আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

অস্থায়ী তিনটি পশুর হাটের ইজারা দিলো চসিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | ১২৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
২ কোটি ২০ হাজার ৩৭৭ টাকায় কর্ণফুলী বাজার, ২৪ লাখ ৩ হাজার টাকায় সল্টগোলা বাজার ও ২৪ লাখ টাকায় বাটারফ্লাই বাজার ইজারা দেওয়া হয়েছে

ট্টগ্রাম শহরে কোরবানিকে সামনে রেখে ৩টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর অনুমতি দিয়েছে চসিক। গত বুধবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে অস্থায়ী পশুর হাটগুলোর ইজারা দেওয়া হয়।

এর মধ্যে নুর নগর হাউজিংয়ের কর্ণফুলী গরুর বাজারের ইজারা পেয়েছেন ব্যবসায়ী সাইফুল আলম, সল্টগোলা রেলক্রুসিং সংলগ্ন মাঠের গরুর বাজারের ইজারা পেয়েছেন আবু সালেহ জুয়েল এবং কাঠগড়ে বাটারফ্লাই পার্ক সংলগ্ন মাঠের গরুর বাজারের ইজারা পেয়েছেন ওয়াহিদুল আলম চৌধুরী। ২ কোটি ২০ হাজার ৩৭৭ টাকায় কর্ণফুলী বাজার, ২৪ লাখ ৩ হাজার টাকায় সল্টগোলা বাজার ও ২৪ লাখ টাকায় বাটারফ্লাই বাজার ইজারা দেওয়া হয়েছে।

চসিকের স্টেট অফিসার জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ১২ জুলাই থেকে নগরীতে পশুর হাট বসানোর অনুমতি রয়েছে। কঠোর লকডাউনের কারণে ওই দিন থেকেই হাট বসানো যাবে কি না সে বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা এখনো আসেনি। সরকার যেভাবে নির্দেশনা দেবে, সেভাবেই আমরা কাজ করবো।

এ তিনটির সঙ্গে চসিকের স্থায়ী পশুর বাজার বিবিরহাট গরুর বাজার, সাগরিকা গরুর বাজার এবং পোস্তার পাড় ছাগলের বাজারে পশু কেনাবেচা চলছে।


আরও খবর



পরিবহন চলাচলে যেসব শর্ত মানতে হবে

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | ১৫১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
যাত্রার শুরু ও শেষে বাস-মিনিবাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে। জীবাণুনাশক ছিটিয়ে এসব যান জীবাণুমুক্ত করতে হবে। এ ছাড়া যাত্রীদের হাতব্যাগ ও মালপত্র জীবাণুনাশক ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে

আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে কঠোর লকডাউন শিথিল করে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সরকার। পরিবহন চলাচলের অনুমতি দিলেও করোনা সংক্রমণ কমাতে বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। একইসঙ্গে ঈদ পরবর্তী ১৪ দিন গণপরিবহণসহ সব ধরনের যানবাহন বন্ধেরও নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (১৪ জুলাই) বিআরটিএ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই ভোর ৬টা পর্যন্ত পাঁচটি শর্তে সব ধরনের যানবাহন চলতে পারবে।

শর্তগুলো হল-

১. বাস/ মিনিবাসে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চলতে হবে। পাশাপাশি আসনে বসা যাবে না। গণপরিবহণে আসন বিন্যাস করতে হবে আড়াআড়িভাবে। অর্থাৎ, কোনো আসনে জানালার পাশে যাত্রী বসলে পেছনের আসনের যাত্রীকে করিডরের পাশের আসনে বসতে হবে।

২. অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চলার কারণে যে আর্থিক ক্ষতি হবে, তা পুষিয়ে নিতে বিদ্যমান ভাড়ার অতিরিক্ত ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া দিতে হবে যাত্রীদের।

৩. গণপরিবহণের যাত্রী, চালক, সুপারভাইজার/কন্ডাক্টর, চালকের সহকারী ও টিকিট বিক্রির দায়িত্বে নিয়োজিতদের মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক। তাদের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৪. যাত্রার শুরু ও শেষে বাস-মিনিবাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে। জীবাণুনাশক ছিটিয়ে এসব যান জীবাণুমুক্ত করতে হবে। এ ছাড়া যাত্রীদের হাতব্যাগ ও মালপত্র জীবাণুনাশক ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

৫. গণপরিবহণে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করতে হবে। শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

এর বাইরে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া অন্যান্য শর্তও সবাইকে পালন করতে বলা হয়েছে বিআরটিএ'র বিজ্ঞপ্তিতে। এ ছাড়া এই পাঁচ শর্ত মেনে রাইডশেয়ারিং সেবার যানবাহনও চলতে পারবে।


আরও খবর



রাঙ্গাবালীতে আ.লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সভাপতি দেলোয়ার ও সম্পাদক মামুন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | ২৭৭জন দেখেছেন
Image

রাঙ্গাবালী প্রতিনিধি:

পটুয়াখালী জেলার রাংগাবালী উপজেলায় আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে । সূত্রমতে, জানতে পারলাম সম্মেলনের দেড় বছর পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৭১ সদস্য বিশিষ্ট আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়েছে। এ কমিটি বুধবার রাতে প্রকাশ করা হয়। ২০১৯ সালের ২৯ নভেম্বর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন হয়। এতে সভাপতি হিসেবে দেলোয়ার হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সাইদুজ্জামান খানের নাম ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে ৩৬ জনকে পদধারী এবং পটুয়াখালী- ৪ আসনের সংসদ মহিববুর রহমানকে এক নম্বর সদস্য করে ৩৫ জনকে কার্যনির্বাহী সদস্য করা হয়। কমিটিতে পদধারীরা হলেন, সহ-সভাপতি একে সামসুদ্দিন আবু মিয়া, এনামুল ইসলাম লিটু, হাজী আব্দুল মান্নান, ওমর ফারুক, আবুল হোসেন মাস্টার, বেনজির আহমেদ বাচ্চু, হুমায়ূন তালুকদার, মাহবুবুর রহমান হাওলাদার ও গাজী আব্দুর রফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুর আলম ফকু, আব্দুল মালেক মিয়া ও জাফর আহম্মেদ হাওলাদার, সাংগঠনিক আনিচুর রহমান মিলন হাওলাদার, মোশাররফ ও ফরাদ হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক গাজী মোস্তাফিজুর রহমান, কৃষি বিষয়ক জহিরুল ইসলাম দুলাল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কামরুল হাসান রুবেল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক বাবুল আজাদ, দপ্তর সালাউদ্দিন আহমেদ, ধর্ম বিষয়ক রফিকুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা আবুল বশার তোতা, বনও পরিবেশ বিষয়ক মফিদুল হক বাবুল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক জাকারিয়া জাবের,মহিলা বিষয়ক ফেরদৌসী পারভীন, মুক্তি যোদ্ধা বিষয়ক শুকুর হাওলাদার, যুব ক্রীড়া সাহেদ আকন, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক ফিরোজ মিয়া, শ্রম বিষয়ক মাহথির মোহাম্মদ রেশাদ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক রবিউল হাসান, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক ডঃ দিলীপ দাস, সহ দপ্তর সাদ্দাম হোসেন শোভন, সহ প্রচার ও প্রকাশনা গাজী ওমর ফারুক এবং কোষাধ্যক্ষ মামুন গাজী।


আরও খবর



‘রাতের রাণী’ পিয়াসা ও মৌ যেভাবে করতেন ‘ভয়ঙ্কর ব্ল্যাকমেইল’

প্রকাশিত:সোমবার ০২ আগস্ট 2০২1 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ আগস্ট 2০২1 | ৩৪১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মডেল পিয়াসা ও মৌ ব্লাকমেইল করা সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। ওই চক্রের সদস্যরা রাতের রাণী বলেই সংশ্লিষ্টদের কাছে পরিচিত। তারা সারাদিন ঘুমিয়ে কাটাতেন। রাতে বিভিন্ন পার্টিতে গিয়ে উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের টার্গেট করে বাসায় ডেকে আনতেন। এরপর বাসায় গোপনে তাদের আপত্তিকর ছবি তুলতেন। সেই ছবি বাবা-মা বা পরিবারের সদস্যদের দেখানোর ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতেন। হাতিয়ে নিতেন মোটা অংকের অর্থ কিংবা আদায় করে নিতেন নামি-দামিসব পণ্য।

গতকাল রবিবার (১ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বারিধারা ও মোহাম্মদপুরের পৃথক দুটি বাসায় অভিযান চালিয়ে আলোচিত ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌকে আটকের পর এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ।

তিনি বলেন, আমরা পিয়াসা ও মৌয়ের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল করার অনেকগুলো অভিযোগ তদন্ত করছিলাম। সেই তদন্তের অংশ হিসেবে ফারিয়া ও মৌয়ের বাসায় অভিযান চালানো হয়। তাদের বাসা থেকে বিদেশি মদ ও ইয়াবা পাওয়া গেছে। তাদের ব্ল্যাকমেইলিং করার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়া যেহেতু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে, এজন্য গুলশান ও মোহাম্মদপুর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হবে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, রবিবার রাতে প্রথমে বারিধারার পিয়াসার বাসায় অভিযান চালানো হয়। তার বাসা থেকে মাদকদ্রব্যসহ পিয়াসাকে আটকের পর অভিযান চালানো হয় মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের একটি বাসায়। সেখান থেকে অন্তত ১ ডজন বিদেশি মদ, ৫ প্যাকেট ইয়াবাসহ মৌকে আটক করা হয়।

সরেজমিনে মৌয়ের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে ওই বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল। মিরপুর রোড সংলগ্ন ২২/৯ বাবর রোডের ওই বাসার নিচতলায় থাকতেন মৌ। বাসার ভেতরে ড্রয়িং রুমের পাশেই একটি মিনি বার দেখা গেছে। বাসার ভেতরের বেডরুমের একটি ড্রয়ার থেকে ৫ প্যাকেট ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এছাড়া ওই বেডরুমের ভেতরে আরেকটি ড্রেসিং রুম থেকে অন্তত এক ডজন বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃত মৌ ও পিয়াসা তাদের বাসায় মদের আসর বসাতো মূলত উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের ব্ল্যাকমেইল করার জন্য। এই বিষয়ে তদন্তে সত্যতা পেলে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগেও পৃথক মামলা দায়ের করা হবে।



আরও খবর
পরীমনির বাসায় শত শত মদের বোতল

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১

নায়িকা পরীমণি আটক

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




আশ্রয়ণের ক্ষতিগ্রস্ত ঘর পুনর্নির্মাণ হবে সরকারি খরচে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | ১২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আশ্রয়ণের ক্ষতিগ্রস্ত ঘর পুনর্নির্মাণ হবে সরকারি খরচে  গৃহহীনদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের যেসব ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা সরকারি খরচে মেরামত বা পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 

বৃহস্পতিবার তিনি তার রাজধানীর সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।  ওবায়দুল কাদের বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে প্রধানমন্ত্রীর এসব উদ্যোগ ইতিহাসের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং বিশ্বব্যাপী ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।  

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।   এই প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি মহৎ উদ্যোগ এবং গভীর আবেগ ও ভালোবাসার কর্মসূচি বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।  

গৃহহীনদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের যেসব ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা সরকারি খরচে মেরামত বা পুনর্নির্মাণ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, নাগরিকের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবার জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যেই সরকার প্রায় এক লাখ বিশ হাজার গৃহহীন মানুষকে বাড়ি উপহার দিয়েছেন।

প্রায় এক লাখ বিশ হাজার বাড়ির মধ্যে চব্বিশটি স্থানের নির্মাণ কাজের ত্রুটি গণমাধ্যমে উঠে এসেছে, যা বাস্তবায়িত প্রকল্পের ০.২৫ ভাগ জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ত্রুটিপূর্ণ যে ০.২৫ ভাগ স্থাপনা চিহ্নিত হয়েছে তা সরকারি খরচে মেরামত এবং প্রয়োজনে পুনর্নির্মাণ করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের

আরও খবর



স্বাস্থ্যবিধি না মানলে লকডাউন অর্থহীন: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ জুলাই ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগণ ঠিকমত মাস্ক পরলে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে লকডাউনের প্রয়োজন হয় না আর স্বাস্থ্যবিধি না মেনে উদাসীনতা প্রদর্শন করলে লকডাউন অর্থহীন। ঠিকমতো মাস্ক পরিধান করোনা সংক্রমণ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।

আজ মঙ্গলবার সকালে সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনার সংক্রমণ এখন শহর থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে, একটা সময় অনেকে মনে করতেন গ্রামের মানুষের করোনা হবে না, এ ধারণা ভুল প্রমাণ করে ভাইরাসের সংক্রমণ এখন গ্রাম থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই সংক্রমণ আগের দিনের হারকে অতিক্রম করে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় মাস্ক পরার পাশাপাশি কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবীসহ দলমত নির্বিশেষে সকল রাজনৈতিক দলকে সচেতনতা বাড়ানো জন্য ক্যাম্পেইন পরিচালনার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, হাট বাজারে বা চায়ের দোকানে জটলা তৈরি না করে সতর্কভাবে চলাফেরা এবং মাস্ক পরিধানের মধ্য দিয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, নিজের সুরক্ষার জন্য সতর্ক না হলে, উদাসীনতা দেখালে কেউ আমাদের সুরক্ষিত করতে পারবে না। একসময় হয়তো হাসপাতালে শয্যা বাড়িয়েও রোগী সামাল দেওয়া যাবে না, সেই পরিস্থিতি মাথায় রেখে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামজিক দুরত্ব বজায়সহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মনে রাখতে হবে করোনা প্রতিরোধে সবচেয়ে শানিত হাতিয়ার হচ্ছে মাস্ক।

ওবায়দুল কাদের বলেন, লকডাউনকে ফাঁকি দেওয়া গেলেও করোনাকে ফাঁকি দেওয়া যায় না, তার প্রমাণ অতিসংক্রমণ এবং মৃত্যুর উচ্চহার। প্রধানমন্ত্রী করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যেও উৎসবের যে সুযোগ করে দিয়েছেন তার সদ্ব্যাবহার করতে হবে। কেউ যেন দায়িত্বহীনভাবে ফেরিঘাট, বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল এবং কোরবানীর পশুর হাটে বাঁধভাঙা ভিড় সৃষ্টি  না করে, সেদিকে সবাইকে কঠোর সতর্কতা মানতে হবে। তা না হলে ভয়ংকর বিপর্যয় নেমে আসবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

করোনার এই সংকটকালে এবং ঈদুল আজহা উপলক্ষে অসহায়, দুঃস্থ এবং খেটে-খাওয়া মানুষের পাশে থাকা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সামর্থ্যবান ও জনপ্রতিনিধিরা দলের দুঃখী, অসহায় এবং অসুস্থ কর্মীদেরও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বর্তমান পরিস্থিতিতে দলীয় রাজনৈতিক ও সাংগঠিক কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে বলেন, এখন একমাত্র কর্মসূচি হচ্ছে অসহায় মানুষের পাশে থাকা।



আরও খবর