আজঃ সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

পাপুলের সংসদ সদস্য পদ বাতিল

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
অর্থ ও মানবপাচারের মামলায় গত ২৮ জানুয়ারি পাপুলকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন কুয়েতের আদালত। পাশাপাশি তাকে ১৯ লাখ কুয়েতি দিনার বা ৫৩ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের সংসদ সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কুয়েতে ফৌজদারি অপরাধে চার বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় লক্ষ্মীপুর-২ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদ থাকার যোগ্য নয়। সেই কারণে সংবিধানের ৬৭ (১) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রায় ঘোষণার তারিখ ২৮ জানুয়ারি হতে তার আসন শূন্য হয়েছে।

মানব ও অর্থপাচারের দায়ে কুয়েতের আদালতের রায়ে দণ্ডিত হওয়ায় সংসদ সদস্য পদ হারালেন তিনি। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি প্রথম এমপি যিনি বিদেশে আটক ও ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার পর পদ হারালেন।

জানা যায়, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সিদ্ধান্তে তার সংসদ সদস্য পদ কেড়ে নেয়া হয়েছে। এর আগে বিষয়টি নিয়ে সংসদ সচিবালয়ে স্পিকার সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আলোচনা করেন। এসময় কুয়েত থেকে পাঠানো পাপুলের মামলার রায়ের কপি পর্যালোচনা করা হয়। আরবি ও ইংরেজিতে লেখা ৬১ পৃষ্ঠার রায়ের কপি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের স্পিকারের দফতরে ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। সংবিধান, কার্যপ্রণালি বিধি ও আইন অনুযায়ী এখন তার আর সংসদ সদস্য পদ নেই।

অর্থ ও মানবপাচারের মামলায় গত ২৮ জানুয়ারি পাপুলকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন কুয়েতের আদালত। পাশাপাশি তাকে ১৯ লাখ কুয়েতি দিনার বা ৫৩ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়। গত বছরের ৬ জুন রাতে কুয়েতের বাসা থেকে আটক করা হয় পাপুলকে। আটকের সাড়ে সাত মাস আর বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর সাড়ে তিন মাসের মাথায় দণ্ডিত হন তিনি।

সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা আছে- কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার এবং সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবেন না, যদি- (ক) কোনো উপযুক্ত আদালত তাকে অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা করে,(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ার পর দায় হতে অব্যাহতি না পেয়ে থাকেন, (গ) তিনি যদি কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন, (ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং মুক্তির পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে মুক্তি পাওয়ার পর পাঁচ বছর পর্যন্ত তিনি আর সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য বিবেচিত হন না।

Share

আরও খবর



‘বাঙালির সকল বিজয়ের প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৩৫৮জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, বাঙালির সকল বিজয়ের প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সুপরিকল্পিতভাবে ভাষার লড়াই থেকে শুরু করে ক্রমান্বয়ে স্বাধীনতার আন্দোলন ও সংগ্রামে গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। এভাবেই তিনি গণতান্ত্রিক উপায়ে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করেছিলেন।

মঙ্গলবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেইলী রোডের নিজ বাসভবন থেকে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত ভাষা থেকে স্বাধীকার শীর্ষক সেমিনারে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে সেমিনারে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজেদুর রহমান ফারুকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন।

এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বাংলা ভাষার বয়স হাজার বছরের ঊর্ধ্বে হলেও বাংলা ভাষাভাষীদের জাতীয়তাবোধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তাঁর নেতৃত্বেই ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা হয়। এরপর ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের মূল নেতৃত্বে আসীন হয়ে বঙ্গবন্ধুই ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। দেশের সর্বত্র বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনায় বাংলাদেশের মানুষদের উদ্বুদ্ধ ও সুসংগঠিত করেছিলেন।

সেমিনারে শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু কারাগারে থেকে এবং কারাগার থেকে মুক্তির পরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার মধ্য দিয়ে বাঙালিদের ক্রমান্বয়ে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এগিয়ে নিয়ে যান। ৫৪র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের বিজয়, ৬২র শিক্ষা কমিশন আন্দোলন, ৬৬র ছয় দফা দাবী উত্থাপন, ৬৮র আইয়ুববিরোধী আন্দোলন ও ৬৯র গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গোটা বাঙালি জাতিকে চূড়ান্তভাবে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে তোলেন বঙ্গবন্ধু। তাঁরই নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাঙালি জাতি ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে এবং ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করে। তাই বাঙালির সকল অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আর বিজয়ে তিনিই প্রাণপুরুষ।

Share

আরও খবর



মেসির জোড়া গোলে দুর্দান্ত জয়ে বার্সেলোনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৩১জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্প্যানিশ লা লিগায় লিওনেল মেসির পারফর্মেন্সে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। এদিন জোড়া গোল করার পাশাপাশি মেসি সতীর্থের গোলে রাখলেন অবদান। এই জোড়া গোলের সুবাদে পিচিচি ট্রফি জেতার দৌড়ে লুইস সুয়ারেজকে ছাড়িয়ে এককভাবে শীর্ষে ওঠেন মেসি। অন্যদিকে দলকে নিয়ে গেলেন পয়েন্ট টেবিলের তিনে।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজেদের মাঠে বার্সেলোনা ৩-০ গোলে হারায় এলচেকে। মেসির জোড়া গোলের পর তাদের শেষ গোলটি করেন জর্দি আলবা। এই জয়ে চির প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদিদ্রের সঙ্গে ব্যবধান কমালো রোনাল্ড কোম্যানের দলটি। রিয়ালের চেয়ে মাত্র ২ পয়েন্ট দূরে আছে বার্সা।

প্রথমার্ধে একচেটিয়া বল দখলে রাখা বার্সেলোনা খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি এলচের রক্ষণাত্মক কৌশলের কারণে। তাই গোলশূন্য থেকেই বিরতিতে যেতে হয় মেসিদের।

দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয় মিনিটে অপেক্ষার অবসান ঘটায় বার্সেলোনা। ডি-বক্সের মুখে মার্টিন ব্রাথওয়েটের ব্যাকহিলের পাস ধরে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্য ভেদ করেন আর্জেন্টাইন তারকা মেসি। গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে পড়েও আটকাতে পারেনি বল। এই গোলে লা লিগায় লুইস সুয়ারেসকে ছাড়িয়ে এককভাবে শীর্ষে ওঠেন মেসি।

৬৮তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় মেসি। ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের বাড়িয়ে দেয়া বল ধরে দুজনের বাধা এড়িয়ে লক্ষ্যভেদ করেন ছয়বারের বর্ষসেরা এই ফুটবলার। এ নিয়ে আসরে ১৭টি গোল হলো মেসির। তার চেয়ে ২ গোল কম নিয়ে দুইয়ে আছে সাবেক সতীর্থ অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের সুয়ারেজ।

ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে মেসির ক্রস পেয়ে হেডে বক্সের মুখে বল বাড়ান ব্রাথওয়েট। তা ধরে বাঁ পায়ের জোড়ালো শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ডিফেন্ডার আলবা।

বাকি সময়ে আরও দুটি সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি কোম্যানের শিষ্যরা। ফলে ৩-০ গোলের জয়ে নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সা। সব মিলিয়ে দুই ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল দলটি।

জয়ে ফেরার মধ্য দিয়ে পয়েন্ট টেবিলে চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে তিন নম্বরে বার্সেলোনা। ২৪ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। ২৩ ম্যাচে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ।

Share

আরও খবর



পি কে হালদারের দখলে মুশতাকের কুমিরের খামার

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮০৪জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক অবস্থায় কারাগারে মারা যাওয়া মুশতাক আহমেদ ছিলেন দেশের প্রথম কুমির খামারের স্বপ্নদ্রষ্টা ও অন্যতম অংশীদার। সেই কুমির খামারের মালিক এখন আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার। আর কুমির খামারটি পি কে হালদারের হাতে তুলে দেন মুশতাক আহমেদের ব্যবসায়িক অংশীদার মেজবাহুল হক। তিনি বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংকের সাবেক পরিচালক। ২০১৩ সালে রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকার সময় পি কে হালদার কুমির খামারটির নিয়ন্ত্রণ নেন।

এখন ময়মনসিংহের রেপটাইলস ফার্মটি আবার ব্যাংকবহির্ভূত আলোচিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এফএএস ফাইন্যান্সের অন্যতম মালিক। এই এফএএস ফাইন্যান্স থেকেও নামে-বেনামে বিপুল অর্থ বের করে নিয়েছিলেন পি কে হালদার। মুশতাক আহমেদের খামারটি পি কের দখলে যাওয়ার পর সেটির মালিকানার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে পিঅ্যান্ডএল ইন্টারন্যাশনাল, কেএইচবি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাজীব সোম ও তাঁর স্ত্রী শিমু রায়। নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর রেপটাইলস ফার্মের নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণও বের করে নেন পি কে হালদার, যা আর শোধ হচ্ছে না।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে আর্থিক খাতের আলোচিত পি কে হালদার পালিয়েছেন বিদেশে। পি কের বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারির অংশীদার রাজীব সোমও এখন পরিবার নিয়ে কানাডায় থাকেন। ফলে কুমিরের খামারটিও অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। মুশতাক আহমেদের হাতছাড়া হওয়ার পর কুমির চাষের বদলে খামারটির নাম ও জমি ব্যবহার হয়েছে মূলত ঋণ নেওয়ার কাজে। গত বছর কানাডায় যাওয়ার আগে রাজীব সোমের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয় প্রথম আলোর এই প্রতিবেদকের। তিনি সে সময় বলেছিলেন, কুমির খামারটির মালিক মূলত পি কে হালদার। তাঁর হাতে আছে অল্প শেয়ার।

জানা যায়, মুশতাক আহমেদের উদ্যোগে ২০০৪ সালে রেপটাইলস ফার্মটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন পায়। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালিত সমমূলধন সহায়তা তহবিল বা ইইএফ থেকে ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ পায় খামারটি। এ বিনিয়োগের বিপরীতে খামারটির ৪৯ শতাংশ মালিকানা পায় ইইএফ। আর বাকি ৫১ শতাংশ শেয়ারের মধ্যে ৩৬ শতাংশ শেয়ার ছিল মেজবাহুল হকের এবং ১৫ শতাংশ মুশতাক আহমেদের। প্রতিষ্ঠানটির মূলধন ছিল ৫ কোটি টাকা।

রেপটাইলস ফার্মের পর্ষদে মেজবাহুল হক এবং মুশতাক আহমেদ ছিলেন উদ্যোক্তা পরিচালক। তাঁদের মধ্যে মেজবাহুল হক ছিলেন খামারটির চেয়ারম্যান এবং মুশতাক আহমেদ ছিলেন এমডি। আর ইইএফের ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে সাউথইস্ট ব্যাংকের তৎকালীন কর্মকর্তা প্রীতীশ কুমার সরকার ছিলেন মনোনীত প্রতিনিধি। বর্তমানে প্রীতীশ কুমার সরকার এফএএস ফাইন্যান্সের এমডি। আবার এফএএস ফাইন্যান্সের মালিকানার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে খামারটি।

এদিকে গত মে মাসে জেলে যাওয়ার আগে মুশতাক আহমেদ জানিয়েছিলেন, মেজবাহুল হক সম্পর্কে তাঁর মামা। তহবিলস্বল্পতার কারণে ২০০৪ সালে তাঁকে খামারটির সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন তিনি। ওই সময় মেজবাহুল হক মোর্শেদ খানের পক্ষে এবি ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। আর ২০১৩ সালে পি কে হালদারের কাছে খামারটি তুলে দিয়ে মেজবাহুল হক দেশে ছেড়ে চলে যান। পরে একই বছর পি কে হালদারের ধানমন্ডি ১ নম্বর রোডের বাসায় মুশতাক আহমেদও তাঁর নামে থাকা খামারটির শেয়ার হস্তান্তরের দলিলে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন।

মুশতাক আহমেদ ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর ফেসবুকে খামারটির মালিকানা বদল নিয়ে যে লেখাটি দিয়েছিলেন, তার শিরোনাম ছিল কুমিরের খামার এখন হায় হায় কোম্পানি। তিনি লিখেছিলেন, ২০১০ সালের ৩রা জুন ছিল বিশেষ দিন। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ থেকে কুমির রপ্তানি হবে। এর দুই মাস পর তিনি (কোম্পানি চেয়ারম্যান, মেজবাহুল হক) ঘোষণা দিলেন, কোম্পানি বিক্রি করে দেবেন, আমাকে একটা সাদা কাগজ দিয়ে বললেন সেখানে সাইন করতে। আমি বলে দিলাম সেটা সম্ভব না। শুরু হলো ঝামেলা, কোর্টকাচারি। এরপর প্রশান্ত (প্রশান্ত কুমার হালদার) এল সামনে। তিনি আমাকে যা বললেন, তাতে বুঝলাম, প্রশান্তের কথায় রাজি না হলে, আমার আমছালা দুইটাই যাবে। একপর্যায়ে আমি আমার শেয়ার বিক্রি করতে বাধ্য হলাম।

মুশতাক আহমেদ আরও লিখেছেন, চেয়ারম্যান (মেজবাহুল হক) তখন আবার এবি ব্যাংকের ডিরেক্টর ছিলেন, তাই ব্যাংকের কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই প্রশান্তকে সঙ্গে নিয়ে পূর্ণ উদ্যমে ফার্মের সমস্ত অবকাঠামো নির্মাণ শেষ করে ফেলেন। কোম্পানির সমস্ত কাগজপত্র নতুন করে তৈরি করা হয়। সমস্যা দেখা দেয়, যখন জন্মের সময় নয় ইঞ্চি কুমির ছানা দশ বছর পরে আট নয় ফুট লম্বা হয়ে যায়। ৩২০০ কুমির কিলবিল করতে থাকে। প্রশান্ত কুমিরের ফার্মের নামে ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে জমি কিনে, শেয়ার কিনে, কিন্তু কুমির বেচতে পারে না। শেষ পর্যন্ত ইঁদুরের মতো পালায় দেশ ছেড়ে। পান্থপথের ঝকঝকে অফিসে এখন পিয়ন ছাড়া কেউ যায় না। ভালুকার ফার্মে তালা দিয়ে কর্মকর্তারা পলাতক। কর্মচারীরা প্রায় কয়েক মাস যাবৎ বেতন না পেয়ে অসহায় দিন যাপন করছে। সিম্পলের মধ্যে গরজিয়াস একটা কুমিরের খামার এখন হায় হায় কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: পি কে হালদার
Share

আরও খবর



মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা, সামনে নেই শ্রোতা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন বিজেপির এক নেতা। তার পাশে আরও অনেক নেতা। কিন্তু যাদের উদ্দেশে বক্তব্য তারা নেই। চেয়ারগুলো ফাঁকা। গোটা মাঠে একজন মাত্র দর্শক। আরেকজন মঞ্চের নিচে। তিনি মাইক সার্ভিসের লোক। আলোচিত এই ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গে ভাইরাল হয়েছে।

এমনই একটি ছবি শেয়ার করে ট্রোল করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা সাংসদ নুসরাত জাহান। গেরুয়া শিবিরের দিকে কটাক্ষ ভরা এই মিম ছুঁড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন নুসরাত। জনপ্রিয় পাওরি মিমের ধাঁচে একটি মিম শেয়ার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর নুসরাতের সৌজন্যে সেই মিম ভাইরাল হয়েছে।

বাংলায় যে বিজেপির কোনও জায়গা নেই, এটাই দেখানো হয়েছে মিমে। ফাঁকা মাঠে বিজেপির সভা হচ্ছে- এমন একটি ছবির নিচে ক্যাপশন, ইয়ে বিজেপি ফর বেঙ্গল হ্যায়। ইয়ে উনকি জনসভা হ্যায়। ঔর ইঁহা ইনকি পাওরি হো রহি হ্যায়।

হিন্দিতে ক্যাপশন লেখার কারণ হলো- অধিকাংশ বিজেপিই হিন্দি ভাষার লোক। কিছু দিন আগে পাকিস্তানি মডেল দানানীর একটি ভিডিওতে একদম বিদেশি উচ্চারণে পার্টিকে পাওরি উচ্চারণ করে বলেছিলেন, এই আমি। এটা আমার গাড়ি। আর এখানে পার্টি চলছে।

রাতারাতি ভাইরাল সেই ভিডিওতে ইউটিউবার যশরাজ মুখাটে ফান এলিমেন্ট যোগ করতেই রমরমিয়ে চলছে পাওরি ভার্সান। যুব সম্প্রদায়ের নজর টানতে তাই শাসকদলের হাতিয়ার নয়া পাওরি ভার্সান। ঠিক যেভাবে বাম দল ২৮ ফেব্রুয়ারির বিগ্রেড মিটিংয়ের প্রচারে দ্বারস্থ হয়েছে টুম্পা সোনার।

Share

আরও খবর



আবারো ভয়ের মুখে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১০৩জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতে অনুপ্রবেশের কারণে দেশটির সরকার গ্রেপ্তার করতে পারে এই আশঙ্কায় ভারত থেকে পালিয়ে যাচ্ছে কিংবা এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে লুকিয়ে পড়ছে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা।

গত মাসে ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেশজুড়ে বেশকিছু সংখ্যক রোহিঙ্গাকে ধরে কারাগারে পাঠিয়েছে। এর ফলে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের মনে ভয় দেখা দিয়েছে।

নিজাম উদ্দিন নামের একজন রোহিঙ্গা শরণার্থী সপরিবারে গত মাসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি গ্রাম থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে কয়েকশ রোহিঙ্গা বসবাস করে আসছিল। কিন্তু রাজ্যে কয়েকজন রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করার পর, অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছে। তাদের বেশির ভাগ অন্য রাজ্যে আত্মগোপন করেছে। বাকীরা বাংলাদেশে ঢুকেছে।

নিজাম উদ্দিন বলেন, আমার পরিবার ধরা পড়লে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ প্রথমে আমাদের কারাগারে পাঠাতো, তারপর মিয়ানমারে পাঠিয়ে দিত। মিয়ানমার এখনো রোহিঙ্গাদের জন্য অত্যন্ত অনিরাপদ। আমরা সেই নরকে যেতে চাই না। আটক হওয়ার ভয়ে আমি ভারত থেকে পালিয়েছি।

শরণার্থী বিষয়ে কাজ করেন ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন একজন কর্মকর্তার কাছে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

এক বছর আগের হিসাব অনুযায়ী, মোট ৪০ হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থী ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ভারত ১৯৫১ সালের জাতিসংঘ শরণার্থী কনভেনশনে স্বাক্ষর করেনি। তাই ভারতে অনুপ্রবেশকারী সব রোহিঙ্গাকে তারা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে দেখে থাকে।

Share

আরও খবর