আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

পদে পদে এডিসি হারুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

শাহবাগ থানায় ওসির (তদন্ত) কক্ষে ছাত্রলীগ নেতাদের মারধরের ঘটনার পুলিশের তদন্ত শেষ পর্যায়ে। মঙ্গলবার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ২৫-৩০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হারুন-অর-রশীদ, এডিসি সানজিদা আফরিন, পরিদর্শক মো. গোলাম মোস্তফা রয়েছেন।

ছাত্রলীগের ভুক্তভোগী নেতা এবং ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল ও থানার প্রত্যক্ষদর্শীদেরও সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশের বর্ণনায় হারুনের বিরুদ্ধে হাসপাতাল থেকে থানায় নির্যাতন পর্যন্ত নিপীড়নমূলক ভূমিকায় থাকার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে হারুন এবং সানজিদা এ ঘটনার সূত্রপাতের জন্য রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক খান মামুনকে দায়ী করেছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এবং ভুক্তভোগীরা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তদন্তসংশ্লিষ্ট ডিএমপির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মঙ্গলবার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। এখন যে তদন্ত চলছে এর মাধ্যমে মূলত ঘটনায় কার কী ধরনের ভূমিকা সেটি নিরূপণ করা হবে। প্রাথমিক তদন্তে সাধারণত শাস্তির সুপারিশ করা হয় না। কার বিরুদ্ধে কোন অপরাধ সেটি বলা হয়। বিভাগীয় তদন্তে গিয়ে শাস্তির সুপারিশ করা হয়। তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি মূলত কে কী কাজ করেছে এর পাশাপাশি কোন বিষয়টি শাস্তিযোগ্য, কোনটি শাস্তিযোগ্য নয়, সেগুলো বলবে। এরপর বিভাগীয় তদন্ত হবে।

তদন্ত কমিটি ঘটনার মূল ভুক্তভোগী ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নাঈম এবং ছাত্রলীগের বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিমেরও বক্তব্য নিয়েছে। তারা তদন্ত কমিটির কাছে ঘটনার আদ্যোপান্ত ও নির্যাতনের বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

সেদিনের ঘটনায় এডিসি হারুনের পর সবচেয়ে আগ্রাসী ভূমিকায় পাওয়া গেছে পরিদর্শক মোস্তফাকে। এদিকে আহত ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষ থেকে হামলায় ১০-১৫ জনের অংশগ্রহণের কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত তদন্তে ৮-১০ জনের নাম উঠে এসেছে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর দিন রাতে শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে রমনা জোনের তৎকালীন এডিসি হারুন-অর-রশীদসহ ১০-১৫ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে।

নির্যাতিতদের অভিযোগ, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে এপিএস মামুনের স্ত্রী সানজিদার সঙ্গে হারুনকে দেখে ফেলায় তাদের ওপর এ নির্যাতন নেমে আসে। থানা হেফাজতে নিয়ে পিটিয়ে তাদের রক্তাক্ত করা হয়।

তবে হারুন ও সানজিদার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সানজিদার স্বামী মামুন সেখানে গিয়ে ঘটনাটিকে বড় করেন। তিনিই প্রথম হারুনের শরীরে আঘাত করেন। ঘটনার শুরু সেখানেই।

রংপুর রেঞ্জে যোগ দেননি হারুন: এ ঘটনার পরদিন এডিসি হারুনকে রমনা জোন থেকে প্রত্যাহার করে ডিএমপির পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) সংযুক্ত করা হয়। সেদিন রাতেই আবার তাকে এপিবিএন-এ বদলি করা হয়।

এ নিয়ে আপত্তি উঠলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। ছাত্রলীগ নেতারা এ নিয়েও আপত্তি তুললে সর্বশেষ ১২ সেপ্টেম্বর তাকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়। যদিও তিনি এখনো রংপুর রেঞ্জে যোগদান করেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মো. আব্দুল বাতেন বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হারুন-অর-রশীদ এখনো রংপুরে যোগদান করেননি। এ ধরনের আদেশে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদান করতে হয়।


আরও খবর
কে এই আবেদ আলী

সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪




দেশে ফিরেছেন ৫৬ হাজার ৩৩১ হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৬২

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজার ৩৩১ হাজি দেশে ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৬২ জন। সোমবার (৮ জুলাই) হজ পোর্টালের সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, সৌদি থেকে ১৪৪টি ফ্লাইটে এসব হাজি বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৬৬টি ফ্লাইটে ২৪ হাজার ১৪৪ জন, সৌদি এয়ারলাইনসের ৫২টি ফ্লাইটে ১৯ হাজার ৭০২ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৬টি ফ্লাইটে ৯ হাজার ৭১৫ হাজি দেশে ফিরেছেন।

চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৬২ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ৪৯ এবং নারী ১৩ জন।

হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম জানান, নির্ধারিত সংখ্যার মধ্যে কতজন সরকারি ব্যবস্থাপনায় আর কতজন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাবেন তা বাংলাদেশ সরকার পরে নির্ধারণ করে দেবে।


আরও খবর
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪

আজ পবিত্র আশুরা

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




জয়পুরহাটে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) মধ্যকার বৈষম্য দূরীকরণসহ অভিন্ন চাকরিস্থায়ী করণের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনেও জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পালন করছে।

সোমবার (১লা জুলাই) থেকে শুরু হওয়া আজ মঙ্গলবার (২ জুলাই) ও জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচিতে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার, হিসাবরক্ষক, লাইনম্যান, মিটার রিডারসহ কর্মকর্তা কর্মচারীরা অংশ নেয়। কর্মসূচী চলাকালে দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ আছে।

কর্মবিরতী চলাকালে বক্তারা বলেন, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুই রকম নীতির কারণে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা হতে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারী।

দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে নিয়োজিত কর্মীরা একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও পদ-পদবি, বেতন-ভাতা, বোনাসসহ পদোন্নতির ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার, শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন অব্যাহত রাখা, গুণগত মানহীন মালামাল ক্রয় করে গ্রাহক ভোগান্তি করে আসছে। সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন সময় গণস্বাক্ষরও সংগ্রহ, বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি প্রদানসহ নিয়মতান্ত্রিক ভাবেই তাদের দাবি দাওয়া বাস্তবায়নে চেষ্টা করে আসছে।

কিন্তু সমিতির নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় থাকা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) তাদের দাবি না মেনে বরং উল্টো প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত ভোলা পবিসের ২ জন এজিএমকে সাময়িক বরখাস্ত ২ জন এজিএমকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে অন্য পিবিএসে বদলী এবং সিরাজগঞ্জ পবিস-২ এর ১ জন ডিজিএম এবং ১ জন এজিএমকে বোর্ডে সংযুক্ত করে।

এতে ৮০টি পবিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী ক্ষুব্ধ হয়। তবে আন্দোলনে থাকাকালীন জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রতিটি উপকেন্দ্রে একজন করে জনবল কাজ করছে বলে জানান আন্দোলনকারীরা। সেই সাথে সকল ধরনের গ্রাহক সেবা চালু থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা জানায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি দেশের প্রায় ১২ কোটি মানুষকে সার্বক্ষণিক নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা দিয়ে যাচ্ছে। বিআরইবি দ্বারা নিয়মতান্ত্রিত এসব সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রতিনিয়ত নানান বৈষম্যেও শিকার হচ্ছেন।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লাইন টেকনিশিয়ানরা বলেন, লাইনম্যান গ্রেড-১ ও লাইন টেকনিশিয়ান পদে দীর্ঘ অনেকে ১৫ থেকে ১৭ বছর পর্যন্ত একই পদে কর্মরত থাকার পরও পদোন্নতি হয়না। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে ওই পদ ফাঁকা থাকা সত্বেও পদোন্নতি না পাওয়াতে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি। তাদের দাবিগুলো না মেনে নেওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে।


আরও খবর



১৩০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছেন বিদেশি নাগরিকরা: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জানিয়েছেন, গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকরা তাদের আয় থেকে ১৩০.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিজ নিজ দেশে নিয়ে গেছেন।

সোমবার (২৪ জুন) সংসদে ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল কাদের আজাদের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বছরে আয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত নেই। গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকরা তাদের আয় থেকে ১৩০.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিজ নিজ দেশে নিয়ে গেছেন।

কোন দেশের নাগরিকরা কত ডলার নিয়েছেন সেই তথ্য জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভারতের নাগরিকরা ৫০.৬০ মিলিয়ন ডলার, চীনের নাগরিকরা ১৪.৫৬ মিলিয়ন ডলার, শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা ১২.৭১ মিলিয়ন ডলার, জাপানের নাগরিকরা ৬.৮৯ মিলিয়ন ডলার, কোরিয়ার নাগরিকরা ৬.২১ মিলিয়ন ডলার, থাইল্যান্ডের নাগরিকরা ৫.৩০ মিলিয়ন ডলার, যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ৩.৫৯ মিলিয়ন ডলার, পাকিস্তানের নাগরিকরা ৩.২৪ মিলিয়ন ডলার, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা ৩.১৭ মিলিয়ন ডলার, মালয়েশিয়ার নাগরিকরা ২.৪০ মিলিয়ন ডলার ও এর বাইরে অন্যান্য দেশের নাগরিকরা ২১.৯২ মিলিয়ন ডলার নিজ দেশে নিয়ে গেছেন।

এমপি আব্দুল লতিফের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অর্থ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মূল্যস্ফীতির চলমান সংকটের মূলে যে কারণগুলো রয়েছে তা হলো বৈশ্বিক পণ্য বাজারে সরবরাহে অনিশ্চয়তা, মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়া এবং দেশের বাজারে সরবরাহ শৃঙ্খলে ত্রুটি। অর্থনৈতিক এ সংকট কাটিয়ে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বিশ্ববিদ্যালয়ে আটকেপড়া পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করল হেলিকপ্টার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ভেতর থেকে হেলিকপ্টারে করে পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে দুটি হেলিকপ্টার প্রবেশ করে। পরে একটি হেলিকপ্টারে কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

এর আগে আজ সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে শিক্ষার্থীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ এলাকার সংঘর্ষে দুলাল মাতবর নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং ঢাবি প্রশাসনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে এ কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। গতকাল বুধবার রাত পৌনে ৮টায় সংগঠনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুক পোস্টে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

ঘোষণা অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার হাসপাতাল ও জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া কোনো যানবাহন চলবে না বলেও জানানো হয়।


আরও খবর



রাবিতে হল বন্ধের ঘোষণার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আসিক আদনান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Image

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে মঙ্গলবার সারাদেশে ব্যাপক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে আজ দুপুর ১২টার মধ্যে হল ত্যাগের ঘোষণা দেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এদিকে হল বন্ধের ঘোষণার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরারা।

বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান মাঠে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করেন। এসময় শহীদ হবিবুর রহমান হলের প্রথম ব্লকের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় গিয়ে ছাত্রলীগের বেশ কয়েকটি রুমে ভাংচুর চালান শিক্ষার্থীরা এবং সেখানে রুমে থাকা বিছানাপত্র বাহির ফেলে অগ্নিসংযোগ ঘটান তারা। পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মেয়েদের হলগুলোর দিকে যান।

হল প্রহরীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শহীদ হবিবুর রহমান হলে যেসব রুমগুলোতে ভাংচুর চালান শিক্ষার্থীরা এর আগে গতকাল সেসব রুমগুলোতে কোটা আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে তাদের রুমে মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরই প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আজ ছাত্রলীগের এ রুমগুলোতে ভাংচুর চালান ও তাদের জিনিসপত্রে বাহিরে ফেলে অগ্নিসংযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগ না করতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা জুরে মাইকিং করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা সকল শিক্ষার্থীদেরকে একত্রিত হওয়ার জন্য আহবান জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আসাবুল হক বলেন, শিক্ষার্থীরা আবারও বিক্ষোভ সমাবেশ করছে। আমরা তাদেরকে অনুরোধ করবো তারা যেন শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করেন। রাষ্ট্র্রীয় সম্পদে যেন ক্ষয়ক্ষতি না করে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪