আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

পিয়াসা ও মৌকে নিয়ে যা বললেন সালাহউদ্দিন লাভলু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১ | ১১০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার আলোচিত মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মৌ আক্তার বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন। গ্রেফতারের পর তাদের বিষয়ে বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে পুলিশ।

পিয়াসা ও মৌ নিজেদের মডেল বলে পরিচয় দেন। তবে তাদের মডেল হিসেবে মানতে রাজি নন অভিনয়শিল্পীরা। এ দুজনের বিষয়ে কথা বলেছেন ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি ও অভিনয়শিল্পী সালাহউদ্দিন লাভলু।

তিনি বলেন, আমাদের সময়ে অনলাইন টিভি, ইউটিউব, ফেসবুক এসবের ছড়াছড়ি ছিল না। এক্সপোজারের একমাত্র উপায় ছিল টেলিভিশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইনে এখন কোথা থেকে কে কী বানাচ্ছে লাইকি, টিকটক আরও কী কী অ্যাপ যেন রয়েছে। এসবের মাধ্যমে অনেকে নিজেদের তারকা ভাবা শুরু করছে।

এদের নিয়ে আবার বিভিন্ন পণ্য প্রতিষ্ঠানের মাতামাতির শেষ নাই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যারা খারাপ কাজে লিপ্ত থাকবে, তাদের ধরবে, সাংবাদিকেরা তাদের নিয়ে লিখবে কিন্তু পরিচয় প্রকাশের আগে একটুখানি খোঁজখবর ও যাচাইবাছাই নিয়ে দেওয়া উচিত।

সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, আমরা দেখছি, কোনো মডেল ও অভিনয়শিল্পী পরিচয়ধারী কেউ যখন এই ধরনের ঘটনা ঘটায়আমাদের অঙ্গনের সত্যিকারের শিল্পী ও মডেলদের বিব্রত হতে হয়। সামাজিকভাবে হেয় হতে হয়। মানুষও ঢালাওভাবে নেতিবাচকভাবে দেখা শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, যার যা খুশি মুখে আসে লিখে চলছে!

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতার দুজনের কাউকে আমরা কখনোই মডেল বা অভিনেত্রী হিসেবে দেখিনি। চিনিও না। শিল্পী সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও কথা হয়েছে, তারাও বলেছে, এদের চেনে না, জানেও না।

এই গুণী অভিনয়শিল্পী বলেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে যদি ধরে নেই ১০১২ কোটি টেলিভিশন দেখে, তারা কিন্তু এই অঙ্গনের মানুষকে অনেক সম্মান করে। এটা অর্জন করতে অনেক বছর ধরে সময় লেগে যায়। গুটিকয়ের অপকর্মের দায় যেন বিনোদন অঙ্গনের সবার ওপর না পড়ে।


আরও খবর
হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আমার পছন্দের পুরুষকে একটু রাফ হতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি ২৫ সেন্টিমিটার ওপরে

প্রকাশিত:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | ৫৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যা এক দিনের ব্যবধানে বেড়েছে ১১ সেন্টিমিটার। এদিকে এটা অব্যাহত থাকায় অভ্যন্তরীণ নদ-নদী ও চলনবিলের পানিও বাড়ছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন নিম্নাঞ্চলের মানুষ।

শনিবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন।

পাউবোর শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টের পানি পরিমাপক (গেজ মিটার) আবদুল লতিফ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গত ১৪ আগস্ট থেকে শুরু করে শনিবার (২৮ আগস্ট) পর্যন্ত যমুনা নদীর পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার নদীতীরবর্তী আরও কিছু নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাটে পানি উঠে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন বন্যাদুর্গতরা। বন্যাকবলিত এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় নষ্ট হচ্ছে রোপা আমন ক্ষেত, বীজতলা, আখ, পাট, তিল ও সবজিবাগানসহ বিভিন্ন ফসল।

সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, ৫টি উপজেলায় ১০০ মেট্রিক টন চাল ও ১ লাখ করে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তারা সেটা তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিতরণ করবেন। এ ছাড়া জেলায় ৭৬ মেট্রিক টন চাল ও আড়াই লাখ টাকা মজুত রাখা হয়েছে। কোনো এলাকায় ত্রাণের প্রয়োজন আছে কি না, তা নিয়মিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, যমুনায় পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ সেন্টিমিটার বেড়েছে। বন্যা পূর্ভাবাস সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে যমুনা নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। তবে পানি বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত বন্যার তেমন কোনো খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


আরও খবর
পায়রা সেতুর নাম পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

বিস্কুটের কার্টন থেকে নবজাতক উদ্ধার

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনায় আরও ৫৬ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমতে শুরু করেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট মৃত্যু হলো ২৬ হাজার ৬৮৪ জনের।

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমতে শুরু করেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট মৃত্যু হলো ২৬ হাজার ৬৮৪ জনের। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৩৯ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ১৯ হাজার ৮০৫ জনে।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




ডেঙ্গুর নতুন ধরন শনাক্ত, আক্রান্ত বেশি রাজধানীবাসী

প্রকাশিত:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | ৫৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ডেঙ্গুর চারটি সেরোটাইপ যা ডেনভি-১, ডেনভি-২, ডেনভি-৩ এবং ডেনভি-৪ এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এই ভাইরাসের ৪টি সেরোটাইপের মধ্যে ৬৫-৭০ শতাংশ এমিনো এসিড

দেশে ডেনভি-৩ নামে ডেঙ্গু রোগের নতুন একটি ধরন শনাক্ত হয়েছে। রাজধানীবাসী এই ধরনটির মাধ্যমে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) ২০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিসিএসআইআরের আইএফআরডি অডিটোরিয়ামে রবিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ডেঙ্গু ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের তথ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গবেষক ড. সেলিম খান।

এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভাইরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সাইফুল্লাহ মুন্সি বলেন, দেশে প্রথম এই ধরন শনাক্ত হয় ২০১৭ সালে। ২০১৭ সালের আগে ডেনভি-১, ২-তে আক্রান্ত হয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠেছে অনেকের। কিন্তু ডেনভি-৩ এর বিরুদ্ধে এই ক্ষমতা গড়ে ওঠেনি। যারা আগের দুই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত তারা নতুন করে ডেনভি-৩ আক্রান্ত হলে হেমোরেজ বা সংকটাপন্ন অবস্থায় পড়েছে। তাই এবার মৃত্যু বেশি।

তিনি আরও বলেন, বিসিএসআইআরের এই সিকোয়েন্সিং ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন উৎপাদনে সহায়ক হবে। এবার ডেঙ্গুর ডেনভি-৩ ভ্যারিয়েন্টে মানুষ বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এটা ডেনভি-১,২ এর চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর।

লিখিত বক্তব্যে বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আফতাব আলী শেখ বলেন, ডেঙ্গুর চারটি সেরোটাইপ যা ডেনভি-১, ডেনভি-২, ডেনভি-৩ এবং ডেনভি-৪ এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এই ভাইরাসের ৪টি সেরোটাইপের মধ্যে ৬৫-৭০ শতাংশ এমিনো এসিড সিকোয়েন্সের মিল আছে। ভাইরাসটি এডিস মশা দ্বারা বাহিত হয় এবং মশার মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়। ১৯৬০ সালে পৃথিবীতে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

আইইডিসিআরের গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৬ সালের আগে সেরোটাইপ ডেনভি-১ এবং ডেনভি-২ এর মাধ্যমে মহামারি সংঘটিত হয়, তখন পর্যন্ত বাংলাদেশে বাকি ২টি সেরোটাইপ শনাক্ত হয়নি। ২০১৭ সালে ডেনভি-৩ প্রথম শনাক্ত হয় এবং ২০১৮ সালে ডেনভি-৩ সংক্রমণের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে এবং ২০১৯ সালে এটি মহামারি আকার ধারণ করে।

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মশকবাহিত রোগ হলো ডেঙ্গু। বর্তমানে প্রায় ৩.৬ বিলিয়ন মানুষ এর সংক্রমণের ঝুঁকিতে আছে। ইতোমধ্যে এ রোগটি বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশে বিস্তার লাভ করেছে। বিশেষ করে এশিয়া, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে এর প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩১৭ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ২৫৯ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ রোগীই রাজধানীর বাসিন্দা। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবমিলিয়ে এই বছর না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ৫৪ জন মানুষ।

বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সারাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ৩১৭ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৪৫ জনে।

ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৭৫ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৭০ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ৭ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১১ হাজার ৭০৮ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ডেঙ্গু আক্রান্ত

আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




‘অদ্ভুত’ আকৃতির শিশুর জন্ম নিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে

প্রকাশিত:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | ৮৫৫জন দেখেছেন
Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আব্দুল্লাহ আল মামুন:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছেলেদের পুরুষাঙ্গ ও মেয়েদের যৌনাঙ্গসহ অর্ধেক মাথা নিয়ে জন্ম নিয়েছে এক বিরল শিশু। শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার মহানন্দা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অদ্ভুত এ শিশুটির জন্ম হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বালুগ্রাম দক্ষিণটোলা গ্রামের ভ্যানচালক নাসির হোসেনের স্ত্রী জিন্নাতুন খাতুন (২৪) শিশুটির জন্ম দিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রসব ব্যথা উঠলে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ওই প্রসূতিকে ক্লিনিকে ভর্তি করে পরিবারের লোকজন। বাচ্চা প্রসবের নির্ধারিত সয়মের বেশি ২ দিন পার হওয়ায়, সিজার করার সিদ্ধান্ত নেয় চিকিৎসক ডা. হাসেম আলী।

সিজারে অংশ নেয়া নার্স (সেবিকা) ফাতেমা খাতুন জানান, অপারেশন থিয়েটারে সিজার করার সময়ই দেখতে পাই শিশুটির পুরুষাঙ্গ ও যৌনাঙ্গ দুটিই আছে। অপরদিকে বাচ্চাটির সম্পূর্ণ মাথা নেই। অসম্পূর্ণ মাথা নিয়েই জন্ম হয়, যা রয়েছে সম্পূর্ণ মাথার অন্তত এক-তৃতীয়াংশ। মাথার ভেতরে থাকার কথা থাকলেও, তা আছে বাইরে আরেকটি থলেতে।

ফাতেমা আরও জানান, আমার জীবনের প্রথম এমনটা দেখলাম। আমি সত্যিই অবাক হয়ে গেছি। এ খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে গেলে হুলস্থুল কাণ্ড দেখা দেয়। মেডিকেলের সামনে উৎসুক জনতার ভীড় জমে যায়।

ওই প্রসূতির দুলাভাই আলামিন জানান, তাদের এটি দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে একটি ছেলে সন্তান আছে। গর্ভধারণের ১৫ সপ্তাহ পরে আলট্রাসোনোগ্রামের মাধ্যমে জানতে পারি ভ্রুণটি অদ্ভুত আকৃতির। সদ্য জন্ম নেয়া শিশুটির মাথা নেই বললেই চলে, কপাল থেকেই শেষ হয়েছে। মগজ আলাদাভাবে একটি থলেতে আছে।

মহানন্দা ক্লিনিক এ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী নন্দন কুমার কর্মকার জানান, দীর্ঘ ১২ বছর ধরে আমাদের ক্লিনিকে বহু সিজার হয়েছে। কিন্তু নাসির হোসেনের ও জিন্নাতুন খাতুন দম্পতির শিশুটি অদ্ভুত আকৃতি ও অঙ্গ নিয়ে জন্ম নিয়েছে। বর্তমানে মা ও শিশু দুইজনেই সুস্থ রয়েছে।

বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. গোলাম রাব্বানী জানান, এমন ঘটনা খুবই বিরল। উভয় লিঙ্গ নিয়ে জন্ম নেয়ার ঘটনা চিকিৎসা বিজ্ঞানে একেবারেই অদ্ভুত। মাথার খুলির পরিপক্বতা না পেলে মগজ আলাদা হয়ে থাকতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

আরও খবর