আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

পেট্রোল ছাড়াই চলবে রয়্যাল এনফিল্ডের এই মোটরসাইকেল

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাজারে ক্লাসিক ৩৫০-এর ইথানল এডিশন লঞ্চ করেছে রয়্যাল এনফিল্ড। নতুন এই মোটরসাইকেলটি পেট্রোল ছাড়াই চলবে। এর ফলে পরিবেশ দূষণ কমবে।

জানা গেছে, রয়্যাল এনফিল্ডের নতুন ক্লাসিক ৩৫০ বাইকটিতে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত ইথানল ব্যবহার করা যাবে। বাকি ১৫ শতাংশ পেট্রোল ব্যবহার করতে হবে। বাইকটিতে থাকছে ৩৪৯ সিসি এয়ার-কুল্ড সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন। যা সর্বোচ্চ ২০ দশমিক ২ হর্সপাওয়ার এবং ২৭ এনএম টর্ক উৎপন্ন করতে পারে। পাশাপাশি বাইকটিতে ৫ স্পিড গিয়ারবক্স সংযুক্ত করা হয়েছে।

ইথানলচালিত রয়্যাল এনফিল্ড ক্লাসিকের ফুয়েল ট্যাংকে রয়েছে সবুজ এবং লাল পেইন্ট ফিনিশ। যা এটিকে রেগুলার ক্লাসিক মডেলের থেকে আলাদা করে তুলবে।

৮৫ শতাংশ পর্যন্ত ইথানল ব্যবহার করার সুবিধা থাকার ফলে বাইকটি তেল খরচ কমতে পারে এমনটা দাবি করা হচ্ছে। ভারতের বাজারে বাইকটির দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার থেকে ২ লাখ ২৫ হাজার রুপি। বাইকটি বাংলাদেশে কবে আসবে, তা এখনও জানা যায়নি।


আরও খবর



নতুন প্রকল্প নেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই সতর্ক হতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নতুন প্রকল্প নেওয়ার ক্ষেত্রে সচিবদেরকে খুবই সতর্ক হতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিব সভায় তিনি এ নির্দেশনা দিয়েছেন।

সভা শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নতুন প্রকল্প নেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই সতর্ক হতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তার মূল লক্ষ্য হলো জনমানুষের অবস্থানের উন্নয়ন। কাজেই প্রকল্প থেকে জনমানুষের উন্নয়ন হয়েছে কি না, সেটা তিনি জানতে চাইবেন। কাজেই নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সেই বিষয়টি দেখতে বলেছেন।

তিনি বলেন, আজকের সভায় সব সচিব উপস্থিত ছিলেন। সচিব পদমর্যাদায় অন্য দপ্তরের যারা দায়িত্বে ছিলেন, তারাও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যে সচিব সভা হয়, সেটা নির্দিষ্ট কোনো বিষয় নিয়ে হয় না। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আমরা প্রত্যাশার কথা ও তার নির্দেশনা আমরা শুনতে চেয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী আমাদের সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, দায়িত্ব পালনে আত্মপ্রত্যয়, আত্মবিশ্বাস ও আত্মসম্মান বজায় রেখে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে বলেছেন।’‌

তিনি জানান, আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ জন সচিব। কয়েকজন নির্দিষ্ট করে উপস্থাপনও করেছেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, রমজানের প্রস্তুতি, খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি, কৃষি উৎপাদন ও সার ব্যবস্থাপনা, কর্মমুখী শিক্ষা, নতুন পাঠ্যক্রম ও কর্মমুখী শিক্ষা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




দুর্ভিক্ষ থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে গাজার ৬ লাখ মানুষ: জাতিসংঘ

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ত্রাণসহায়তা প্রবেশে পরিকল্পিতভাবে বাধা দিয়ে আসছে ইসরায়েল। এই কারণে সেখানে ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি এতই ভয়াবহ, গাজার মোট জনসংখ্যার অন্তত এক-চতুর্থাংশ অর্থাৎ প্রায় ছয় লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষ থেকে এক ধাপ দূরে রয়েছেন। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থার (ওসিএইচএ) উপপ্রধান রমেশ রাজাসিংহাম বলেছেন, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে এসে গাজায় অন্তত ৫ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ দুর্ভিক্ষ থেকে এক ধাপ দূরে অবস্থান করছেন। 

আরও পড়ুন>> গাজায় অভিযানে ২৩৮ ইসরায়েলি সেনা নিহত

মঙ্গলবার গাজায় খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। সেখানে রমেশ আরও বলেন, উত্তর গাজায় দুই বছরের কম বয়সী ছয়জনের মধ্যে একজন শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে। কার্যত ফিলিস্তিনি এই উপত্যকার ২৩ লাখ মানুষ দুঃখজনকভাবে অপর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তার ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছেন।

তিনি বলেন, যদি কিছু করা না হয় তাহলে আমরা আশঙ্কা করি গাজায় ব্যাপক দুর্ভিক্ষ প্রায় অনিবার্য। সংঘাতে আরও অনেক মানুষ হতাহত হবে।

অন্যদিকে জেনেভায় ওসিএইচএর আরেক মুখপাত্র জেনস লায়েরকে সাংবাদিকদের বলেছেন, ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের কারণে গাজায় ত্রাণসহায়তা সরবরাহ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, ত্রাণবাহী গাড়ি বহর হামলার শিকার হচ্ছে। ইসরায়েলি সেনারা পরিকল্পিতভাবে যাদের ত্রাণসহায়তা প্রয়োজন তাদের কাছে সেগুলো পাঠাতে বাধা দিচ্ছে। মানবিক কর্মীদের হয়রানি, ভয়-ভীতি ও আটক করছে ইসরায়েলি বাহিনী।


আরও খবর



পোস্তগোলা সেতু পুরোপুরি বন্ধ থাকবে যে দিনগুলোতে

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সংস্কার কাজ চলছে পোস্তগোলা সেতুর। এ জন্য আজ সোমবার পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে সেতুটি। তবে শুধু আজই নয়, আগামী ১, ৪ ও ৮ মার্চ পুরোপুরি বন্ধ থাকবে এটি। এ সময়ে যানবাহন চলাচল করতে হবে বিকল্প পথে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। তারা জানায়, এই চার দিন সেতু দিয়ে কোনো যানবাহন পারাপার হতে পারবে না।

ঢাকা জোনের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. সবুজ উদ্দিন খান বলেছেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১, ৪ ও ৮ মার্চ পোস্তগোলা সেতুতে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শিশির কান্তি রাউৎ জানান, এ পর্যন্ত পোস্তগোলা সেতুর ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। গার্ডার-২ এর কাজ চলছে। এরপর গার্ডার ১ এর কাজ শুরু হবে।

গতকাল রবিবার বিকেলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পোস্তগোলা সেতু মেরামতে বাবুবাজার ব্রিজ ব্যবহারের ফলে যানজট বাড়ায় বিকল্প সড়ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পদ্মা সেতু থেকে সিলেট, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামমুখী হালকা যানবাহন মুক্তারপুর সেতু ব্যবহার করবে। পদ্মা সেতু হতে ঢাকাগামী যানবাহন শ্রীনগর-দোহার-নবাবগঞ্জ-কেরানীগঞ্জ হয়ে বছিলা সেতু দিয়ে মোহাম্মদপুর সড়ক ব্যবহার করবে।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




সাগর-রুনি হত্যার এক যুগ : তদন্তে নেই দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার এক যুগ পূর্ণ হলো আজ। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন এই সাংবাদিক দম্পতি। এক যুগ পার হলেও এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।

এখন পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১০৫ বার সময় নিয়েছেন বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা। কবে নাগাদ মামলার তদন্ত শেষ হবে বলতে পারছেন না তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। থানা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশের হাত ঘুরে বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব)।

সবশেষ গত ২৩ জানুয়ারি মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওই দিনও তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে একশ পাঁচ বারের মতো পেছানো হয়েছে এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ মামলাটি তদন্ত করেছেন র‌্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার মো. শফিকুল আলম। মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চেয়ে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের এত বছর পেরিয়ে গেলেও ছেলে হত্যার বিচার না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাগর সারোয়ারের মা সালেহা মনির। তিনি বলেন, একযুগ পার হতে যাচ্ছে সাগর-রুনির হত্যার। এখন পর্যন্ত আমার ছেলের হত্যাকারী কে সেটাই জানতে পারলাম না। ছেলেকে তো আর ফেরত পাবো না। আমার একটাই কথা, ছেলে হত্যার বিচার চাই। এখন পর্যন্ত আমার ছেলের কবর জিয়ারত করতে যাইনি। প্রতিজ্ঞা করেছি, যেদিন ছেলের হত্যাকারীদের দেখবো, ওইদিন কবর জিয়ারত করবো। এর আগে যদি আমার মৃত্যু হয়, হোক। খুনিদের না দেখে আমি ছেলের কবর জিয়ারত করতে যাবো না।

তিনি আরও বলেন, র‌্যাব তো সব জানে। প্রতিবেদন জমা দিলেই তো হয়। প্রতিবেদন যদি জমা না দিতে পারে সেটাই তারা প্রকাশ করুক। এভাবে ঝুলিয়ে রাখার কোনো মানে আসে না। এত বড় বড় মামলার সমাধান করছে র‌্যাব। অথচ এই মামলা ১২ বছরেও সমাধান করতে পারলো না। কত খুনের বিচার হচ্ছে, ক্লুলেস কত মামলায় বিচার হচ্ছে। কিন্তু সাগর-রুনির বেলায় এমন হচ্ছে কেন আমার বোধগম্য নয়।

মামলার বাদী মেহেরুন রুনির ছোট ভাই নওশের আলম রোমান জানান, গত ১২ বছর ধরে মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় চেয়ে নিচ্ছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা। প্রতিবেদন জমা না দেওয়া একটি খারাপ সংস্কৃতি চালু হতে যাচ্ছে। দেশে কোনো অপরাধ করলেও বিচার হয় না, এটাই সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাচ্ছে। সরকার চাইলে সত্য ঘটনা বের করতে পারে। সেখানে ১০৫ বার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় চেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা, আর সেই সময়ও মঞ্জুর হচ্ছে। আমাদের একটাই দাবি প্রকৃত অপরাধী বের হয়ে আসুক, আর বাংলাদেশি আইন অনুযায়ী তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু বলেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা। অনেক বছর হয়ে গেল, এখনও প্রতিবেদন দিতে পারলো না তদন্ত সংস্থা। এটা নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। এই মামলার দ্রুত একটা সুরাহা হওয়া উচিত। আদালতে প্রতিবেদন আসা মাত্র রাষ্ট্রপক্ষ দ্রুত বিচার শেষ করার চেষ্টা করবে।

এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ আবু সাইদ সিদ্দিকী (টিপু) বলেন, মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছানোর জন্য রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষ উভয়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। আমাদের আশা, তদন্ত সংশ্লিষ্টরা যেন দ্রুত মামলার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত খুনিরা বেরিয়ে আসুক।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পিরদর্শক (এসআই)। চার দিন পর ডিবি উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলম চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার নেন। এরপর র‌্যাবের সহকারী পরিচালক মো. ওয়ারেছ আলী মিয়া, সহকারী পরিচালক সহিদার রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার মো. শফিকুল আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জাফর উল্লাহ ও সহকারী পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহম্মেদ মামলাটি তদন্ত করেছেন। ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ও ৭ জুন, ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর ও সর্বশেষ ২০১৭ বছরের ২১ মার্চ মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। এরপর আর কোনো অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়নি। অগ্রগতি সংক্রান্ত এসব প্রতিবেদনে প্রায় একই ধরনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

এ মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত অন্য আসামিরা হলেন- বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ রুদ্র জামিনে আছেন। অন্য আসামিরা কারাগারে। সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার এই ৮ জনের কেউই এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেননি।


আরও খবর
জজ কোর্ট চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের ভোট ১৪ মার্চ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ মার্চ। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সংরক্ষিত নারী আসনে ভোটের এ তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এদিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে কমিশন বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে তফসিল ঘোষণা করেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

জানা গেছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ১৪ দলের শরিকদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে সংসদে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তাদের সঙ্গে স্বতন্ত্র এমপিদের সমর্থন থাকতে পারে।

বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, সরাসরি ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে নারী আসন বণ্টন করা হয়। সংসদের সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনের ভোটার হন।

আইন অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। গত ৭ জানুয়ারি ভোটের পর ৯ জানুয়ারি গেজেট প্রকাশ হয়েছে। এ হিসাবে ইসির আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যদিও তফসিল অনুযায়ী তার তিন সপ্তাহ আগেই ভোটগ্রহণের দিন ঠিক করেছে কমিশন।

গত ৭ জানুয়ারি ২৯৯টি আসনে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২২৩টি, জাতীয় পার্টি ১১টি, জাসদ ১টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ১টি, কল্যাণ পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ৬২টি আসনে জয় পেয়েছে। নির্বাচনের আগে প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় নওগাঁ-২ আসনের ভোট স্থগিত করা হয়। ওই আসনে ভোট হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে এবার জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির দুজনসহ আওয়ামী লীগ ৩৮টি, জাতীয় পার্টি দুটি, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোটভুক্ত হয়ে ১০টি সংরক্ষিত আসন পেতে পারে।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪