুটি এয়ারপোর্ট থেকে ঢাকায় রওনা দেবে। রবিবার বিকেল নাগাদ বিমান দুটি ঢাকায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ১২ মে চীন প্রথম দফায় ৫ লাখ টিকা উপহার দেয়। বাংলাদেশ ও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা প্রথমে সিনোফার্মের টিকা অনুমোদন দিয়েছিল। এরপর চীনা টিকা সিনোভ্যাক জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, সিনোফার্ম ভ্যাকসিন ক্রয়সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত প্রায়। আর এক সপ্তাহের মধ্যেই সিনোফার্ম কেনার চুক্তির আলোচনা শুরু হবে।


আরও খবর
করোনায় আরও ৭৬ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১




ইতিহাসে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনা সমার্থক হয়ে থাকবে: : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | ১৮২জন দেখেছেন
তাছনিম আদনান

Image
বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণা করে মানুষকে বুঝিয়েছেন ছয় দফা হচ্ছে আমাদের মুক্তি, আমাদের স্বাধীকার, আমাদের অধিকার আদায়ের ম্যাগনাকার্টা

ইতিহাসে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনা সমার্থক হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (২৩ জুন) সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) প্রাঙ্গণে ইনস্টিটিউ আয়োজিত খামারি মাঠ দিবস ২০২১ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। বিএলআরআই-এর ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জাত সংরক্ষণ ও উন্নয়ন গবেষণা প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন বাঙালি জাতি থাকবে, যতদিন এই ভূখণ্ডে লাল-সবুজের পতাকা উড়বে, ততদিন আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা চিরঞ্জীব হয়ে থাকবে। ক্রান্তিকালে বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিতে হয়েছিল বঙ্গবন্ধুকে। আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পাওয়ার পর বাংলার পথে-প্রান্তরে তিনি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণা করে মানুষকে বুঝিয়েছেন ছয় দফা হচ্ছে আমাদের মুক্তি, আমাদের স্বাধীকার, আমাদের অধিকার আদায়ের ম্যাগনাকার্টা। অপরদিকে শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করেছেন, পুনরুজ্জীবিত করেছেন। সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে সরিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী যোগ করেন, এ খাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু তখন পরিকল্পনা করেছিলেন। সে সময় যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের বিকাশের কথা বলেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর দূরদৃষ্টিই প্রমাণ করে দেশের উন্নয়নের স্বার্থ বিবেচনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ গৌণ কোন খাত নয়।

প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিদের উদ্দেশে এ সময় মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের অসহাযয় মানুষরা কেউই বিপন্ন অবস্থাযয় থাকবে না। নিজেদের কখনো ছোট ভাববেন না। আপনারা নিজ উদ্যোগে স্বাবলম্বী হোন। সরকার আপনাদের পাশে আছে। করোনায় বিপর্যস্ত খামারিদের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। আরো প্রণোদনা দেওয়া হবে। সহজশর্তে স্বল্পসুদে ঋণ দেওয়া হবে। দেশের উন্নয়নে আপনাদের অবদান কোন অংশে কম নয়।

প্রাণিসম্পদ খাতে টিকা সমস্যাসহ অন্য যেকোন সমস্যা থাকলে তা সমাধান করা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, প্রাণিসম্পদের যে রোগের কারণে খামারিরা শঙ্কায় থাকে, মাংস বিদেশে রপ্তানি করা যায় না, সে রোগগুলো নির্মূল করা হবে। সে লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টরা কাজ করছে। প্রাণিসম্পদ খাতে গৃহিত প্রকল্প গ্রামীণ নারীসহ দরিদ্র মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলছে। তারা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, বেকারত্ব দূর হচ্ছে এবং উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে। দেশের উন্নয়নে প্রান্তিক মানুষ অবদান রাখছে। এভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অগ্রসরমান বাংলাদেশ নির্মাণে এগিয়ে চলেছেন।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিএলআরআই এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএলআরআই-এর অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ আজহারুল আমিন। মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিএলআরআই ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীগণ, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর