আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

প্রকাশ্যে চলছে বেনাপোলের কাস্টমস কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২০ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ্যে চলছে বেনাপোলের কাস্টমস কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য

নিউজ ট্যাগ: বেনাপোল

আরও খবর



গ্যাসের মিটারে দ্বিগুণ ভাড়ার ব্যাখ্যা দিলো তিতাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চলতি বছরের শুরুতেই গ্যাসের প্রিপেইড মিটার ভাড়া দ্বিগুণ করা হয়েছে, যা নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। মিটার ভাড়া এক লাফে ১০০ থেকে ২০০ করার কারণ ব্যাখ্যা করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিবৃতিতে তিতাস গ্যাসের পক্ষ থেকে মিটার ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস বলেছে, প্রতিটি প্রিপেইড মিটারের আয়ুষ্কাল ১০ বছর বিবেচনা করে এর মূল্য, স্থাপন, ওয়েব সিস্টেম, মিটার ও সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ খচরসহ প্রতিটি মিটারের মূল্য কম বেশি ২৫ হাজার টাকায় দাঁড়ায়। তিতাস গ্যাস কম্পানি ঋণ নিয়ে এসব মিটারের ব্যবস্থা করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মিটারের পুরো দাম একসঙ্গে না নিয়ে গ্রাহকদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে মাসিক ভাড়া আদায়ের মাধ্যমে এই খাত সমন্বয় করা হচ্ছে। সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত মোতাবেক পেট্রোবাংলার আওতাধীন সকল গ্যাস বিতরণ কোম্পানির আবাসিক প্রিপেইড মিটারের মাসিক ভাড়া ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিতাস আরও দাবি করেছে, গ্রাহকদের সুবিধার্থে সরকার আবাসিক গ্যাসের মূল্য প্রতি ঘনমিটার মাত্র ১৮ টাকা পূর্ব থেকেই নির্ধারণ করেছে। অথচ ২০২৩ সালে দেশে উৎপাদিত গ্যাস ও আমদানীকৃত এলএনজি মিশ্রিত মূল্য গড়ে প্রতি ঘনমিটারে ১৮ টাকার চেয়ে অনেক বেশি। অর্থাৎ আবাসিক খাতে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের বিপরীতে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। তাই আবাসিক খাতে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি অবান্তর। এ বিষয়ে সবার সহযোগিতাও চেয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর



নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটটের সঙ্গে চুয়েটের যৌথ গবেষণা দ্বিপক্ষিক চুক্তি

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন ফরিদপুর নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সঙ্গে যৌথ গবেষণা সংক্রান্ত একটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সিন্ডিকেট কক্ষে চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

এসময় চুয়েটের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এবং নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের পক্ষে মহাপরিচালক এসএম আবু হোরায়রা স্বাক্ষর করেন। সাক্ষী হিসেবে চুয়েটের পক্ষে পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আয়শা আখতার ও পানিসম্পদ কৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. জিএম সাদিকুল ইসলাম এবং নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের পক্ষে হাইড্রলিক রিসার্চ পরিদপ্তরের পরিচালক পিন্টু কানুনগো ও জিওটেকনিক্যাল রিসার্চ পরিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) উমা সাহা স্বাক্ষর করেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এএইচ রাশেদুল হোসেন, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান, গবেষণা ও সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বনিক এবং নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ফাতেমা রোকশানা, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, মো. সাহাবুদ্দীন ও উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবুল এহছান মিঞা।

চুক্তির আওতায় আগামী পাঁচ বছর চুয়েটের সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদভুক্ত বিভাগগুলো ও ইনস্টিটিউট অব রিভার, হারবার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এবং নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ, যৌথ গবেষণাগার ব্যবহার, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনার-সিম্পোজিয়াম আয়োজন, বিভিন্ন শর্টকোর্স চালু করা, শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট প্রভৃতি সুবিধা লাভ করবে।

পরে দেশের একমাত্র নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড ও গবেষণার ক্ষেত্র নিয়ে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান।


আরও খবর



আত্মসমর্পণ করায় মিয়ানমারের তিন জেনারেলের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনীর সাথে সংঘাতের এই পর্যায়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছে আত্মসমর্পণ ও শহরের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তিন শীর্ষ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটি। মিয়ানমারের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদমর্যাদার কর্মকর্তা ছিলেন তারা।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্রোহীদের মুহুর্মুহু হামলার মুখে শান রাজ্যের লোক্কাই শহরের নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে বাধ্য হয় জান্তা সেনারা। এছাড়া শত শত সেনা বিদ্রোহী জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের যোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

চীন সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ এই শহরের নিয়ন্ত্রণ কৌশলগতভাবে ছেড়ে দেয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে জান্তা সরকারের আদালত।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শত শত সেনার এই আত্মসমর্পণ মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর জন্য কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরাজয় বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও আত্মসমর্পণের পর শহরের দায়িত্বে থাকা সেনা কমান্ডার ও সেনাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সামরিক আইনে শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমতি ছাড়া সামরিক ঘাঁটি ত্যাগ দণ্ডনীয় অপরাধ। এর জন্য মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। তবে সবশেষ মৃত্যুদণ্ডের ব্যাপারে মন্তব্যের জন্য জান্তা মুখপাত্রের সাথে যোগাযোগ করা হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এমনকি কোন আদালতে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাও জানানো হয়নি।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ালো মিয়ানমারের জান্তা

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর তীব্র সংঘাত চলার মাঝেই জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও এক দফায় ছয় মাসের জন্য বৃদ্ধি করেছে মিয়ানমারের জান্তা। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিনা রক্তপাতে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সেনাবাহিনী। ওই সময় গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত দেশটির নেত্রী অং সান সুচিকে ক্ষমতাচ্যুত ও অবরুদ্ধ করা হয়।

ক্ষমতা দখলের পর দ্রুত দেশটিতে নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেয় জান্তা। তবে বুধবার নতুন করে জরুরি অবস্থার মেয়াদ বৃদ্ধি মাধ্যমে দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন আরও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে বুধবার (৩১ জানুয়ারি) এক ‍বিবৃতিতে জান্তা বাহিনী বলেছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় এবং বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখতে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ইউ মিন্ত সুয়ে জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও ছয় মাস বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রায় তিন বছর আগে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সুচিকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করে সামরিক জান্তা। কিন্তু সেবার অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেন হাজার হাজার মানুষ। তারা নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। এ কারণে সাধারণ মানুষের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন ও হত্যাযজ্ঞ চালায় জান্তা বাহিনী।

পরে দেশজুড়ে জান্তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন দেশটির সাধারণ জনতা ও বিদ্রোহীরা। এছাড়া অন্যান্য বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোও আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। দেশটিতে সশস্ত্র প্রতিরোধ ঠেকাতে জরুরি অবস্থার মেয়াদ কয়েক দফায় বৃদ্ধি করেছে সামরিক জান্তা।

মিয়ানমারের জান্তা বাহিনী ২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তাদের দাবি, এই সংবিধান এখনো কার্যকর আছে। ২০০৮ সালের সংবিধানে বলা আছে, জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

মিয়ানমারের স্থানীয় একটি পর্যবেক্ষক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের পর অভ্যুত্থানবিরোধী প্রায় ৪ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করেছে জান্তা। তবে এত দমন-নিপীড়ন চালিয়েও সশস্ত্র প্রতিরোধ ঠেকানো যাচ্ছে না।

বিশেষ করে গত তিন মাসে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে জান্তা বাহিনী। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্য। রাখাইনে স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির তীব্র হামলার মুখে অনেক জায়গা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে সেনাবাহিনী।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মাগুরার শ্রীপুরে নদী ভাঙন রোধে স্বেচ্ছাশ্রমে বেড়িবাঁধ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলার দোরাননগর গ্রামে গড়াই নদী ভাঙনে গত কয়েক বছরে নদী তীরবর্তী কয়েকটি ঘরবাড়ি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ফসলী ক্ষেত বিলিন হয়ে গেছে। ফলে নদীর পেট থেকে অবশিষ্ট সম্পদ বাঁচাতে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দোরাননগর গ্রামের শতাধিক গ্রামবাসী মিলে ভাঙন প্রতিরোধী প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ নির্মাণ করছেন।

এলাকাবসী সঞ্জয় বিশ্বাস জানান, গত বর্ষা মৌসুমে নদী এলাকার তিন কিলোমিটার বিলীন হয়েছে নদী গর্ভে। গত ৫ বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অনেকবার এ বিষয়ে তারা আবেদন করেছেন। কিন্তু কোনো ফল হয়নি। যে কারণে সবশেষে তারা নিজেরাই এ উদ্যোগ নিয়েছেন।

দোরান নগর গ্রামের বাসিন্দা প্রকৌশলী রথিন্দ্রনাথ মন্ডল বলেন, প্রতিবছর গড়াই নদীর ভাঙনে আমাদের দোরান নগর গ্রামের রাস্তা, বসতবাড়ি বিলীন হয়ে যায়। ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে গ্রামবাসী ও সমাজের বৃত্তবান মানুষের আর্থিক সহায়তায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। গতবছর গ্রামবাসীর উদ্যোগে ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁশ, কাঠ দিয়ে ৮টি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। সেটির রুপান্তর ঘটিয়ে এবার নতুন করে ইট, বালু, রড় দিয়ে কংক্রিট ঢালাইয়ের পিলার দিয়ে সেটিকে মজবুত করা হচ্ছে। এই বেড়িবাঁধ নির্মাণের ফলে আগামী বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে গোটা গ্রাম।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ মহল বলেন, আমি বিষয়টি মাত্র জানলাম। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪