আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

অনেক বড় জায়গা থেকে তদবির হচ্ছে: মুমতারিন ডরিন

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অনেক বড় জায়গা থেকে তদবির হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। বুধবার (১২ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা জানান তিনি।

মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন বলেন, অনেক বড় জায়গা থেকে তদবির হচ্ছে। তদবিরের চাপে যাতে বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত না হয়। মূল পরিকল্পনাকারীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। যারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সঠিক বিচার চাই। সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে আশ্বস্ত করেছে- আইন, বিচার সব নিজস্ব গতিতেই চলবে। অপরাধীরা পার পাবে না।

প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, যাকে আটক করা হয়েছে, সে আমাদের প্রতিপক্ষ না। সে বাবার শত্রু না। কে তাকে ধরাচ্ছে? তিনটি ফোন একদিনে হারিয়ে যাচ্ছে, টাকার লেনদেন হচ্ছে- এই বিষয়গুলো সন্দেহজনক। কে এই টাকার যোগানদাতা?


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




মেরে ফেলা সাপের ৯০ শতাংশই রাসেলস ভাইপার নয়: বন বিভাগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

রাসেলস ভাইপারের নামে মেরে ফেলা সাপের ৯০ ভাগই অন্য প্রজাতির ও বিষহীন বলে দাবি করেছে বন বিভাগ। তারা বলছে, মানুষের সচেতনতার অভাব আর ভুল তথ্যের কারণে সব সাপের জীবনই এখন হুমকির মুখে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রায় ২৪ বছর আগে অতি বিপন্ন হওয়া একটি সাপের বিস্তার এতো দ্রুত হওয়ার সুযোগ নেই।

প্রতি বছরে বিষধর সাপের কামড়ে বাংলাদেশে মারা যায় প্রায় সাত হাজার মানুষ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে- গেলো ১১ বছরে দেশে রাসেলস ভাইপারের কামড়ে মারা গেছে ৬৯ জন। শতাংশের বিচারে দেশে সাপের কামড়ে মৃত্যুর হার ১ শতাংশ রাসেলস ভাইপারের দংশনে। ৯৫ শতাংশ মৃত্যুর কারণ শঙ্খিনী গোখরার ছোবল। লোকালয়ে শঙ্খিনী ও গোখরার আনাগোনা প্রতিনিয়ত। কিন্তু রাসেলস ভাইপার আতঙ্কে এখন বিপন্ন সব শ্রেণীর সাপ।

বন বিভাগ বলছে, দেশে প্রায় ২০ প্রজাতির বিষধর সাপের মধ্যে রাসেলস ভাইপার একটি এবং এটি সংখ্যায় কম। সম্প্রতি সাপটির বিস্তার কিছুটা বাড়লেও আতঙ্কিত হবার মতো নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাপটি নিয়ে অতিরঞ্জিত ও ভুল প্রচার হচ্ছে। এতে অন্য প্রজাতির সাপই বেশি মেরে ফেলা হচ্ছে। এটি অপরাধ, বলছে বনবিভাগ।

আইইউসিএন এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার এ বি এম সারোয়ার আলম দীপু বলেন, যেকোনো সাপের কামড়েই, সেটাতে বিষ আছে কি নাই, এমনকি পোকামাকড় কামড় দিলেই আমাদের ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। ফেসবুক বা বিভিন্ন মিডিয়ায় রাসেলস ভাইপার সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করছে বিভিন্নভাবে। কেউ অতি উৎসাহী হয়ে যাচ্ছে, কেউ অতি সচেতন হয়ে যাচ্ছে, অথবা আমাদের যথেষ্ট জ্ঞান না থাকার কারণে আমরা যেকোনো সাপকেই মেরে ফেলছি।

আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএন, বাংলাদেশ ২০০০ সালে রাসেলস ভাইপার সাপকে অতি বিপন্ন হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু ২০১৫ সালে রাজশাহীর ছয়টি জেলায় রাসেলস ভাইপারের উপস্থিতি পাওয়ায় সাপটিকে প্রায় বিপন্ন বলে চিহ্নিত করা হয়।

বন্যার পানিতে পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে রাসেলস ভাইপার দেশে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে সাপটির বিপুল বিস্তারের কোনো সুযোগ নেই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজ ট্যাগ: রাসেলস ভাইপার

আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্র হত্যার বিচার চেয়ে রাস্তায় এলাকাবাসী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

ছেলে নিবির হত্যার বিচার চেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেছেন মা-বাবা ও এলাকাবাসী। শুক্রবার (২৮ জুন) ঠাকুরগাঁও সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)'র সামনে মানববন্ধ করে হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করেন তাঁরা। মানববন্ধনে এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।

ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে নিহত নিবির (১২) মা শিল্পী খাতুন, বাবা ওমান প্রবাসী আব্দুস সালাম বাবলু, পৌরসভার সংরক্ষিত ১-৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জেলা যুব মহিলালীগের সভাপতি নাজিরা আক্তার স্বপ্নাসহ বেশ কয়েকজন বক্তব্য দেন।

মানববন্ধনে নিহত নিবিরের মা বলেন, সাজ্জাত আমার ছেলেকে হত্যা করে প্রকশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মাহিম ও সাজ্জাত আমার ছেলেকে কু-প্রস্তাব দিছিলো। এতে সে রাজী না হওয়ায় তাকে ঘরে আটকে রেখে হত্যা করেছে। পুলিশ সব জেনেও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে। এসময় তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ছেলের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি করেন করেন তিনি।

নিবিরের বাবা বলেন, আমার ছেলেকে বলৎকার করা হয়েছে। এসিড নিক্ষেপ করে দুই চোখ ও হাত ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। সাজ্জাত ও মাহিম যে এই হত্যার সঙ্গে জড়িত তাঁর সকল প্রমাণাদি পুলিশের কাছে আছে।পুলিশ মাহিমকে ধরলেও সাজ্জাতকে ধরছে না।

কারণ সাজ্জাত শহরের সিয়াম ফ্যাশন এর মালিকের ছেলে। তাঁরা প্রভাবশালী। এমন একটা অবস্থায় দাড়িয়েছে পুলিশ সাজ্জাতকে জিজ্ঞাসা পর্যন্ত করতে পারছে না। এই হত্যা ঘটনায় পুলিশের ভুমিকা খুবই নীরব। মাহিমকে জেলে আটকে রেখে পুলিশ একটা সাজানো নাটক তৈরি করে বলছে মার্বেল খেলেকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকান্ড। আসলে নিবির কোন দিন মার্বেল খেলতো না।

তিনি আরো বলেন, আমি ওমান দেশে থাকায় পুলিশ প্রশাসন আমার পরিবারকে যে নির্যাতন করে তা বলা অসম্ভব। যেদিন ছেলের লাশ উদ্ধার হয় সে রাতে আমার স্ত্রী ও বড় ছেলেকে থানায় আটকে রাখে পুলিশ। এবং তাঁরা আমার স্ত্রীকে পরকিয়ার বদনাম দিচ্ছে।

পুলিশের মুখে এমন একথা শুনে আমার স্ত্রী আত্নহত্যা করতে গেছিলো। আমি থানায় গেলে থানার তদন্ত অফিসার জিয়ারুল ইসলাম আমার সঙ্গেও খারাপ আচরণ ও অশ্লীল ভাষায় কথাবার্তা বলেন। পুলিশ আমার আত্মীয়স্বজনদের বলে বেড়াচ্ছে এটা পরকিয়া মামলা। আদালতের লোকজনও বলছে পুলিশ বলছে আপনার স্ত্রী নাকি পরকিয়া করে। আর তদন্ত অফিসার জিয়ারুল ইসলাম আমায় বলছে আপনার স্ত্রী পরকিয়া করে কিনা সেটা খেয়াল করেন। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

এর আগে গত ১৭ মে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিবির হত্যার সঙ্গে জড়িত কিশোর মাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান।

এসপি সেদিন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, মার্বেল খেলাকে কেন্দ্র করেই স্কুলছাত্র নিবিরকে হত্যা করে একই এলাকার মো: মানিক এর ছেলে মাহিম। পুলিশের তদন্তে উঠে আসে এ হত্যাকান্ডের সাথে আর কেউ জড়িত নাই।

তবে পুলিশ সুপারের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে নিহতের বাবা ওমান প্রবাসী আব্দুস সালাম বাবলু বলেছিলেন ছেলে নিবির কখনই মার্বেল খেলতো না। সে ফুটবল খেলতো। আর ছেলেকে হত্যার পর বস্তাবন্দি করে বাড়ির পাশে একাই ফেলে যাবে যা সন্দিহান। এ হত্যাকান্ডের সাথে আরো কেউ জড়িত রয়েছে। সঠিক তদন্তের দাবিও করেন তিনি।

এব্যাপারে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক জানান, পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে আসামীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২০ এপ্রিল সকালে শহরের মাদরাসা পাড়ায় বাড়ির পাশের গলি থেকে শিশু নিবিরের অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ। নিবির সালান্দর কৃস্টপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। ওই দিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করেছিলো পুলিশ।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর



চবি শিক্ষার্থী মহিমা আকতার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মহিমা আকতারের 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অর্জন করেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের এর সাথে তাঁর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অর্জনকারী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মহিমা আকতার। এ সময় চবি আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ আল ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

চবি উপাচার্য বলেন, আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা, প্রজ্ঞা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশ-বিদেশে সফলতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। এটা এ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের।

তিনি বলেন, এ মেধাবী শিক্ষার্থী ভবিষ্যতেও কর্মজীবনে তাঁর মেধার সাক্ষর রেখে দেশ-জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা।

উল্লেখ্য, মহিমা আকতার (শিক্ষাবর্ষ: ২০১৭-১৮) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২৬তম ব্যাচের স্নাতকের সার্বিক ফলাফলে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়েছেন এবং ষোড়শ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় ১৬ তম মেধাক্রম নিয়ে সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। সারাদেশ থেকে ২১ জন অনন্য মেধাবী শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ প্রদান করা হয়েছে। দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগসমূহের শিক্ষার্থীদের মধ্যে একমাত্র তিনি এই বছর উক্ত অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে তিনিই একমাত্র এবং প্রথম এই এওয়ার্ডটি অর্জন করেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্কলার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ এ ১৫ টি অধিক্ষেত্রে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ২১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ২৪ জুন ২০২৪ তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে সার্টিফিকেট এবং ৩ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করা হয়।


আরও খবর



মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানায় শিক্ষকরা, ছাড়িয়ে নিলেন দুই শিক্ষার্থীকে

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

মিছিল নিয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় গিয়ে আটক দুই শিক্ষার্থীকে ছাড়িয়ে নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আজ বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনরত দুই শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের আটকে রাখার খবর পেয়ে আমরা মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানায় গেছি। পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। পরে পুলিশ দুই শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে।

এর আগে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নিপীড়নবিরোধী শিক্ষক ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা থেকে মিছিল বের করেন শিক্ষকরা। তারা মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানায় যান।

মিছিলের আগে সামিনা লুৎফা বলেন, একটা আন্দোলন হচ্ছে। এটার সমাধান আছে। এটার জন্য কেন গুলি করবে? মানুষ মারা যাবে কেন? ছাত্রদের নির্যাতন করা হচ্ছে কেন? এগুলোর সমাধান চাই।

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে মঙ্গলবার ছয়জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রামে তিনজন, ঢাকায় দুজন ও রংপুরের একজন রয়েছেন।

এ অবস্থায় দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাত ১১টার দিকে সরকারের এ সিদ্ধান্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এতে সই করেছেন ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান।

এরও আগে গতকাল কোটা সংস্কার আন্দোলনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশের সব কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া চলমান এইচএসসি ও সমমানের বৃহস্পতিবারের (১৮ জুলাই) সব পরীক্ষা স্থগিত করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




‘ফ্লাগ গার্ল’ প্রিয়তার সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

মিস কালচার ওয়ার্ল্ডওয়াইড জয়ী বাংলাদেশের ফ্ল্যাগ গার্ল প্রিয়তা ইফতেখার অস্ট্রেলিয়ার খ্যাতনামা ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনি (ইউটিএস) থেকে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। মাস্টার অব স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশনে (এক্সটেনশন) পড়েছেন তিনি। যোগাযোগের ক্ষেত্রে যারা ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে চান তাদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এটি। ডিজিটাল যুগে গবেষণা, মূল্যায়ন এবং নৈতিক তথ্য বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে উন্নত পাবলিক কমিউনিকেশন অনুশীলন করানো হয় এতে। এ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে অধ্যয়নের পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজ করার অনুমতি রয়েছে।

প্রিয়তা ইফতেখার বলেন, এ নিয়ে দ্বিতীয়বার মাস্টার্স করলাম। স্নাতকোত্তর একাডেমিক এক্সিলেন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কলারশিপ পেয়ে ২০২২ সালের আগস্টে স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশনে মাস্টার্স শুরু করি। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অর্থায়ন করেছে ইউটিএস কর্তৃপক্ষ। পরিবারে আমিই প্রথম কোনও বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্নাতকোত্তর বিদেশি ডিগ্রি অর্জন করেছি।

প্রিয়তার পরিবার থাকেন অস্ট্রেলিয়ায়। ইউটিএস-এ অধ্যয়নের সুবাদে অস্ট্রেলিয়ায় আসতে ও পরিবারের কাছাকাছি থাকতে পেরেছেন তিনি। তার কথায়, আমার বাবা-মা উভয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে স্নাতক করেন। তবে তারা সমাবর্তন মিস করেছেন। তাই মা কোনও স্নাতকের ছবি দেখলেই ভাবতেন, আমাকে সমাবর্তনের গাউন পরা দেখে যেতে পারবেন কিনা।

প্রিয়তার মা জীবদ্দশায় মেয়ের সেই অর্জন দেখে যেতে পারেননি। তার বাবা-মা দুই জনই মারা গেছেন। তাদের স্মৃতি বহনের পরিকল্পনা থেকে ইউটিএস-এর সমাবর্তনে বিশেষ একটি শাড়ি পরে প্রিয়তা। ২০০৫ সালে তার মাকে তার বাবা এটি উপহার দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, এই শাড়িতে কালো, সাদা, সবুজ ও লাল প্যাটার্ন রয়েছে, যা যুদ্ধ ও গণহত্যার বার্তা তুলে ধরে। এর রঙ বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিন উভয় দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। গণহত্যার প্রতিবাদ এবং শান্তির আহ্বানে বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের সঙ্গে একাত্ম হতে এই শাড়ি পরেন তিনি। এতে একইসঙ্গে ১৯৭১ ও ২০২৪ দুটি ভিন্ন সময়ের গল্প ফুটে উঠেছে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনি শহরে অবস্থিত ইউটিএস দেশটির সরকারের অর্থায়নে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনি মূলত ব্যবহারিক ও শিল্প-সংযুক্ত শিক্ষার ওপর কাজ করে। কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিংস ২০২৪ অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় নবম এবং বিশ্বে ৮৮তম স্থানে রয়েছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশের নারী সাংবাদিকতার অগ্রদূত নূরজাহান বেগমের নাতনি প্রিয়তা ইফতেখার। তার নানা কচিকাঁচার মেলার প্রতিষ্ঠাতা রোকনুজ্জামান খান (দাদাভাই)। ২০০৮ সালে দ্য ফ্ল্যাগ গার্ল নামের একটি নেটওয়ার্ক গড়েন তিনি। এর মাধ্যমে ভ্রমণ বিষয়ে নারীদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের ভ্রমণপিপাসুরা এই নেটওয়ার্কের সদস্য।

শ্রীলঙ্কায় প্রথম বিদেশ ভ্রমণে গিয়েছিলেন প্রিয়তা। ইতোমধ্যে বিশ্বের ২০০রও বেশি শহরে বেড়ানো হয়েছে তার। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। তার ঝুলিতে রয়েছে জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিত মিস কালচার ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রতিযোগিতায় মুকুট জয়, মালয়েশিয়ায় মিস ট্যুরিজম ওয়ার্ল্ড, মিস ল্যান্ডস্কেপস ইন্টারন্যাশনাল ও মিস মাল্টিন্যাশনাল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার অভিজ্ঞতা।


আরও খবর