আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ব্যাংকের ভেতর পাওয়া গেল ২ আনসার সদস্যের লাশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নরসিংদীর রায়পুরার রাধাগঞ্জে অগ্রণী ব্যাংকের ভেতরে দুই আনসার সদস্যের লাশ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে লাশ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন ফরিদপুরের তৌহিদুল আলম (২৪), টাঙ্গাইলের রঞ্জু মিয়া (৪০)। দুজনই আনসার সদস্য, তারা এই ব্যাংকের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, সকালে ব্যাংকে এসে ব্যাংকের গেট ভেতর থেকে আটকানো দেখে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশে খবর দিলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা ব্যাংকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুজনের মরদেহ দেখতে পায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছি। পরে বিস্তারিত জানাব।

নিউজ ট্যাগ: নরসিংদী

আরও খবর



জম্মু-কাশ্মীরে তীর্থযাত্রীদের উপর হামলা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন প্রিয়াঙ্কা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসিতে তীর্থযাত্রীদের উপর হামলার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানালেন ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত ও বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিয়াসির জঙ্গি হামলায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরি শেয়ার করেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

এতে অভিনেত্রী প্রশ্ন তুলে লিখেছেন, বিধ্বস্ত আমি। নিরপরাধ তীর্থযাত্রীদের উপর জঘন্য হামলা চালানো হয়েছে। কেন সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের উপর এই হামলা? সারা বিশ্বে যে ভাবে ঘৃণা ছড়াচ্ছে, তা আমার বোধগম্যতার বাইরে।

তবে এই প্রথম নয়। সারা বিশ্ব জুড়ে চলা সন্ত্রাসের বিপক্ষে বহু বার মত প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। ইতিমধ্যেই প্রিয়াঙ্কা ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন। রাফায় ইসরায়েলি হানার পরই সমাজমাধ্যমে তিনি নিজের মত ব্যক্ত করেছিলেন।

এর আগে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষের সময়ও প্রিয়াঙ্কাকে দেখা গেছে পোল্যান্ডে গিয়ে উদ্বাস্তু পরিবারের শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে। সে বারও শিশুদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী এবং অভিনেত্রী দীর্ঘ দিন ধরেই ইউনিসেফের সঙ্গে যুক্ত। ২০১৬ সাল থেকে তিনি শুভেচ্ছা-দূত হিসেবে কাজ করছেন সংস্থার সঙ্গে।

সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসির দিক থেকে জম্মুর কাটরায় বৈষ্ণো দেবী মন্দিরের দিকে যাচ্ছিল পুণ্যার্থীদের একটি বাস। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ সেই বাসেই হামলা চালায় জঙ্গিরা।এতে মৃত্যু হয় ১০ জনের, আহত ৩০ জনেরও বেশি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। প্রাথমিক ভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে পাক-মদতপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠীই এই হামলার পিছনে রয়েছে।


আরও খবর



সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে সরকারের সাফল্যে চট্টগ্রামে বিলবোর্ড স্থাপন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও সাফল্য সংক্রান্তে প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে বিলবোর্ড স্থাপন ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারাভিযান চালানোর পাশাপাশি ৩ হাজার পিস লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ মে) জেলা সিভিল ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বিলবোর্ড স্থাপন ও প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করেন। এসময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওসিএস ডা. মোহাম্মদ নওশাদ খান, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকতা থোয়াইনু মং মারমা, আজমীর ইন্টারন্যাশনাল কনসাল্টিং ফার্মের প্রতিনিধি মোহাম্মদ সুমন ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।  

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর লাইফস্টাইল, হেলথ এডুকেশন এন্ড প্রমোশন-এর আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজমীর ইন্টারন্যাশনাল কনসাল্টিং ফার্মের সহযোগিতায় এলএন্ড এইচইপি ইনভাইট ইন অ্যাসিভমেন্ট অব ইউনিভার্সেল হেলথ কভারেজ, টুওয়ার্ডস এসডিজি এন্ড স্মার্ট বাংলাদেশ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরীর কার্যক্রম হিসেবে জনসমাগমস্থলে ১২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থ সাইজের বিলবোর্ড  স্থাপন করা হচ্ছে। একই সাথে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারাভিযান ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। আগামী ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জন ও ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



কলকাতার বাগজোলা খাল থেকে এমপি আনারের হাড় উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনায় অভিযান চালিয়ে কলকাতার কৃষ্ণমাটি সেতু সংলগ্ন এলাকার বাগজোলা খাল থেকে কিছু হাড় উদ্ধার করেছে কলকাতার সিআইডি। সঙ্গে ছিল পুলিশ ও নৌবাহিনীর ডিএমজি টিম। তবে হাড়গুলো এমপি আনারের কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়। রোববার সকালে এ অভিযান চালানো হয়।

শুক্রবার (৭ জুন) এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত সিয়ামকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (সিআইডি)। পরদিন শনিবার তাকে ১৪ দিনের জন্য সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বারাসাত জেলা ও দায়রা আদালত।

শনিবার সারারাত ধরে সিয়াম হোসেনকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালান সিআইডির কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে সিয়াম হোসেন সিআইডিকে বেশ কিছু তথ্য জানান। রোববার সকালে সিয়াম হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাগজোলা খালে আসেন সিআইডি কর্মকর্তারা। যে স্থানে এমপি আনারের দেহাংশ ফেলা হয় সেই স্থানটি দেখিয়ে দেন সিয়াম হোসেন। তারপর সেখানে ভারতীয় নৌবাহিনীর তিন সদস্যের দল ও কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা মিলে তল্লাশি অভিযান চালান।

তল্লাশি অভিযানে বেশ কিছু হাড় উদ্ধার করা হয়। হাড়গুলো উদ্ধার করে ফরেনসিক টেস্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে সিআইডি। তবে সেই হাড়গুলো মানুষের না অন্য কিছুর তা জানা যাবে, ফরেনসিক পরীক্ষার পর।

সিয়ামের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৬৪ (হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ), ৩০২ (অপরাধমূলক নরহত্যা।), ২০১ (তথ্যপ্রমাণ লোপাট) এবং ৩৪ (সংঘবদ্ধভাবে অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা)- এই চার জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে।

এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে কলকাতার সঞ্জীবা গার্ডেনসের যে ফ্ল্যাটে হত্যা করা হয় সেই ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংক থেকে গত ২৮ মে মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করে কলকাতা পুলিশ। তবে সেগুলো এমপি আনারের মরদেহের খণ্ডাংশ কি না সেটা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান এমপি আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজীম।

বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচদিন পরে গত ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনোয়ারুল আজীম নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলে না তিনবারের এই সংসদ সদস্যের। বুধবার (২২ মে) হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পার্শ্ববর্তী নিউটাউন এলাকায় বহুতল সঞ্জীবা গার্ডেনস নামে একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে আনোয়ারুল আজীম খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া গেছে রক্তের ছাপ।


আরও খবর



ঈশ্বরদীতে প্রকাশ্যে চলছে রমরমা মাদক ও জুয়ার আসর

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

Image

পাবনার ঈশ্বরদী থানার পৌর ৪নং ওয়ার্ডে তিন তলা কলা বাগানে প্রকাশ্যে চলছে লাখ লাখ টাকা জুয়া খেলা। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বহু জুয়াড়ী এসে কর্তাদের ম্যানেজ করেই এ অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন।

৫নং ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর ওয়াকিল আলম বলেন, প্রায় দেড় বছর ধরে জুয়া খেলা চলছে প্রকাশ্যে। তরুণ সমাজ ও ব্যবসায়ীসহ বহু পরিবার জুয়া খেলে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। এতে এলাকায় চুর, ছিনতাইয়ের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের প্রতি আমার আকুল আবেদন এই জুয়া ও মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

সরেজমিন দেখা যায়, ঈশ্বরদী থানার ৪নং ওয়ার্ডের তিনতলা কলা বাগান এলাকায় মাঠে তাবু টাঙ্গিয়ে প্রকাশ্যে চলছে জুয়ার আসর। এলাকার চিহ্নিত জুয়াড়ী চক্রের চঞ্চলের নেতৃত্ব তিনতলা কলা বাগান মাঠে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চালিয়ে যাচ্ছে তাশ ও জুয়ার আসর। ওই জুয়ার আসরে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত কুখ্যাত জুয়াড়ীরা এসে সমাবেত হচ্ছে। দুর-দুরান্ত থেকে আসা জুয়াড়ীরা এখানে লাখ লাখ টাকার হাত বদল করছে এবং প্রতিদিন এ চক্রের ফাঁদে পড়ে অনেকেই টাকা খুইয়ে হচ্ছেন নিঃস্ব। অসাধু কর্তাদের নিরবতায় থাকা একটি সংঘবদ্ধ চক্র মিলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চালাচ্ছে নিষিদ্ধ জুয়ার আসর। এ জুয়াকে কেন্দ্র করে স্পটে নেশা গ্রহণ সমান তালে চলায় জুয়া ও মাদকের মোহে পড়ে অনেকে পথে বসছেন। চলমান জুয়া ও মাদকের আসর নিয়ে এ অঞ্চলের অভিভাবক ও তাদের পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, প্রতিদিন হাজার টাকা থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার জুয়া খেলায় মেতে উঠেছে জুয়াড়ীরা। অনেকে জুয়া খেলে শুন্য হাতে ফিরে যাচ্ছে বাড়িতে। জুয়ার ও নেশার টাকা জোগাড় করতে এলাকার উঠতি বয়সের ছেলেরা চুরি, ডাকাতি পকেটমারাসহ নানারকম অপকর্মের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার আম বাগান পুলিশ ফাঁড়ির পেছনে রক্তক্ষয় সংঘর্ষ বেজে যায় দুই জুয়ারী মাঝখানে পরবর্তীতে পুলিশ এসে ঘটনাস্থলে দুই পক্ষকেই শান্ত করেন।

জাবেদের স্ত্রী জানান, জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে বিকালে তিন তালা মাঠে কথা কাটাকাটি হয় দুইজনের। পরে ওখানে দুজনই বিদেশী মদ পান করে এলাকাতে এসে। ওই কথার রেস ধরে এই মারামারির সৃষ্টি হন। পুলিশ যদি সময় মত না আসতো তাহলে দুজনার ভিতর একজন নির্ঘাত মারা যেত।

এই ব্যাপারে জানতে বিষয়টি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড  কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এটার একটি প্রতিকার চাই যেহেতু আমি এত বড় পরিসরের নেতাও না শুধুমাত্র একটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর যারা আমাদের উপরে আছেন তাদের সহযোগিতা পেলে এই বিষয়ে অনেক দিন ধরে আলোচনা করছি নিজেদের মধ্যে একজন মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী সে হয়তো লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক হচ্ছেন। এতে শত শত পরিবারের ছেলেরা ঝরে পড়ে যাচ্ছেন। এই বিষয়ে যদি প্রশাসন যদি এগিয়ে আসতো তাহলে মনে হয় একটা প্রতিকার করা সম্ভব হবে। আর এই যে জুয়ার আসরটাতে লোকালে নেতাদের ছত্রছায়ায় কেউ বড় ভাই সেজে এই জুয়ার পরিচালনা করছে। তাদের কাছে এই বিষয়ে প্রতিকার করতে গেলে তারা বলেন আমরা অমুক ভাইয়ের লোক এর জন্য এই বিষয়ে আমরা তাদের সঙ্গে পেরে উঠছি না। আর কি বলবো তখন দায় ছাড়া ভাব দেখায় চলে আসে। এ ছাড়াও আর কোন উপায় থাকে না।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী পৌর মেয়র ইছাহক আলী মালিথা জানান, আমি নিজে জুয়া বন্ধে চেষ্টা করেছি। থানা পুলিশকে জানিয়েছি। বিষয়টি পুলিশ নলেজে আছে। এখানে ঈশ্বরদী থানা এলাকাসহ লালপুর ও পাবনা জেলার তরুণ সমাজ ও ব্যবসায়ীসহ বহু পরিবার জুয়া খেলে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। এতে এলাকায় চুরি, ছিনতাইয়ের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, জুয়া খেলার বিষয়টা আমার জানা ছিল না। আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



ইসলামী ব্যাংক থেকে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংক চকবাজার শাখার লকার থেকে এক গ্রাহকের ১৪৯ ভরি স্বর্ণ গায়েবের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

রবিবার দুপুরে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসলামী ব্যাংক চকবাজার শাখার ম্যানেজার শফিকুল মাওলা।

ম্যানেজার বলেন, গ্রাহকের মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে আসলে গ্রাহক মিথ্যা বলছেন কিনা।

শফিকুল মাওলা বলেন, এখানে চুরি ডাকাতির কোনো সম্ভাবনা নেই। লকারের মালিক প্রথমে বলেন ৩০০ ভরি স্বর্ণ রেখেছি, সেখান থেকে ১৫০ ভরি স্বর্ণ নিয়ে গেছি।

শাখা ম্যানেজারের ভাষ্য, লকারের মালিকের অসংলগ্ন কথাবার্তায় তারা কিছু বুঝতে পারছেন না। তদন্তের মাধ্যমে সত্য বের করে নিয়ে আসবে কমিটি।

ভুক্তভোগী গ্রাহক ও নগরীর বেভারলি হিল এলাকার বাসিন্দা রোকেয়া আক্তার বারী জানান, গত ১৭ বছর ধরে আমি ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখায় লকার ব্যবহার এবং অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করে আসছি। ২৯ মে দুপুর দেড়টায় ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখায় কিছু স্বর্ণালংকার আনার জন্য যাই। লকারের দায়িত্বে থাকা অফিসারকে আমার লকার খুলে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। তিনি চাবি দিয়ে লকার কক্ষের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ওই অফিসার আমার বরাদ্দকৃত লকারটি খোলা দেখতে পান। এমন ঘটনা দেখে আমি হতভম্ব হয়ে পড়ি।

রোকেয়া আক্তার বলেন, পরবর্তীতে এই ঘটনায় চকবাজার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ না করে ফৌজদারি মামলা করার পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়ালি উদ্দিন আকবর জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লকার রুমে কোনো ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা নেই। ঘটনাটির গুরুত্বের কারণে ভুক্তভোগীকে তিনি ফৌজদারি মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন।


আরও খবর