আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবার বাংলাদেশী অভিনেত্রীর অ্যাওয়ার্ডস মনোনয়ন

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৫৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশী অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন এবার অস্ট্রেলিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস-এ সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছেন। এটা প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মর্দাদাপূর্ণ এই আসরে জায়গা পেলেন কোন বাংলাদেশি অভিনেত্রী।

আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ পরিচালিত রেহানা মরিয়ম নূর সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের সুবাদে এই মনোনয়ন পেয়েছেন অভিনেত্রী। বুধবার (১৩ অক্টোবর) এবারের আয়োজনে মনোনয়নপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেছে পুরস্কার কর্তৃপক্ষ।

তালিকায় বাঁধনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন ইসরায়েলের আলেনা ওয়াইভি, রাশিয়ার ভ্যালেন্টিনা রোমানোভা সিসকাইরি, অস্ট্রেলিয়ার লিয়া পার্সেল ও নিউজিল্যান্ডের এসি ডেভিস।

এ প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, অবশ্যই বিষয়টি আনন্দের ও গৌরবের যে বাংলাদেশের কোন অভিনেত্রী মনোনয়ন পেয়েছে এবং সেটা আমি। জীবনের প্রথম যেহেতু তাই সারাজীবন এটা লেখা থাকবে স্মৃতির পাতায়। আপনি দেখেছেন যাদের সঙ্গে আসলে মনোনয়ন পেয়েছি সেটাই অনেক বড় ব্যাপার। তবে এটার কৃতিত্ব অবশ্যই আমি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদকে দিতে চাই এবং আমি মনেকরি মনোনয়নটা আসলে সেই পেয়েছে। কারণ অভিনয়ের ব্যাপারটা আসলে সেই করেছে।

বাধন আরও বলেন, এই সিনেমার জন্য যেহেতু আমি অন্য অনেক কাজ করিনি, এ জন্য আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমি শুধু পরিশ্রম করেছি, সততার সঙ্গে তাকে বিশ্বাস করেছি আর ধৈর্য নিয়ে শুধু অপেক্ষা করেছি। যেহেতু আমার প্রাতিষ্ঠানিক কোন অভিনয় শিক্ষা নেই। আমি আসলে জানি না ভালো অভিনেত্রী আর খারাপ অভিনেত্রী কি! তাই আমি মনে করি একজন নির্মাতার কৃতিত্ব একজন অভিনয় শিল্পী গড়ে তোলার ব্যাপার। এটা আমার সৌভাগ্য বলতে পারেন যে আমি একজন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ এর মতো নির্মাতার সঙ্গে কাজ করেছি।

পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ও ওশেনিয়া ঘিরে গঠিত এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল। এই অঞ্চলের সিনেমা ও শিল্পীদের উৎসাহ দিতেই ২০০৭ সাল থেকে পুরস্কারটি দেওয়া হচ্ছে। এটি প্রদান করে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড প্রদেশের ব্রিসবেন সিটি কাউন্সিল।

জানা গেছে, ১৪তম এশিয়া-প্যাসিফিক অ্যাওয়ার্ডসের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে আগামী ১১ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্ট শহরে। এ বছর ২৫টি দেশের ৩৮টি সিনেমা লড়ছে পুরস্কারের জন্য।


আরও খবর



ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় যুক্ত হলো জাতিসংঘ

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল, আগস্টের শুরুতে চুক্তি চূড়ান্ত হলে সেপ্টেম্বর থেকে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করবে জাতিসংঘ। তবে কিছুটা বিলম্ব হলেও অবশেষে ভাসানচরে যুক্ত হচ্ছে জাতিসংঘ

বাংলাদেশ সরকার এবং জাতিসংঘের মধ্যে ভাসানচর সম্পর্কিত একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো কাজ করছে। সেগুলোর পক্ষে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে এ চুক্তির মাধ্যমে ভাসানচরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক কার্যক্রমের সুরক্ষা ও নীতিমালার একটি সার্বজনীন কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হলো।

শনিবার (৯ অক্টোবর) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এ নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। বাংলাদেশের পক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহসীন এবং জাতিসংঘের পক্ষে ইউএনএইচসিআরের কান্ট্রি ডিরেক্টর চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউএনএইচসিআর জানায়, এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সরকারের ও জনগণের উদারতা ও সহায়তা আবারও প্রতিফলিত হয়। পাশাপাশি এ দেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মানবিক সহায়তায় বাংলাদেশের নেতৃত্বের জন্য জাতিসংঘের সহায়তা চালু রাখার প্রত্যয়ও আরেকবার ফুটে ওঠে।

সংস্থাটি বলছে, ভাসানচর বিষয়ক এ ঐকমত্যের মাধ্যমে দ্বীপটিতে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য সেবা ও কার্যক্রমে সরকার ও জাতিসংঘের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা সম্ভব হবে। এগুলোর মধ্যে আছে সুরক্ষা, শিক্ষা, দক্ষতা, প্রশিক্ষণ, জীবিকা ও স্বাস্থ্যসেবা; যার মাধ্যমে শরণার্থীরা দ্বীপে মানসম্মত জীবনযাপন করতে পারবে এবং ভবিষ্যতে মিয়ানমারে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে।

ইউএনএইচসিআর বলছে, এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আগে জাতিসংঘ কক্সবাজারে এবং ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রয়োজন ও মতামত জানার জন্য তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে দ্বীপটি পরিদর্শন করেছে। শরণার্থীদের সঙ্গে এবং সরকার ও বাংলাদেশি এনজিওগুলোর সঙ্গে এরকম আলোচনা নিয়মিত ভিত্তিতে চালু থাকবে; এটি ভাসানচরের মানবিক ও সুরক্ষা কার্যক্রমের জন্য সহায়ক হবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য চলমান মানবিক কার্যক্রমের এ বছরের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানে এখন পর্যন্ত অর্ধেকেরও কম অর্থায়ন হয়েছে। চলমান সহায়তা বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জাতিসংঘ আহ্বান করছে। বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আকাঙ্ক্ষা নিরাপদে, স্বেচ্ছায়, মর্যাদার সঙ্গে ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া। জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ সরকার সেই অগ্রাধিকার নিয়েই কাজ করছে। এটি যতদিন সম্ভব না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত এ সহায়তা চলমান থাকবে।

চলতি বছরের জুলাই মাসের শেষের দিকে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় জাতিসংঘের সঙ্গে একটি খসড়া চুক্তি করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল, আগস্টের শুরুতে চুক্তি চূড়ান্ত হলে সেপ্টেম্বর থেকে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করবে জাতিসংঘ। তবে কিছুটা বিলম্ব হলেও অবশেষে ভাসানচরে যুক্ত হচ্ছে জাতিসংঘ।

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো থেকে শরণার্থীদের ভাসানচরে স্থানান্তর নিয়ে জাতিসংঘের আপত্তি ছিল। তবে গত ১৭ মার্চ তিন দিনের সফরে ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদের দেখতে যান জাতিসংঘের ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। ভাসানচর ঘুরে আসা জাতিসংঘের কর্মকর্তারা প্রায় মাসখানেক পর ভাসানচর নিয়ে ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানান। অর্থাৎ, ভাসানচরে মানবিক সহায়তায় যুক্ত হওয়ার বিষয়ে সায় দেয় সংস্থাটি।

চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদের প্রথম দেখতে যায় ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) একটি প্রতিনিধি দল। সর্বশেষ চলতি মাসের শুরুর দিকে ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের দেখতে যান ঢাকায় নিযুক্ত ১০ বিদেশি রাষ্ট্রদূত। সফর শেষে দাতা গোষ্ঠীদের এসব কূটনীতিকরাও ভাসানচর নিয়ে ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানান।

কক্সবাজারের ক্যাম্প থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে অধিকতর নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে ২ হাজার ৩১২ কোটি টাকা ব্যয় করে ভাসানচর প্রস্তুত করে বাংলাদেশ সরকার। বছর দুয়েক আগেও ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর করা সম্ভব ছিল না আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষেধাজ্ঞার কারণে।

তবে গতবছরের ডিসেম্বর থেকে জাতিসংঘের অনিচ্ছা সত্ত্বেও এক হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু করে সরকার। এ পর্যন্ত ছয় দফায় ১৮ হাজার ৫২১ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেওয়া হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: রোহিঙ্গা

আরও খবর



ম্যালেরিয়ার টিকার অনুমোদন দিয়েছে ডব্লিউএইচও

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতি রোগ ম্যালেরিয়া। একশ বছরের বেশি সময় ধরে চেষ্টার পর এ রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা তৈরি করা হয়েছে, যার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, মশাবাহিত এ রোগে বিশ্বে ২০১৯ সালে আক্রান্ত হন ২৩ কোটি মানুষ, মৃত্যু হয় চার লাখ ৯ হাজারের। এসব মৃত্যুর ৯৫ শতাংশই ঘটে সাব সাহারা আফ্রিকায়। ২০১৯ সালে এ রোগে ৫ বছরের কম বয়সি শিশুর মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ৭৪ হাজার। এখন এ টিকা তৈরির মাধ্যমে প্রতিবছর আফ্রিকায় লাখো শিশুর মৃত্যু ঠেকানোর পথ তৈরি হলো।

আরটিএস,এস নামের এ টিকা ছয় বছর আগেই কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এরপর ঘানা, কেনিয়া ও মালাউয়িতে এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগেও সফলতা আসে।

ডব্লিউএইচও বলছে, সাব-সাহারা আফ্রিকার মতো যেসব এলাকায় ম্যালেরিয়ার মাঝারি থেকে উচ্চ প্রকোপ দেখা যায়, সেখানে এই টিকা প্রয়োগ করা উচিত।

পরীক্ষামূলক প্রয়োগে এ টিকা দেওয়া হয়েছে ২৩ লাখ শিশুকে। তাতে দেখা গেছে, এ টিকা নিরাপদ এবং ম্যালেরিয়ার মারাত্মক সংক্রমণ ৩০ শতাংশ কমাতে সক্ষম।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস বলেন, এটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। শিশুদের জন্য ম্যালেরিয়া টিকার প্রতীক্ষা বহু দিনের। বিজ্ঞান, শিশু স্বাস্থ্য ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে এটা যুগান্তকারী ঘটনা। এই টিকা প্রতিবছর লাখো মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: ম্যালেরিয়া

আরও খবর



বিয়ের পিঁড়িতে মধুরিমা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী বছরেই বিয়ে করতে চলেছেন অভিনেত্রী মধুরিমা বসাক। পাত্র ইন্ডাস্ট্রির কেউ নন। তবে বিয়ের বিষয়ে অভিনেত্রী এখনই কিছু ভাঙতে রাজি নন। মোহর এবং শ্রীময়ী ধারাবাহিক দিয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন মধুরিমা। ধারাবাহিকের লিড চরিত্র না হওয়া সত্ত্বেও শ্রেষ্ঠা এবং কিয়া চরিত্র দুটি দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পেরেছে। পাশাপাশি তিনি সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এক্স-প্রেম ছবি দিয়ে সিনেমায় ডেবিউ করছেন। বিজ্ঞাপনের জগতেও মধুরিমা জনপ্রিয় মুখ।

অভিনেত্রী বিয়ে করছেন তাঁর পছন্দের পাত্রকেই। দুই বাড়ি থেকে কথাবার্তা মোটামুটি এগিয়েছে। তবে মধুরিমার বাবা সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পড়ায় এখনই বিয়ের ব্যাপারে মুখ খুলতে চান না অভিনেত্রী। বললেন, আগামী বছরেই বিয়ের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু এই মুহূর্তে আমার বাবা খুব অসুস্থ। তাই এখনই এ সব নিয়ে ভাবছি না। বিয়ের পরেও তিনি অভিনয় চালিয়ে যাবেন। কিছু দিনের মধ্যেই নতুন একটি ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে মধুরিমাকে দেখা যাবে

নিউজ ট্যাগ: মধুরিমা বসাক

আরও খবর



মুহিবুল্লাহ ইস্যুতে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের প্রথম সারির নেতা মুহিবুল্লাহ নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত যেতে চেয়েছিলেন, সে কারণে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাকে হত্যা করেছে। শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মুহিবুল্লাহ নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত যেতে চেয়েছিলেন, সে কারণে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাকে হত্যা করেছে। এ হত্যাকাণ্ডে যে বা যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার।

মুহিবুল্লাহ হত্যাকারীদের অবশ্যই বিচারের সম্মুখীন করা হবে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকারীদের অবশ্যই বিচারের সম্মুখীন করা হবে। এ ব্যাপারের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার রাতে রোহিঙ্গা নেতা মুহিববুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের ভাই হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের শীর্ষ ৫ নেতার একজন মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলায় শুক্রবার দুপুরে মোহাম্মদ সেলিম উল্লাহ ওরফে লম্বা সেলিম নামে এক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা। একই দিন রাতে আরও দুই জন রোহিঙ্গাকে আটক করে এপিবিএন।

২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ায় লাম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একদল দুর্বৃত্ত মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করে। মুহিবুল্লাহ আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান ছিলেন।



আরও খবর



কিউলেক্স মশার বিস্তার রোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এডিসের পাশাপাশি কিউলেক্স মশার বিস্তার রোধে সামাজিকভাবে সবাইকে এগিয়ে আসার পাশাপাশি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পো‌রেশনের (‌ডিএন‌সি‌সি)মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

শনিবার (৯ অক্টোবর) খিলগাঁও, তালতলা, নতুনবাগ পানির পাম্প এলাকায় এডিস ও কিউলেক্স মশার বিস্তার রোধকল্পে মশক নিধনে বিশেষ অভিযানের উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন তিনি।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, এডিস মশার জন্ম হয় বাসা-বাড়ির স্বচ্ছ পানিতে। অপরদিকে খাল, বিল, ঝিল, ডোবা, নালা, ড্রেন, কচুরিপানা ইত্যাদির অস্বচ্ছ ময়লা পানিতে কিউলেক্স মশার জন্ম হয়। তাই, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা-আবর্জনা রাখতে হবে এবং নিজেদের বাসা বাড়ি ও আশেপাশের পরিবেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে মশার বংশ বিস্তার রোধ করতে হবে।

তিনি বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনকল্পে সুপরিকল্পিত জলাধার থাকা প্রয়োজন কিন্তু খালগুলো অবৈধভাবে দখল ও ভরাটের কারণে সেগুলোতে পানির কোনও প্রবাহ নেই, তাই বিনা নোটিশেই অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে।

পরে মেয়রের উপস্থিতিতে খিলগাঁও তালতলা নতুনবাগ এলাকায় ফগিং ও লার্ভিসাইডিংসহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন এস. এম. শরিফ-উল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক এবং স্থানীয় কাউন্সিলর শাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর
শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১