আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

অটোভ্যান উল্টে এর নিচে চাপা পড়ে চালক নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার কর্ণ কয়েলগাতি এলাকায় অটোভ্যান উল্টে এর নিচে চাপা পড়ে চালক নিহত হয়েছেন।

উপজেলার জামতৈল বাজার থেকে অটোভ্যানে বালি নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন জহুরুল ইসলাম (২৩)। কর্ণ কয়েলগাতি এলাকায় তাঁর অটোভ্যান উল্টে গেলে স্থানীয়রা তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত জহুরুল ইসলাম উপজেলার রসুলপুর গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হুদা জানান, জেলার কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল বাজার থেকে অটোভ্যানে বালি ভর্তি করে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন জহুরুল ইসলাম। রাস্তায় কর্ণ কয়েলগাতি এলাকায় ভ্যানটি উল্টে চাপা পড়ে সে। 

নিউজ ট্যাগ: নিহত

আরও খবর



ওবায়দুল কাদেরের বাড়িতে ককটেল হামলা

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বাড়িতে ককটেল হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে এই হামলা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলযোগে ১০-১২ জনের একদল দুর্বৃত্ত সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বাড়ির প্রধান ফটকে তিন-চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আশপাশের লোকজন বের হয়ে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ককটেল হামলায় কোনও ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এসময় কাদের মির্জা বসুরহাট পৌরভবনেই অবস্থান করছিলেন।

কাদের মির্জা জানান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাদলের অনুসারী বাসস্ট্যান্ডের সবুজের নেতৃত্বে আট-দশটা মোটরসাইকেল মহড়া নিয়ে আমার ভাই সাহাদাত হোসেনকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরপর পাঁচটা ককটেল হামলা করা হয়। এতে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনি জানান, খবর পেয়ে কাদের মির্জা সাহেবের বাড়ির সামনের বসুরহাট-দুধমুখা সড়ক থেকে তিনটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ছোট ভাই সাহাদাত হোসেন দুইজনের নাম বলেছেন, তাদেরকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



যেখানেই হেফাজত সেখানেই প্রতিরোধ: হানিফ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
যেখানেই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী হেফাজত ইসলাম ধর্মের নামে অরাজকতা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করবে সেখানেই প্রতিরোধ করতে হবে। যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের তালিকা করতে হবে

যেখানেই হেফাজত সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, হেফাজত কর্মীদের নাম ঠিকানা খুঁজে বের করুন।

আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন তিনি।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, যেখানেই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী হেফাজত ইসলাম ধর্মের নামে অরাজকতা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করবে সেখানেই প্রতিরোধ করতে হবে। যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের তালিকা করতে হবে। এদের বিরুদ্ধে সরকারিভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, একজন ধর্ম ব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে যে ঘটনা ঘটেছে। তাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে, যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতার বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে, সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার নির্যাতন করা হয়েছে। এই বিষয় পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দিতে চাই ধর্ম ব্যবসায়ী মামুনুল তার স্ত্রীর নাম দিয়ে এখানে এসেছিলেন এবং অনৈতিক কাজে জড়িত ছিলেন বলেই সাধারণ মানুষ তাকে ধরেছে। এই বিষয়টি কেন্দ্র করে তথাকথিত ধর্ম ব্যবসায়ীরা যে ভাঙচুর ও নির্যাতন করেছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করার জন্য আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে হানিফ বলেন, যারা আওয়ামী লীগের অফিসে হামলা করেছে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা করেছে, মানুষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করেছে। এসব হামলার সঙ্গে যুক্তদের পরিচয় সংগ্রহ করুন। আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। কিন্তু ধর্মের নাম করে অধর্মের কাজ করা, ভাঙচুর করা বরদাস্ত করা হবে না।


আরও খবর



শ্রীপুরে ডিস ব্যবসায়ীকে ভয়ভীতি ও হুমকি !

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটির ( ছাতির বাজার) ডিস ব্যবসায়ীর কাছে প্রথমে চাঁদা দাবি এবং পরবর্তীতে চাঁদা না পেয়ে ডিস কর্মীকে দিনদুপুরে মারধর করে অর্থ আদায়, ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে ডিস ব্যবসা জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে ঐ এলাকার কয়েক জন যুবকের বিরুদ্ধে ।

এ ঘটনায় টেপিরবাড়ী গ্রামের আ: মালেকের ছেলে দেলোয়ার হোসেন ২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে গতকাল  শ্রীপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, টেপিরবাড়ী গ্রামের শাহাব উদ্দিনের ছেলে হৃদয় (২৫) ও একই গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে সানি(২২) সহ  অজ্ঞাতপরিচয় ৪/৫ জন কিছুদিন যাবৎ হিংসার বশবর্তী হইয়া ব্যবসার ক্ষতি সাধনের জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রে করছে। অভিযুক্তরা প্রায় সময় মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় অভিযুক্তরা ৪/৫ মাস ধরে টেপিরবাড়ী ( ছাতির বাজার ) বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকদের নিকট থেকে জোরপূর্বক ডিস বিল আদায় ও লাইনসহ ডিস সংযোগ সরঞ্জামাদি লুটে নেয়। এরমধ্যে বৃহস্পতিবার ( ৮ এপ্রিল )দুপুর আড়াইটার দিকে ডিস লাইনের কর্মচারী রাসেলকে মারধর করে তার কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা এবং ডিস বিলের রিসিট বই জোর করে ছিনিয়ে নেয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।

ডিসকর্মী সবুজের ছেলে রাসেল  বলেন হৃদয়, সানিসহ বেশ কয়েজন যুবক এসে ডিস বিল তোলার কাজে বাধা প্রদান করে। তার সাথে থাকা নগদ ৯ হাজার টাকা ও ডিস  বিল বই ছিনিয়ে নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী আনোয়ার হোসেন বলেন, গতকাল দুপুরে ডিসকর্মী রাসেলকে মারধর করে। খবর পেয়ে লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।

ডিস ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, কয়েক মাস ধরে কিছু যুবক তার ব্যবসায়ীক কাজে বাধা সৃষ্টি করছে । গতকাল দুপুরে ডিস ব্যবসায়ীক কাজে নিয়োজিত কর্মী রাসেলকে একা পেয়ে মারধর করে সাথে থাকা নগদ ৯ হাজার টাকা ও রিসিট বই ছিনিয়ে নেয়। খবর পেয়ে তাঁরা ওই কর্মীকে উদ্ধার করে। পরে তাকেও প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ( এসআই ) আজমত জানান, অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সামান্য একটা বিষয় নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।


আরও খবর



সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই, বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের শর্তে গণপরিবহনে ৬০ ভাগ ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে সে সিদ্ধান্ত মানছে না অধিকাংশ গণপরিবহন। আবার কিছু পরিবহন অর্ধেক যাত্রী নিলেও তাদের বিরুদ্ধে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর যাত্রাবাড়ি, চানখারপুল, গুলিস্তান, পল্টন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের বদলে দাঁড়িয়ে আবার কোনো কোনো জায়গায় ঝুলে যাত্রীরা গণপরিবহনে চলাচল করছেন।

তবে নীলাচল, মনজিল, হিমাচল, ঢাকার চাকাসহ বেশি কিছু পরিবহন অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে। কিন্তু এর মধ্যে অধিকাংশ পরিবহনের বিরুদ্ধে বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। তারা বলছেন, সরকার ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ালেও পরিবহনগুলো ভাড়া দ্বিগুণ করেছে।

এদিকে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনার পর প্রথম কর্মদিবসে যানবাহন সংকট দেখা গেছে। অন্যান্য দিনের তুলনায় কিছু কিছু জায়গায় সড়কে কম সংখ্যক যান চলাচল করছে। আবার কিছু গাড়ি সরকারি নির্দেশনা মেনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করায় যাত্রীরা যানবাহন সংকটে পড়েছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করায় গণপরিবহনে ৬০ ভাগ ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। বুধবার (৩১ মার্চ) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী দুই সপ্তাহ তা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

নিউজ ট্যাগ: গণপরিবহন

আরও খবর



বহুতল ভবন ধসে মিশরে নিহত ১৮

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিশরের রাজধানী কায়রোতে বহুতল ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে। আহত হয়েছে অন্ততপক্ষে ২৪ জন। মিশরের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মিনা এমনই এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

স্থানীয় সময় শনিবার (২৭ মার্চ) ভোর রাতের দিকে এই ঘটনা ঘটে।

কায়রোর গভর্নর এক বার্তায় জানিয়েছেন, রাত ৩টায় গভর্নরের ক্রইসিস রুম থেকে জানানো হয় যে ১০ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন ধসে পড়েছে। এরপর দ্রুত সেখানে উদ্ধারকর্মীদের দল পাঠানো হয়। তারা ধ্বংস্তুপের নিচ থেকে আটকে পড়াদের উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

কায়রো গভর্নরের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা খালিদ আব্দেল-আল জানিয়েছেন, এই ঘটনায় নিহত হয়েছে ১৮ জন। আহত ২৪ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখনো উদ্ধার কাজ চলছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ১০ তলা ওই ভবনের ধ্বংসস্তুপের নিচে এখনো বহু মানুষ আটকা পড়ে আছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদিকে পুরো জায়গা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। চারপাশে উৎসুক জনতা ও উৎকণ্ঠা নিয়ে আত্মীয়-স্বজনরা অপেক্ষা করছে। বুলডোজার দিয়ে ধ্বংসাবশেষ সরানো হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: মিশর

আরও খবর