আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ওজোপাডিকোতে বিশাল নিয়োগ, পদ সংখ্যা ১০০

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ অক্টোবর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জনবল নিয়োগের জন্যি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো)। সুইচ বোর্ড অ্যাটেনডেন্ট (এসবিএ) শিক্ষানবিশ পদে জনবল নেবে প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো)

পদের নাম: সুইচ বোর্ড অ্যাটেনডেন্ট (এসবিএ) শিক্ষানবিশ

পদের সংখ্যা: ১০০টি

বেতন: ২৩,০০০ টাকা (মাসিক)

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাস হতে হবে।

চাকরির ধরন: শিক্ষানবিশ

প্রার্থীর ধরন: শুধু পুরুষ

বয়সসীমা: ১৮-৩০ বছর। তবে মুক্তিযোদ্ধা বা শহিদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদন ফি:  ৫০০ টাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের অনুকূলে জমা দিতে হবে।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা এই https://wzpdcl.gov.bd/ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

আবেদনের সময়সীমা: আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩১ অক্টোবর, ২০২৩ ইং তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।


আরও খবর



আমলাদের একটি অংশ দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে উঠেছেন : মোমেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দুর্নীতিকে সরকারের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার প্রধান প্রতিবন্ধকতা বলে মনে করেন সংসদ সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের গতিপ্রকৃতি গত ১৬ বছর ধরে যেভাবে ধরে রেখেছেন তা বিশ্বের বিস্ময়। বর্তমানে তার এ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার প্রধান প্রতিবন্ধক হচ্ছে দুর্নীতি। এই দুর্নীতির কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এই দুর্নীতির কারণে প্রকল্পগুলো যথা সময়ে শেষ হয় না। ফলে খরচ বাড়ে, জনগণের হয়রানি বাড়ে। আমলাদের একটি অংশ দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে উঠেছেন এবং তাতে জনগণের হয়রানি বাড়ছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এ কে মোমেন বলেন, এই অল্প সংখ্যক দুর্নীতিপরায়ণ আমলাদের জন্য সারা আমলাতন্ত্র বদনামের ভাগীদার হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। এই বাজেটে দুর্নীতি ও বিদেশে টাকা পাচার বন্ধের নির্দেশনা ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ জনগণের আস্থা অর্জনে সহায়ক হবে। সরকারি কর্মচারীদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বার্ষিক হিসাব বাধ্যতামূলক করা এখন সময়ের দাবি। কিছু সংখ্যক দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার কারণে দেশের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। এসব ব্যাপারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করলে দুর্নীতি কমবে।

সাবেক এ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে, মাঠে ময়দানে সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক। সাধারণ নাগরিক এখন অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে। তাই তারা সবাই জাতির আস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকে তাকিয়ে আছেন।

আব্দুল মোমেন বলেন, সাধারণ নাগরিকের মধ্যে বড় প্রশ্ন রয়েছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে। অধিকতর কর্মসংস্থান, রাজস্ব বৃদ্ধি ও রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি ও প্রশাসনের হয়রানি নিয়ে জনগণের নানা প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে যথেষ্ট কর্মসংস্থান না থাকায় প্রতিবছর হাজার হাজার কর্মক্ষম লোক বৈধ ও অবৈধ পথে বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে। কর্মসংস্থান বা উদ্যোক্তা সৃষ্টি সাধারণত প্রাইভেট সেক্টর করে থাকে। সেজন্য তাদের যথেষ্ট ব্যাংক ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত। এবারের বাজেটে ঘাটতি মেটানোর জন্য ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নিচ্ছে। এর অর্থ হচ্ছে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা ঋণ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।

মোমেন বলেন, ইতোমধ্যে অনেক ব্যাংকের বেহাল অবস্থা। বাজেটে এর প্রতিকারের কথা থাকলে জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হতো। বরং কালো টাকাকে শতকরা ১৫ % কর দিয়ে সাদা করার ঘোষণায় যারা সৎ করদাতা তারা হতাশ হয়েছেন। কালো টাকা সাদা করার সুযোগের পরিমার্জন প্রয়োজন বোধ করি।

তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সোনার বাংলা অর্জনে, সাদাকে সাদা, কালকে কালো না বললে শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি অবিচার করা হয়। অর্থমন্ত্রী বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে যা যা করা প্রয়োজন তা করবেন বলে বিশ্বাস করি।


আরও খবর



গ্রাম্য মাতব্বরদের চাপে দুই শিশুকে বস্তায় ভরে ভাসিয়ে দেওয়া হলো নদীতে

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

কথায় বলে, মানব ধর্মই মহাধর্ম। কিন্তু এ যেন অমানবিকতার শেষ পর্যায়। শেষকৃত্যের জন্য একটু মাটি জুটলো না পানিতে ডুবে মারা যাওয়া দুই শিশুর জন্য। গ্রাম্য মাতব্বরদের বাধায় শ্মশ্মানে সমাধি দিতে না পেরে বস্তায় ভরে ভাসিয়ে দেওয়া হলো নদীতে।

এমন অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামে।

গেল শনিবার ফুটবল খেলা শেষে পুকুরে গোসল করতে নেমে মারা যায় ওই গ্রামের দুই শিশু প্রলয় দাস (৭) ও সুর্য দাস (৬)। সনাতন ধর্মের রীতি অনুযায়ী মরদেহ দাহ করা হয়। তবে শিশুদের বেলায় তা দাহ না করে সমাধি দেওয়ার রীতি রয়েছে।

রবিবার (৩০ জুন) দুপুরে শিশু প্রলয় দাসের মরদেহ শ্মশ্মানে সমাধি দেয় তার পরিবার। বিষয়টি গ্রামের মাতব্বররা জানার পর শিশুটির বাবা গোবিন্দ দাসকে ডেকে এনে শ্মশ্মানে মরদেহ না রাখার নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে সমাধি দেওয়া মরদেহ তুলে পানিতে ফেলে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সন্তানের মরদেহ শ্মশ্মানে রাখতে বাবার শত অনুরোধ আর পায়ে ধরে কান্নাও মন গলাতে পারেনি মাতব্বরদের। এক পর্যায়ে গ্রাম্য মাতব্বরদের চাপের মুখে সন্তানের মরদেহ সমাধি থেকে তুলতে বাধ্য হন হতভাগা বাবা। পরে বস্তাবন্দি করে ফেলে দেওয়া হয় কালনী নদীতে।

প্রলয়ের এমন পরিণতি দেখে অপর শিশু সূর্য দাসের পরিবারও তার মরদেহ বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দেয়।

শিশু প্রলয় দাসের বাবা গোবিন্দ দাস বলেন, বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে আমি আমার ছেলেকে পাহাড়পুর মহাশশ্মানের দেয়াল সংলগ্ন মাটিতে সমাধি দিই। কিন্তু গ্রাম পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিপেশ দাস ও কোষাধ্যক্ষ অসিত সরকারসহ পঞ্চায়েতের লোকেরা আমাকে ডেকে লাশ তুলে নদীতে ভাসিয়ে দিতে বলেন৷ আমি লাশ না তোলার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষসহ উপস্থিত সবার হাতে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করলেও তারা আমার কথা শুনেননি। অবশেষে পঞ্চায়েত কমিটির চাপে বাধ্য হয়ে সন্ধ্যায় আমি ছেলের লাশ তুলে নদীতে ভাসিয়ে দেই।

অপর শিশুর বাবা রুবেল দাস বলেন, শশ্মানে গোবিন্দ দাসের ছেলের লাশ সমাধিতে বাঁধার বিষয়টি জানার পর বাধ্য হয়ে আমার ছেলে সূর্যের লাশ বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দিয়েছি।

গ্রাম পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিপেশ সরকার বলেন, এটি আমার একার সিদ্ধান্ত না। গ্রাম কমিটির সবার সিদ্ধান্ত ছিল।

পঞ্চায়েতের কোষাধ্যক্ষ অসিত সরকার বলেন, গ্রামের কমিটির সিদ্ধান্ত হলো শশ্মানের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার জন্য পাশে কোনো সমাধি করা যাবে না। এই সিদ্ধান্ত এলাকার সবার জন্য সমান।

বদলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুসেনজিৎ চৌধুরীর বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। ঘটনাটি অমানবিক৷ শ্মশ্মানতো মানুষের সৎকারের জন্যই। এখানে সমাধিত করা হলে শ্মশ্মানের পরিচ্ছন্নতার বিষয় কেন আসবে?

আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ডালিম আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখছি। অভিযোগ পেলে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আনুষঙ্গিক সব কাজ শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন। ফলে এর আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘোষণা করতে অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (৫ জুলাই) দুপুর ৩টা ৫৩ মিনিটে সেতু বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠানস্থলের মঞ্চে উঠেন তিনি। সে উপলক্ষে একটি সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সেতু বিভাগ। সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পদ্মা সেতুর উত্তর থানা সংলগ্ন মাঠে এই সমাপনী অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই একই মাঠে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ও রেল সংযোগ প্রকল্পের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এর আগে বিকেল ৩টা থেকে আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থলে আসতে শুরু করেন।

জানা গেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি উপলক্ষে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ। বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথি ছাড়াও থাকবেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা আর সর্বাত্মক প্রস্তুতি থাকার কথা জানিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ৫ জুলাই বিকেলে পদ্মা সেতু প্রকল্পের মাওয়া এলাকায় আসার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। মূলত পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজের মেয়াদ সমাপ্তি উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী আসবেন। বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিসহ যারা এই সেতুর কাজে বিভিন্ন সময় অংশ নিয়েছেন, তাদের নিয়ে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সংশ্লিষ্টদের কথা শোনার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন ও সব দপ্তরের অংশগ্রহণে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়ায় প্রথম পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। এরপর নানা প্রতিবন্ধকতায় আর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা শেষে যাত্রা শুরু হয় দেশের আলোচিত প্রকল্পটির মূল কাজ। যার সবশেষ মোট বরাদ্দ ছিল ৩২ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা।


আরও খবর



জামিন পেলেন পরীমনি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদকে হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় নায়িকা পরীমণির জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন।

শুনানি শেষে এক হাজার চাকা মুচলেকায় বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

২০২২ সালের ৬ জুলাই একই আদালতে সাভার বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমণিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন- পরীমণির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।

গত ১৮ মার্চ আসামি পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে বাদীকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন। তবে আরেক আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলা হয়েছে।


আরও খবর



গ্যাস সংকটে বন্ধ ফেঞ্চুগঞ্জ শাহজালাল সার কারখানা

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

শুধুমাত্র গ্যাস সংকটের কারণে এ বছরের ১৩ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড। ফলে কারখানাটি ৫২৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে যেতে পারে এমন আশংকা রয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষের। অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি এসএফসিএল সার উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হলেও গ্যাস সংকট দেখিয়ে কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে।

গ্যাস সংকটের অজুহাতে ৪ মাস যাবৎ শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (এসএফসিএল) বন্ধের যে কোন ষড়যন্ত্র রুখতে মানববন্ধন কর্মসূচিসহ তীব্র আন্দোলন ডাক আসতে পারে, এমনটাই জানালেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, সিলেটের কৈলাসটিলায় নতুন সন্ধান পাওয়া ৮ নং গ্যাসকুপ থেকে দৈনিক ২১ মিলিয়ন গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে। অথচ গ্যাস সংকট দেখিয়ে দেশের ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের কারণে বৃহৎ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন দেশের কৃষকরা। এসএফসিএল এ শ্রমিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছেন ৬৬১ জন। এছাড়া দৈনিক হাজিরা শ্রমিক রয়েছেন ৪২৫ জন। কারখানা বন্ধের ফলে কারখানার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষেভাবে জড়িত শ্রমিক কর্মচারী, কর্মকর্তাসহ স্থানীয় লক্ষাধিক মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় বিসিআইসির মাতৃশিল্প প্রতিষ্ঠান ন্যাচারেল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেডর পাশেই অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয় শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (এসএফসিএল)। ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ২৪ জুন ভিত্তিপ্রস্থর করা হয় এসএফসিএলর। ৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সারকারখানাটি বাণিজ্যিকভাবে সার উৎপাদনে যায় ২০১৬ সালের ৬ মার্চ। শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের নিরলস পরিশ্রমে প্রায় প্রতি বছর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম ছিল এসএফসিএল।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে এসএফসিএলর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ছিল ৩ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিকটন। ১২ মার্চ অর্থাৎ কারখানা বন্ধের আগের দিন পর্যন্ত কারখানায় উৎপাদিত সারের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮১২ মেট্রিকটন। এক হিসেবে দেখা যায় ১৩ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ১১৯ দিনে বিসিআইসি অর্থাৎ সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৫২৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এই কারখানাটি সচল রাখতে দৈনিক ৪২ এমএমসিএফ (মিলিয়ন কিউবিক ফুট) গ্যাসের প্রয়োজন।

বর্তমানে ইউরিয়া সারের টন প্রতি আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য ৯০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা। যেখানে কারখানায় উৎপাদিত সারের মূল্য মাত্র ২৫ হাজার টাকা। উৎপাদন শুরু থেকে বন্ধ হওয়া পর্যন্ত গেল ৮ বছরে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে এসএফসিএল এর অবদান ৫৫৫ কোটি টাকা।

এদিকে গ্যাস সংকট দেখিয়ে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (এসএফসিএল) বন্ধ থাকায় উদ্বেগ ও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাকুল ইসলাম সাব্বির। তিনি এ নিয়ে তার অফিসকক্ষে ফেঞ্চুগঞ্জ প্রেসক্লাব ও কারখানার সিবিএ'র নেতৃবৃন্দদের নিয়ে মতবিনিময় করেছেন।

সভায় অনতিবিলম্বে গ্যাস সরবরাহ চালু করে এসএফসিএল এর উৎপাদন চলমান রাখার আহবান জানানো হয়। অন্যতায় গ্যাস সরবরাহ নিয়মিত রাখার দাবিতে শ্রমিক-জনতার আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান উপস্থিত নেতৃবৃন্দ। এ সময় সিলেট তথা ফেঞ্চুগঞ্জের স্বার্থে যে কোন কঠোর আন্দোলনে সোচ্চার থাকার ঘোষণা দেন নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাকুল ইসলাম সাব্বির।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ফেঞ্চুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদদীন ইসকা, সহসভাপতি মামুনুর রশীদ, সহ সম্পাদক মো. দেলওয়ার হোসেন পাপ্পু, অর্থ সম্পাদক বদরুল আমিন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রুমেল আহসান, সদস্য আরকেদাস চয়ন, এসএচৌধুরী জুলহান ও জুলহাস আহমেদ। শাহজালাল সারকারখানা সিবিএ নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি রাজু আহমদ মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মোললা মেহেদী হাসান সিদ্দিকী, যুগ্ম সম্পাদক লিয়াকত হাসান প্রমুখ।

এ ব্যাপারে এসএফসিএলর ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোপাল চন্দ্র ঘোষ জানান, গ্যাস সরবরাহের কারণে এ বছরের ১৩ মার্চ থেকে কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কারখানার সকল যন্ত্রপাতি সচল অবস্থায় কারখানা বন্ধ করা হয়েছে, তবে এভাবে বন্ধ থাকলে কারখানার বিভিন্ন কেমিক্যাল, ক্যাটালিষ্ট ও সয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি/যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ চালু হলেই উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব বলে জানালেন তিনি।


আরও খবর