আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

অবশেষে মেসির পথেই হাঁটছেন সার্জিও রামোস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুলাই ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুলাই ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

লিওনেল মেসির পথ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নাম লেখাতে পারেন স্পেন ও রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক অধিনায়ক সার্জিও রামোস। এরই মধ্যে এমএলএসের ক্লাব ইন্টার মায়ামি পিএসজির সাবেক ডিফেন্ডারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে এবং তিনি মেসির ক্লাবে নাম লেখানো থেকে এক পা দূরে আছেন।

সদ্য শেষ হওয়া মৌসুম শেষে মুক্ত খেলোয়াড় হয়ে যাওয়া মেসি পিএসজি থেকে ইন্টার মায়ামিতে যাবেন বলে ঘোষণা দেন গত মাসে। এরপর বার্সেলোনায় মুক্ত খেলোয়াড় হয়ে যাওয়া তার সাবেক সতীর্থ সার্জিও বুসকেতসও নাম লেখান ইন্টার মায়ামিতে। গুঞ্জন আছে বার্সেলোনার সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া জর্দি আলবার সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে এমএলএসের ক্লাবটি।

আরও পড়ুন<< এই প্রথম ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ছাড়াই এবারের বিশ্বকাপ

স্পেনের হয়ে ২০১০ বিশ্বকাপ জেতা রামোস রিয়াল মাদ্রিদে খেলার সময় মেসি, বুসকেতস ও আলবা ছিলেন তার তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু লা লিগার প্রতিপক্ষ বার্সেলোনার সাবেক ফরোয়ার্ড মেসির সঙ্গে পিএসজিতে দুই মৌসুম খেলেছেন রামোস। এখন হয়তো রিয়ালের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার সাবেক তিন খেলোয়াড়ের সঙ্গে এমএলএসের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেলবেন তিনি।

আরও পড়ুন<< যেসব বাঙালি খাবার খাচ্ছেন মার্তিনেজ

রামোস পিএসজিতেই থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ৩৭ বছর বয়সী ডিফেন্ডারের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেনি প্যারিসের ক্লাব। এরপর গুঞ্জন ছিল রামোস শৈশবের ক্লাব সেভিয়ায় ফিরতে পারেন অথবা সাবেক রিয়াল সতীর্থ ক্রিস্টিয়ানোকে রোনালদোকে অনুসরণ করে যেতে পারেন সৌদি আরবের ক্লাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়তো তার ঠিকানা হচ্ছে ইন্টার মায়ামি।

নিউজ ট্যাগ: সার্জিও রামোস

আরও খবর



রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি: বিপুল রাজস্ব ফাঁকি সাদিক অ্যাগ্রোর

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছাগলকাণ্ডে আলোচনায় আসার পর রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রামচন্দ্রপুর খালের ওপর গড়ে তোলা পশুর খামার সাদিক অ্যাগ্রোর অবৈধ অংশ গুঁড়িয়ে দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

মো. ইমরান হোসেন, গবাদি পশুর খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) সভাপতি। মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকার আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর স্বত্বাধিকারী। তাঁর খামারে বিভিন্ন প্রজাতির গরু-মহিষ-উটের দাম হাঁকিয়ে বিক্রি করা হয় কোটি টাকা। তবে ছাগল ইস্যুতে ফার্মটি দেশজুড়ে বিপুল আলোচনায়।

অথচ কর দেওয়ার সময় কোটি টাকায় বিক্রি করা গরুর দাম দেখানো হয়েছে ১৪ হাজার টাকারও কম।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) প্রদর্শন করা হিসাব অনুযায়ী, সাদিক অ্যাগ্রোর বছরে আয় মাত্র ৮১ লাখ ২১ হাজার ২৬৯ টাকা। সাদিক অ্যাগ্রোর প্রদর্শিত বার্ষিক আয় প্রতিষ্ঠানটির একটি গরু বিক্রির টাকার চেয়েও কম। এ ধরনের ত্রুটিপূর্ণ তথ্যকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করছেন না খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশ্লেষকরা।

ইমরান হোসেন কর অঞ্চল-৬-এর ১৩১ নম্বর সার্কেলে তাঁর কর রিটার্ন জমা দেন। তাঁর করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর ৫৬৫০৩৭৯১০৬৭০। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ৭৩২৩৯৮৯২২১৫। ২০২২-২৩ করবর্ষের নথি সূত্রে জানা গেছে, সাদিক অ্যাগ্রো ছাড়াও তিনি ইমরান হোসেন ফিশ ফার্মের স্বত্বাধিকারী।

এ ছাড়া জালালাবাদ স্টিল লিমিটেড, জালালাবাদ স্টিল বিল্ডিং লিমিটেড, জালালাবাদ মেটাল লিমিটেড ও লাকি স্টিল করপোরেশনের পরিচালক। বর্তমানে তিনি রাজধানীর বনানীর ১৩ নম্বর রোডের ই ব্লকের ১০৩ নম্বর বাসায় থাকেন। তবে তাঁর স্থায়ী ঠিকানা : বাসা নম্বর-৮৬, কলাবাগান।

২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সাদিক অ্যাগ্রোর মোট বিক্রির পরিমাণ দুই কোটি আট লাখ ১৫ হাজার ২৩৬ টাকা। তবে এই সময়ে তিনি বাছুর কেনা বাবদ খরচ করেছেন ছয় লাখ ১২ হাজার ৪৭০ টাকা।

পশুখাদ্য কিনেছেন ৫১ লাখ সাত হাজার ৮১০ টাকার। ওষুধ কেনার খরচ আট লাখ ৬৫ হাজার ৩৬৬ টাকা। কর্মীদের মজুরি দিয়েছেন ১২ লাখ ৭২ হাজার ৪২৫ টাকা। এভাবে রক্ষণাবেক্ষণ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং অন্যান্য খাতে সর্বমোট ব্যয় করেছেন ৮৪ লাখ ৮২ হাজার ৮৩৪ টাকা। এর সঙ্গে অন্য সব খরচ বাদ দিয়ে তাঁর বাৎসরিক আয় ৮১ লাখ ২১ হাজার ২৬৯ টাকা।

কিন্তু তাঁর এই হিসাবের সঙ্গে বাস্তবতার বিশাল ফারাক। শুধু কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করেই তাঁর দেড় হাজার পশু বিক্রি হয়। এর মধ্যে রয়েছে ব্রাহমা, ইন্দো ব্রাজিল, হোলস্টাইন, দেশাল, শাহীওয়ালসহ বেশ কয়েকটি জাতের গরুর পাশাপাশি মহিষ ও ছাগল। এ ছাড়া তাঁর ফার্মে উটও বিক্রি করা হয়।

তাঁর ফার্মে বেশির ভাগই কোটি টাকা দামের গরু। বছরজুড়ে দেড় হাজার গরু বিক্রি করলেও সাদিক অ্যাগ্রোর বছরের আয়ের হিসাবের সঙ্গে করের হিসাব মেলানো দুষ্কর। ইমরানের বিক্রয়ের তথ্যানুযায়ী, দুই কোটি আট লাখ ১৫ হাজার ২৩৬ টাকায় তিনি দেড় হাজার গরু বিক্রি করেছেন। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি গরুর দাম পড়েছে ১৩ হাজার ৮৭৭ টাকা। বর্তমান বাজারে এই দামে একটি মাঝারি মানের ছাগলও কিনতে পাওয়া যায় না। তাঁর ফার্মের একটি ছাগল ১২ লাখ টাকায় বিক্রির ইস্যুতে পুরো দেশ এখন সরগরম।

অন্তত ১০ লাখ টাকা গড়ে প্রতিটি গরু বিক্রি করলেও দেড় হাজার গরুর দাম দাঁড়ায় এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তবে তিনি কর দিতে গিয়ে এই বিশাল অঙ্কের টাকার তথ্য গোপন করেছেন। এর আগেও এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ইমরানের কর ফাঁকির বিষয়ে তদন্ত করেছিল। ওই অনুসন্ধানে কর ফাঁকির তথ্য প্রমাণিত হয়েছিল। তবে সিআইসি সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে আবার তদন্ত হতে পারে। আগের তদন্তের চেয়ে এখন তাঁর বিষয়ে অনেক বেশি তথ্য হাতে রয়েছে। আগামী সপ্তাহে তাঁর ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ইমরান খুবই চতুর ব্যক্তি। সাদিক অ্যাগ্রো কম্পানি হিসেবে ২০১৭ সালে নিবন্ধিত হলেও কম্পানির নামে কোনো রির্টান নেই। এ ছাড়া তিনি জটিলতা এড়িয়ে যেতে ব্যাংক হিসাবে খুব বেশি টাকা রাখেন না। সম্ভবত তিনি নিয়মিত বিভিন্ন কৌশলে টাকা পাচার করেন। অথবা আত্মীয়-স্বজনের নামে সম্পদ কিনে রাখেন।

সাদিক অ্যাগ্রোর বছরে ৮১ লাখ টাকা আয়কে অবাস্তব বলে মনে করেন কর অঞ্চল ৬-এর কমিশনার মো. লুত্ফুল আজিম। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমি জানি না তাঁর ফাইলে তিনি কিভাবে হিসাব দেখিয়েছেন। এই মুহূর্তে তাঁর ফাইলটা আমার সামনে নেই, ফলে এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। ঢাকা শহরের ভেতরে এত বড় অ্যাগ্রো ফার্ম আছে সেটাও আমাদের জানা ছিল না। এখন বিষয়টা জানলাম। এখন আমরা অনুসন্ধানে যাব। তবে দুগ্ধখামারের ওপর করহার কম।

তিনি বলেন, সাদিক অ্যাগ্রোর বিষয়ে আগেও সিআইসি থেকে তদন্ত হয়েছিল। এরপর অ্যাসেসমেন্ট কী হয়েছে তা আমি জানি না।

ইমরানের দেখানো হিসাব অনুযায়ী, সাদিক অ্যাগ্রোর স্থায়ী ও চলতি সম্পত্তির পরিমাণ এক কোটি ২০ লাখ ৬৮ হাজার ৯২৪ টাকা। ইকুইটি ও দায়ের পরিমাণ ৯১ লাখ ৩২ হাজার ৩৮ টাকা। ব্যাংক দায় ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৪৬ টাকা। চলতি দায়ের পরিমাণ ১৫ লাখ ১২ হাজার ৩৪০ টাকা। সর্বমোট ইকুইটি ও দায়ের পরিমাণ এক কোটি ২০ লাখ ৬৮ হাজার ৯২৪ টাকা।

ইমরানের সম্পত্তির বিবরণীতে দেখা গেছে, সাভারের জামুর মুচিপাড়া মৌজায় বিভিন্ন দলিল নম্বরে ১৫ লাখ ৬১ হাজার ৪৫০ টাকার জমির মালিকানা রয়েছে তাঁর। একই এলাকার বিলামালিয়া মৌজায় ৬৬ লাখ ১৯ হাজার ৫২৫ টাকার জমির মালিকানা রয়েছে। এ ছাড়া মালিকানা ও পরিচালক হিসেবে ছয় কোটি ২৬ লাখ ২৯ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। এর মধ্যে জালালাবাদ স্টিল বিল্ডিং লিমিটেডে তাঁর মালিকানামূল্য ৪০ লাখ টাকা, জালালাবাদ স্টিল লিমিটেডে এক কোটি পাঁচ লাখ চার হাজার টাকা, জালালাবাদ মেটাল লিমিটেডে এক কোটি ৯৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, সাদিক অ্যাগ্রোতে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং জালালাবাদ মেটাল লিমিটেডে দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা।

এক বছরে ইমরান সম্মানি বাবদ পেয়েছেন ১৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৬০ টাকা। এ ছাড়া বিভিন্ন সুবিধা যোগ করলে তাঁর আয়ের পরিমাণ ২৯ লাখ ২৯ হাজার ৭৬০ টাকা। বেতন বাবদ তাঁর করযোগ্য আয় দেখিয়েছেন ২৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭৬০ টাকা। এ ছাড়া কৃষি খাত থেকে আয় বাবদ (সাদিক অ্যাগ্রো) ৮১ লাখ ২১ হাজার ২৬৯ টাকা, ব্যবসা থেকে আয় করেছেন ৯ লাখ ৯ হাজার ৮৮৩ টাকা, ফার্মের লাভের অংশ হিসেবে পেয়েছেন ১২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৭০ টাকা, অন্যান্য খাত থেকে তাঁর আয় এক লাখ আট হাজার ৭৪৭ টাকা। বছর শেষে তাঁর মোট আয় এক কোটি ২৮ লাখ ৬৪ হাজার ৩২৯ টাকা। এর বিপরীতে তাঁর প্রদেয় কর ১৭ লাখ ২২ হাজার ৮৯২ টাকা। সেই হিসাবে তাঁর কর দাঁড়ায় ১৮ লাখ চার হাজার ৩৬৬ টাকা। সব ধরনের মওকুফ বাদ দিয়ে তাঁর করের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৪ লাখ ৮৯ হাজার ৩৬৬ টাকা। এই টাকা তিনি ইসলামী ব্যাংকের বংশাল শাখা থেকে চেকের মাধ্যমে চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি পরিশোধ করেছেন। চেক নম্বর এমসিএইচ ০৬৮৮১৭৮।

এ প্রসঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, দৃশ্যত এটি যৌক্তিক বলে মনে হয় না। এখানে আয় লুকানোর একটা সম্ভাবনা থাকতে পারে। এ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা দরকার। একটা অবৈধ জায়গায় তারা ফার্ম করেছিল। বছরে ৮১ লাখ টাকা আয় প্রকৃতপক্ষে তাদের বাস্তব আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এখানে সম্ভাব্য বড় কর ফাঁকির ঝুঁকি রয়েছে।

এসব বিষয়ে বক্তব্য নিতে সাদিক অ্যাগ্রোর স্বত্বাধিকারী ইমরান হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


আরও খবর



লঞ্চঘাটে প্রবাসীকে পিটিয়ে ডলার ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মামুন হোসাইন, চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

Image

ভোলার চরফ্যাশনে বেতুয়া লঞ্চ ঘাটে এক প্রবাসীকে পিটিয়ে ২ হাজার ৬'শ ডলার ও ৩ ভরি স্বর্ণ লুট করার অভিযোগ উঠেছে ঘাটের কুলিদের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় গত শনিবার (২২ জুন) রাতে প্রবাসী রাকির পাটোয়ারী বাদী হয়ে ৪ জন ঘাট কুলিদের আসামি করে চরফ্যাশন থানায় মামলা করেন। ওইদিন রাতেই তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে গতকাল রবিবার সকালে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। এর আগে, গত শনিবার ভোর ৫টার দিকে উপজেলার বেতুয়া লঞ্চঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, লঞ্চঘাট শ্রমিক- কামাল হোসেন, হাবিব উল্লাহ এবং রিপন বেপারী। ওমান প্রবাসী মো. রাকিব পাটওয়ারী উপজেলার চর মানিকা ইউনিয়নের দক্ষিণ আইচা গ্রামের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও ওমান প্রবাসী।

প্রবাসী মো. রাকিব পাটওয়ারী জানান, শুক্রবার সন্ধায় ঢাকা সদরঘাট থেকে বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লঞ্চযোগে চরফ্যাশনের বেতুয়া লঞ্চঘাটে ভোর ৫টায় নামিয়ে দিলে বেতুয়াঘাটের লেবার কামাল, হাবিবুল্লাহ, রিপনসহ ৬-৭জন একত্রিত হয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। এসময় তাদের দাবি করা মোটা অংকের টাকা কম দিতে চাইলে তার ওপর চড়াও হয়ে লেবার কামালের নেতৃত্বে মারপিট শুরু করেন। এসময় তারা প্রবাসীর সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার মালামাল ও মানিব্যাগে থাকা সাড়ে ২ হাজার ৬০০ ডলার লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা ভগ্নিপতি হাছান ও বোন ফাতেমা এগিয়ে আসলে তাদের ওপর হামলা চালায় তারা।

বেতুয়া ঘাটের অভিযুক্ত কুলি হাবিবুল্লাহ বলেন, ঘাটের রিপন তার কাছ থেকে মালামাল নামানের জন্যে ২ হাজার টাকা দাবি করে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়েছে। তার ডলার ও স্বর্ণালংকার লুটের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।

চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন জানান, এ ঘটনায় মামলার ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


আরও খবর



মতিঝিলে মন্দিরের জমি উদ্ধারে জেলা প্রশাসনের অভিযান

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ব্রিটিশ আমল থেকে দখলে থাকা রাজধানীর মতিঝিলের টয়েনবি সার্কুলার রোডের প্রায় ৩০ শতাংশ জমি উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন।

শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নেতারা জানান, শ্রী শ্রী লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরের জায়গাটি দীর্ঘ দিন ধরে হাত বদল হয়ে বিভিন্ন পক্ষের দখলে ছিল। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়।

এ আবেদনের পর তদন্ত করে জায়গাটি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন বলেও জানান তারা।


আরও খবর



বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগে আন্দোলনকারীরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগে গেছেন শিক্ষার্থীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানে তারা সমাবেশ করছেন।

আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে লাইব্রেরির সামনে জড়ো হতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সোয়া ৫টার দিকে তারা সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে টিএসসি সড়কদ্বীপ হয়ে শাহবাগের যায়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আজকের কর্মসূচি অনুযায়ী, কোটা বাতিলের দাবিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষার্থীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ঢাবি শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম গতকাল রাতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এর আগে গতকাল বিকেলে দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা দেয় ও হামলা চালায়।


আরও খবর



প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবি

পূর্ণদিবস কর্মবিরতিতে ঢাবির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে এবার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন শুরু করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

রোববার (৩০ জুন) সকাল থেকেই এ কর্মবিরতি শুরু করেন তারা। কর্মবিরতির অংশ হিসেবে আজ সারাদিন জরুরি কাজ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের দাপ্তরিক কাজ বন্ধ থাকবে।

সকাল ১০টা থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে কর্মবিরতির সমর্থনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিতে থাকেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এর আগে প্রশাসনিক ভবনের বিভিন্ন দপ্তরের সামনে মিছিল করেন তারা। পরে বেলা সোয়া ১১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে অপরাজেয় বাংলার সামনে আসেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত তারা অবস্থান, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। এরপরও দাবি না মানা হলে তারা আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কারিগরি কর্মচারী সমিতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ আয়োজন করে।

অবস্থানের সময় কর্মকর্তা-কর্মাচারীদের হাতে বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই, বৈষম্যের প্রজ্ঞাপন বাতিল করো করতে হবে, সর্বজনীন পেনশন, মানি না মানবো না, শেখ হাসিনার বাংলায়, প্রত্যয়ের ঠাঁই নাই, ইত্যাদি লেখা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। পাশাপাশি তারা একই কথাগুলো উল্লেখ করে স্লোগানও দিতে থাকেন।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের নেতারা বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন সব শ্রেণির কর্মচারীর মধ্যে যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, তা সবকিছুকে বাজে পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে। এমন একটি বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন জারির ফলে সারাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের মধ্যে চরম হতাশা ও অসন্তুষ্টি সৃষ্টি হয়েছে তা কেবল আমাদের যৌক্তিক দাবি তথা প্রত্যয় স্কিম বাতিলের মধ্য দিয়েই নিরসন সম্ভব। এই প্রজ্ঞাপন কার্যকর হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত কর্মচারী চরম বৈষম্যের শিকার হবেন। একই বেতন স্কেলের আওতাধীন কর্মচারীদের জন্য ভিন্ন নীতি সংবিধানের মূল চেতনার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে অবিলম্বে আমাদের দাবি মেনে নিয়ে প্রত্যয় স্কিম বাতিল করতে হবে। অন্যথায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক ও অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আব্দুল মোত্তালিব, ঢাবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক, কর্মচারী সমিতির সভাপতি শেখ মোহাম্মদ সরোয়ার মোর্শেদ, সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমীন, কারিগরি কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. সামসুল আলম বাদল, চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহজাহান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম মিয়াসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।


আরও খবর