আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

‘অপশক্তি দমনে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই’

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ২২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় এবং অপশক্তি দমনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নেইবলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বৌদ্ধদের সবচেয়ে বড় উৎসব বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে আজ শনিবার সকালে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ বৌদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিষদ আয়োজিত জাতীয় সম্মিলিত শান্তি শোভাযাত্রা ও সম্প্রীতি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। মহামতি গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ ও মহাপ্রয়াণের স্মৃতিবিজড়িত বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান অতিথিরা।

ড. হাছান এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শুধু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন-অগ্রগতিরই প্রতীক নন, একই সঙ্গে তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনারও মূর্ত প্রতীক। তিনি কদিন আগে বক্তৃতায় বলেছেনসংস্কৃতিকে ধর্মের সঙ্গে মেলানো উচিত নয়।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ আরও বলেন, পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সব ধর্মের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ রাষ্ট্র রচিত হয়েছে। কিন্তু, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর রাষ্ট্রকে সাম্প্রদায়িক করার অপচেষ্টা করা হয়। ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আবার সেই অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ফিরিয়ে এনেছেন।

প্রতিটি ধর্মের উৎসব আজ দেশে সবার উৎসবে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ঈদ, দুর্গাপূজা, বুদ্ধপূর্ণিমা, বড়দিন, প্রবারণা পূর্ণিমাসহ ধর্মীয় উৎসবগুলো এ দেশে সর্বজনীন আনন্দের। যে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এ সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে মাঝেমধ্যে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চায়, তাদের দমনে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।

সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এবং যারা তাদের নিয়ে রাজনীতি করে, তারা বিভিন্ন সময়ে সাম্প্রদায়িক হানাহানি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালায় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, রামু, কুমিল্লা, নাসিরাবাদসহ বিভিন্ন জায়গার ঘটনা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারাই এগুলো ঘটিয়েছে এবং তাদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকেরা এর পেছনে ছিল। এদের দমন করতে বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ সমাবেশ শেষে সব ধর্মের মানুষের শান্তি শোভাযাত্রাটি শাহবাগ-সংলগ্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে।


আরও খবর



‘বঙ্গবন্ধু ব্রি-১০০’ ধান চাষে ঝুঁকছেন কচুয়ার কৃষক

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের নতুন আবিষ্কার বঙ্গবন্ধু ব্রি-১০০’ ধান এখন শোভা পাচ্ছে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বোরো ক্ষেতগুলোতে। কেউ ব্যক্তিগত আবার কেউ বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যে এ ধানের আবাদ করেছেন। ভালো ফলনের আশায় এ ধানের আবাদ নিয়ে রঙিন স্বপ্ন চাষিদের চোখে। 

কৃষিবিভাগ ও বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বলছে, এতে রোগবালাই ও পোকামাকড় আক্রমণের পরিমাণ কম হওয়ায় অনেক কৃষকই ঝুঁকবেন এই ধান আবাদে।

কচুয়া উপজেলায় ২০২১-২০২২ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের অর্থায়নে প্রদর্শনী বাস্তবায়নে পরীক্ষামূলক চাষাবাদ করার লক্ষ্যে হাশিমপুর গ্রামে কৃষক আব্দুস সালাম প্রায় ৩৩ শতক জমিতে এই ধান আবাদ করেছেন। ফলন ভালো হওয়ায় সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি অফিস। ওই ৩৩ শতক জমিতে বঙ্গবন্ধু ব্রি-১০০’ জাতের ধানের প্রদর্শনী প্লট করেছে উপজেলা কৃষিবিভাগ।

কৃষক মো. আব্দুস সালাম বলেন, এই ব্লকে কৃষিবিভাগ সার, বীজ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করছে। রোগবালাই ও পোকামাকড় আক্রমণের পরিমাণ কম হওয়ায় বঙ্গবন্ধু ব্রি-১০০ ধান আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন অনেক কৃষক।  বঙ্গবন্ধু জাতের ধানের ফলন বিঘায় ৩০ থেকে ৩৪ মণ। এবার বীজ ও সার পেয়েছি। আশা আছে সামনের বার এ ধান চাষ আরও বেশি করে আবাদ করব।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, বঙ্গবন্ধু ১০০ ধানের জীবনকাল ১৪৮ দিন, যা ব্রি ধান-৭৪’র প্রায় সমান। গড় ফলন ৭ দশমিক ৭ টন প্রতি হেক্টর। উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে অনুকূল পরিবেশে হেক্টর প্রতি ৮ দশমিক ৮ টন পর্যন্ত ফলন হয়ে থাকে। এ বছর কচুয়াতে পরীক্ষামূলক হাশিমপুর ব্লকে প্রায় ৩৩ শতাংশ জমিতে বঙ্গবন্ধু ধান ১০০-এর চাষাবাদ করা হয়েছে।

উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মো. সোফাফেল হোসেন বলেন, জিংক সমৃদ্ধ এই ধান মানবদেহে জিংকের অভাব পূরণে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়। চাল মাঝারি চিকন ও সাদা। জিংকের পরিমাণ প্রতি কেজিতে ২৫ দশমিক ৭ মিলিগ্রাম। চালে অ্যামাইলোজ ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ এবং প্রোটিন ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। অনেক চাষিরা তার কাছ থেকে আগামী বছর থেকেই বীজ সংগ্রহ করতে পারবেন। অনেক চাষি এরই মধ্যে বীজ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


আরও খবর
যেসব কারণে ভেড়া পালন লাভজনক

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




ভর্তি পরীক্ষায় ইউনিট কমাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ১০ ইউনিটের পরিবর্তে পাঁচ ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সভায় পাঁচটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডেপুটি রেজিস্ট্রার আরও বলেন, গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদ এবং ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইটি) মিলে ইউনিট; সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ও আইন অনুষদ মিলে বি ইউনিট; কলা ও মানবিকী অনুষদ, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, চারুকলা বিভাগ এবং বঙ্গবন্ধু ও তুলনামূলক সাহিত্য সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট মিলে সি ইউনিট; জীববিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ডি ইউনিট এবং ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ ও ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) মিলে ইউনিটের অধীনে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



নুহাশের ‘পেটকাটা ষ’-এর শেষ পর্ব আসছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কক্সবাজারে এনজিওতে কর্মরত তরুণের কানে ভেসে আসে অদ্ভুত কাহিনি। কোনো এক অজানা ডাক ছোট ছোট শিশুদের ডেকে নিয়ে যায় জলের কিনারে। টেনে নিয়ে যায় সমুদ্রের অতলে। তারপর তাদের আর খোঁজ মেলে না। সে কি পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর হয়ে চলবে, নাকি পরিবর্তন নিজের হাতে তুলে নিয়ে অলৌকিকের মুখোমুখি হবে?

সাইকোলজিক্যাল হরর ঘরানার ৪টি ভিন্ন গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে অ্যান্থোলজি সিরিজ পেটকাটা ষ। মুখে মুখে প্রচলিত বিভিন্ন কুসংস্কার, লোককথার প্রেক্ষাপটে বর্তমান আবহে তৈরি এই অ্যান্ড্রোলজি সিরিজ। পেটকাটা ষ সিরিজের চতুর্থ ও শেষ পর্ব নিশির ডাক মুক্তি পাবে আগামী ২৮ এপ্রিল রাত ১০টা ৫৯মিনিটে দেশি ওটিটি প্লাটফর্ম চরকিতে। এরই মধ্যে পেটকাটা ষ-এর মুক্তি পাওয়া তিনটি পর্ব এই Building এ মেয়ে নিষেধ, মিষ্টি কিছুলোকে বলো দর্শক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সিরিজের নাম কেন দিয়েছেন এমন প্রশ্নে নুহাশ হুমায়ূন বলেন, ষ-কে আমরা সবাই ছোটবেলা থেকে পেটকাটা বলি। কেউ বাংলা ভাষা শিখলেই এই অক্ষরটাকে পেটকাটা বলে ও চিনে। কিন্তু কেন? কোনো বাংলা বই বা কোথাও কিন্তু পেটকাটা লেখা নেই। খুব ভৌতিক একটা অদ্ভুত নাম। কিন্তু কেমন করে যেনো লোককথার মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জিনিসটা খুব পরিচিত হয়ে গেছে।

আমার কাছে মনে হয়েছিল এই ভূতের গল্পগুলোও একই রকম। কোথাও লেখা নেই। পুরাটা লোককথা। কিন্তু মুখে মুখে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে গেছে। সো ফাইনালি, পেটকাটা ষ-কে পেটকাটা ষ বলতে চাই, লিখতে চাই। আর ভূতের গল্পগুলোকে আমার মতো করে আধুনিকভাবে একত্রিত করতে চাই।

নিশির ডাক এই পর্বে দেখা যাবে প্রীতম হাসান, মাসুদা খান, নভেরা রহমান, নাবিল নাসের, আবির হোসেন ও মুর্তজা জুবায়েরকে।


আরও খবর



কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ বক্তৃতা ইবি শিক্ষকের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুই বাংলার মেলবন্ধন ঘটল কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগে লোকসংস্কৃতি বিষয়ক বিশেষ বক্তৃতা অনু্ষ্ঠানে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর দুটায় "লোকসংস্কৃতি বিদ্যাচর্চার সাম্প্রতিক প্রবণতা" প্রসঙ্গে বিশেষ বক্তৃতা করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মাধ্যমে লোকসংস্কৃতির ভার্চুয়াল অস্তিত্বের নানা দিক উঠে আসে তার বক্তৃতায়। আলোচনায় উঠে আসে লোকসংস্কৃতি প্রচার ও প্রসারে প্রযুক্তিগত নির্ভরতার নানা টেকসই ও সময়োপযোগী আঙ্গিক।

এই বক্তৃতার পূর্বে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মানসকুমার সান্যালের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও অনু্ষ্ঠানের বক্তা ড. মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকসংস্কৃতি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সুজয়কুমার মন্ডল উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আশা প্রকাশ করেন উপাচার্য।

কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আগ্রহের বিষয়টি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে যথাযথভাবে অবহিত করা হবে বলে জানান ড. মোস্তাফিজ। আগামী দিনে এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নানান কর্মসূচি নিয়ে জ্ঞান বিনিময় হলে শিক্ষা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড মানুষে মানুষে যোগাযোগ আরও বাড়বে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা।

কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকসংস্কৃতি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সুজয়কুমার মন্ডল বলেন, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক ড. মোস্তাফিজের বক্তব্য সব সময়ই অত্যন্ত মনোজ্ঞ ও শিক্ষনীয়। আমাদের শিক্ষক, গবেষকরা তার বিশেষ বক্তব্যে উপকৃত ও অনুপ্রাণিত হয়েছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগ ও  আমাদের লোকসংস্কৃতি বিভাগের মধ্যে যৌথভাবে আন্ত:বিদ্যাশৃঙ্খলা নির্ভর গবেষণার কাজ করতে চাই। এর ফলে দুটি বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকরা ভীষণভাবে উপকৃত হবেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অত্যাধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির যুগে ফোকলোর চর্চা এবং উৎকর্ষের জন্য আমাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। ফোকলোর পঠন ও পাঠনের সঙ্গে আমরা যারা জড়িত আছি, তাদেরকে প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষম হওয়া জরুরি।

তিনি বলেন, "আমরা জানি, ফোকলোর মানুষের জীবনের অর্থপূর্ণ প্রকাশ ঘটায়। জীবনকে কৃষ্টিগতভাবে অর্থপূর্ণ করার তাগিদে সকলেরই ফোকলোরের জ্ঞান আহরণ করা আবশ্যক।"

তবে বিশ্বশান্তির প্রয়াসে বৈশ্বিক ফোকলোর চর্চায় তাগিদও আমাদের অনুভব করা জরুরি, বলেন তিনি।

লোকসংস্কৃতি বিষয়ক এই বক্তৃতায় অংশগ্রহণ করেণ কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, উচ্চতর গবেষক ও শিক্ষকেরা। অনু্ষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের অধ্যাপিকা ড. দেবলিনা দেবনাথ।


আরও খবর



ময়মনসিংহে দেবরের দায়ের কোপে ভাবির মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে দেবরের দায়ের কোপে জাহানারা বেগম (৪৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ সময় স্ত্রীকে উদ্ধার করতে গেলে মো. ইদ্রিছ আলীকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বাহেলা গ্রামের মৃত লাল হোসেন খাঁর পুত্র ইদ্রিস আলীর সঙ্গে সহোদর ভাই সিদ্দিকুর রহমান ও হাবিবুর রহমানের জমাজমি ভাগবন্টন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সোমবার ইদ্রিস আলী পৈত্রিক জমিতে থাকা বাশঁ কাটতে গেলে তার বড় ভাই সিদ্দিকুর রহমান বাধা দেয়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয় এবং ইদ্রিছ আলীকে হত্যার হুমকি দেয়।

মঙ্গলবার (১৭ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় ইদ্রিছ আলী স্থানীয় বাজার থেকে বাজার নিয়ে বাড়িতে ফিরে। এসময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সহোদর ভাই সিদ্দিকুর রহমান ও হাবিবুর রহমানসহ ৮/১০ জন ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ইদ্রিছ মিয়াকে (৫০) তার ঘরে ঢুকে জখম করে। জাহানারা বেগম স্বামীকে উদ্ধার করতে গেলে তাকেও কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে রাখে।

নিহতের মেয়ে ঝর্ণা আক্তার (২২) ও তামান্না আক্তার (১৪) জানায়, গুরুতর আহত অবস্থায় জাহানারা বেগম ও ইদ্রিছ আলীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মাকে মৃত ঘোষণা করে।

তারাকান্দা থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, খুনের আলামত জব্দসহ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আসামি গ্রেফতার ও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

নিউজ ট্যাগ: ময়মনসিংহ

আরও খবর