আজঃ শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪
শিরোনাম

পাথরঘাটায় দু’টি চিত্রা হরিণ উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনা পাথরঘাটায় লোকালয়ে আসা দুইটি চিত্রা হরিণ উদ্ধার করা করেছে বন বিভাগ। বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৯ টার সময় পাথরঘাটা উপজেলা চরদুয়ানী ইউনিয়নের বান্দাকাটা নামক এলাকায় খাদ্যের সন্ধানে লোকালয় ঢুকে পড়া হরিণ দুটি উদ্ধার করা হয়।

বন বিভাগের জ্ঞানপাড়া বিশেষ শহর টিমের ভারপ্রাপ্ত অফিসার্স ইনচার্জ ওবায়দুল রহমান আজকের দর্পণকে বলেন, হঠাৎ করে সকালে দুইটি চিত্রা হরিণ সুন্দরবন থেকে খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। মানুষ দেখে হরিণ দুটি ভয়ে দৌড়াদৌড়ি করে। এক পর্যায়ে বেরিবাদের পাশে থাকা জালে একটি হরিণ বেঁধে যায়। কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় হরিণটিও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় উদ্ধার করে ফরেস্ট ক্যাম্পের নিয়ে যাওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে সুন্দরবন একেবারেই কাছাকাছি হওয়ায় হয়তো হরিণ দুটি ভুল করে খাবারের সন্ধানে এই এলাকায় এসেছে।

হরিণ দুটি দ্রুতই সুন্দরবনে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি কারণ চিত্রা হরিণ বেশি মানুষ দেখলে স্টক করে মারা যায়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, এই এলাকায় কয়েকটি সক্রিয় হরিণ চোরা কারবারি গ্রুপ আছে হয়তো তারাও এই হরিণ দুটি লোকালয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসতে পারে। তাই হরিণ রক্ষায় বন বিভাগের নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন বলে দাবি করেন তারা।


আরও খবর



চট্টগ্রামে বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানের এক পাইলট নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় এক পাইলট মারা গেছেন। তবে প্রাথমিকভাবে তার নাম এবং বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ বন্দর জোনের উপকমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা বলেন, চট্টগ্রাম নৌবাহিনী হাসপাতালের চিকিৎসক ওই পাইলটকে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত ঘোষণা করেছেন।

এর আগে এক বার্তায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি ইয়াক-১৩০ (YAK 130) প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। পরে বিমানের দুজন পাইলটকে উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, বিমানটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরে এটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। একপর্যায়ে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এসময় বিমানে থাকা দুজন পাইলট প্যারাশুট দিয়ে নেমে যান। একপর্যায়ে বিমানটি কর্ণফুলী নদীতে বিধ্বস্ত হয়।

দুর্ঘটনাস্থলের পাশেই সার্জেন্ট জহুরুল হক বিমান ঘাঁটির অবস্থান। দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি সেখান থেকে উড়াল দিয়েছিল বলে জানা গেছে।


আরও খবর



কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং করতে নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং শুরু করতে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় তিনি এ নির্দেশ দেন।

আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আজকে নির্ধারিত ইস্যুর বাইরে দুটি বিষয় ছিল। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে কঠোরভাবে বলেছেন, বাজার মনিটরিং যেন জোরালোভাবে হয় এবং ভালোভাবে নজর দিতে বলেছেন। বাজারে পণ্যের সরবরাহ বা সাপ্লাই যেন ঠিক থাকে, সে নির্দেশনাও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, কিছু কিছু পণ্যের সরবরাহ ঠিক আছে। আবার ক্রাইসিস না থাকা সত্ত্বেও বাজারে কৃত্রিমভাবে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রবণতার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কঠোরভাবে যেন বাজার মনিটরিং শুরু করা হয়, সেজন্য প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্টভাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন।


আরও খবর



‘কেএনএফের কার্যক্রম যতদিন থাকবে, যৌথবাহিনীর অভিযান ততদিন চলবে’

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, কেএনএফের কার্যক্রম যতদিন থাকবে যৌথ অভিযান ততদিন চলবে। সরকারের আদেশে কুকি-চিন সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে বিভিন্ন বাহিনী মিলে যৌথ বাহিনী হিসেবে অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। সোমবার (১৩ মে) বিকেলে বান্দরবানের থানচি ও রুমা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে সেনাবাহিনীর আওতাধীন বিভিন্ন বাহিনী মিলে যৌথ বাহিনী হিসেবে সরকারের আদেশে কুকি-চিন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, তা সরেজমিনে দেখতে এসেছেন। থানচি বলিপাড়া ৩৮ বিজিবি ও রুমা ৯ ব্যাটালিয়ান বিজিবি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে। তাদের উৎসাহ, পরামর্শ প্রদান করার জন্য তিনি এসেছেন বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, বলিপাড়ায় একটি নতুন বেইস ক্যাম্প করা হয়েছে। বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অপারেশন এবং সীমান্তের ওপারে যাতে কেএনএফ সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য বিজিবির সব সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যাংক ডাকাতির মতো দুঃসাহসিক সন্ত্রাসী কার্যকলাপ দেখিয়ে কেউ পার পাবে না। এ এলাকার সাধারণ বম জনগোষ্ঠীরাও কেএনএফের সন্ত্রাসী ঘটনা সমর্থন করে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরীহ বম সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচারের অপপ্রচারের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানান তিনি।

মতবিনিময়কালে বিজিবি মহাপরিচালক সবাইকে অপারেশনাল, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পরে তিনি বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ স্পটহাইট টিওবি, থানচি বিওপি এবং থানচি বাজার পোস্ট পরিদর্শন করেন।

এ ছাড়া বিজিবির মহাপরিচালক রুমা ব্যাটালিয়নের (৯ বিজিবি) ব্যাটালিয়ন সদর এবং অধীনস্থ দোপানিছড়া বিওপি পরিদর্শন করেন এবং সব পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বান্দরবান বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সোহেল আহমেদ, কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম, বান্দরবান ব্রিগেড কমান্ডার মেহেদি হাসান, ররুমা ৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেনান্ট কর্নেল হাসিবুল হকসহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২ ও ৩ এপ্রিল রুমা ও থানচিতে সোনালী ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতি, ব্যাংক ব্যবস্থাপক অপহরণ, টাকা লুট ও পুলিশ-আনসারের ১৪টি অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ব্যাংক ব্যবস্থাপক উদ্ধার হলেও লুট হওয়া অস্ত্র ও টাকা উদ্ধার করা যায়নি। সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ এ সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, অস্ত্র ও টাকা উদ্ধারের অভিযানে অংশ নিচ্ছেন সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। অভিযান সমন্বয় করছে সেনাবাহিনী।


আরও খবর



রেমালের আঘাতে সারাদেশে নিহত ১০

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে সারাদেশে অন্তত ১০ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বরিশাল বিভাগের সাতজন, খুলনা বিভাগের দুজন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের একজন রয়েছেন। এ তিন বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের বরাত দিয়ে এই সংখ্যা জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।

বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. শওকত আলী সাতজনের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অধিকাংশই নিহত হয়েছেন বিধ্বস্ত ঘর অথবা ধসে পড়া দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে শুরু হওয়া বৃষ্টিপাত এখনো চলছে এবং একই সঙ্গে বাতাসও বইছে তীব্র গতিতে।

খুলনা বিভাগে দুজন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করে বিভাগীয় কমিশনার হেলাল মাহমুদ বলেন, এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে খুলনা বিভাগে অন্তত ১ লাখ ২৩ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৩১ হাজার ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম চট্টগ্রামে একজন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করে  জানিয়েছেন, প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এখনো তার বিভাগে অন্তত ৪০ হাজার মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে।

অন্যদিকে, রিমালের কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষ বিদ্যুৎসংযোগহীন হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের মুখ্য প্রকৌশলী বিশ্বনাথ শিকদার জানিয়েছেন, অন্তত ১ কোটি ২৫ লাখ মানুষ বিদ্যুৎ সংযোগহীন অবস্থায় আছেন।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা আবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করব।


আরও খবর



চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্বাভাবিক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব কেটে যাবার পর চট্টগ্রাম বন্দর জেটিতে শুরু করেছে জাহাজের পণ্য ওঠানামা। কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কাজ শুরু হয়েছে।

পণ্য খালাস বন্ধ করে গভীর সাগরে ফেরত পাঠানো ৪৯টি খোলা পণ্যবাহী জাহাজও বহির্নোঙ্গরে ফিরতে শুরু করেছে। ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় এসব জাহাজের অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছিল।

আবহাওয়া অধিদফতর চট্টগ্রামে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত তুলে নেওয়ার পর ১৭ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সোমবার ভোর ৫টা থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে। অন্যদিকে ১৮ ঘণ্টা পর খুলে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।

মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল ১১টা থেকে জেটিতে জাহাজ ভেড়ার পরপর পণ্য উঠানামার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব কেটে গেলেও সাগর উত্তাল রয়েছে। পণ্য খালাস বন্ধ করে গভীর সাগরে ফেরত পাঠানো ৪৯টি পণ্যবাহী জাহাজও বহির্নোঙ্গরে ফিরতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার সকালে ১৯টি জাহাজের মধ্যে ১১টি জাহাজ বন্দরের জেটিতে ভিড়েছে। পণ্য উঠানামার কাজ শুরু হয়েছে। বাকি ৯টি জাহাজ বহির্নোঙ্গর থেকে রওনা দিয়েছে। আবহাওয়া পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে জাহাজ জেটিতে ফিরতে শুরু করবে।' 

ঘূর্ণিঝড় রেমাল ঝুঁকি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ রবিবার সকালে নিজস্ব অ্যালার্ট-৪ জারি করেছিল। এতে সমুদ্র বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম পুরােপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত সোমবার সকালে প্রত্যাহার করা হয়। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলার পর থেকেই বন্দর কর্তৃপক্ষ অ্যালার্ট-৪ প্রত্যাহার করে। ফলে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম বলেন, 'ঘূর্ণিঝড় প্রভাব কেটে যাওয়ার পর বন্দরের কার্যক্রম এখন স্বাভাবিক রয়েছ। জোয়ারের সাথে মিল রেখে জাহাজ আনা-নেওয়া কার্যক্রম শুরু হয়েছে।'

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব কমে যাওয়ার পর চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ ফেরত আনার উদ্যোগ নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। বৈরি আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় পাইলটরা বহির্নোঙ্গর থেকে অনেস জাহাজ আনতে পারেননি। তবে ইয়ার্ডে অপারেশন আংশিকভাবে শুরু হয়েছিল।

গত রোববার (২৬ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি থেকে ১৬টি জাহাজ বহির্নোঙ্গর থেকে ৪৯টি জাহাজ গভীর সাগরে চলে যায়।

বন্দর সূত্র জানায়, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে প্রায় দুইদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ থাকে। দেশের প্রধান এই বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানির ৯২ শতাংশই হয়ে থাকে। বৃষ্টিতে বহির্নোঙরে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে পণ্য খালাস ব্যাহত হয়। তবে সাগর কিছুটা উত্তাল থাকায় বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য খালাস কিছুটন বিলম্বিত হতে পারে।


আরও খবর