আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

পোষা বিড়ালের কামড়ে বাবা-ছেলের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আদরের পোষা বিড়ালের কামড়ে মৃত্যু হলো বাবা ও ছেলের। পোষা বিড়াল ভেবে কেউ কামড়কে গুরুত্ব সহকারে নেয়নি। শেষ পর্যন্ত সেই অবহেলাই মৃত্যু ডেকে আনে দুজনের। ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরে এই ঘটনা ঘটেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত ব্যক্তি আকবরপুরের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি স্থানীয় সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। তার ছেলের বয়স ২৪ বছর। অনেকদিন ধরে বাড়িতে বিড়াল পালেন তারা। হঠাৎই তার আচরণে বদল দেখা যায়। একদিন বিড়ালটি দুজনকে কামড় দেয় ও আঁচড় দেয়। তার এক সপ্তাহের মধ্যেই মৃত্যু হয়েছে দুজনের।

জানা গেছে, ওই দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে রেবিস ভাইরাসের সংক্রমণে, যাকে জলাতঙ্ক বলা হয়। কিন্তু কীভাবে এই ভাইরাসে সংক্রমিত হলেন ওই দুজন, সে বিষয়ে খোজ চালাচ্ছিলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। তখনই জানা যায়, বিড়ালটিকে কিছু দিন আগে একটি কুকুরে কামড়েছিল। তার পর থেকেই তার আচরণ বদলে যায়।

কর্মকর্তারা বলছেন, বিড়ালটির শরীরে রেবিস ভাইরাস প্রবেশ করে তখনই। এর পর বিড়ালটি তার মনিবদের কামড়ালে তারাও আক্রান্ত হয়ে পড়েন। পোষা বিড়াল বলে চিকিৎসকের কাছে যাননি তারা।


আরও খবর



বৈশ্বিক পোশাকখাতের পাওয়ার হাউস বাংলাদেশ: ডব্লিউইএফ

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্প বৈশ্বিক পোশাকখাতের পাওয়ার হাউসে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব অর্থনৈতিক সংস্থা (ডব্লিউইএফ)।

সম্প্রতি ডব্লিউইএফ বাংলাদেশের দারিদ্র্য থেকে টেক্সটাইল পাওয়ার হাউসে অতিক্রম করণ আফ্রিকার দেশগুলোর জন্য শিক্ষার শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পের পাওয়ার হাউসে পরিণত হওয়ায় বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার অর্ধেকে নেমেছে এবং মোট দেশজ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারমুখী নীতি, বেসরকারিকরণ, বাণিজ্য উদারীকরণ এবং কৌশলগত বৈদেশিক বিনিয়োগ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ও শিল্প প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করার মূল চাবিকাঠি ছিল।

ডব্লিউইএফর ব্লগে ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশনের (আইএফসি) ম্যানুফ্যাকচারিং ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ট্রেড সাপ্লায়ার ফাইন্যান্সের গ্লোবাল ম্যানেজার ফেমি আকিনরেবিয়ো বলেছেন, যেহুতু বাংলাদেশ তার অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় এবং ভ্যালু চেইনে আরোহণ করতে চায়, সে জন্য আফ্রিকা পোশাক শিল্পের পরবর্তী সীমানা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। যা একই ধরনের আন্তর্জাতিক সমর্থন থেকে উপকৃত হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সত্তরের দশকের শুরুতে ৯ মাস যুদ্ধের পর পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। সে সময় দেশটি অত্যন্ত দরিদ্র ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। তখন দেশেটির অর্থনীতির মুলভিত্তি ছিল পাট, যা জনগণকে খাদ্য যোগাতেও অক্ষম ছিল। এরপর ১৯৭৪ সালে দেশটি এমন একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে যাকে পরমাণু হামলার পরের সকালের মতো বর্ণনা করেছিলেন ওই সময় দেশটিতে সফররত বিশ্বব্যাংকের একজন অর্থনীতিবিদ। এর কিছু বছর পর বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য একটি সরকারী প্রচারণা ফলপ্রসূ হয়েছিল। যা দেশটির কৃষি অর্থনীতিকে টেক্সটাইল এবং পোশাক উৎপাদনে পাওয়ার হাউসে রূপান্তরিত করেছে। এ শিল্পকে এমন একটি অলৌকিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রত্যাবর্তন হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে যা আজ উন্নয়নশীল দেশগুলো অনুকরণ করার চেষ্টা করছে।

আকিনরেবিয়ো বলেন, বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির মূলে রয়েছে দেশটির শিল্পের বেসরকারিকরণ, বাণিজ্য উদারীকরণ ও বাজারমুখী নীতি। রেডি-টু-ওয়্যার পোশাক বৃদ্ধির ইঞ্জিন হয়ে সুতির টি-শার্ট, প্যান্ট, পুলওভার এবং ডেনিম তার প্রিয় স্পট হয়ে উঠেছে। গত এক দশকে দেশটি তার অর্থনীতিকে বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম দেশে উন্নীত করেছে। লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান করেছে এবং দারিদ্র্যের হার অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে। কোভিড-১৯ মহামারীর আগে দেশটির অর্থনীতি বার্ষিক ৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল, জিডিপি বেড়ে প্রায় ২ হাজার ৫০০ ডলারে উন্নীত হয়েছিল, যা ভারতকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশই আসে শুধু পোশাক থেকে। চূড়ান্তভাবে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের লক্ষ্য উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হওয়া। আর এর মুল অস্ত্র দেশটির পোশাক খাত। তবে সফল শিল্পায়ন নীতির জন্য ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য বাংলাদেশ। এগুলোর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা এবং রফতানি অঞ্চলগুলোতে যন্ত্রপাতি আমদানির শুল্কমুক্ত অনুমতি দেওয়া।

আইএফসির এ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ ৩ হাজার ৫০০টিরও বেশি কারখানায় ৪০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান করেছে। দেশটি ১৬৭টি দেশে ৪৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। পোশাক কাটা, সেলাই ও একত্রিত করা কঠিন এবং ক্লান্তিকর ও সস্তা শ্রমের ওপর নির্ভর করে সাধারণত রফতানি-নেতৃত্বাধীন বৃদ্ধির মডেলগুলো চিরকাল স্থায়ী হয় না। তবে বাংলাদেশ সাফল্যের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এবং পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপে রয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ আসেন ফেমি আকিনরেবিয়ো। সেই অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে মূলত নারী শ্রমশক্তির আধিপত্য রয়েছে, যাদের কাজে কারখানার ফ্লোর থেকে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি উপকৃত হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএফসি) কর্মসূচি কারখানায় কাজের পরিবেশ উন্নত করেছে, লিঙ্গ বৈচিত্র্যকে উন্নত করেছে এবং নারীদের জন্য ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের এই অভিন্ন সমৃদ্ধির সামাজিক প্রভাব সুদূরপ্রসারী। প্রতিবেশি দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের নারীরা বেশি শিক্ষিত, দেশটির তিন-চতুর্থাংশ নারী শিক্ষিত। প্রতিবেশিদের তুলনায় দেশটির নারীদের শিক্ষা গ্রহণ, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং স্বাস্থ্যবান সন্তান ধারণের সম্ভাবনা বেশি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামান্য সহায়তায় উন্নয়নের সামাজিক ও টেকসই সুফল পোশাক উৎপাদনকারী দেশগুলোর পরবর্তী ক্লাস্টারে স্থানান্তরিত হবে।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আমদানির খবরে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

গতকাল যে পেঁয়াজ খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, একদিনের ব্যবধানে সেই পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা কমে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে বাংলাদেশসহ আরও পাঁচ দেশে সরকারিভাবে সীমিত আকারে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরদিনই দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

হঠাৎ লাফিয়ে বৃদ্ধি পাওয়া পেঁয়াজের বাজার গেল ১০ দিন ধরে প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে চলছিল। গত মাসে মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে কিন্তু মাসের ঠিক শেষে এসে হঠাৎ ১০০ টাকায় চলে যায় দাম। আর চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে এসে সেই পেঁয়াজ গিয়ে ঠেকে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা দোকানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা দরে, তবে গতকাল ওইসব খুচরা দোকানেই একই পেঁয়াজ ১২০ টাকায় বিক্রি করেছেন তারা।

বিক্রেতারা বলছেন, প্রায় ১০ দিন হলো পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজ একেবারে শেষ দিকে হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কম, সে কারণেই বাড়তি দাম যাচ্ছিল পেঁয়াজের। প্রধান জাতের পেঁয়াজ অর্থাৎ হালিকাটা পেঁয়াজ বাজারে পর্যাপ্ত এলেই দাম কমে যেত। এরমধ্যে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসার খবরে এখনই দাম কমতে শুরু করেছে।

রাজধানীর মালিবাগ এলাকার এক পেঁয়াজ বিক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, গতকাল পাইকারি বাজার থেকে ১১০ টাকা দরে পেঁয়াজ কিনে এনে খুচরা ১২০ টাকা বিক্রি করছিলাম। কিন্তু আজ বাজার একটু কমেছে তাই সব দোকানি ১১০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। সে কারণে আমিও ১০ টাকা কমিয়ে এখন ১১০ টাকায় বিক্রি করছি। বাজার যখন যেমন হবে আমাদের সেভাবেই তো বিক্রি করতে হবে।

গত কিছুদিনে হঠাৎ এভাবে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বাজারে মুড়িকাটা পেঁয়াজ একেবারেই শেষের দিকে। কৃষকদের কাছে আর মুড়ি কাটা পেঁয়াজ নেই। সে কারণে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেছে। পেঁয়াজের দাম বাড়তি যাচ্ছিল। এখন প্রধান পেঁয়াজ অর্থাৎ হালিকাটা পেঁয়াজ উঠতে শুরু করবে তাই এমনিতেই পেঁয়াজের দাম কমে যাবে। এছাড়া ভারত থেকে পেঁয়াজা আমদানি বন্ধ ছিল, এখন আবার ভারত আমাদের দেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করবে। তাই বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে যাবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেব মতে, চলতি বছর ২ লাখ ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে ৩৬ লাখ ৭৩ হাজার টন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চারা পেঁয়াজ ২৭ লাখ ২৮ হাজার টন, কন্দ পেঁয়াজ ৮ লাখ ১৯ হাজার ও পেঁয়াজবীজ ৫৬ হাজার টন। দেশে পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন। সর্বশেষ অর্থবছরে ৩৪ লাখ টনের বেশি উৎপাদন হয়। তবে মাঠ পর্যায় থেকে ভোক্তা পর্যন্ত যেতে এক-চতুর্থাংশ পেঁয়াজ নষ্ট হয় কিংবা শুকিয়ে কমে যায়। গত বছরের মার্চে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

ট্রেডিং কর্পোরেশনের অব বাংলাদেশের (টিসিবি) সহকারী পরিচালক (বাজার তথ্য) নাসির উদ্দিন তালুকদার জানিয়েছেন, গতকালের বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১২০ টাকা। গত মাসে এই পেঁয়াজের দাম ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। আর গত বছর ঠিক এই সময় বাজারে পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা কমছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১০ টাকা কমিয়ে ১৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর খোলা তেল ১৪৯ টাকা। আগামী ১ মার্চ থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

আজ মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ক টাস্কফোর্সের সভায় সয়াবিন তেলের দাম কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমিয়ে ১৬৯ টাকা করা হয়েছিল। 

আরও পড়ুন>> দেশের প্রতিটি সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর অবদান রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশের বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত ভোজ্যতেল বিক্রি হয় ১৭০ থেকে ১৭৩ টাকায়। এক বছর আগে এই দাম ছিল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা। এর আগে গত রবিবার রমজান উপলক্ষে আগামী ভোজ্যতেল ও চিনির দাম নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।

ওইদিন তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে শিগগিরির বৈঠক করে চিনি, খেজুরসহ অন্যান্য পণ্যের দামও নির্ধারণ করা হবে। চলতি সপ্তাহেই ভারত থেকে পিঁয়াজ ও চিনি আসার সম্ভাবনা রয়েছে।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পুতিনের ‘ভয়ঙ্কর’ শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বান নাভালনির স্ত্রীর

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আলেক্সি নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া বলেছেন, তার স্বামীর মৃত্যুর জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তার সরকারকে বিচারের আওতায় আনা হবে

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে তিনি বলেন, তারা আমাদের দেশের সাথে, আমার পরিবারের সাথে এবং আমার স্বামীর সাথে যা করেছে তার জন্য তাদের শাস্তি পেতে হবে।

এ সময় তিনি বলেন, তার স্বামীর মৃত্যুর সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য তার কাছে নেই। তিনি বলেন, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এই দিনটি শীঘ্রই আসবে।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, অ্যালেক্সি নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া শুক্রবার তার স্বামীর মৃত্যুর পর পুতিনের ভয়ংকর শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি এটা নিয়ে (স্বামীর মৃত্যু নিয়ে) বেশ কিছুক্ষণ ভেবেছি। আমি ভাবলাম, আমি কি আপনাদের সামনে দাঁড়াব, নাকি আমি আমার সন্তানদের কাছে ফিরে যাব? তারপর আমি ভাবলাম, আমার জায়গায় অ্যালেক্সি হলে কী করত? আমি নিশ্চিত যে তিনি এই মঞ্চে দাঁড়াতেন।

তিনি বলেন, আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়- বিশ্বের সব মানুষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং এই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করা উচিত।


আরও খবর



জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে গত জানুয়ারিতে ৫২১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় সংগঠনটি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জানুয়ারিতে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল (পঙ্গু হাসপাতালে) এক হাজার ১৫৩ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৭২ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৭১ জনসহ সারাদেশে তিন হাজার ৩৭৪ জন যাত্রী ও পথচারী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন। সে হিসাবে হাসপাতালের তথ্যসহ আহত রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৪২৮ জন।

একই সময়ে রেলপথে ৪৪টি দুর্ঘটনায় ৪২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২১ জন। নৌপথে ৭ টি দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ হয়েছে আরও তিনজন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এদের মধ্যে ১৭০ জনই মারা গেছেন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। গত মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। সংগঠিত দুর্ঘটনার ৫১ দশমিক ৬৩ শতাংশই গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ২২ দশমিক ৪৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ মাসে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ১৭ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ৪১ দশমিক ৪৮ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, শূন্য দশমিক ৯৫ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংঘটিত হয়েছে।


আরও খবর