আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

পেঁয়াজের বাজারে ফের অস্থিরতা, ক্ষণে ক্ষণে বাড়ছে দাম

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরই দেশের বাজারে হু হু করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। একদিনের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১২০ টাকা। রাজধানীর খুচরা বাজারে এখন এ পেঁয়াজের কেজি ২৪০ টাকা। আর কেজিতে ৯০ টাকা বেড়ে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। কেউ কেউ ২২০ টাকাও দাম হাঁকছেন।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর রামপুরা কাঁচাবাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, গোদারাঘাট, উলন বাজারসহ কয়েকটি বাজারে ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এ বাজারগুলোতে বিক্রি হচ্ছে সবই ভারতীয় পেঁয়াজ। কোথাও দেশি পেঁয়াজের দেখা মেলেনি।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, প্রতি ক্ষণে ক্ষণে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। এজন্য পাইকাররা দেশি পেঁয়াজ ছাড়ছেই না। কারওয়ান বাজার, শ্যামবাজারেও ভোরে যে দাম ছিল, সকাল ৯টায় তা মণপ্রতি ৮০০-১০০০ টাকা বেড়ে গেছে। বিকেল নাগাদ বাজারে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়তে পারে।

মধ্যবাড্ডা বাজারের ব্যবসায়ী সিরাজ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ভোরে শ্যামবাজার থেকে বহু কষ্টে এলসির (ভারতীয়) দুই মণ পেঁয়াজ এনেছি। আমি পাইকারিতে কিনেছি ৭ হাজার ৪০০ টাকা মণ দরে। আনতে খরচ পড়ছে ৪০০-৪৫০ টাকা। এখন ২০০ টাকা কেজি না বেচলে তো লস।

সংবাদকর্মী পরিচয়ে পেঁয়াজের বাজার দর জানতে চাইলে রামপুরা কাঁচাবাজারের খুচরা বিক্রেতা রোকন আলী বলেন, ভাই, খবর লিখা লাভ নাই। পারলে দুই কেজি পেঁয়াজ লইয়া যান। দুপুর গড়ালেই কিন্তু দাম আরও ৫০ টাকা বাইড়া যাইবো।

তিনি জানান, সকালে কারওয়ান বাজারের পাইকার সুবাসের আড়ত থেকে তিন মণ পেঁয়াজ এনে খুচরা বিক্রি করছেন। কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে দেশি পেঁয়াজের মণ এখন ৮ হাজার ৮০০ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজের মণ ৭ হাজার ৬০০ টাকা। আড়তদাররা দেশি পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন। সবাই ভারতীয় পেঁয়াজ এনে বিক্রি করছেন।

রাতারাতি পেঁয়াজের এমন দাম বৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। বাজারে এসে অনেকে পেঁয়াজ না কিনে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে গলাকাটা দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

উলনবাজারে কথা হয় ক্রেতা সাইদুলের সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, দুদিন আগেও দেশি পেঁয়াজ কিনলাম ১২০ টাকা করে। আজকে এসে দেখি সেটা ডাবল হয়ে গেছে। শুক্রবারও না কি ১৪০ টাকা কেজি ছিল। রাতের মধ্যেই বেড়ে গেলো ১২০ টাকা। এটা কেমন কথা? দেশে কী কোনো সরকার নেই?

ক্রেতা সাইদুলের বক্তব্য অনুযায়ী, তার কাছে দেশি পেঁয়াজের কেজি ২৬০ টাকা চাওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত। ৮ ডিসেম্বর এ আদেশ জারি করে দেশটির সরকার। এদিন বিকেলে বাংলাদেশের বাজারে এ খবর ছড়িয়ে পড়ে। এরপর রাতেই দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে ১৮০-১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিল। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল ১৪০-১৫০ টাকা কেজি। রাত পোহাতেই তা আরও এক দফা বাড়ে।

জানা গেছে, ভারতের বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে রপ্তানি বন্ধের পদক্ষেপ নেয় দেশটির ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি)। তবে পেঁয়াজ রপ্তানির জন্য যদি কোনো দেশ ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ জানায়, তাহলে তা বিবেচনা করবে সংস্থাটি।

নিউজ ট্যাগ: পেঁয়াজের দাম

আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নাইক্ষ্যংছড়ির ৫টি বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় চলমান অস্থিরতার কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে। পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আক্তারুন্নাহার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্কুলগুলো হলো- বাইশারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাজাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিমকুল তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

স্থানীয় পরিস্থিতির উন্নতি হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বান্দরবান পার্বত্য জেলা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনাক্রমে বর্ণিত বিদ্যালয়গুলোতে পুনরায় পাঠদান করাসহ বিদ্যালয় খোলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।


আরও খবর



টানা তিন দিন গ্যাস থাকবে না যেসব জেলায়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পাইপলাইন মেরামত কাজের জন্য পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (পিজিসিএল) আওতাধীন উত্তরবঙ্গের চার জেলায় টানা তিন দিন (৬০ ঘণ্টা) গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা থেকে রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা পর্যন্ত  এ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে পিজিসিএল।

পিজিসিএলের আওতাধীন এলাকা হলো- রাজশাহী জেলার রাজশাহী সিটি করপোরেশন, সিরাজগঞ্জ জেলার সিরাজগঞ্জ সদর, উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুর উপজেলা, পাবনা জেলার পাবনা সদর, বেড়া, সাঁথিয়া ও ঈশ্বরদী উপজেলা, বগুড়া জেলার বগুড়া সদর ও শাজাহানপুর উপজেলা।

পিজিসিএলের দেয় এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকায় গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি জিটিসিএলের ৩০ ইঞ্চি ব্যাসের ১ দশমিক ৩২ কিলোমিটার গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন প্রতিস্থাপনের জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টার মধ্যে (যথাসম্ভব স্বল্পতম সময়ের মধ্যে) টাই-ইন/হুক-আপ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। ওই কার্যক্রম চলাকালে পিজিসিএল অধীন এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।

এছাড়াও ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা থেকে রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা পর্যন্ত পিজিসিএলের আওতাধীন বগুড়া, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার সব শ্রেণির গ্রাহক ৬০ ঘণ্টা গ্যাস পাবে না। তবে এই সময়ের আগে কাজ সম্পন্ন হলে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

কোম্পানির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানির মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৪১১টি সংযোগের মধ্যে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংযোগ, ৫৩টি ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংযোগ, ৩১টি সিএনজি ফিলিং স্টেশন সংযোগ, ১৩৩টি শিল্প সংযোগ, ৩৩২টি বাণিজ্যিক সংযোগ এবং এক লাখ ২৮ হাজার ৮৫২টি আবাসিক সংযোগ রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: পিজিসিএল

আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সরিষাতে বাম্পার ফলনের সপ্ন দেখছেন মেহেরপুর জেলার চাষিরা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আব্দুল আলিম, মেহেরপুর

Image

গত ১০ বছর সরিষা চাষ থেকে আগ্রহ উঠে গিয়েছিলো চাষিদের, আমরা আবার এবছরে পড়ে থাকা ধানি জমিতে সরিষা করেছি। এতে একদিকে বাড়ির তেলের চাহিদা মিটবে অন্যদিকে বাজারজাতও করতে পারবো। তাতে করে আমরা আর্থিক ভাবে লাভবান হবো। এমনটাই বলছিলেন মেহেরপুর গাংনী উপজেলার সরিষা চাষি মিলন হোসেন।

চলতি মৌসুমে ব্যাপক সরিষার চাষ হয়েছে। যেদিকে তাকাই মাঠ জুড়ে সরিষা আর সরিষা। আমন ধান কেটেই ধানি জমিতে কেউ বাণিজ্যিকভাবে আবার কেউ বাড়িতে খাওয়ার জন্য সরিষা চাষ করেছিলেন। ইতোমধ্যে বেশিরভাগ সরিষা ক্ষেতে পরিপক্ব হয়ে পাকতে শুরু করেছে তবে যারা আগাম ভাবে সরিষা চাষ করেছিলেন তারা অনেকেই সরিষা উত্তোলন করে মাড়াই করছেন। এবছরে সরিষাতে বাম্পার ফলনের সপ্ন দেখছেন মেহেরপুর জেলার চাষিরা।

লাভের আশায় তাদের মুখে এখন হাসি। জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠে মাঠে সরিষার আবাদ দেখা গেছে। মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্য। আমন ফসল ঘরে তোলার পর স্বল্প সময়ে সরিষা একটি লাভজনক ফসল হওয়ায় অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে অতিরিক্ত ফসল হিসেবে সরিষা করেছেন। এতে চাষিদের একদিকে তেলের চাহিদা মিটবে অন্যদিকে আর্থিক ভাবে লাভবানও হবেন এ জেলার চাষিরা।

মেহেরপুর জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবছরে জেলায় ১৬৮০০ জনকে কৃষি প্রণোদনা দিয়েছি। এবছরে সরিষার চাষের লক্ষমাত্র ধরা হয়েছে ৬৯৭৩ হেক্টর। লক্ষমাত্র ছাড়িয়ে প্রায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ বেশি হয়েছে।

সারিষা চাষি দুলাল জানান, বছরে দুইবার ধান করার পড়ে জমি পড়ে থাকে। এই যে সরিষার নতুন নতুন জাত আসছে সল্প সময়ে হয়ে যাচ্ছে। এই সরিষা আমরা ধানের ভিতরে বুনে দিয়েছি তাতে ধানিতে জমিতে খুব সুন্দর সরিষা হচ্ছে। বিঘা প্রতি ৪ থেকে ৫ মন সরিষা উৎপাদন হচ্ছে। আবার একই বছরে তিনটা ফসল হচ্ছে তাতে আমাদের বছরে যে তেল লাগছে তা আর কেনা লাগছেনা। তেল কেনার খরচটাও কমে যাচ্ছে বাকিটা আমরা বাজার জাত করতে পারছি। দুলালের মতো অনেকেই সরিষার চাষ করেছেন। তারাও একই কথা বলছেন।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক বিজয়কৃষ্ণ হালদার জানান, জেলায় এবছরে ধান, ভুট্ট, গমসহ সরিষার আবাদ হয়েছে। তার মধ্যে বেশি আবাদ হয়েছে সরিষার। আমরা কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা, কৃষক প্রশিক্ষণ, উঠান বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকদের সরিষা চাষে উদ্ধুদ্ধ করি। আগামীতে আরো সরিষার আবাদ বৃদ্ধি পাবে। কৃষকদেরকে সকল ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: মেহেরপুর

আরও খবর



আসন প্রতি লড়বেন ১০৮ জন

আজ থেকে শুরু জাবির ভর্তি পরীক্ষা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

আজ থেকে শুরু হচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। যা ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। তবে ৩-৫ মার্চের মধ্যে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব এবং চারুকলা বিভাগের ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কার্যালয়ের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ইউনিটের অধীনে গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদ এবং ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির মোট ৬টি শিফটের পরীক্ষার মধ্যদিয়ে এ বছরের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে।

এরপর ২৫ ফেব্রুয়ারি সি১ ইউনিটে অধীনে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ এবং চারুকলা বিভাগ, সি ইউনিটের অধীনে কলা ও মানবিকী অনুষদ এবং বঙ্গবন্ধু ও তুলনামূলক সাহিত্য সংস্কৃতি ইন্সটিটিউটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি মোট ৮ শিফটে ডি ইউনিটের অধীনে জীববিজ্ঞান অনুষদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

পরদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল সোয়া ৪টা পর্যন্ত বি ইউনিটের অধীনে সমাজবিজ্ঞান ও আইন অনুষদ, আইবিএ-জেইউ এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের (ই-ইউনিটের) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া ৩-৫ মার্চের মধ্যে সি১ ইউনিটভুক্ত নাটক ও নাট্যতত্ত্ব এবং চারুকলা বিভাগের ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

চলতি বছর জাবিতে ১ হাজার ৮৪৪টি আসনের বিপরীতে মোট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৫১টি আবেদন জমা পড়েছে। সেই হিসাবে এবার প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন প্রায় ১০৮ জন শিক্ষার্থী।


আরও খবর



গাঁজা বৈধ করল জার্মান পার্লামেন্ট

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গাঁজাকে বিনোদনের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের বৈধতা দিয়ে আইন পাস করেছে জার্মানির পার্লামেন্ট। এ আইনের আওতায় ১৮ বছরের বেশি বয়সী জার্মান নাগরিকেরা নির্দিষ্ট পরিমাণ গাঁজা রাখতে পারবেন। তবে যত্রতত্র গাঁজা সহজলভ্য হবে না, বরং গাঁজা কেনা আরও কঠিন হবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আগামী ১ এপ্রিল থেকে জার্মানিতে ধূমপানের মতো প্রকাশ্যে গাঁজাসেবন বৈধ হয়ে যাবে। গত শুক্রবার পার্লামেন্টে ৪০৭-২২৬ ভোটে গাঁজাকে বৈধতা দেওয়ার আইন পাশ হয়।

নতুন এ আইনে একজন প্রাপ্ত বয়ষ্ক নাগরিক নিজের কাছে ২৫ গ্রাম গাঁজা রাখতে পারবেন অথবা বহন করতে পারবেন। এ ছাড়া নিজের বাড়িতে সর্বোচ্চ ৫০ গ্রাম গাঁজা রাখতে পারবেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী কার্ল লটারবাখ বলছেন, নতুন এই আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য, কালোবাজারকে দমানো, ধূমপায়ীদের ভেজাল গাঁজা থেকে রক্ষা করা এবং সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের আয়ের উৎস কমানো।

তবে এ আইন পাসের পর আইনটির পক্ষেবিপক্ষে আলোচনা শুরু হয়েছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, এতে তরুণদের মধ্যে স্বাস্থ্যঝুকি তৈরি হবে। অন্যদিকে প্রবীণ নাগরিকদের আশঙ্কা, গাঁজা বৈধ করার ফলে মাদকের ব্যবহার বাড়বে।

নতুন আইনে আরও বলা হয়েছে, স্কুল ও খেলার মাঠের মতো এলাকায় গাঁজাসেবন আগের মতোই অবৈধই থাকবে। বিশেষ করে কঠোরভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হবে। কাজেই গাঁজা কেনা সহজ হবে না।


আরও খবর