আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

Image

বগুড়ার শেরপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে একজনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের বোয়ালকান্দি গ্রামে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নেতৃত্বে এই আদালত পরিচালিত হয়।

দন্ডিত হেলাল উদ্দিন বোয়ালকান্দি গ্রামের সানোয়ার হোসেনের ছেলে।

জানা যায়, হেলাল উদ্দিন অনুমোদন না নিয়ে প্রায় দুই বিঘা ধানী জমিতে পুকুর খনন করছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ পেয়ে শেরপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম রেজাউল করিম ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এসময় শেরপুর থানা পুলিশের এএসআই হাবিবুর রহমান হাবিব ও পুলিশ সদস্যরা সহযোগীতা করেন।

এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এস এম রেজাউল করিম বলেন, অনুমোদন না নিয়ে ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এজন্য অভিযুক্তকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ এর আইনে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বগুড়া জরিমানা

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে দুই লাখ বাড়ি হস্তান্তর করবে তুরস্ক

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আধুনিক ইতিহাসে গত বছর সবচেয়ে বড় দুর্যোগের সম্মুখীন হয় তুরস্ক। সাত দশমিক আট মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয় তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলের ১১টি প্রদেশ। নিহত হন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ। ধ্বংস হয়ে যায় লাখ লাখ বাড়ি।

ভূমিকম্পের পর বিধ্বস্ত এলাকায় নতুন করে অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের ঘোষণা দেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। এরই অংশ হিসেবে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কিছু নতুন বাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে ভুক্তভোগীদের মাঝে।

এরদোয়ান বলেন, আজকে আমরা হাতায়ে এলাকায় ৭ হাজার ২৭৫টি বাড়ি হস্তান্তর করছি। এই অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে ৪০ হাজার বাড়ি হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি। গত বছর ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

বিধ্বস্ত এলাকায় আগামী দুই মাসের মধ্যে ৭৫ হাজার বাড়ি হস্তান্তর করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন এরদোয়ান। তুরস্কের সরকার এ বছরের মধ্যে দুই লাখ বাড়ি হস্তান্তর করবে।

দেশটির নগরায়ণমন্ত্রী মেহমেত ওজাসেকি ভূমিকম্পে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে মোট ৬ লাখ ৮০ হাজার বাড়ি ধ্বংস হয়। এর মধ্যে ৩ লাখ ৯০ হাজার পরিবার বাড়ি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে।

তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্ত বরাবর ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় তুরস্কের দক্ষিণপূর্বাঞ্চল।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় নতুন করে মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, দেশটিতে আঘাত হানা ওই ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৫৩ হাজার ৫৩৭ জন মারা গেছেন। ফলে দুই দেশ মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ হাজার।

সিরিয়ার সরকার জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারির ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এক হাজার ৪১৪ জন নিহত হয়।

ফলে দুই দেশের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটিতে ৫৯ হাজার ৪৮৮ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এর আগে সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী ভূমিকম্প হয় পেরুতে। ১৯৭০ সালের ভূমিকম্পে দেশটিতে ৬৭ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেবে না সরকার: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেবে না সরকার। তবে আন্দোলনের সহিংসতার উপাদান যুক্ত হলে বাধা আসবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাধা দেওয়ার মত সহিংস তৎপরতা, সন্ত্রাস, অগ্নিসন্ত্রাস- এসব উপাদান যদি আন্দোলনে যুক্ত হয়, তাহলে বাধা আসবে। তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিলে আমরা বাধা দিব কেন?

বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিরোধী দলের যে রাজনীতি, মুল ইস্যুই হচ্ছে যত দোষ নন্দ ঘোষ সরকার। সরকারই সব অপরাধে অপরাধী। তারা নালিশ করতে যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বিএনপি নেতা মঈন খান মার্কিন দূতাবাসে গিয়ে নালিশ করেছেন দেশে মানবাধিকার নেই, গণতন্ত্র নেই। এ হচ্ছে বিএনপির অবস্থা। 

আরও পড়ুন>> আমদানির খবরে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম

তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের কাছে জানতে চাই, ৫৪ দলের সরকার, বিরোধী যে ঐক্য জোট, এ জোটের শরিকরা কোথায়? সেই ঐক্য কোথায়? জগাখিচুড়ি ঐক্যজোট কোথায়? এখন সরকারের ওপর দোষ দিয়ে পার পাওয়া যাবে?

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হেরেছে, বিএনপি জিতেছে- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সবাই জানে নির্বাচনে কারা জিতেছে। নির্বাচনে অংশ না নিয়েই বিএনপি জিতে গেল? এটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কি?

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ব্যবস্থা হচ্ছে, নতুন করে চিন্তাভাবনা করছি। দলে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে যত কঠোর হওয়া দরকার হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।


আরও খবর



জাবিতে পাঁচ দফা দাবিতে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক দম্পতিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করাসহ পাঁচ দফা দাবিতে দুই ঘন্টার জন্য প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু পরিবেশ ফেরানোর জন্য আচার্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এরপর বেলা ১১টার দিকে অবরোধ কর্মসূচি শেষ করেন তারা।

শিক্ষার্থীদের অন্য দাবিগুলো হলো- অছাত্রদের বের করে গণরুম বিলুপ্ত করা; নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করা; যৌন নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিষ্পত্তিসহ ক্যাম্পাসে নানাবিধ অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা; ধর্ষণের ঘটনায় প্রক্টর ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষের অপরাধ তদন্ত করা এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত চলাকালে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া; মাদকের সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের গেটে তালা দিয়ে অবস্থান নিয়েছেন। সেখানে 'নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের' ব্যানারে অবরোধ লেখা সম্বলিত ব্যানার ও প্লাকার্ড ঝুলিয়ে দেন তারা। ফলে প্রশাসনিক ভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টদের বাইরে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

অবরোধ চলাকালে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আলিফ মাহমুদ বলেন, 'সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের কোনো বাস্তবায়ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করতে পারেনি। তারা পাঁচ কর্মদিবস সময় চেয়েছেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় গতকাল শেষ হলেও অছাত্রদেরকে বের তো দূরে থাক বরং প্রশাসন তাদেরকে নিয়ে ভাগবাটোয়ারার মিটিং করছে প্রতিনিয়ত। তাই পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা অবরোধ করছি।'

নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের সংগঠক ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আনিছা পারভীন জলি বলেন, উপাচার্য গতকাল বলেছেন আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি অছাত্রদের বের করার। তিনি যদি আপ্রাণ চেষ্টা করেই থাকবে তাহলে এই পাঁচ দিনে অন্তত পাঁচশত শিক্ষার্থী বের করার কথা। যদি সেটা না পারেন তাহলে তিনি কোন নৈতিকতার বলে তিনি তার পদে আছেন সেই প্রশ্নটি করতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর গত কয়েক বছর ধরে ঘুরে ঘুরে পদে আসছেন। আমরা জানিনা তার মধ্যে বিশেষ কি গুণ রয়েছে, কোনো বিশেষ গুণতো দেখতে পাই না। তিনি নিজেও নিপীড়নের দায়ে অভিযুক্ত, অসংখ্য নিপীড়নের ঘটনাকে তিনি উস্কে দিচ্ছেন। তাকে বারবার ক্ষমতায় বসিয়ে কি বুঝাতে চান আমরা বুঝিনা।এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফেরানোর জন্য রাষ্ট্রপতি ও আচার্যের কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশনার জন্য অনুরোধ করছি আমরা।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম সেলিম, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাফরুহি সাত্তার, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সোহেল আহমেদ, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জামাল উদ্দিন ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

এর আগে, গতকাল রবিবার রাতে একই দাবিতে একটি মশাল মিছিল বের করেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। আধা-ঘণ্টা পর বাসভবন থেকে বের হয়ে আসেন উপাচার্য। এসময় আন্দোলনকারীদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। তখন নির্ধারিত পাঁচ কর্মদিবস পার হলে প্রতিশ্রুতির কথা রাখতে না পারায় আন্দোলনকারী প্রশাসনিক ভবন অবরোধের ঘোষণা দেন।


আরও খবর



যৌন নির্যাতনের কথা এখনো ভুলতে পারেননি ভূমি পেডনেকর

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ক্যামেরার পেছনে দীর্ঘদিন কাজের পর হঠাৎ করেই নায়িকা হিসেবে দেখা দিয়েছিলেন ভূমি পেডনেকর। সহকারী পরিচালক হিসেবে দীর্ঘ ছয় বছর কাজ করেছিলেন যশরাজ ফিল্মসে। প্রতিষ্ঠানটিতে অভিনেতা-অভিনেত্রী নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। কিন্তু শিল্পী বাছাই করতে এসে হঠাৎ করেই একদিন নিজেই অভিনেত্রী বনে যান ভূমি।

ইন্ডাস্ট্রিতে এখন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী হলেও এক সময় যৌন হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল ভূমিকে। আর সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা এখনো ভুলতে পারেননি তিনি। কী হয়েছিল তার সঙ্গে, যা এখনো ভুলতে পারেননি এ অভিনেত্রী।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর, ভূমির বয়স তখন মাত্র ১৪ বছর। সদ্যই কৈশোরে পা রেখেছেন। পরিবারের সঙ্গে মেলায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। আর সেখানেই যৌন হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল তাকে।

অভিনেত্রীর ভাষ্যমতে, পরিবারের সবার সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলাম মেলায়। ভিড়ের মধ্যে আমার নিতম্বে কেউ হাত দেয়, চিমটি কাটে। আমাকে বারবার স্পর্শ করতে থাকে। পেছনে বারবার ফিরে তাকালেও কে এমনটা করছে, সেটা বুঝতে পারছিলাম না। ক্রমাগত আমাকে স্পর্শ করতে থাকে। আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলাম। আর সেই ঘটনা আমার কাছে দুঃস্বপ্নের মতো। যা এখনো ভুলতে পারিনি।

২০১৫ সালে আয়ুষ্মান খুরানার বিপরীতে দম লগা কে হাইশা সিনেমায় দেখা যায় ভূমিকে। এরপর ধারাবাহিকভাবে টয়লেট: এক প্রেমকথা, শুভ মঙ্গল সাবধান, লাস্ট স্টোরিজ, সোনচিড়িয়া, ষাঁড় কি আঁখ, বালা, পতী, পত্নী অওর ওহ, বধাই দো সিনেমায় দেখা যায় তাকে।

এছাড়া গত বছর তার অভিনীত দ্য লেডি কিলারথ্যাঙ্ক ইউ ফর কামিং সিনেমা মুক্তি পায়। তবে এর একটাও সফল হয়নি। আর শিগগিরই নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার ভক্ষক। এতে একজন সাংবাদিকের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে।

নিউজ ট্যাগ: ভূমি পেডনেকর

আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

চলতি মাসের (ফেব্রুয়ারি) প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসীরা ১৬৫ কোটি ৬১ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে যার পরিমাণ ১৮ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মধ্যে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার। এর আগে, চলতি বছরের প্রথম মাসে (জানুয়ারি) প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ২১০ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য, গত বছরের জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স আসে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ডলার, মার্চে ২০২ কোটি, এপ্রিলে ১৬৮ কোটি, মে মাসে ১৬৯ কোটি, জুনে ২২০ কোটি, জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ, সেপ্টেম্বর মাসে ১৩৩ কোটি, অক্টোবরে ১৯৭ কোটি, নভেম্বর ১৯৩ কোটি এবং ডিসেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১৯৯ কোটি ডলার।

২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। তার আগের ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার।


আরও খবর