আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

প্রকাশ্যে চলছে বেনাপোলের কাস্টমস কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২০ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ২০৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ্যে চলছে বেনাপোলের কাস্টমস কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য

নিউজ ট্যাগ: বেনাপোল

আরও খবর



ভারতকে হারালেই ব্ল্যাংক চেক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপের মতো মেগা টুর্নামেন্টে কালে-ভদ্রে দেখা হয়। যেমন এবার আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হবেন বাবর আজম ও বিরাট কোহলিরা।

আর সেই ম্যাচের জয়-পরাজয় নিয়ে চমকে দেওয়া এক খবর দিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান রমিজ রাজা।

জানালেন, বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে হারাতে পারলে মোটা অঙ্কের বিনিয়োগ পেতে পারে পাকিস্তান। দেশটির ক্রিকেটপাগল এক বিনিয়োগকারী নাকি তাদের জানিয়েছেন, কোহলির দলকে হারালে বাবরদের জন্য ব্ল্যাংক চেক -এ সই করবেন তিনি।

উল্লেখ্য, পাকিস্তান বোর্ড নিয়মিতই আর্থিক সংকটে পড়ার শঙ্কায় ভোগে। কারণ পিসিবির খরচের অর্ধেকটাই আসে আইসিসি থেকে। আর আইসিসির তার ফান্ডের জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল।

এ নিয়ে রমিজ রাজার শঙ্কা, ভারত আইসিসিকে অর্থায়ন বন্ধ করে দিলে তখন পিসিবির কী হবে!

আসন্ন বিশ্বকাপের আগে বোর্ড মিটিংয়ে সেই শঙ্কার কথা প্রকাশ্যে আনেন রমিজ। তখনই এই ব্ল্যাংক চেকের বিষয়টি উঠে আসে।

বৈঠকে পিসিবির নতুন চেয়ারম্যান বলেন, পিসিবির ৫০ শতাংশ খরচ চলে আইসিসির অর্থায়ন থেকে। আর আইসিসির সিংহভাগ অর্থায়ন আসে ভারত থেকে। আমার শঙ্কা, ভারত যদি আইসিসিকে অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়, তা হলে পিসিবি মুখ থুবড়ে পড়তে পারে।সেটি যেন না হয়, আমি পাকিস্তান ক্রিকেটকে শক্তিশালী করতে চাই। এ বিষয়ে একটি সুখবর আছে। এক বড় বিনিয়োগকারী আমাকে বলেছেন, আসছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান যদি ভারতকে হারাতে পারে, তা হলে পিসিবির জন্য একটি ব্ল্যাংক চেক প্রস্তুত।

পিসিবিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ রমিজ রাজা। বললেন, আমাদের ক্রিকেট যদি আর্থিকভাবে শক্তিশালী হয়, তা হলে কেউ আমাদের ব্যবহার করতে পারবে না। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মতো দল সফর বাতিল করতে পারবে না। আমরা সেরা ক্রিকেট দল হওয়ার পাশাপাশি সেরা ক্রিকেট অর্থনীতির দেশ হতে চাই। দুটিই অবশ্য বড় চ্যালেঞ্জ।

নিউজ ট্যাগ: ভারত-পাকিস্তান

আরও খবর



নবাবগঞ্জে ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে নারীর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ছিনতাইকারি সন্দেহে গণপিটুনিতে নবাবগঞ্জে রুনা (২৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনায় পপি (২০) নামে আহত আরেক নারীকে গুরুতর অবস্থায় নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের বলমন্তচর সেতুর ঢালে হযরত আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর হযরত আলী ও তার স্ত্রী জহুরা বেগম বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন।

আহত পপি ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ডহর মণ্ডল গ্রামের মহরম আলীর মেয়ে ও নিজামুদ্দিনের স্ত্রী। নিহত রুনাও একই উপজেলার বাসিন্দা। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, হযরত আলীর স্ত্রী জহুরা বেগম রোববার বেলা ১১টার দিকে করোনার টিকা নেওয়ার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে লাইনে দাঁড়ান। এক সময় জহুরা বেগম গলায় থাকা দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণের চেন দেখতে না পেয়ে পাশে দাঁড়ানো দুই নারীকে সন্দেহজনকভাবে আটক করেন এবং স্বামী হযরত আলীকে খবর দেন। হযরত আলী ঘটনাস্থলে এসে দুই নারীকে জোরপূর্বক নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।

এদিকে সংবাদ পেয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন এসে হযরত আলীর বাড়িতে জড়ো হয়ে দুই নারীকে গণপিটুনি দেয়। এতে রুনা নামে ওই নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং পপি নামে অপরজনের অবস্থা খারাপ হয়ে গেলে তাকে দ্রুত নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

সংবাদ পেয়ে দুপুর ৩টার দিকেনবাবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম শেখ ও থানার অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় পুলিশ সেখান থেকে রুনার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মৃত্যুঞ্জয় কির্তনীয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সুরতহাল শেষে মরদেহ  ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত ও আহত নারী একই এলাকার বাসিন্দা। নিহতের নাম জানা গেলেও বিস্তারিত জানা যায়নি। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান আছে।



আরও খবর



খাবারের আশায় ছেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | ৬৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নওগাঁর নিয়ামতপুরে শুধু দুমুঠো ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকার আশায় ছেলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ময়েজ উদ্দীন (৮০) নামে এক অসহায় বাবা।

সোমবার ওই বৃদ্ধ তার ছেলে মুনছের আলী (৩৫) ও পুত্রবধূ সুলতানা বেগমের (৩০) বিরুদ্ধে নিয়ামতপুর থানায় এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাঁড়ইল ইউনিয়নের দিঘীপাড়া (পশ্চিম পাহাড়) গ্রামের বাসিন্দা ময়েজ উদ্দীন বার্ধক্যজনিত কারণে বর্তমানে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। কিন্তু ছেলে ভরণপোষণ না দেওয়ায় এ বয়সে শুধু বাঁচার তাগিদে নিজেকেই নিজের খাবার রান্না করে খেতে হয়।

স্থানীয়রা জানান, ওই বৃদ্ধ বাবার প্রতি তার ছেলে খুবই উদাসীন। কোনো খোঁজখবর রাখে না তার। বৃদ্ধ বাবার সঙ্গে মাঝেমধ্যেই ছোটখাটো বিষয় নিয়ে তুমুল ঝগড়া করে ছেলে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশও হয়েছে। তবে প্রতিকার হয়নি। অবশেষে নিরুপায় হয়ে ভরণপোষণের দাবিতে আইনের আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন তিনি।

ভুক্তভোগী বাবা ময়েজ উদ্দীন ছেলের প্রতি আক্ষেপ করে জানান, যোগ্য কর্মক্ষম ছেলে থাকলেও না খেয়ে দিন কাটে তার। বয়সের ভারে কিছুই করতে পারেন না তিনি। সম্প্রতি তার ভরণপোষণও বন্ধ করে দিয়েছে ছেলে। পুত্রবধূর প্রতি কিছুটা ভরসা করলেও সেও তার ছেলের মতোই আচরণ শুরু করেছে এখন। যেদিন শরীর খুব খারাপ থাকে রান্না হয় না তার। উপোস থাকতে হয় সারাদিন। পাড়া-প্রতিবেশীরা খোঁজ নিয়ে কিছু দিলে পেটে যায় তার। সব মিলিয়ে অর্ধহারে-অনাহারে দিন কাটছে এখন। অসুখ-বিসুখ, চিকিৎসার কথা বলতেই দুই চোখ বেয়ে অশ্রু নামে তার।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, শুনেছি সরকার নাকি বৃদ্ধ পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে আইন করেছে। সেই ভরসায় শুধু দুমুঠো ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকার আশায় ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি।

নিউজ ট্যাগ: থানায় অভিযোগ

আরও খবর



চন্দ্রিমা উদ্যানে কারো কবর থাকবে না : তাজুল ইসলাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লাশ থাকুক আর না থাকুক কারো কবর চন্দ্রিমা উদ্যানে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশের (আইইবি) কাউন্সিল ভবনে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটি আয়োজিত ঢাকা শহরে জলবদ্ধতা: সমস্যা ও প্রতিকার শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, যারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি তারা পার্লামেন্টের চত্বরে শুয়ে থাকবেন, স্বাধীনতাবিরোধীদের কবর যদি আমাদের দেশের সংসদ ভবনের মতো গৌরবোজ্জ্বল জায়গাতে থাকে, তাহলে আমাদের জাতির প্রতি যে অঙ্গীকার সেটা কি রক্ষা করলাম?

তিনি আরো বলেন, শুধু অপরিকল্পিতভাবে রাস্তাঘাটই গড়ে তোলা হয়নি। লুই আই কানের নকশা অনুযায়ী সেখানে কোনো কবর থাকার কথা নয়। জিয়াউর রহমান জাতির পিতার খুনিএই কথা প্রমাণ করার জন্য এখন তথ্য-প্রমাণের অভাব নেই। ডেপুটি আর্মি স্টাফ হিসেবে রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রপতিকে নিরাপত্তা এবং রক্ষা করা জিয়াউর রহমানের দায়িত্ব ছিল।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়াউর রহমানের কাছে ব্রিগেডিয়ার আমিনুল ইসলাম গেলে তিনি তাকে বলেন, হোয়াই ইউ আর ওরিড, ভাইস প্রেসিডেন্ট তো রয়েছে, রাজনীতির বিষয়ে আমাদের কিছুই করার নেই। জাতির পিতাকে হত্যা করা কি পলিটিক্স ছিল? বঙ্গবন্ধুর দর্শন বাস্তবায়ন হওয়ার কারণে আমরা এখন আর পৃথিবীর কাছে ভিক্ষুকের জাতি নই। স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির ঐক্য এবং লক্ষ্য থেকে আমাদের বিচ্যুত করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান ও তার দল আমাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করেছে। ঘোষণা দিলেই কেউ ঘোষক হয়ে যায় না। একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেই দেশের জনগণ স্বাধীনতার ঘোষণার জন্য মনোনীত করেছিল। আপনি আগে পরে বা যখনই ঘোষণা দেন না কেন আপনি স্বাধীনতার ঘোষক হতে পারেন না।

জাতির পিতাকে হারানোর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে আমরা বিপথগামী হয়েছি। বঙ্গবন্ধুকে হারানোর পর ২১ বছরে ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই হয়নি। অব্যবস্থাপনা, ধ্বংস আর চমক সৃষ্টি করে এখন চন্দ্রিমা উদ্যানের শুয়ে থাকবেন, এমন তো হতে পারে না। লাশ থাকুক আর না থাকুক কারো কবর এখানে থাকতে পারে না। একজন বিবেকবান মানুষ হিসেবে আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, আমাদের ৩০ লাখ লোককে হত্যা করেছে, দুই লাখ মা-বোনের সভ্রমহানি করেছে আমরা তখনই আমাদের সম্মান পুনঃস্থাপন করতে পারব, যখন আমরা এই সমস্ত কুলাঙ্গারদের দেশের জাতীয় মর্যাদাপূর্ণ স্থান থেকে অপসারণ করতে পারবো।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেব বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুরের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুস সবুর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মফিজুর রহমান।


আরও খবর



মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে কাবুলে ফিরলেন মোল্লা বারাদার

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অন্তর্দ্বন্দ্বের খবর ও মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে দিয়ে প্রায় একমাস পর কাবুলে ফিরে এসেছেন তালেবানের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদার।

দীর্ঘ প্রায় একমাস কান্দাহারে থাকার পর মঙ্গলবার কাবুলে ফিরেছেন তিনি। বর্তমানে কাবুলের রাষ্ট্রপতির আবাসিক ভবন ও কার্যালয় প্রেসিডেন্ট প্যালেসে অবস্থান করছেন তালেবানের এ শীর্ষ নেতা।

গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে ভারতের শীর্ষ জাতীয় দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমস বুধবার এ খবর জানিয়েছে। 

খবরে বলা হয়, কাবুলে এসে পৌঁছানোর পর আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজউদ্দিন হাক্কানি, বারাদারের নিরাপত্তার জন্য সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সদস্যদের ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বারাদার জানিয়েছেন, তার নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষী রয়েছে, সরকারি নিরাপত্তার কোনো প্রয়োজন তিনি বোধ করছেন না।

গত মাসে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে বারাদারের সঙ্গে প্রভাবশালী হাক্কানি নেটওয়ার্কের অনুগতদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। তবে এ খবর উড়িয়ে দিয়েছিলেন বারাদার।

পরে মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে দিয়ে ভিডিও সাক্ষাৎকারে হাজির হন তালেবানের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদার। তালেবানের ভেতর অন্তর্দ্বন্দ্বের খবর উড়িয়ে তিনি বলেন, না, এটা সত্য নয়। আমি ঠিক আছি, সুস্থ আছি। আমি কাবুলের বাইরে ছিলাম, ভুয়া খবর অস্বীকার করতে ইন্টারনেটে ঢোকারও উপায় ছিল না।

 

নিউজ ট্যাগ: মোল্লা বারাদার

আরও খবর