আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

পরীমণির হাতে এ কেমন বার্তা

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আবারও পরীমণি হাজির হলেন হাতে মেহেদির রঙে নতুন লেখা নিয়ে। এবারও তার লেখা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এবার দেখা যায় তার ডান হাতের তালুতে একটি চিহ্ন তার নীচে Me More

আজ ১৫ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজিরা দিতে যান তিনি। এসময় তার হাতে দেখা যায় এ লেখা। পরীর ঘনিষ্টজনদের সূত্রে জানা যায়, এ লেখায় তিনি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। মধ্যাঙ্গুল উঁচিয়ে বিশেষ এই বার্তা পরীমণি কার উদ্দেশ্যে দিয়েছেন, কেন দিয়েছেন, তা এখনো জানা যায়নি।

এর আগে আদালতে বুধবার বেলা ১১টার দিকে হাজিরা দেয়ার জন্য যান পরীমণি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পরীমণিকে আগামী ১০ অক্টোবর আবার হাজির হতে হবে বিচারিক আদালতে।

মাদক মামলায় ২৭ দিন কারাভোগের পর গত ১ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা।

গত ৪ আগস্ট রাজধানীর বনানীতে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। সেদিন বিদেশি মদসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দের দাবি করে বাহিনীটি। পরের দিন বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে র‌্যাব। ওই মামলায় পরীমনিকে আদালতে তোলা হয়।

আদালত পরীমণিকে প্রথম দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেয়। পরে তাকে আবারও দুই দফায় তিন দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত।


আরও খবর
হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আমার পছন্দের পুরুষকে একটু রাফ হতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




ফিফা র‍্যাংকিংয়ে ১৮৯তম স্থানে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

একধাপ নিচে নেমে এলো বাংলাদেশ ফুটবল দল। চলতি বছরের জুনে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলে লাল-সবুজরা ছিল ১৮৪তম স্থানে। যদিও আগস্টে ৪ ধাপ নেমে ১৮৮ চলে আসে জেমি ডের শিষ্যরা। নতুন প্রকাশিত র‍্যাংকিংয়ে ১৮৯তম স্থানে নেমে এসেছে জামাল ভূঁইয়া নেতৃত্বাধীন দলটি।

আজ বৃহস্পতিবার ২১০টি সদস্য দেশের র‍্যাংকিং প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা (ফিফা)। ফিফার প্রকাশিত র‍্যাংকিংয়ে তলানি থেকে ২১তম দল বাংলাদেশ। মোট পয়েন্ট ৯০৬.৮৪। আগের পয়েন্ট ছিল ৯০৯.১১ পয়েন্ট। ২.২৭ পয়েন্ট কমেছে তপু-বিশ্বনাথদের।

এ বছর নেপালের ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নেয় জামালের দল। এতে এক ম্যাচ জিতেছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে কাতারের মাটিতে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খেলেছিল মাহবুবুর রহমান সুফিল-তারিক কাজীরা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ড্র করলেও ভারত ও ওমানের বিপক্ষে হেরে যায়। ফলে আগস্টে প্রকাশিত র‌্যাংকিংয়ে এর প্রভাব পড়ে।

কয়েকদিন আগেই কিরগিজস্তানে ত্রিদেশীয় আরেকটি সিরিজে মাঠে নামে জামালরা। ফিলিস্তিন ও কিরগিজদের বিপক্ষে দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে হারতে হয়। ফলে নতুন র‌্যাংকিংয়ে এর প্রভাব পড়ল।

নিউজ ট্যাগ: ফিফা র‍্যাংকিং

আরও খবর
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

মেসিকে পেছনে ফেললেন সিআর সেভেন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের ফের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশের বৃহত্তর শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে ঘায়েল করতে ব্যর্থ হয়ে এবার নতুন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী ওরফে বিচ্ছু সামশু এবং তার ছেলে নাজমুল করিম শারুন চৌধুরী। তাদের সরাসরি হস্তক্ষেপে এবার আটজনকে আসামি করে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল সোমবার মামলাটি করেন মোসারাত জাহান মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান তানিয়া।

তবে সূত্র জানায়, এ মামলার পেছনে কলকাঠি নাড়ছেন সামশু-শারুন সিন্ডিকেট। বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের অপকর্মের বিপক্ষে যারাই সোচ্চার হয়, তাদের দমনে সামনে আনা হয় মুনিয়া ইস্যু। আর, ঘুরেফিরে মুনিয়ার বোন নুসরাতই তাদের মূল অস্ত্র বা দাবার গুটি। গতকালের এ মামলায় এমন কিছু ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে, যাঁরা দেশের বৃহত্তর শিল্পগোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন। তাঁদের মতো সম্মানিত ব্যক্তিদের আসামি করার মধ্য দিয়ে মূলত দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় কুঠারাঘাত করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় এমন কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে, যাঁদের সঙ্গে ওই ঘটনার দূরতম সম্পর্ক নেই। এ মামলার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তারা।

তথ্য মতে, গত ১৮ আগস্ট পটিয়ার যুগ্ম জেলা জজ আদালতে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ১১ জনকে আসামি করে একটি মামলা করে সামশু-শারুন সিন্ডিকেট। গতকাল ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়েরকৃত মামলাটিও সেই ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত হিংসা, আক্রোশ ও ব্লাকমেইলিংয়ের উদ্দেশ্যে মামলাটি করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, গতকাল দায়েরকৃত মামলায় নুসরাতের আইনজীবী হলেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ও অপপ্রচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং নাশকতার একাধিক মামলা রয়েছে। মুনিয়া ইস্যু নিয়ে তারা এর আগেও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলেন।

জানা গেছে, বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকারি করোনা ভ্যাকসিন চুরি, ইয়াবা ব্যবসার গোমর ফাঁস, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা, ব্যাংকার মোর্শেদ হত্যাসহ একাধিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছিল বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন বিভিন্ন গণমাধ্যম। আর, সে কারণে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।

গত ২৬ এপ্রিল গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ঘটনার দিনই গুলশান থানায় আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে বসুন্ধরার এমডিকে আসামি করে মামলা করেছিলেন মুনিয়ার বোন নুসরাত। ওই মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করেন গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসান। তদন্তের ধাপে ধাপে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে ঘটনার চুলছেঁড়া বিশ্লেষণ করেন। শেষপর্যন্ত মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় কোন সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মামলা থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডির নাম প্রত্যাহার করে ১৯ জুলাই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। ২২ জুলাই ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। শুনানী শেষে গত ১৮ আগস্ট আদালত এই মামলা থেকে বসুন্ধরার এমডিকে অব্যাহতি প্রদান করেন। পাশাপাশি পুলিশের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত নুসরাতের নারাজি আবেদনও খারিজ করেন আদালত।

তবে অনুসন্ধান বলছে, মুনিয়ার মৃত্যুর রহস্য শারুন চৌধুরীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। এমনকি শারুনের বিরুদ্ধে মুনিয়াকে হত্যার অভিযোগও উঠেছিল। বিচ্ছু সামশু এবং তার ছেলের বিপক্ষে কেউ অবস্থান নিলেই নেমে আসে ভয়ংকর নির্যাতন। প্রতিশোধ নিতে শারুন চৌধুরী এতটাই ভয়ংকর হয়ে ওঠেন যে, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নিজের বান্ধবী মুনিয়াকে হত্যা করেন। আর, নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে মুনিয়ার বোন নুসরাতকে কোটি টাকা দিয়ে বশ করে সাজানো মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন।

এদিকে, মুনিয়াকে হত্যার অভিযোগে আদালতে শারুনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলার আবেদন করেছিলেন মুনিয়ার বড় ভাই আশিকুর রহমান সবুজ। কিন্তু নুসরাতের আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা চলমান থাকায় আদালত তখন সবুজের আবেদনটি স্থগিত রাখেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেখানে সবুজের মামলার আবেদনটি স্থগিত রাখা হয়েছে, সেখানে নুসরাতের আরেকটি মামলা নিয়ে মাতামাতির বিষয়টি রহস্যজনক। অথচ চাইলে এখন সবুজের মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করা যেত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন এ মামলায় স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ছাড়াও নিরপরাধ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন শারুন চৌধুরীর সাবেক স্ত্রী সাইফা রহমান মিম। মুনিয়ার সঙ্গে শারুনের পরকীয়ার জের ধরে তিনি স্বামীর সংসার ছেড়ে এসেছিলেন। শারুনের নানা অপকর্মের স্বাক্ষী এই মিমকেও তাই নতুন মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। এমনকি প্রথম মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাকে সত্য তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করায় নতুন মামলায় আসামি করা হয়েছে নিরপরাধ বাড়িওয়ালা দম্পতিকেও।

অন্যদিকে, নুসরাতের নতুন মামলায় আসামি করা হয়েছে গত মাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়া মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসাকেও। তাকে এ মামলায় আসামি করার কারণ হিসেবে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে পিয়াসা শারুন চৌধুরী সম্পর্কে স্পর্শকাতর অনেক তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিলেন। যার কিছু অডিও রেকর্ড ভাইরাল হওয়ায় বিপাকে পড়ে যান শারুন। সেই ক্ষোভ থেকে নুসরাতের এই সাজানো মামলায় পিয়াসাকেও আসামি করিয়েছেন শারুন চৌধুরী।

পুলিশকে সত্য বলায় দুই বাড়িমালিকও চক্ষুশূল : আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা তদন্তের একপর্যায়ে মুনিয়ার বাড়িওয়ালার জবানবন্দি নিয়েছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা। সে সময় ওই বাড়ির মালিক শারমিন ও তাঁর স্বামী ইব্রাহীম আহাম্মদ রিপন গুলশান থানা পুলিশকে জানিয়েছিলেন, মুনিয়ার বাসা ভাড়ার সঙ্গে আনভীরের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল না। নুসরাত এবং তার স্বামী মিজানুর রহমান নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিয়ে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তাকে সত্য তথ্য দেওয়ায় বাড়িমালিকরাও শারুন সিন্ডিকেটের চক্ষুশূলে পরিণত হন। ষড়যন্ত্রমূলক এ মামলায় তাঁদের দুজনকেও আসামি করা হয়েছে।

মুনিয়ার ভাইয়ের মামলা অন্ধকারে : এদিকে, মুনিয়ার মৃত্যুর ছয়দিনের মাথায় গত ২ মে শারুনকে আসামী করে ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি হত্যা মামলার আবেদন (নম্বর ১০২১/২০২১) করেন নিহতের ভাই আশিকুর রহমান সবুজ। মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভুঁইয়া আবেদনটি গ্রহণ করলেও মুনিয়ার বোনের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলার তদন্ত চলায় নতুন আবেদনের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছিলেন।

ওই আবেদনে সবুজ দাবি করেন, বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে শারুনের ব্যবসায়িক দ্বন্দ ছিল। এ কারণে শারুন মুনিয়ার মাধ্যমে আনভীরের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত তথ্য জানার চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে অসম্মতি জানালে মুনিয়ার ওপর ক্ষিপ্ত হন শারুন। এর প্রতিশোধ নিতে শারুনই সহযোগীদের নিয়ে মুনিয়াকে হত্যা করেন।

সবুজের দাবি, তাঁর বোন মুনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করেছেন শারুন চৌধুরী ও তার সহযোগীরা। ঘটনার দিন শারুন তাঁর বোন মুনিয়ার ফ্ল্যাটের ডুপ্লিকেট চাবি নিয়ে ঢুকে অজ্ঞাতনামাদের সাহায্য নিয়ে হত্যা করেন। পরে তাঁর বোনের লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে কৌশলে বাসা থেকে বের হন। সবুজের দাবি, তার বোন নুসরাত জাহান আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করার আগে তার সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি। নুসরাত প্রকৃত ঘটনা জানেন না বলেও দাবি করেন তিনি।

গোমর ফাঁস করায় পিয়াসাও আসামি : গত ১ আগস্ট অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, মাদকসহ ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা নামে কথিত এক মডেলকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এসময় মরিয়ম আক্তার মৌ নামে তার এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের রিমান্ডে নিলে যেন কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়ে আসার মতো ঘটনা ঘটে। পিয়াসার জবানবন্দিতে উঠে আসে বিভিন্ন রাঘববোয়ালের অনেক কুকীর্তির কথা। সেসব রাঘববোয়ালদের মধ্যে অন্যতম শারুন চৌধুরী। রিমান্ডে পিয়াসা খুলে দেন নারী কেলেঙ্কারীসহ শারুন-সামশুলের অন্ধকার জীবনের নানা অধ্যায়। পিয়াসার সেই জবানবন্দি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।

সূত্র জানায়, এ ঘটনায় পিয়াসার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শারুন। তাই পিয়াসাকে ঘায়েল করতে নুসরাতের নতুন মামলায় কৌশলে তাকেও আসামি করা হয়।

সাবেক স্ত্রীকেও ফাঁসাতে চান শারুন : অনেক সুখের স্বপ্ন নিয়ে শারুন চৌধুরীর সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন সাইফা রহমান মিম। কিন্তু বিয়ের কিছুদিন না যেতেই সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় তার। মাদকসেবী ও অর্থলোভী স্বামীর হাতে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে। নির্যাতনের পেছনে ছিল মুনিয়ার সঙ্গে তার স্বামী শারুনের পরকীয়া। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে শারুনের নির্মম নির্যাতনের শিকার হন সাইফা রহমান মীম। এরপরও মুখ বুজে সংসার টিকিয়ে রাখতে চেয়ছিলেন মিম। একপর্যায়ে শারুন যখন তাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করেন তখন আর চুপ থাকেননি মিম। শারুন ও শ্বশুর সামশুল হক চৌধুরী ওরফে বিচ্ছু সামশুসহ পরিবারের নির্যাতন সইতে না পেরে শেষপর্যন্ত শারুনকে তালাক দেন তিনি। শুধু তাই নয়, ভয়ংকর শারুন চৌধুরী সাইফা মীমের একমাত্র শিশু কন্যাকেও জোর করে আটকে রাখেন। এই ঘটনায় মিম আদালতে ৩০৬, ৩০৭, ৩২৭, ৩৪০ ও ৩৭৭ ধারায় একটি মামলার আবেদন করেন। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে সেই আবেদন গ্রহণ করেননি আদালত।

এ বিষয়ে মীম গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, শারুনের শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের কারণে আমি কয়েক দফা সুইসাইড করার চেষ্টা করি। মোসারাত জাহান মুনিয়াসহ বহু নারীর সঙ্গে শারুনের ঘনিষ্ঠতা ছিল। মুনিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে কথা বললে সে আমাকে বেধড়ক মারধর করে। এমনকি আমি ও আমার মা-বাবাকে হত্যার হুমকি দেয়। তার সঙ্গে সবসময় পিস্তল থাকে, ওই পিস্তল উঁচিয়ে ভয় দেখায়।

মীম আরও বলেন, শেষপর্যন্ত তাদের নির্যাতনের কাছে হার মানতে হয়। মুনিয়ার পরকীয়ার কারণেই আমাকে ঘরছাড়া হতে হয়েছিল। এমনকি আমার শিশুকন্যাকেও আবার বুক থেকে কেড়ে নিয়েছে। একটিবার দেখতেও দেয় না। এখন প্রতিশোধ নিতে সেই শারুনের বান্ধবী মুনিয়ার বড় বোন বাদী হয়ে আমার বিরুদ্ধেও মামলা করেছে। কিন্তু আমি যে মামলা শারুনের বিরুদ্ধে করতে চেয়েছিলাম সেটা শারুন সিন্ডিকেটের অদৃশ্য হাতের ইশারায় মামলাটি আমলে নেয়া হয়নি।



আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আদালতে হাজির করা হচ্ছে ইভ্যালির রাসেলকে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বলিউডে জয়া আহসান, নায়ক নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামার আগে যেমন একটা থমথমে ভাব থাকে, গেল কমাস তেমনই ছিলেন বাংলার জয়া আহসান। গেল কমাসে টলিউড কিংবা চলচ্চিত্রের বিশ্ব-বাজার থেকে ভেসে ভেসে ঢাকার অনেক খবরই আসছিলো দেশে, কিন্তু কোথাও পাওয়া যাচ্ছিলো না জয়া আহসানকে। অথচ গেল কবছর ধরে নানা মাত্রায় বাংলার প্রধান অভিনেত্রী হিসেবেই আসন ধরে রেখেছিলেন এই অভিনেত্রী।

অবশেষে বৃষ্টিটা নামলো, এলো দারুণ একটা খবর। টলিউড জয় করে অবশেষে ঢালিউডের জয়া আহসান পা ফেলছেন বলিউডেও! বিপরীতে পাচ্ছেন আরেক বলিউডের অনবদ্য অভিনেতা নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকি। খবরটি প্রথমে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা সায়ন্তন মুখোপাধ্যায়, আনন্দবাজারকে। পরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়া আহসান। যদিও মুখফুটে বিস্তারিত বলতে পারেননি, না বলার শর্তে বাঁধা আছেন বলে।

তবে নির্মাতা সায়ন্তন মুখোপাধ্যায় খুব একটা কম বলেননি বলিউডের এই প্রজেক্ট প্রসঙ্গে। জানান, সব ঠিক থাকলে আগামী বছর নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকির বিপরীতে দেখা যাবে বাংলাদেশের এই নায়িকাকে।

আগামী বছরের পূজা উৎসবের আগে তিনি ক্যামেরাবন্দি করবেন তার প্রথম রাজনৈতিক ওয়েব সিরিজটি। যার পটভূমি ১৯৬৭ সালের নকশালবাড়ি আন্দোলন। তৎকালীন বিতর্কিত পুলিশ অফিসার রুণু গুহ নিয়োগীর লেখা সাদা আমি কালো আমি উপন্যাস অবলম্বনে মোট তিন ভাষায় (বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি) তৈরি হবে সিরিজটি। সায়ন্তন জানান, এখানেই চারু মজুমদার হবেন নওয়াজ আর জয়া আহসান তার স্ত্রী লীলা মজুমদার।

এই ধারার সিরিজ নির্মাণ প্রসঙ্গে সায়ন্তন বলেন, ‘‘মুম্বাইয়ের পটভূমিকায় যদি সেক্রেড গেমস বা উত্তরপ্রদেশকে নিয়ে মির্জাপুর সিরিজ তৈরি হতে পারে তাহলে বাংলাই বা পিছিয়ে থাকবে কেন? পশ্চিমবঙ্গের আন্দোলনের ইতিহাসও তুলে ধরার সময় এসেছে। সেই জায়গা থেকেই আমার এই উপন্যাস নির্বাচন।’’ গত দেড় বছর ধরে এই সিরিজের চিত্রনাট্যের প্রাথমিক খসড়া তৈরি করেছেন পরিচালক। তাকে সাহায্য করেছেন অন্ধাধুন ছবির লেখক অরিজিৎ বিশ্বাস।

তিনটি পর্বে দেখানো হবে এই সিরিজ। প্রথম পর্বে থাকবে ১৯৪৭-১৯৭২ সাল।১৯৭২-১৯৯০ পর্যন্ত উঠে আসবে দ্বিতীয় পর্বে। শেষ পর্বে থাকবে ১৯৯০ থেকে বর্তমান প্রেক্ষাপট। কলকাতা, মুম্বাই, কেরালা, অন্ধ্রপ্রদেশের পাশাপাশি চীন, রাশিয়াতেও ছবির শুটিং করার পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতার।

এদিকে চলতি বছরেই পূজার পর মুক্তি পাবে জয়া-সায়ন্তনের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ঝরা পালক। জীবনানন্দ দাশের জীবন নিয়ে তৈরি এই ছবিতে কবির স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। পরিচালকের ভাষায়, আমার জয়া-যোগ তখন থেকেই। এই ছবির কাজের সময় জয়া আমাকে অনুরোধ করেছিলেন, জাতীয় স্তরের কাজে তাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। সেই জায়গা থেকেই লীলা মজুমদারের চরিত্রের জন্য বলতেই এক কথায় রাজি হন তিনি।

অন্যদিকে কলকাতায় গত ১৯ আগস্ট মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসানের ছবি বিনিসুতোয়। অতনু ঘোষের নির্মাণে এতে জয়ার সহ-অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। ছবিটি মুক্তির পর সমালোচক প্রশংসা ভালোই জুটছে জয়ার পক্ষে।


আরও খবর
হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আমার পছন্দের পুরুষকে একটু রাফ হতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




রাজধানীর সেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙা হচ্ছে কাল

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৭ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ আগস্ট ২০২১ | ৭৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের তনুগঞ্জ লেনের কুলুটৌলায় হেলে পড়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে ফেলার প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শুক্রবার ভবনটির দরজা-জানালা ভাঙার মাধ্যমে ছয়তলা ভবনটি ভেঙে ফেলার প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। আগামীকাল (শনিবার) থেকে ভবনটির মূল অবকাঠামো ভাঙার কার্যক্রম শুরু হবে।

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ১৯ আগস্ট হাজী বাড়ী নামে ছয়তলা ভবনটি হেলে পড়লে সেদিনই রাজউক চেয়ারম্যান এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী, দক্ষিণ সিটির ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংক্রান্ত কারিগরি কমিটির সভাপতি ও করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউর রহমান ও সদস্য সচিব খায়রুল বাকের, ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, ডিএসসিসির ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংক্রান্ত আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি ও অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম জয়, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান ইমন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, তিতাস গ্যাস ও ডিপিডিসির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা, স্থানীয় থানার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সহায়তায় ভবনের বাসিন্দাদেরকে নিরাপদে বের করে আনা হয়। তিতাস গ্যাস লিমিটেড ভবনটির গ্যাস সংযোগ এবং ডিপিডিসি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। পরবর্তীতে উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, ডিএসসিসির ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংক্রান্ত কারিগরি কমিটি ও আঞ্চলিক কমিটির সদস্যরা ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে একমত পোষণ করেন এবং ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সেখানে স্টিকার সাঁটিয়ে দেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসন ভবনটি সিলগালা করে দেয়।

ঘটনা পরবর্তী রাজউক গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ২২ আগস্ট ভবনটি অপসারণে রাজউক থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ বরাবরে পত্র দেওয়া হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো অপসারণ বা ঝুঁকিমুক্ত করার বিষয়ে গঠিত ডিএসসিসির কারিগরি কমিটির ২৫ আগস্টের সভার কার্যবিবরণী এবং রাজউকের ২২ আগস্টের পত্রে অনুরোধের প্রেক্ষিতে দক্ষিণ সিটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস গত ২৫ আগস্ট ডিএসসিসির কারিগরি কমিটির কার্যবিবরণীতে সাক্ষর করেন। সেদিনই দক্ষিণ সিটির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার সাক্ষরে ভবনটি নিজ উদ্যোগে, নিজ খরচে ও নিজ ব্যবস্থাপনায় জননিরাপত্তা নিশ্চিতপূর্বক ভেঙে ফেলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ভবন মালিককে পত্র দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ২৬ আগস্ট ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভবনটির সিলগালা খুলে দেন এবং সেখানে রক্ষিত ভবনের বাসিন্দাদের আসবাপত্রসমূহ নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। আজ (শুক্রবার) সকাল থেকে ভবনটি ভেঙে ফেলা প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। শনিবার থেকে ভবনের মূল অবকাঠামো ভাঙার কার্যক্রম শুরু হবে। বেলা সাড়ে ১১টায় দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ ও রাজউক চেয়ারম্যান এবিএম আমিন উল্লাহ নুরীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ভবন ভাঙার কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন।

হেলে পড়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভাঙা প্রসঙ্গে দক্ষিণ সিটির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার বলেন, বাড়ির মালিক নিজ উদ্যোগে ভবনটি ভেঙে ফেলার কার্যক্রম শুরু করেছেন। আজ (শুক্রবার) ভবনের দরজা-জানালা অপসারণসহ প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামীকাল (শনিবার) ভবনের মূল অবকাঠামো ভাঙা শুরু হবে।

এ প্রসঙ্গে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান ইমন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণে বাড়ির মালিক কাজ করছেন। আমরা তার পাশে থাকব এবং সার্বিক সহযোগিতা করব, ইনশাআল্লাহ।


আরও খবর
ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের পুলিশের লাঠিপেটা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




১৬ ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | ১৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জালিয়াতির মাধ্যমে জিআর প্রকল্পের প্রায় ছয় হাজার মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলরসহ মোট ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা সবাই গাইবান্ধার গোবিন্ধগঞ্জ উপজেলার জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারী।

গত ২৬ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মঙ্গলবার দুদক সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আসামিরা জাল কাগজপত্র তৈরি করে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ধর্মীয় সভার অনুকূলে জিআর এর বরাদ্দ করা ৫ হাজার ৮২৩ মেট্রিক টন সরকারি চাল উত্তোলন করে কালোবাজারে বিক্রি করে। ওই সময় এই পরিমাণ চালের সরকারি আর্থিক মূল্য ২২ কোটি ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৯০ টাকা। দণ্ডবিধির ৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আসামিরা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১ নং কামদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশাহেদ হোসেন চৌধুরী, ২নং কাটাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম (রফিক), ৩নং শাখাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. তাহাজুল ইসলাম, ৪নং রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ সরকার, ৫নং সাপমারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাকিল আলম, ৬নং দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আ. র. ম. শরিফুল ইসলাম জজ, ৭নং তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান আতিক, , ৮নং নাকাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাদের প্রধান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আকতারা বেগম, ১০ নম্বর রাখালবরুজ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহাদাত হোসেন, ১১নং ফুলবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান মোল্লা, ১২ নং গুমানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শরীফ মোস্তফা জগলুল রশিদ রিপন, ১৩নং কামারদহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম রতন, ১৪নং কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন, ১৫ নং শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মণ্ডল, ১৬ নং মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ প্রধান ও ১৭ নং শালমারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমির হোসেন শামীম ও গোবিন্ধগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর মোছা: গোলাপী বেগম।


আরও খবর