আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

প্রাণিসম্পদে বিপ্লব এসেছে, এখন টার্গেট রপ্তানি বাড়ানো: শ ম রেজাউল

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, দেশে প্রাণিসম্পদ খাত স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। এখন চাহিদা পুরনোর পরে বাড়তি থাকছে। সে কারণে এখন প্রাণিসম্পদ রপ্তানিতে আমরা এখন মনোযোগী হচ্ছি।

 

শনিবার প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৩ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে পহেলা মার্চ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৩ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে একটি প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, এ খাতে ব্যাপক সাফল্যের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।  তারা এ খাতে বিপ্লব এনেছে। অভাবনীয় সাফল্য এনেছে বিগত কয়েক বছর। আগে ভারত মায়ানমার থেকে গরু না এলে কোরবানি হতো না। এখন আর আমরা বিদেশের ওপর নির্ভর নই। এখন কোরবানির পরও পশু অবিক্রীত থাকে। এ খাতকে আমরা সর্বাত্মক সহায়তা করছি। ইতোমধ্যে মাছ রপ্তানি শুরু হয়ে গেছে। এক সময় আমরা মাংস ডিম দুধ রপ্তানি করতে পারব।

 

মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের প্রসারের কারণে বিগত করোনার সময় আমাদের প্রাণীজ খাদ্যের কোন সংকট হয়নি। প্রোটিনের ঘাটতি হয়নি। মানুষ সুস্থ ছিল। সবকিছু বন্ধ হয়ে থাকলেও আমরা ডিম-দুধ-মাংস মানুষের ঘরে পৌঁছে দিতে পেরেছি। সে সময় ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র করে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ডিম-দুধ-মাংস বিক্রি করেছে। সেটা ছিল অভাবনীয় সাফল্য।

 

এখন রমজানে মানুষ কম দামে মাংস খেতে পারে। ওই সময় ৫০০ টাকায় মাংস বিক্রি করেছি। ব্যবসায়ীরা আমাদের বাধা দিয়েছে। তারা বলেছে, এতো কম দামে মাংস বিক্রি করলে তাদের ব্যবসা শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু মানুষ স্বল্পমূল্যে মাংস খেতে পেরেছে। 

 

তিনি বলেন, এ খাতের আরও একটি বড় সাফল্য রয়েছে। এ সেক্টর দেশের বেকারত্ব সমস্যা অনেকটা দূর করেছে। খামারিরা এখন বড় বড় উদ্যোক্তা হয়েছেন। এখন আর আমাদের গ্রামে টাকা পাঠাতে হয় না। আমরা রপ্তানি বাড়াতে প্রতিটি উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ পশু হাসপাতালের করে দিয়েছি। পশু এখন হাসপাতালে আসবে না, ডাক্তার তার কাছে যাবে। আমরা এ খাতের ফিডে কর রেয়াত দিয়েছি। কেউ খামার করতে চাইলে তাদের স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। 

 

মন্ত্রী বলেন, এখন ব্রয়লার মুরগি নিয়ে একটি চক্র অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি বলতে চাই, ব্রয়লার ক্ষতিকর না। এটি নিয়ে কোন সংশয় নেই। দুধ ডিম সব আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবে পরীক্ষা করছি আমরা। এগুলোতে কোন সমস্যা নেই।

 

প্রাণীজ আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রাপ্যতা সহজলভ্য করে তুলতে 'স্মার্ট লাইভস্টক, স্মার্ট বাংলাদেশ' প্রতিপাদ্য নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ বলেন, প্রাণীজ সম্পদের উন্নয়নে বেসরকারি সংগঠনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।  তাদের মাধ্যমে সরকার এই সেক্টরের উন্নত করছে। এই সেক্টরের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা দেয়া হবে।

 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ.টি.এম. মোস্তফা কামাল। ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ইমরান হোসেন, প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৩ এর শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক ডা. মো. এমদাদুল হক তালুকদার।

নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর



পাঁচ বছর পর তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার অভিজ্ঞতা পাওয়ার এক দিন পর পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পেলেন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাসিন্দারা। সেখানে গতকাল রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ গতকাল এই উপজেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে।

গতকাল দেশের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মাঝারি থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ছিল। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আজ সোমবার থেকেই তাপমাত্রা বাড়বে। শীতের প্রকোপ এ সপ্তাহের মধ্যেই কমে যাবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, তেঁতুলিয়ায় গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত শুক্রবার ছিল ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৯ সালের ২ জানুয়ারি তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছিল ৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি ৭০ বছরের রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা ছিল ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, দেশে জানুয়ারি সবচেয়ে শীতলতম মাস। গতকাল রংপুর বিভাগের সব জেলাতেই ছিল মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। অর্থাৎ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। রাজশাহী বিভাগের আট জেলাতেই ছিল মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। ঢাকায় এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় গত মঙ্গলবার।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুখ বলেন, হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা কম থাকে। আজ সোমবার থেকেই তাপমাত্রা বাড়বে। চলতি সপ্তাহ শেষে সারা দেশেই তাপমাত্রা একটু করে বাড়বে। তিনি বলেন, ৩০ জানুয়ারি থেকে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শীতের প্রকোপ এখনকার মতো থাকবে না।


আরও খবর
সারা দেশে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বায়ুদূষণে আজ সবার শীর্ষে ঢাকা

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আবারও বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে উঠে এলো রাজধানী ঢাকা। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৩১ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

বায়ুদূষণের তালিকায় ঢাকার স্কোর হচ্ছে ২৭৪ অর্থাৎ ঢাকার বায়ু খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। বায়ুদূষণের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের শেনইয়াং। শহরটির স্কোর হচ্ছে ১৯৩ অর্থাৎ সেখানকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর।

দূষণ তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কিরগিজস্তানের বিশকেক। এই শহরটির স্কোর ১৭৬ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর।

চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা এবং পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে চীনের আরেক শহর উহান।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

রাজধানী ঢাকার বায়ুর মান দুর্যোগপূর্ণ ছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।


আরও খবর



রমজানে ভোক্তাদের ক্রয় ক্ষমতায় থাকবে ডিম-মুরগি

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

প্রান্তিক খামারিদের বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ) জানিয়েছে, রোজার মাসে ন্যায্য মূল্যে ডিম ও মুরগি পেতে পরিবহনের সময় সড়কে পুলিশের হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বিপিএ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান সংগঠনের সভাপতি মো. সুমন হাওলাদার।

ডিম ও মুরগি পরিবহনের গাড়ির খাঁচার অনুমোদন চেয়ে সংবাদ সম্মেলন প্রান্তিক খামারিদের রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।

তারা জানান, সামনে পবিত্র রমজান মাসে ডিম ও মুরগির দাম ভোক্তাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।

তবে সব সময়ের জন্য ডিম ও মুরগির বাজারে স্বস্তি রাখতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় বিপিএর উদ্যোগে ন্যায্য মূল্যে ডিম ও মুরগি বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও প্রসারিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।

লিখিত বক্তব্যে মো. সুমন হাওলাদার বলেন, করপোরেট গ্রুপগুলো ডিম ও মুরগি, পোলট্রি ফিড, মুরগির বাচ্চা পরিবহনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) থেকে গাড়ির অনুমোদন পায়। কিন্তু প্রান্তিক খামারিদের অনুমোদন দেওয়া হয় না। এ জন্য ট্রাফিক বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ, থানার চেকপোস্ট, সারা দেশের কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাকে মাসিক চাঁদা দিয়ে চলতে হয়।

তিনি বলেন, স্থানীয় চাঁদাবাজদের কবলে পড়তে হয় আমাদের। মাসিক চাঁদা দিয়েও গাড়িগুলো দিনের বেলা চলাচল করতে পারে না। এতে পরিবহনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় প্রান্তিক খামারিদের। ফলে ডিম ও মুরগি পরিবহন খরচ বাড়ায় দামও বেড়ে যায়।

রমজানের আগে ডিম ও মুরগির দাম বাড়ার পেছনের কারণ জানিয়ে সংগঠনটির সভাপতি বলেন, করপোরেট সিন্ডিকেটের যোগসাজশে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রান্তিক খামারিদের কাছে মুরগির বাচ্চা আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রান্তিক খামারিদের মতামত না নিয়ে শুধু করপোরেট সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিয়ে ২৮ থেকে ৩০ টাকা উৎপাদন খরচের মুরগির বাচ্চার দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ৪৯ থেকে ৫২ টাকা। এ জন্য নতুন করে ডিম ও মুরগির দাম বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, মুরগির বাচ্চার উৎপাদন কমিয়ে দিয়ে করপোরেট গ্রুপগুলো তাদের চাহিদা মতো নিজস্ব খামারে বাচ্চা তুলেছে এবং কন্টাক্ট খামারিদের বাচ্চা দিয়েছে। অবশিষ্ট বাছাই করা নিম্নমানের বাচ্চা অতিরিক্ত দামে তাদের পরিবেশকের মাধ্যমে প্রান্তিক খামারিদের কাছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি করছে। যার খেসারত দিতে হচ্ছে ভোক্তা ও প্রান্তিক খামারিদের।


আরও খবর
কোম্পানির রিটার্ন জমার সময় বাড়ল দুই মাস

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সৌদি থেকে কফিনবন্ধী হয়ে আসলো ইউসুফ

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

Image

সৌদি আরবের একটি ভবনের চাদ থেকে পড়ে মারা যায় ইউসুফ (২৫)। প্রায় পৌনে চারমাস আগে দেশটির আভা শহরে একটি ভবনের সাইনবোর্ড লাগাতে গিয়ে দুঘটনার শিকার হন তিনি। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার দুই মাস আগে ভাগ্যের অন্বেষণে দেশটিতে পাড়ি জমান তিনি৷

নির্দিষ্ট সময়ের পর স্বাভাবিক নিয়মে ছুটি নিয়ে পরিবারের কাছে আসতে পারলো না ইউসুফ। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়ে কফিনবন্ধী হয়ে দেশে ফিরতে হয়েছে তাকে।

ইউসুফের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার লাহারকান্দী ইউনিয়নের চাঁদখালী গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ইব্রাহীম। চার ভাইয়ের মধ্যে পরিবারের সবার ছোট সন্তান ছিল ইউসুফ।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারী) সকালে ইউসুফের জানাযা শেষে তাকে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এর আগের দিন সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩ টায় সৌদি আরব থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মৃতদেহের কফিন আসে। পরিবারের লোকজন জীবিত ইউসুফকে গ্রহণ করার বদলে তার কফিন বন্দী মৃতদেহ গ্রহণ করতে হয়েছে।

দেশে থাকাকালীন ইউসুফের মোবাইল মেরামতের ব্যবসা ছিল। সেটা ছেড়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। ইউসুফকে হারিয়ে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশি ও বন্ধুদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

ইউসুফের ভাই আমিনুল ইসলাম রুবেল বলেন, ভাইকে জীবিত পাইনি, বিমানবন্দর থেকে তার মৃতদেহের কফিন এনেছি। এরচেয়ে বেদনা আর কি হতে পারে?

জানা গেছে, গত ৫ অক্টোবর সৌদি আরবের আভা শহরে একটি তিন তলা ভবনের উঁচুতে সাইনবোর্ড লাগাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে মারা যায় ইউসুফ।

পরিবারের লোকজন জানায়, ঘটনার মাত্র ২ মাস আগে সৌদি আরবে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে গিয়েছিলেন তিনি। ভবনে সাইনবোর্ড লাগানোর কাজ করতো সে। ঘটনার সময় একটি ভবনের সাইনবোর্ড লাগাতে ৩ তলার ছাদে ওঠে। এসময় বাতাসের তোড়ে সে ছাদ থেকে নিচে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে তার।

কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলেও সেদেশের কোম্পানির পক্ষ থেকে কোন সহযোগীতা করা হয়নি। উল্টো পরিচিতজনদের আর্থিক সহায়তায় মৃতদেহ দেশে আনতে পেরেছে তার পরিবার।

বাড়িতে তার বাবা-মা, তিন ভাই এবং স্ত্রী ও আড়াই বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: লক্ষ্মীপুর

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাজধানীতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর রামপুরায় গাজী নাজিউর রহমান নাদিম (২৩) নামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে রামপুরার বনশ্রী তিতাস রোডের ব্যাংক কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নাজিউর রহমান ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসনের (বিবিএ) শিক্ষার্থী ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া। তিনি বলেন, মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

তিনি জানান, রাতে তাকে বাসা থেকে তার বাবা-ভাই অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সোয়া ৯টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, নিজ রুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় মাফলার পেঁচিয়ে ফাঁস দেয় নাজিউর। পরে পরিবারের লোকজন দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে কী কারণে গলায় ফাঁস দিয়েছেন, সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি।


আরও খবর