আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

অবশেষে চার দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদন করল ইসরায়েল

প্রকাশিত:বুধবার ২২ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

সকল জল্পনা-কল্পনা ও আলাপ আলোচনা শেষে বন্দি বিনিময় চুক্তি অনুমোদন করেছে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে দেশটির মন্ত্রিসভায় এ প্রস্তাবের অনুমোদন করা হয়েছে। সিনিয়র এক কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ইসরায়েলের এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, আগামী চার দিনের মধ্যে ৫০ জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে। দৈনিক এক ডজন করে জিম্মি মুক্তি পাবেন।

চুক্তি অনুযায়ী, এসব জিম্মিদের কয়েক ধাপে মুক্তি দেওয়া হবে। প্রতি ১০ জন জিম্মির বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি ৩০ জিম্মির মুক্তির শর্তারোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া চুক্তিতে স্থলভাগে চার দিনের সম্পূর্ণভাবে যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে।

চ্যানেল-১২-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তির আওতায় ১৫০ থেকে ৩০০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেওয়া হতে পারে।

আরও পড়ুন>> কঙ্গোতে সেনা নিয়োগের সময় পদদলিত হয়ে নিহত ৩৭

এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী গাজায় খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তার পাশাপাশি ১০০ থেকে ৩০০ ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। আগামী বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার থেকে এ প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে চ্যানেল ১২। প্রাথমিকভাবে ৫০ জিম্মির মুক্তি দেওয়া হবে। যা আরও বাড়তে পারে।

এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ইসরায়েলের দুটি সূত্রের বরাতে জানায়, এ চুক্তির আওতায় মুক্তি পেতে যাওয়া বন্দিদের তালিকা করছে হামাস ও ইসরায়েল।

চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, চুক্তিটি অবশ্যই অর্জনযোগ্য। এটা খুব কাছাকাছি চলে এসেছে।

সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইসরায়েলের কারাগার থেকে ফিলিস্তিনিদের মুক্তির জন্য বিষয়টি প্রথমে যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করতে হবে। সেখানে অনুমোদনের পর বিষয়টি ইসরায়েলের পূর্ণ মন্ত্রিসভার অনুমোদন দরকার হবে। তবে এসব প্রক্রিয়া টেলিফোনের মাধ্যমে খুবই দ্রুততম সময়ের মধ্যে করা সম্ভব হবে।

এদিকে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল যুদ্ধের মধ্যে সুসংবাদ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হামাসের সঙ্গে জিম্মিদের বিনিময় চুক্তি বেশ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) সঙ্গে আলোচনাকালে এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু বলেন, আমি মনে করি না যে, এটা বাড়িয়ে বলা হবে না। আমি আশা করছি, খুব শিগগিরই ভালো খবর আসবে।


আরও খবর
পেট্রোল রপ্তানি নিষিদ্ধ করল রাশিয়া

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাড়িঘর পুড়িয়ে ছাই করে দিচ্ছে জান্তা সরকার

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাজধানীতে দুই দিনব্যাপী ‘স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপো’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

অ্যাফেয়ার্স এক্সিবিশন অ্যান্ড মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের আয়োজনে আগামী ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অনুষ্ঠিত হবে স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপো। ভারতের উচ্চ র‌্যাঙ্কযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ বোর্ডিং স্কুল গুলোর প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া, এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা সঠিক কোর্স বেছে নিতে এবং ভর্তি সংক্রান্ত হালনাগাদ ও সঠিক তথ্য শেয়ার করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং করবেন। স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপো ২০২৪-এ অংশগ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে অন-স্পট আবেদন করার এবং ১০০ শতাংশ মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ অর্জনের একটি অনন্য সুযোগ পাবেন।

অ্যাফেয়ার্স এক্সিবিশন অ্যান্ড মিডিয়া প্রা. লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্জীব বোলিয়া বলেন, উচ্চশিক্ষার শক্তিগুলোকে তুলে ধরাই হলো এক্সপোর মূল উদ্দেশ্য। স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপো শুধুমাত্র ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ বোর্ডিং স্কুল গুলোতে ছাত্রছাত্রীদের ভর্তির একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয় না, বরং অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ শিক্ষা, একাডেমিক অংশীদারত্ব; বিদেশে ভারতীয় ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতার জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্যের সঠিক উৎস থেকে দ্রুত অ্যাক্সেস ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি ভর্তির প্রক্রিয়াকে সহজ করার লক্ষ্য রাখি।

স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপোতে কম্পিউটার সায়েন্স, মেকানিক্যাল অ্যান্ড সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিবিএ, এমবিএ, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবোটিক্স, ক্লাউড কম্পিউটিং, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্টের মতো জনপ্রিয় কিছু কোর্স অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অফার করবে বলে জানা গেছে।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি (বিএইচইউ), শারদা ইউনিভার্সিটি, লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি, চন্ডিগড় ইউনিভার্সিটি, অ্যামিটি ইউনিভার্সিটি, এসআরএম ইউনিভার্সিটি, মানব রচনা ইউনিভার্সিটি, কেআইআইটি ইউনিভার্সিটি, বিএমএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং, পিডিইইউ, এমআইটি ওয়ার্ল্ড পিস ইউনিভার্সিটি, মোদি ইউনিভার্সিটি, এআইএমএস ব্যাঙ্গালোর, সিভি রমন বিশ্ববিদ্যালয়, আদিত্য গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউটস, পিম্পরি চিঞ্চওয়াড় বিশ্ববিদ্যালয়, উডস্টক স্কুল-মুসৌরি, মেয়ো কলেজ বয়েজ এবং মেয়ো কলেজ গার্লস স্কুল-আজমের, সেন্ট পলস স্কুল-দার্জিলিং, আগা খান একাডেমি-ঢাকা, আগা খান একাডেমি-হায়দরাবাদ, কিংস কলেজ ইন্ডিয়া-ব্রিটিশ, বোর্ডিং স্কুল দিল্লি এনসিআর, ইউনিসন ওয়ার্ল্ড স্কুল, হেইলিবারি ভালুকা, শারদা ওয়ার্ড স্কুল, সান্তা মারিয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুল প্রমুখ।

যেসব ছাত্রছাত্রীরা স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা এমনকি কর্মজীবী পেশাজীবী তারা স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপোতে যোগদান করতে পারবেন। শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের বিনামূল্যে এক্সপোতে অংশগ্রহণ করতে https://studyinindiaexpo.com/bangladesh/ এ নিবন্ধন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।


আরও খবর



জয়পুরহাটে সমলয় চাষাবাদ প্রদর্শনীর উদ্বোধন

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

জয়পুরহাটে রবি মৌসমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় বোরো ধানের সমলয় চাষাবাদ প্রদর্শনীতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে জয়পুরহাট সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলার বানিয়াপাড়া, কমড়গ্রাম এলাকার মাঠের ৭০ জন কৃষকের ১৫০ বিঘা জমিতে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিক্তি উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মুজিবরর হুমানের সভাপতিত্বে এসময় উদ্বোধনী সভায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিক্তি উপ-পরিচালক কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম, কৃষি প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, কৃষিবীদ সুব্রত রায়, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাফসিহা জাহান, উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার অমল চন্দ্র মন্ডল, কামরান হোসেন ও উপ-সহকারী আসাদুর রহমান।

সভায় বক্তারা জানান, বোরো ধানের সমলয় চাষাবাদ প্রদর্শনীতে ৭০ জন কৃষকের ১৫০ বিঘা জমিতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধমে চারা রোপণ থেকে শুরু করে ধান কর্তন করা পর্যন্ত কৃষি বিভাগের উদ্যোগে সরকারি ভাবে ব্যায় ভার করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: জয়পুরহাট

আরও খবর



বিএসএমএমইউতে ‘ফাইব্রোস্ক্র্যান’ মেশিনের শুভ উদ্বোধন

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

প্রথমবারের মত লিভারে চিকিৎসায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ফাইব্রোস্ক্র্যান মেশিন উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-ব্লকে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগে প্রধান অতিথি হিসেবে এ মেশিনের শুভ উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়েরর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব নেবার পর সর্বাধুনিক প্রযুক্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা সেবায় প্রয়োগ করা হচ্ছে। আজকের এই ফাইব্রোস্ক্যান মেশিনের উদ্বোধনের জন্য লিভার সিরোসিস, ফ্যাটিলিভারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহজ লভ্য হল। ফ্যাটি লিভার আগেভাগে এ মেশিন দিয়ে নির্ণয় করা হলে লিভার সিরোসিস রোগ সহজেই প্রতিরোধ করা যাবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটিই কথা কোনো রোগী যেনো দেশের বাইরে না যায়। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়ে চেষ্টা করছি। বিদেশে রোগীরা না গেলে যে অর্থ বাঁচবে তা দিয়ে আরেকটি পদ্মা সেতু তৈরি করা যাবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ  দেওয়ান সাইফুদ্দিন আহমেদ,  বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. চঞ্চল কুমার ঘোষ, অধ্যাপক ডা. রাজীবুল আলম, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাসুদুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শোয়েব চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক ডা. আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, ডা. এবিএম সফিউল্লাহ, ডা. ফজলুল করিম চৌধুরী, ডা. নুরুজ্জামান , ডা. সুস্মিতা ইসলাম, ডা. শাহনেওয়াজ  ও বিভাগের অন্যান্য, চিকিৎসকবৃন্দ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, নার্সরা উপস্থিত ছিলেন।

ফাইব্রোস্ক্যান (Fibroscan) একটি অত্যাধুনিক যন্ত্র। এর সাহায্যে Transient Elastography নামক পুরোপুরি ব্যথামুক্ত পদ্ধতিতে লিভার স্টিফনেস বা লিভার কতখানি শক্ত হয়ে আছে, তা পরীক্ষা করা যায়। লিভার স্টিফনেসের কয়েকটি ধরন রয়েছে। ফরাসি প্রতিষ্ঠান ইকোসেন (Echosen) নির্মিত ফাইব্রোস্ক্যানের মাধ্যমে সিরোসিস-সহ সবগুলো ধাপ নির্ণয় করা যায়। লিভারের নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি রোগ ক্রনিক ভাইরাল হেপাটাইসিস, অ্যালকোহলিক, নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ ও  লিভার সিরোসিস শনাক্তকরণে এ মেশিন ব্যবহার করা হয়। এর ফলে রোগীরা খুব সহজেই রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা সেবা নিতে পারবে ।


আরও খবর



২৩ দিন পর সিলেট দিয়ে শুরু হচ্ছে পাথর আমদানি

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু বাড়ানোর প্রতিবাদে গত ৭ জানুয়ারি থেকে পাথর আমদানি বন্ধ করে দেন পাথর আমদানিকারকরা। টানা ২৩ দিন সিলেট বিভাগের সব স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশন দিয়ে পাথর আমদানি বন্ধ ছিল। বুধবার (৩১ জানুয়ারি) থেকে ফের পাথর আমদানি শুরু হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সিলেট কমিশনারেট কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হকের সঙ্গে সিলেটের সব স্থলবন্দর ও স্থল শুল্ক স্টেশনের আমদানিকারক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ফের আমদানি শুরুর সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠকে সরকারের নতুন নির্ধারিত অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু সাড়ে ১৩ ডলার থেকে ৭৫ সেন্ট কমানোর পর ব্যবসায়ীরা পুনরায় আমদানি করতে রাজি হন।

ভোলাগঞ্জ চুনাপাথর আমদানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মজিবুর রহমান মিন্টু বলেন, ভারত থেকে পাথর ও চুনাপাথর আমদানির ওপর যে হারে অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু বাড়ানো হয়েছিল তাতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়েন এবং আমদানি বন্ধ থাকায় সরকারও ব্যাপক রাজস্ব ক্ষতির শিকার হয়।

সিলেট নগরীর উপশহরস্থ কাস্টমস অফিস কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সাবেক সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন, সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি ও সিলেট চেম্বারের সহ সভাপতি মো. আতিক হোসেন, অর্থ সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, তামাবিল পাথর, চুনাপাথর ও কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি মো. লিয়াকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন ছেদু, ভোলাগঞ্জ পাথর আমদানিকারক গ্র গ্রুপের সহ সভাপতি মো. বশির আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান মিন্টু, ছাতক লাইমস্টোন ইমপোর্টার্স অ্যান্ড সাপ্লাইয়ার্স গ্রুপের সভাপতি ও সুনামগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক আহমেদ শাখায়াত সেলিম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অরুন দাস, তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের মনমোহন পাল মতিশ, সুনীল পাল চৌধুরী, মো. খসরুল আলম, তাহিরপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুল হক, শাহীন চৌধুরী, সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের কার্যকরী সদস্য মো. শাহ আলম, শাহীন আহমদ, আলতাফ হোসেন প্রমুখ।


আরও খবর



পেকুয়ায় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের পূর্বদিক দিয়ে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে গত এক মাস ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অভিযোগে উঠেছে উজানটিয়া ইউপির সদস্য সোনা মিয়া সিন্ডিকেট এর বিরুদ্ধে।

অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে উজানটিয়ার রুপালী বাজার এলাকায় ৬৪/২বি পোল্ডারের পানি উন্নয়নের বেড়িবাঁধ ও মানুষের ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা। অচিরেই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না করলে সামনের বর্ষা মৌসুমে ওই এলাকায় আবারো পাউবোর বেড়িবাঁধে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। 

জানা যায়, গত এক মাস ধরে উজানটিয়া ইউনিয়নের পুর্ব দিকে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীর উজানটিয়ার রুপালী বাজার পয়েন্টে নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে একই ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোনা মিয়া ও ইউনিয়ন ছাত্রীগের সহ সভাপতি মো: কাফি চৌধুরী এবং যুবলীগ নেতা আয়াত।

খাল কিংবা নদী থেকে বালি উত্তোলনের নিয়ম না থাকলেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বেচা-বিক্রিতে জড়িত রয়েছে এই সিন্ডিকেট। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বেআইনীভাবে বালু উত্তোলন করলেও পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে। 

এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চাই থোয়াইহলা চৌধুরী জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কর্মকান্ডে অবশ্যই অভিযান হবে।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় একমাস ধরে চলছে এই বালু উত্তোলন। যার ফলে নদী ভাঙনের শংঙ্কায় রয়েছে নদীর পাড়ে অবস্থিত শতাধিক পরিবার। নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব থেকে। স্থানীয়রা নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন বন্ধে জরুরী ভিত্তিতে পেকুয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে জানতে বালুখেখো সিন্ডিকেটের সদস্য সোনা মিয়া মেম্বারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, বালু উত্তোলনের কাজে আমি জড়িত নাই । বালু পরিবহনের জন্য আমার গাড়ি ভাড়া দিয়ে থাকি।  বালু উত্তোলন করে ছাত্রলীগ নেতা কাফি এবং  যুবলীগ নেতা আয়াত। তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাদের মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উজানটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল করিম  বলেন, আমার ইউনিয়ন খুব শান্ত ছিল, ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোনা মিয়া সিন্ডিকেট করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং মাটি বিক্রি করে ইউনিয়নের অনেক ক্ষতি করে যাচ্ছে। এবিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছি আমি।


আরও খবর