আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

নতুন কলেজ স্থাপনের অনুমতি পাওয়ায় আনন্দ মিছিল

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২২ | ২৩৮৫জন দেখেছেন

Image

নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠীতে নতুন কলেজ স্থাপনের অনুমতি দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী এ্যাড. শ ম রেজাউল করিম এমপিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১১ টায় শ্রীরামকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বর থেকে এ বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শ্রীরামকাঠী বন্দরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদর্শন করে। এতে শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নসহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। র‌্যালি শেষে শ্রীরামকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় কলেজ প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি এস এম রোকনুজ্জামানের সভাপতিত্বে অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নাজিরপুর সরকারি বঙ্গমাতা মহিলা মাহবিদ্যালয় অধ্যক্ষ্য ঠাঁকুর চাঁদ মজুমদার, শ্রীরামকাঠী ইউজেকে মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক রমেন্দ্রনাথ মন্ডল, শ্রীরামকাঠী মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ চিত্ত রঞ্জন দেউরী, ইউনিয়র আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সুনীল রঞ্জন হালদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা কৃষ্ণকান্ত মজুমদার, নাজিরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সঞ্জীব কুমার রায়, যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন রাজু, আঃ হান্নান মৃধা, শ্রীরামকাঠী বন্দর কমিটির সভাপতি সঞ্জয় দাস ও সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু, ব্যবসায়ী সুশিল কুমার মন্ডল প্রমূখ।

গত মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ নতুন কলেজ স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রাপ্যতার শর্ত শিথীলপূর্বক বিশেষ বিবেচনায় শ্রীরামকাঠী মহাবিদ্যালয় স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়।

এ আনন্দে শ্রীরামকাঠী মহাবিদ্যালয়ের আয়োজনে আনন্দ মিছিল ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।


আরও খবর



দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতায় কাবু জনজীবন। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে পুরো পঞ্চগড় জেলা। সেই সঙ্গে ঠান্ডা বাতাসে জনজীবনে দুর্বিষহ নেমে এসেছে। পৌষের ঠান্ডা হাওয়া বয়ে যাওয়ায় দূর্ভোগে নিম্ন আয়ের শ্রমিকরা।

বুধবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। গতকাল তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি ।

জানা গেছে, সন্ধ্যা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত শীত নিবারণের জন্য আগুন পোহাতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষদের। কুয়াশার সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়। দিনের বেলা সূর্য উঠলেই ধীরে ধীরে কুয়াশা কেটে যায় তবে ঠান্ডার প্রকোপ বেড়ে যায়। প্রতিদিন দুপুরে ঝলমলে কুয়াশা-মিশ্রিত রোদ উঠলেও উত্তাপ ছড়ায় না। এতে শীতের পোশাক ছাড়া ঘর থেকে বের হতে পারছে না মানুষ।


আরও খবর



কক্সবাজারের ঘটনায় বিভিন্ন সংস্থার অসঙ্গতিপূর্ণ বক্তব্য দুঃখজনক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জানুয়ারী ২০২২ | ২৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সংস্থা থেকে যেসব বক্তব্য পাওয়া গেছে, তা অনেকটা সাংঘর্ষিক। সেজন্য নতুন করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাওয়া হয়েছে

কক্সবাজারে বেড়াতে আসা এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একেক সংস্থার একেক ধরনের বক্তব্য ও প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। কোনো ঘটনার তদন্তকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মিডিয়ায় কম কথা বলতে হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনে চলতে বলেছেন। বিষয়টি পুলিশ মহাপরিদর্শককে অবহিত করতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

কক্সবাজারের ঘটনার তদন্ত চলছে। এ অবস্থায় একেক সংস্থার একেক প্রতিবেদন কাম্য নয়। তদন্ত চলাকালে বিভিন্ন সংস্থার অসঙ্গতিপূর্ণ বক্তব্য দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল হারুন রাসেল ও অ্যাডভোকেট রাশিদা চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম রেজা আজাদ।

এর আগে সোমবার (৩ জানুয়ারি) কক্সবাজারে বেড়াতে আসা এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল হারুন রাসেল ও অ্যাডভোকেট রাশিদা চৌধুরী এ রিট দায়ের করেন।

রিটকারী আইনজীবীরা বলেন, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সংস্থা থেকে যেসব বক্তব্য পাওয়া গেছে, তা অনেকটা সাংঘর্ষিক। সেজন্য নতুন করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাওয়া হয়েছে। রিট আবেদনে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজিপি, কক্সবাজারের র‌্যা্বের সিওসহ ৬ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২২ ডিসেম্বর বিকেলে স্বামী ও আট মাসের সন্তানকে নিয়ে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে নামেন সৈকতে ভ্রমণে আসা ঢাকার ওই নারী। বালুচর দিয়ে হেঁটে পানির দিকে নামার সময় তার স্বামীর সঙ্গে আশিকের (ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় প্রধান আসামি) ধাক্কা লাগে। এর জেরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে তুলে নিয়ে প্রথমে ঝুপড়ি একটি চায়ের দোকানে এবং পরে কলাতলীর জিয়া গেস্ট ইন হোটেলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন আশিকের নেতৃত্বে কয়েকজন।

পরদিন ২৩ ডিসেম্বর রাতে ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মো. আশিক (২৮), মো. বাবু (২৫), ইসরাফিল হুদা জয় (২৮), রিয়াজ উদ্দিন প্রকাশ ছোটন (৩০) ও অজ্ঞাতপরিচয় তিনজনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

নিউজ ট্যাগ: কক্সবাজার

আরও খবর



নতুন বছর বরণকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ রাতেই বিদায় নিচ্ছে ইংরেজি বর্ষ ২০২১। নতুন বছর বরণকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। একই সঙ্গে কক্সবাজার ও কুয়াকাটায়ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার রাতে রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থানে যেকোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ ছাড়া পটকাবাজি, আতশবাজি, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালনাসহ যেকোনো ধরনের অশোভন আচরণ এবং বেআইনি কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

গতকাল ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাজধানীর নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ১২টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাগুলো হলো- ঢাকা মহানগরের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, রাস্তায় এবং প্রকাশ্য স্থানে কোনো ধরনের জমায়েত, সমাবেশ অথবা উৎসব করা যাবে না।

উন্মুক্ত স্থানে নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান, সমাবেশ, নাচ, গান ও কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না। কোথাও কোনো ধরনের আতশবাজি অথবা পটকা ফোটানো যাবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না।

শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা অথবা কর্মচারীরা আজ শুক্রবার রাত ৮টার মধ্যে স্ব স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন এবং ৮টার পর প্রবেশের ক্ষেত্রে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগতরা প্রবেশ করতে পারবে না। তবে ওই এলাকায় বসবাসরত সম্মানিত নাগরিকরা নির্ধারিত সময়ের পর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং দিয়ে পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবে।

একইভাবে উপর্যুক্ত সময়ে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় যেসব নাগরিক বসবাস করেন না তাদের বর্ণিত এলাকায় গমনের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। হাতিরঝিল এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে কোনো সমাবেশ অথবা অনুষ্ঠান করা যাবে না এবং কোনো যানবাহন থামিয়ে অথবা পার্কিং করে কেউ অবস্থান করতে পারবে না।

গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত সম্মানিত নাগরিকদের আজ রাত ৮টার মধ্যে স্ব স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকা মহানগরীর কোনো বার খোলা রাখা যাবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত আকারে আবাসিক হোটেলগুলোতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান করতে পারবে।

ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কাল শনিবার ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে সব ধরনের লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বহন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সম্মানিত নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।

এ ছাড়া আজ রাত ৮টা থেকে কাল ভোর ৫টা পর্যন্ত গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় যানবাহন প্রবেশের জন্য কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রাত ৮টা থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে তেজগঁঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা, ফিনিক্স রোড ক্রসিং, বনানী ১১ নম্বর রোড ক্রসিং, চেয়ারম্যান বাড়ি ক্রসিং, ঢাকা গেট, শুটিং ক্লাব, বাড্ডা লিংক রোড, ডিওএইচএস বারিধারা-ইউনাইটেড হাসপাতাল ক্রসিং ও নতুন বাজার ক্রসিং এলাকাসমূহে প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা যাবে না।

তবে ওই এলাকা থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে এসব ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে কাল ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা অথবা কর্মচারী ছাড়া অন্য যেকোনো ব্যক্তি অথবা যানবাহন কেবলমাত্র পুরনো হাই কোর্ট-দোয়েল চত্বর-শহীদ মিনার-জগন্নাথ হলের দক্ষিণ গেট-পলাশী মোড় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে।

ওই এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্যান্য সব ক্রসিং বন্ধ থাকবে। রাত ৮টা থেকে শাহবাগ, নীলক্ষেত ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, বকশীবাজার ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং চাঁনখারপুল অথবা শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং দিয়ে কোনো প্রকার যানবাহন প্রবেশ করবে না। কেউ বেপরোয়া, মদ্যপ ও বিপজ্জনক অবস্থায় গাড়ি চালালে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



বাংলাদেশি শিল্পীদের নিয়ে চালু হচ্ছে কোক স্টুডিও বাংলা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারত ও পাকিস্তানের তারকা শিল্পীদের নিয়ে গানের আয়োজন কোক স্টুডিও এ উপমহাদেশে তুমুল জনপ্রিয়। এবার সে তালিকায় যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। গ্রে বাংলাদেশের সমন্বয়ে এরই মধ্যে বাংলাদেশে চলছে এ আয়োজনের দৃশ্যধারণের কাজ।

আজ শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গ্রের ম্যানেজিং ডিরেক্টর গাউসুল আলম শাওন। যদিও এ আয়োজন প্রসঙ্গে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাতে নারাজ তিনি।

কোমল পানীয় কোকাকোলার পৃষ্ঠপোষকতায় বেশ গোপনীয়তায় বেসরকারি চ্যানেল দীপ্ত টিভি ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্টুডিওতে শুট চলছে আয়োজনটির। এরই মধ্যে রেকর্ডিং দৃশ্যধারণে অংশ নিয়েছেন বাপ্পা মজুমদার, সায়ান চৌধুরী অর্ণব, মমতাজ, পান্থ কানাই, কণাসহ বেশ কয়েকজন। যদিও এ প্রসঙ্গে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চান না তাঁরা।

তবে, দীপ্ত টিভির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকতা জানিয়েছেন, বেশ গোপনীয়তায় শুট করছে কোক স্টুডিও বাংলা। তাঁদের কার্ড ছাড়া সে অংশে কেউ প্রবেশ করতে পারে না। জানা গেছে, দীপ্ত টিভি ছাড়াও এর মধ্যে শুট হয়েছে এফডিসিসহ ঢাকার বেশ কিছু জায়গায়।


আরও খবর



পি কে হালদার কেলেঙ্কারি : বাংলাদেশ ব্যাংকের ৪ কর্মকর্তাকে তলব

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আলোচিত এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার) কেলেঙ্কারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের চার কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে সংস্থাটির উপ-পরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান আনোয়ার প্রধানের সই করা পৃথক নোটিশে তাদের তলব করা হয়েছে। বুধবার (১৯ জানুয়ারি) দুদকের জনসংযোগ দফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। নোটিশে তাদেরকে আগামী ২৪ জানুয়ারি দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

যাদের তলব করা হয়েছে তারা হলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ফেরদৌস কবির, এ.বি.এম মোবারক হোসেন, উপপরিচালক মো. হামিদুল আলম ও সহকারী পরিচালক মো. কাদের আলী।

ক্যাসিনো অভিযানের ধারাবাহিকতায় পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ ওঠে। দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতায় এখন পর্যন্ত ৮৩ ব্যক্তির প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে ফ্রিজ করেছে দুদক। পর্যায়ক্রমে তিন ধাপে এখন পর্যন্ত ৫২ আসামি ও অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

দুদক উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের নেতৃত্বে একটি টিম পি কে হালদারের আর্থিক কেলেঙ্কারির বিষয়টি অনুসন্ধান করছে। ওই টিম এরই মধ্যে ১৫টি মামলা করেছে। ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ভুয়া ঋণের নামে উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের ৩৭ জনের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা এবং ৩৫০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসর ৩৩ শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা করেছে দুদক।

২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রথম প্রশান্ত কুমার হালদারের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এরপর গত বছরের নভেম্বরে ৪২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৬ হাজার ৮০ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক এমডি পি কে হালদারসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিনের তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

২০২১ সালের ৮ জানুয়ারি দুদকের অনুরোধে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দিয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়। তার কেলেঙ্কারিতে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন ১১ জন। তাদের মধ্যে উজ্জ্বল কুমার নন্দী, পি কে হালদারের সহযোগী শংখ বেপারী, রাশেদুল হক, অবান্তিকা বড়াল ও নাহিদা রুনাইসহ আটজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

তবে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড অ্যালার্ট জারি হওয়ার আগেই অর্থ পাচারের মামলা মাথায় নিয়ে ২০১৯ সালে বেনাপোল বন্দর দিয়ে দেশ ছাড়েন পি কে হালদার; যদিও তিনি যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন সে অনুরোধ জানিয়ে পুলিশের বিশেষ শাখাকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। তবে চিঠি পৌঁছানোর দুই ঘণ্টা ৯ মিনিট আগেই ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বেনাপোল বন্দর দিয়ে দেশ ত্যাগ করেন পি কে হালদার। ইমিগ্রেশন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়কে এমন তথ্য দিয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: পি কে হালদার

আরও খবর