আজঃ মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

প্রকাশ্যে চলছে বেনাপোলের কাস্টমস কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২০ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৩১৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ্যে চলছে বেনাপোলের কাস্টমস কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য

নিউজ ট্যাগ: বেনাপোল

আরও খবর



শিগগিরই অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ : স্বাস্থ্য অধিদফতর

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিগগিরই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বুধবার (২৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দেশে প্রথম করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার মাধ্যমে। কিন্তু মাঝে টিকা সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দ্বিতীয় ডোজের জন্য অনেকেই অপেক্ষায় রয়েছেন। আমরা ইতোমধ্যেই জাপান সরকারের কাছ থেকে কিছু পরিমাণ টিকা পেয়েছি এবং খুব দ্রুত দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষমাণদের টিকা দেওয়া শুরু করবো।

ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা আশাবাদী সরকারের বিভিন্ন বহুমুখী পদক্ষেপের কারণে আরও বেশি সংখ্যায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পেয়ে যাবো এবং অবশিষ্ট যারা আছেন তাদের প্রত্যেককেই সে টিকা দিতে সক্ষম হবো।

দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। শুরুতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড দিয়ে এ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেও ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় পরে এ টিকার সংকট হয় দেশে।

সেই থেকে মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) পর্যন্ত এ টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় রয়েছেন সাড়ে ১৪ লাখ মানুষ। এখানে উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় জাপান সরকারের উপহার দেওয়া অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি টিকা দেশে আসে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো এই টিকা পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, আগামী ১ মাসের মধ্যে আরও প্রায় ২৮ লাখ টিকা জাপান থেকে বাংলাদেশে আসবে।

জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি ১৫টি দেশের জন্য অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক কোটি ১০ লাখ ডোজ টিকা কোভ্যাক্সের আওতায় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। জাপানের উপহার পাবে এমন দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের নাম। তালিকা অনুযায়ী অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২৯ লাখ টিকা পাবে বাংলাদেশ। তারই প্রথম চালান দেশে আসে কয়েকদিন আগে।

দেশে ইতোমধ্যে সিনোফার্ম, ফাইজার এবং মডার্নার টিকাও রোল আউট হয়েছে জানিয়ে অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেন, এসব টিকা দিতে শুরু করেছি। সেইসঙ্গে যাদের সুযোগ রয়েছে তাদের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, তারা যেন অন্যদের টিকা নিবন্ধন করতে সহযোগিতা করেন। তবে টিকাকেন্দ্রে যেতে হবে কেন্দ্র থেকে এসএমএস পাওয়ার পর। বিধিনিষেধের প্রতি অনুগত থাকা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য দেশের সব নাগরিকের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।


আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১




খুলনার ৪ হাসপাতালে একদিনে আরও ১১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনায় গত কয়েকদিনের ব্যবধানে আবারও বাড়তে শুরু করেছে করোনা ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা। খুলনার চারটি হাসপাতালে করোনায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে রবিবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

এর মধ্যে খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে পাঁচজন, বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে তিনজন, শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দুজন ও খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে বেসরকারি সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত একদিনে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। এর আগে গত শুক্রবার খুলনায় ৭জন, শনিবারে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকালপার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১০ জন। এর মধ্যে রেড জোনে ৩৯ জন, ইয়ালো জোনে ৩৮ জন ও আইসিইউতে ২০ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন আটজন ও আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আটজন।

গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন- খুলনা মহানগরীর আমতলা মোড়ের নুরুন্নাহার (৪৪), জোড়াকল বাজারের রামকৃষ্ণ সাহা (৭৫) ও নড়াইলের দুর্গাপুরের অসীম ভট্ট (৪৭)। বর্তমানে বেসরকারি এ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১১ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ জন।

শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ দেবনাথ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে । মৃতরা হলেন, খুলনা মহানগরীর ১০ সুলতান আহমেদ রোডের রায়হান চৌধুরী (৪০) ও গোয়ালখালী ১৪১ মেইন রোডের সুফিয়া বেগম (৫৮)। বর্তমানে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৪১ জন। তারমধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ১০ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন পাঁচজন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন চারজন।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ৮০ শয্যার করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তি হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলার রায়েন্দা এলাকার মো. ইব্রাহিম (৩৫)। বর্তমানে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৫ জন। এর মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও ১৫ জন মহিলা। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৯জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ জন।

বেসরকারি সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। বেসরকারি এ হাসপাতালের ৮৭ শয্যার করোনা ইউনিটে ৬৮ জন ভর্তি রয়েছেন। এরমধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন সাতজন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১০ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ জন।



আরও খবর



২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্সে রেকর্ড

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুলাই ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড হয়েছে সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে। ২০২০-২১ অর্থবছর শেষে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা টাকার হিসাবে দুই লাখ ১০ হাজার ৬১০ কোটি টাকার বেশি।

সোমবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ (২৯ জনু পর্যন্ত) ৪৬ দশমিক শূন্য ৮ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় চার হাজার ৬০৮ কোটি ডলার। যা টাকার হিসাবে তিন লাখ ৯১ হাজার ৬৯৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন মতে, বিদায়ী ২০২০-২০২১ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে প্রবাসীরা ১৯৪ কোটি ডলার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। যা পুরো অর্থবছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশে আসা রেমিট্যান্স। আর পুরো গত অর্থবছরের রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলারে বা ২ লাখ ১০ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। অর্থবছরের হিসাবে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে বিদায়ী অর্থবছরে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। অর্থবছর হিসাবে ওই অংক ছিল এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ। তার আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণের রেকর্ড হয়। ওই সময় এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসে।

এদিকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে করোনার মধ্যে বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন ৪৬ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। গত মঙ্গলবার (২৯ জুন) দিনশেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক শূন্য ৮২ বিলিয়ন ডলার, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসাবে দেশের এ রিজার্ভ দিয়ে ১১ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।


আরও খবর



সবাই করোনার টিকা পাবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আমরা ভ্যাকসিন দিতে শুরু করেছি। ভ্যাকসিন আসছে। আমাদের দেশের সবাই যেন ভ্যাকসিনটা নিতে পারে, সে জন্য যত দরকার, আমরা তা কিনবো

করোনার ঊর্দ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে সবার জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে চায় সরকার।  এমনটি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পর্যায়ক্রমে সবাইকে করোনার ভ্যাকসিন দিতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। কোনো মানুষ যেন ভ্যাকসিন থেকে বাদ না থাকে, আমরা সেভাবে পদক্ষেপ নিয়েছি।

রবিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের বার্ষিক কর্ম সম্পাদনা চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর এবং শুদ্ধাচার পুরস্কার দেওয়ার অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ভ্যাকসিন দিতে শুরু করেছি। ভ্যাকসিন আসছে। আমাদের দেশের সবাই যেন ভ্যাকসিনটা নিতে পারে, সে জন্য যত দরকার, আমরা তা কিনবো এবং আমরা সেই ভ্যাকসিনটা দেব। কোনো মানুষ যেন ভ্যাকসিন থেকে বাদ না থাকে, সেভাবে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা চাচ্ছি, আমাদের দেশের মানুষ যেন কোনও রকম ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। 

সংক্রমণ বেড়ে যাওযায় সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, করোনার এ পরিস্থিতিতে সবাই যেন স্বাস্থ্যবিধিটা মেনে চলে, সেদিক দৃষ্টি দিতে হবে।


আরও খবর



ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | ১৯৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইভ্যালি ডটকমের চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এবং এমডি মো. রাসেলের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

শুক্রবার (০৯ জুলাই) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দুদক সূত্রে জানায়, অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে, ইভ্যালির এমডি মো. রাসেল এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন গোপনে দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। দুদক অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থায় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশত্যাগ করলে সার্বিক অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলে প্রতীয়মান হওয়ায় গত ৮ জুলাই  ইভ্যালির এমডি মো. রাসেল এবং চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে সংস্থাটি।

গত ৮ জুলাই গ্রাহক ও মার্চেন্টের ৩৩৯ কোটি টাকার হদিস না থাকার বিষয়ে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির দুই কর্মকর্তাকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, গ্রাহক ও মার্চেন্টের টাকাগুলো আত্মসাৎ অথবা পাচার হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে এই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

ইভ্যালির বিষয়ে ইতোপূর্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে একটি অভিযোগ পাওয়ার পর প্রকাশ্য অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। সদস্যের টিমের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং অনুবিভাগ থেকে নতুন প্রাপ্ত অভিযোগটি পূর্বের অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। নতুন অভিযোগটি আরও সুনির্দিষ্ট হওয়ায় এখন অনুসন্ধান কার্যক্রম গতিশীল হবে বলে দুদক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, দুদকের একজন সহকারী পরিচালক ও একজন উপসহকারী পরিচালককে ইভ্যালির দুর্নীতি অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৪ জুলাই ইভ্যালির বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের চার প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছেদুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

দুদক চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক ইভ্যালির বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৪ মার্চে ইভ্যালির মোট সম্পদ ৯১ কোটি ৬৯ লাখ ৪২ হাজার ৮৪৬ টাকা ( চলতি সম্পদ ৬৫ কোটি ১৭ লাখ ৮৩ হাজার ৭৩৬ টাকা) এবং মোট দায় ৪০৭ কোটি ১৮ লাখ ৪৮ হাজার ৯৯৪ টাকা। এ সময় গ্রাহকের কাছে ইভ্যালির দায় ২১৩ কোটি ৯৪ লাখ ৬ হাজার ৫৬০ টাকা এবং মার্চেন্টের কাছে দায় ১৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৪ টাকা। গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম নেওয়া ২১৩ কোটি ৯৪ লাখ ৬ হাজার ৫৬০ টাকা এবং মার্চেন্টদের কাছ থেকে ১৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৪ টাকার মালামাল নেওয়ার পর স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে ৪০৩ কোটি ৮০ লাখ ১ হাজার ৯১৪ টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ রয়েছে মাত্র ৬৫ কোটি ১৭ লাখ ৮৩ হাজার ৭৩৬ টাকা।

নিউজ ট্যাগ: ইভ্যালি দুদক

আরও খবর