আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

অবিলম্বে এই বিতর্কিত আইনটি বাতিলের দাবি জানাচ্ছি : টিআইবি

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ও নিবর্তনমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিবর্তনমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিতর্কিত যেসব ধারায় মুশতাকসহ অনেকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করিবার অভিপ্রায়ে অপপ্রচারের যেসব অভিযোগের কথা মামলার এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যক্তি বিশেষে তার অপব্যবহার ও অপব্যাখ্যার একটি ন্যক্কারজনক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে বলে মন্তব্য করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

তিনি বলেন, একই মামলায় অন্য অভিযুক্তরা জামিন পেলেও ছয়বার আবেদন করা সত্ত্বেও মুশতাক আহমেদের জামিন না হওয়া, প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তার চেয়েও বড় বিষয় হচ্ছে, রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি রক্ষার নামে দিনের-পর-দিন জেলখানায় আটকে রাখা এবং রাষ্ট্রীয় হেফাজতে মৃত্যুকে সরকার আর ৮-১০টি ঘটনার মতোই বিবেচনা করছে।

এক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটিকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বা ব্যক্তিবিশেষ দূরভিসন্ধিমূলকভাবে অপব্যবহার করছে কিনা? সে সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব পাওয়া যাবে, এমন আশা প্রায় অলীক। যদিও এমন মর্মান্তিক ঘটনার কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিতে এসব প্রশ্নের উত্তর জানা আজ জরুরি হয়ে পড়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও তার অপব্যবহারই যে মুশতাকের মৃত্যুর কারণ, এ কথা সরকার কীভাবে অস্বীকার করবে?

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য বলছে, ২০২০ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে ৪৫৭ ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে ১৯৭টি মামলা হয়েছে, যেখানে ৪১টি মামলায় ৭৫ জন পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই আইনের করা মামলার অধিকাংশেরই বাদী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয় তো ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি যে বিরোধী মত ও সমালোচকদের কন্ঠরোধ করতেই কার্যত ব্যবহৃত হচ্ছে, তা বলাটা অত্যুক্তি হবে না। একইভাবে আইনটি বহাল রেখে দেশে বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার চর্চা অব্যাহত রয়েছে এমন দাবি অবান্তর। অবিলম্বে এই বিতর্কিত আইনটি বাতিলের দাবি জানাচ্ছি আমরা।

নিউজ ট্যাগ: টিআইবি

আরও খবর



আগামীকাল দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | ১২৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মুসলমানরা এ রাতে আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকিরসহ বিভিন্ন ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে অতিবাহিত করেন

আগামীকাল সোমবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় সারাদেশে দিনটি পালিত হবে। হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটিকে মুসলমানরা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। মহিমান্বিত এ রাতে মহান আল্লাহ তার বান্দাদের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। মুসলমানরা  এ রাতে আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকিরসহ বিভিন্ন ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে অতিবাহিত করেন।

১৪ মার্চ বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ১৫ মার্চ পবিত্র রজব মাস ৩০ দিন পূর্ণ হয়। সে হিসেবে ১৬ মার্চ মঙ্গলবার থেকে পবিত্র শাবান মাস গণনা শুরু হয়। আর ১৪ শাবান হবে ২৯ মার্চ।

করোনা মহামারির কারণে গত বছর ঘরে ইবাদত করার আহ্বান জানিয়েছিল ধর্ম মন্ত্রণালয়। তবে এবার এমন কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

শবে বরাত মুসলামানদের কাছে লাইলাতুল বারাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পরিচিত। আরবি শব্দ লাইলা অর্থ রাত। ফার্সি শব্দ শব অর্থও রাত। আর বরাত অর্থ মুক্তি বা নিষ্কৃতি। শাবান মাসের ১৪ তারিখের এ রাতকে মুক্তির রাত বা নাজাতের রাত হিসেবে অবহিত করা হয়। এ রাতে সৃষ্টিকর্তার আছে পাপ থেকে মুক্তি কামনা করে প্রার্থনা করা হয়। এ রাতে অনেকেই নফল নামাজ, কোরআন তেলওয়াত ও দোয়া করে থাকেন। এছাড়া অনেকেই এ রাতে বাবা-মাসহ আত্মীয়দের কবর জিয়ারত ও দোয়া করেন।

নিউজ ট্যাগ: পবিত্র শবে বরাত

আরও খবর
শুরু হলো সিয়াম সাধনার মাস

বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১

রোজা শুরু কবে জানা যাবে সন্ধ্যায়

মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১




অপরাধী যেই হোক তার বিচার হবে : পুলিশ সুপার

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ মার্চ 20২১ | ১২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেট থেকে আবুল কাশেম রুমন

সুনামগঞ্জের শাল্লায় ফেসবুক পোস্টের জেরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতে হামলা-ভাচুরের ঘটনায় জড়িত প্রত্যেকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

দায়ীদের ক্ষেত্রে কার কী দলীয় পরিচয় সেটাকে বিবেচনায় নেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

রবিবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশ সুপার আরো বলেন, উত্তেজিত জনতা জড়ো হয়ে গ্রামের পাশে মিছিল-সমাবেশ করছে এমন খবর পেয়ে শাল্লা থানার ওসি এবং ইউএনও ঘটনাস্থলে  যান। নোয়াগাঁও গ্রামের অবস্থান দাড়াইন নদীর পড়ে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে লম্বালম্বি। পশ্চিমপাশের রাস্তায় উত্তেজিত জনতাকে থামান ওসি ও ইউএনও। কিন্তু পূর্বদিকে অরক্ষিত এলাকায় কিছু জনতা নদী পাড় হয়ে গ্রামে গিয়ে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। খবর পয়ে পুলিশ পূবদিকে গেলে দুস্কৃতিকারীরা পালিয়ে যায়। প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ার পরও দ্রুততম সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়। ঘটনার দুই ঘণ্টার মাথায় আমি ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ও সেখানে যাই।

মূলত, ঘটনার দিন আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎক্ষণাৎ ভুমিকায় দুবৃত্তরা মানুষের জান-মালের ক্ষতি কম হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনার সময় পুলিশের ভুমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে সেটা সম্পূর্ণরূপে অযৌক্তিক।

পুলিশ সুপার বলেন, এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামিসহ এ পর্যন্ত  ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে যাদেরই সংস্পৃক্ততা পাওয়া যাবে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এক্ষেত্রে কার কী দলীয় পরিচয় সেটাকে বিবেচনায় নেওয়া হবে না।

প্রসঙ্গত, ১৫ মার্চ দিরাইয়ে সমাবেশ করে হেফাজতে ইসলাম। এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। পরদিন মামুনুলের সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন নোয়াগাঁওয়ের এক হিন্দু যুবক। এই স্ট্যাটাসের জেরে হিন্দু অধ্যুষিত ওই গ্রামটিতে হামলা চালিয়ে ৮৮ টি বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এ ঘটনায় ৮০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত দেড় হাজার জনকে আসামি করে শাল্লা থানায় পৃথক দুটি মামলা দয়ের হয়েছে।


আরও খবর



লকডাউনেও চলবে বইমেলা

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় আগামী ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এই পরিস্থিতিতেও প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত একুশে বইমেলা চলবে।

এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে রবিবার (৪ এপ্রিল) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ঠিটিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতি এবং সরকারের লকডাউন নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলার কার্যক্রম চলমান রাখার অনুরোধ করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৮ দফা নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ এবং জনসমাবেশের ঝুঁকিপূর্ণ যে কোনো কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্যও নির্দেশনা দেয়া হলো।

সাধারণত প্রতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বইমেলা শুরু হয়ে চলে পুরো মাস। এবার করোনার কারণে অনিশ্চয়তায় পড়ে বইমেলা। করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে এ বছর একুশে বইমেলা ভার্চুয়াল বা অনলাইনে করার কথা উঠেছিল।

পরে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে গত ১৮ মার্চ উদ্বোধন করা হয় ৩৭তম অমর একুশে বইমেলার। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বইমেলা চলবে।


আরও খবর
অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা

বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১




১১ এপ্রিলের পর আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি সাময়িক বন্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আগামী ১১ এপ্রিলের পর আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে এবং আন্তঃনগর ট্রেনে ক্যাটারিং সেবা

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক বাংলাদেশ রেলওয়ে ১১ এপ্রিলের পর আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। বুধবার (৩১ মার্চ) রেলওয়ের উপপরিচালক (টিসি) মো. নাহিদ হাসান খাঁন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের আন্তঃনগর ট্রেনসমূহের মোট আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ টিকিট একইসাথে অনলাইন, মোবাইল অ্যাপ ও কাউন্টারে সকাল ৮টা থেকে অগ্রিম ব্যবস্থাপনায় ইস্যু করা হবে। এছাড়া আগামী ১১ এপ্রিলের পর আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে এবং আন্তঃনগর ট্রেনে ক্যাটারিং সেবা ও ট্রেনে রাত্রিকালীন বেডিং সরবরাহের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

টিকিট ইস্যুর ক্ষেত্রে নতুন এ নিয়ম বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে। একই সঙ্গে সময়ে সময়ে জারিকৃত টিকিট ইস্যু এবং স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন করার অন্যান্য নিয়মাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।


আরও খবর



১৯১ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের ৫০তম স্বাধীনতা দিবসের একদিন আগে যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম দফায় এক লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ১৯১ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এই তালিকা প্রকাশ করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানের নাম।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, আমরা ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করলেও তাদের কোনো তালিকা করতে পারিনি। বিলম্বে হলেও আমরা সে তালিকা করা শুরু করেছি। দেশের প্রখ্যাত গবেষকদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কমিটি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে। প্রথম ধাপে আমরা ১৯১ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ করছি। যাচাই-বাছাই শেষে ধাপে ধাপে আরও তালিকা প্রকাশ করা হবে।

তালিকায় ঢাকা বিভাগের বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ৩৭ হাজার ৩৮৭ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০ হাজার ৫৩ জন, বরিশাল বিভাগে ১২ হাজার ৫৬৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৭ হাজার ৬৩০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ হাজার ৫৮৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩ হাজার ৮৯৯ জন, রংপুর বিভাগে ১৫ হাজার ১৫৮ জন, সিলেট বিভাগে ১০ হাজার ২৬৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়নের জন্য গবেষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে গত ১৯ নভেম্বর যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষকে এই কমিটির সভাপতি করা হয়। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শহীদুল হক ভূঁঞা। কমিটিতে সদস্য-সচিব হিসেবে রয়েছেন উপসচিব রথীন্দ্র নাথ দত্ত।

কমিটিতে গবেষক সদস্যদের মধ্যে ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল, গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরের ট্রাস্টি চৌধুরী শহীদ কাদের, জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক বায়েজিদ খুরশীদ রিয়াজ এবং গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরের গবেষক গাজী সালাউদ্দিন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সদস্যদের মধ্যে ছিলেন- চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ জহির (বীরপ্রতীক)।


আরও খবর