আজঃ শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শিরোনাম

অ্যাম্বুলেন্স-পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৪ জনের

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ জুলাই ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টাঙ্গাইলে অ্যাম্বুলেন্স ও মাছবাহী পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গর্ভবতী নারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬ জন।

আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ইন্সপেক্টর ওসি (তদন্ত) সাহেদুল ইসলাম জানান, আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হাতিয়া এলাকায় উত্তরাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মাছবাহী একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে উত্তরাঞ্চলগামী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন। আহত হন ৭ জন। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে আরেকজনের মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে আরও দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




আমতলীতে মুগডালের ফলন ভালো না হলেও দামে খুশি কৃষকরা

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
Image

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

অনাবৃষ্টির কারণে এ বছর উপজেলার আমতলীতে মুগডালের ফলন ভালো হয়নি। ফসল ভালো না হওয়ায় দুচিন্তায় থাকলেও বাজারে দাম ভালো থাকায় খুশি কৃষকরা। ভালো দামে বিক্রি করে লোকসান কাটিয়ে উঠার আশা করছেন তারা।

আমতলী উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় এ বছর ৮ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে মুগডাল চাষ হয়েছে। কৃষক বিগত বছরের মত এ বছর ভালো লাভের স্বপ্ন দেখলেও সেই স্বপ্ন অনাবৃষ্টিতে ফিকে হয়ে গেছে। অনাবৃষ্টির কারণে মুগ ডালের তেমন ভালো ফলন হয়নি। লাভতো দুরের কথা লোকসান কাটিয়ে উঠার চিন্তায় বিভোর কৃষকরা। কিন্তু বাজারে ডালের দাম ভালো থাকায় লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে দাবি করেন কৃষকরা। মৌসুম শুরুতে ডালের দাম অনেক ভালো। প্রকার ভেদে এক মণ মুগডাল বাজারে তিন হাজার ৮০০শ থেকে এবং চার হাজার ৫০০শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রবিবার আমতলী শাখারিয়া বাজার ও আমতলী বাঁধঘাট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকদের কাছ থেকে ফরিয়ারা চল্লিশ কেজি তিন হাজার ৮শ এবং সাড়ে ছে-চল্লিশ কেজি মুগডাল ৪ হাজার ৫০০ বিক্রি হচ্ছে।

চাওড়া কাউনিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল রাজ্জাক মোল্লা, আউয়াল সিকদার, মোহাম্মদ হাওলাদার, জিয়া উদ্দিন জুয়েল বলেন, বৃষ্টি না হওয়ায় ফলন তেমন হয়নি। তারা আরো বলেন, বাজারে দাম ভালো থাকায় মনে হয় লোকসান গুনতে হবে না।

চন্দ্র পাতাকাটা গ্রামের  দুলাল মোল্লা বলেন, মুগডাল ভালো হয়নি। বাজারে দাম বেশি তাতে যদি লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবো।

আমতলী ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বলেন, বাজারে মুগডালের দাম অনেক বেশি। কৃষকরা এতে ভালোই লাভবান হবে।

আমতলী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ ঈশা ইকবাল বলেন, এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় মুগডালের ফলন খারাপ। কিন্তু বাজারে দাম ভালো থাকায় কৃষকদের লোকসান গুনতে হবে না।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




আস্থার জায়গা পুনর্নির্মাণ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র: ডোনাল্ড লু

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। বুধবার (১৫ মে) সাড়ে ৩টায় বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ডোনাল্ড লু। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে আস্থার জায়গা পুনর্নির্মাণ করতে চাই। একই সঙ্গে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে চাই। নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে চাই।

চলমান বাংলাদেশ সফর নিয়ে ডোনাল্ড লু বলেন, আমি গত দুইদিন ধরে বাংলাদেশ সফর করছি। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য দুই দেশের মানুষের মধ্যে বিশ্বাস পুনঃস্থাপন করা। গত বছর আমরা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা দেখেছি।

যুক্তরাষ্ট্রের এ সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখানে অবাধ, সুষ্ঠু ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন নিশ্চিতে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পরিশ্রম করেছে। আমাদের ভেতর যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল তা খুবই সাধারণ বিষয়। সম্পর্কে এমনটা হয়েই থাকে। আমরা সামনের দিকে এগোতে চাই, পেছনে তাকাতে চাই না।

তিনি বলেন, আমাদের সম্পর্ক কীভাবে আরও জোরদার করা যায় সেই পথই খুঁজছি আমরা। আমাদের সম্পর্কের কঠিন বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আগে কাজ করতে চাই। বেশ কিছু কঠিন ইস্যু আমাদের সামনে রয়েছে। র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা, শ্রম পরিবেশ সংস্কার, মানবাধিকার ইস্যু, ব্যবসায়িক পরিবেশ সংস্কারের মতো ইস্যু রয়েছে আমাদের সম্পর্কে। এই কঠিন বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে আমরা আসলে আমাদের সম্পর্কে ইতিবাচক ইস্যুগুলোর দিকে তাকাতে চাই।

ডোনাল্ড লু বলেন, আমরা নতুন বিনিয়োগের কথা বলছি। আমরা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার সুযোগের কথা বলেছি।


আরও খবর



উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করেছে। শনিবার (১ মে) দুপুর ১২টায় তাজিমারখোলা ক্যাম্প ১৩ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক অতীশ চাকমা গণমাধ্যমকে জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে গত শুক্রবার একই ক্যাম্পের ডি ব্লকে আগুন লাগে। সে সময় ফায়ার সার্ভিসের ৯ ইউনিটের ৫ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




চট্টগ্রাম বন্দরে প্রথমবার জাহাজ হ্যান্ডলিং করল বিদেশি প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের নবনির্মিত পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের (পিসিটি) অপারেটর হিসেবে প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল (আরএসজিটিআই) নামে প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

সোমবার (১০ জুন) পিসিটি দিয়ে মায়েরস্ক দাভাও নামে একটি জাহাজ হ্যান্ডলিং মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে জাহাজ হ্যান্ডলিং করল।

বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় প্রথমবারের মতো জাহাজ হ্যান্ডলিং উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল ও আরএসজিটি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরউইন হেইজ, আরএসজিটিআই বন্দরের সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এটি ক্রেনযুক্ত ফিডার জাহাজটি মালয়েশিয়ার পোর্ট ক্যালাং থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছে। এরপর পিসিটিতে প্রায় ৮০০ টিইইউস (২০ ফুট দৈর্ঘ্যের একক) কনটেইনার ওঠানামা করে পরবর্তী গন্তব্য ইন্দোনেশিয়ার বেলাওয়ান বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে গত বছরের ডিসেম্বরে পিসিটি পরিচালনা ২২ বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরপর আরএসজিটিআই পিসিটিতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করে।

আরএসজিটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সৌদি আরবের শীর্ষ স্থানীয় বন্দর উন্নয়নকারী এবং অপারেটর। এটির ফ্ল্যাগশিপ টার্মিনাল জেদ্দা ইসলামিক পোর্টে অবস্থিত এবং সৌদি আরবের লোহিত সাগরের বৃহত্তম কনটেইনার টার্মিনাল। এটি বার্ষিক ৬ দশমিক ২ মিলিয়ন টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং এবং অধিক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজগুলো পরিচালনা করে থাকে।

আরএসজিটিআই সিইও এরউইন হেইজ বলেন, আমরা ক্যাপ্টেন মায়ো মিন থান ও মায়েরস্ক দাভাওকে চট্টগ্রামে স্বাগত জানাতে পেরে গর্বিত। এই নতুন কনসেশন চুক্তির অধীনে প্রথম আনুষ্ঠানিক জাহাজ আগমনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক উদযাপন করছি। আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এবং বৈশ্বিক লজিস্টিক চেইনে চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমিকা বাড়াতে অবদান রাখার জন্য উন্মুখ।

বাংলাদেশ সরকার, বন্দর কর্তৃপক্ষ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), কাস্টমসসহ আরএসজিটিআইয়ের ব্যবসায়িক অংশীদার মায়েরস্ককে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের বাংলাদেশের শিপিং কমিউনিটি এবং বৈশ্বিক বন্দর শিল্পকে বিশ্বমানের সেবা প্রদানের ক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ দিয়েছে।

জানা গেছে, আরএসজিটিআই বাংলাদেশে কনটেইনার টার্মিনাল খাতে প্রথম বিদেশি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটি পিসিটিতে ১৭০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আগ্রহী। বিদেশি প্রতিষ্ঠানটি পিসিটিতে চারটি উন্নত উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেন, রাবার-টায়ার্ড গ্যান্ট্রি ক্রেন (আরটিজি) এবং অন্যান্য আধুনিক কার্গো-হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম যুক্ত করছে। এতে টার্মিনালের বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা ৬ লাখ টিইইউস পর্যন্ত বাড়বে।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, বন্দরে পণ্য কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের পরিমাণ বাড়াতে পিসিটি নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দর সড়কের উদ্ধার করা নদীপাড়ের ৩২ একর জায়গায় ২০১৭ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পিসিটি নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পরে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্মাণকাজ শুরু হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ১ হাজার ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে পিসিটি নির্মাণ করে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নকশা অনুযায়ী সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ইইঞ্জিনিয়ারিং এটির নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। পরে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় সৌদি আরবের রেড সী গেটওয়ে লিমিটেডের সাথে গত ডিসেম্বরে চুক্তি সম্পাদনের পর তাদেরকে এই টার্মিনালটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এই চ্যানেলে কোনো বাঁক না থাকায় পিসিটি বড় জাহাজ ভিড়ানোর সুবিধা পাবে। এই টার্মিনালে বছরে প্রায় ৬ লাখ টিইইউএস কন্টেনার হ্যান্ডলিং করা যাবে। টার্মিনালটিতে ১৬ একর ইয়ার্ড ও ৫৮৪ মিটার দীর্ঘ জেটি রয়েছে। জেটি এলাকায় ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভিড়ানো যাবে। এই টার্মিনালে ১৯০ মিটার লম্বা ও ১০ মিটার ড্রাফটের ৩টি কন্টেনার জাহাজ একসাথে এবং ২২০ মিটার দীর্ঘ ডলফিন জেটিতে ১টি ভোজ্যতেলবাহী জাহাজ ভিড়ানো যাবে। এতে ১ লাখ ১২ হাজার বর্গমিটারের আরসিসি পেভমেন্ট (অভ্যন্তরীণ ইয়ার্ড ও সড়ক), ২ হাজার ১২৮ বর্গমিটার কন্টেনার ফ্রেইট স্টেশন (সিএফএস) শেড, ৬ মিটার উঁচু ১ হাজার ৭৫০ মিটার কাস্টমস বন্ডেড ওয়াল, ৫ হাজার ৫৮০ বর্গফুটের পোর্ট অফিস ভবন, ১ হাজার ২০০ বর্গমিটারের যান্ত্রিক ও মেরামত কারখানাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের ৯৪ ভাগ আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। রপ্তানি বাণিজ্যের ৯৮ শতাংশ এ বন্দর দিয়ে হয়। প্রতি বছর জাহাজ, কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং বাড়ছে। এজন্য চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন প্রকল্প নিয়েছিল বন্দর কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




কৈলাশটিলায় ফের এলপি গ্যাস উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টে পুনরায় উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পেট্রোবাংলা এ তথ্য জানিয়েছে।

পেট্রোবাংলা জানায়, পেট্রোবাংলার মালিকানাধীন সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় পরিচালিত কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডের অপরিশোধিত গ্যাস, এলপিজির কাঁচামাল এনজিএল (ন্যাচারাল গ্যাস লিকুইড) সমৃদ্ধ। ১৯৯৫ সালে এই ফিল্ড থেকে উৎপাদিত গ্যাস থেকে এনজিএল আহরণের জন্য দেশের একমাত্র মলিকুলার সীভ টার্বো-এক্সপান্ডার (এমএসটিই) প্রসেস প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়।

ওই প্ল্যান্টে উৎপাদিত এনজিএল পেট্রোবাংলার অপর কোম্পানি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টে ফ্র্যাকশনেশন করে এলপিজি ও পেট্রোল (অকটেন নম্বর ৮১) উৎপাদন করা হতো এবং বিপিসির মাধ্যমে বাজারজাত করা হতো।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিএসটিআই কর্তৃক বাজারজাত পেট্রোলের অকটেন নম্বর ৮৯ নির্ধারণ করায় এবং বিপিসি কর্তৃক এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোল উত্তোলন না করায় প্ল্যান্টটি বন্ধ রাখতে হয়। আরপিজিসিএল কর্তৃক বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেও পেট্রোলের অকটেন নম্বর বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়নি।

এলপিজি প্ল্যান্ট না চালানোর কারণে এমএসটিই প্ল্যান্টটি ভিন্ন মোডে পরিচালনা করে এনজিএল-এর পরিবর্তে কনডেনসেট উৎপাদন করতে হতো। এজন্য এলপিজির উপাদানগুলো ফ্লেয়ার করতে হতো। ফলে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় হতো তেমনি অন্যদিকে পরিবেশের ক্ষতি হতো।

গত ৩০ মে কৈলাশটিলা এলপিজি প্ল্যান্টটি এসজিএফএলের নিকট হস্তান্তর করা হয়। প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ শেষে এসজিএফএল কর্তৃক ২ জুন এলপিজি প্লান্টটি চালু করা সম্ভব হয়। এই প্ল্যান্টে উৎপাদিত এলপিজি কৈলাশটিলায় অবস্থিত বিপিসির একটি প্রতিষ্ঠান এলপি গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের বটলিং প্লান্টে সরবরাহ করা হবে।

মৌলভীবাজার জেলার বাহুবল উপজেলার রশিদপুরে এসজিএফএলেএর দুটি কনডেনসেট ফ্র্যাকশনেশন প্ল্যান্ট এবং একটি অকটেন উৎপাদনকারী ক্যাটালাইটিক রিফরমিং ইউনিট (সিআরইউ) রয়েছে। এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোল (অকটেন নম্বর ৮১)-কে এসজিএফএল-এর ফ্র্যাকশনেশন প্ল্যান্টে উৎপাদিত পেট্রোলের সঙ্গে মিশ্রণ করে অতঃপর সিআরইউ-এর মাধ্যমে অকটেন নম্বর বৃদ্ধি করে বিপিসির মাধ্যমে বাজারজাত করা হবে।

এতে এলপিজি উৎপাদন যেমন নিশ্চিত হবে তেমনি কৈলাশটিলা এমএসটিই প্ল্যান্ট স্বাভাবিকভাবে চালানোর ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় ও পরিবেশের ক্ষতি রোধ হবে। এছাড়া প্রতি বছর এলপিজি প্ল্যান্টে উৎপাদিত ৪০০০ মেট্রিক টন এলপিজি দেশের জ্বালানি খাতে যোগ হবে বলেও জানানো হয়।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪