আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

প্রথম দিনেই শাহরুখের রেকর্ড ভাঙল রণবীরের ‘অ্যানিমেল’

প্রকাশিত:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

গতকাল শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে রণবীর কাপুর অভিনীত সিনেমা অ্যানিমেল। মুক্তির আগেই অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে দাপট দেখিয়েছে সিনেমাটি। আর মুক্তির প্রথম দিনেই সন্দীপ রেড্ডি ভাঙা পরিচালিত সিনেমাটি ভেঙেছে শাহরুখ খানের পাঠান এর রেকর্ড।

সাকনিল্ক জানিয়েছে, ভারতীয় বক্স অফিসে প্রথম দিনে ৬০ কোটি রুপি আয় করেছে অ্যানিমেল। হিন্দি ভার্সনে ৪৯ কোটি ৫০ লাখ রুপি, আর তেলুগুতে ১০ কোটি রুপি। যেখানে পাঠান-এর প্রথম দিনের বক্স অফিস আয় ছিল ৫৭ কোটি রুপি।

আরও পড়ুন>> প্রথম ছবি তার ভাগ্য বদলে দিয়েছে

তবে রণবীর অবশ্য এ ক্ষেত্রে জওয়ান থেকে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন। জওয়ান-এর প্রথম দিনের বক্স অফিস কালেকশন ছিল ৭৪ কোটি রুপি। যদিও কিছু চলচ্চিত্র সমালোচকদের ভবিষ্যৎ বাণী ছিল রণবীরের অ্যানিমেল প্রথম দিনেই ১০০ কোটি রুপি ছাপিয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন>> নয়নতারাকে সাড়ে ৩ কোটি টাকার গাড়ি উপহার!

এদিকে বলিউড বাণিজ্য বিশ্লেষক সুমিত কাদেল এক্সে লিখেছেন, যদি ‘‘অ্যানিমেল’’ এর প্রতি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, তাহলে এটি ভারতীয় বক্স অফিসে মাত্র ৩ দিনেই ১৭০ কোটি রুপির ব্যবসা করে ফেলবে, আর সপ্তাহান্তে এর ব্যবসা আকাশ ছোঁবে।

উল্লেখ্য, অ্যানিমেল সিনেমায় রণবীর ও অনিল কাপুরকে বাবা-ছেলের ভূমিকায় দেখা গেছে। তাঁদের মধ্যকার জটিল সম্পর্কের রসায়নই এই সিনেমার মূল গল্প। সিনেমাটিতে রণবীরের বিপরীতে অভিনয় করছেন দক্ষিণের অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা, আরও অভিনয় করেছেন ববি দেওল। হিন্দির পাশাপাশি তামিল, তেলুগু, কন্নড় ও মালায়লাম ভাষায় মুক্তি পায় অ্যানিমেল


আরও খবর
ভারতীয় পরিচালক কুমার সাহানি আর নেই

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিচ্ছেদের রেশ না কাটতেই বিয়ের পিঁড়িতে কাঞ্চন মল্লিক

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

কথায় আছে, যা রটে তা কিছু হলেও ঘটে। এ কথার ষোলআনা প্রমাণ দিলেন টলিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। কারণ বহুদিন ধরে এ জুটির প্রেমের গুঞ্জন উড়ছিল। এবার বিয়ের মাধ্যমে সবকিছু বাস্তবে রূপ দিলেন এই যুগল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে জানা যায়, কাঞ্চন মল্লিকের তৃতীয় স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ জানান, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে সম্পন্ন করেছেন তারা।

বিয়ের কেমন অনুভূতি হচ্ছে? এ প্রশ্নের জবাবে ২৭ বছর বয়সী শ্রীময়ী বলেন, এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না যে, মিস থেকে মিসেস হয়েছি। একটা মিশ্র অনুভূতি কাজ করছে। দুজনে মিলে সামনের দিনগুলো ভালোভাবে কাটানোর কথা ভাবছি।

৫৩ বছর বয়সী কাঞ্চনের সঙ্গে থাকার প্রসঙ্গে শ্রীময়ী বলেন, আপাতত মায়ের কাছেই রয়েছি। ৬ মার্চের পর থেকে দুজনে এক সঙ্গে থাকা শুরু করব।

আগামী ৬ মার্চ সামাজিকভাবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। তবে বিয়ের অনুষ্ঠান কোথায় হবে তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। প্রাথমিকভাবে অতিথিদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, টিভি অভিনেত্রী পিংকি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন কাঞ্চন মল্লিক। ২০২১ সালে পিংকি অভিযোগ করেন, শ্রীময়ীর সঙ্গে কাঞ্চনের পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে। এরপর কাঞ্চন-পিংকির মাঝে তৈরি হয় চূড়ান্ত তিক্ততা। দীর্ঘদিন আলাদা থাকার পর গত ১০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এ দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। আর এরই মধ্যে তৃতীয়বারের মতো বিয়ে করলেন কাঞ্চন। তবে শ্রীময়ীর এটি প্রথম বিয়ে।


আরও খবর
ভারতীয় পরিচালক কুমার সাহানি আর নেই

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সত্য তথ্য দিয়ে অপতথ্য ও ভুল তথ্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাই : আরাফাত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সত্য তথ্য দিয়ে অপতথ্য ও ভুল তথ্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চান বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তর কক্ষে বাংলাদেশ সফররত জার্মানীর বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার প্রদানকালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

জার্মানীর বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক রিচার্ড বাইল, মাইকেল স্ট্যাং, সুসান ক্রুটজম্যান, আলজোসা হার্টম্যান, জুলিয়া থেরাস হেল্ড, নাটালি মেরোথ, বেঞ্জামিন বার্ন্ড থমাস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

রিপোর্টার্স উইদাইট বর্ডারস (আরএসএফ) প্রকাশিত ২০২৩ সালের প্রতিবেদন ও র‌্যাংকিং এর জবাব প্রদান সংক্রান্ত জার্মান সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি আমি আরএসএফ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত  প্রতিবেদন ও র‌্যাংকিং এর ব্যাপারে সমালোচনা নয় বরং প্রকৃত তথ্য তুলে ধরেছি। কারণ ২০২৪ সালেও এটি তাদের ওয়েবসাইটে আছে। আরএসএফ এর প্রতিবেদনে অনেক ভুল তথ্য আছে এবং এর বিপরীতে প্রকৃত সত্য আমি তথ্য-প্রমাণসহ গণমাধ্যমে তুলে ধরেছি এবং এ সংক্রান্ত একটা চিঠি আরএসএফ-কে পাঠিয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য আরএসএফ এর কাছে সত্য তুলে ধরা এবং আমাদের নিয়ে করা র‌্যাংকিং পুনর্মূল্যায়ন করা।

এ সময় তিনি আরও বলেন, মাঝে মাছে কিছু মানুষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে খারাপ উদ্দেশ্যে সরকারের কাজের সমালোচনা করে। বর্তমান সরকার গঠনমূলক সমালোচনা স্বাগত জানায়। আমরা শুধু অপতথ্য ও ভুল তথ্য প্রতিরোধ করতে চাই। গণমাধ্যম সঠিক তথ্য-প্রমাণসহ সরকারের সমালোচনা করলে সেটি সরকারকে সহযোগিতা করে। কিন্ত ভুল তথ্য দিয়ে কোনকিছুর সমালোচনা করলে সেটা কাউকে সহযোগিতা করে না।

সাক্ষাৎকার প্রদানকালে তিনি আরও যোগ করেন, ডিজিটাল দুনিয়া থেকে জনগণকে নিরাপদ রাখার জন্য সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করেছে। এর অপব্যবহার নিয়ে সমালোচনা হওয়ায় সরকার এটি পরিবর্তন করে সাইবার নিরাপত্তা আইন করেছে। এটিই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সৌন্দর্য। তাঁর সরকার সবসময় চাহিদার নিরিখে সবকিছুর সমন্বয় করে, পরিবর্তন করে।  

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত এক প্রশ্বের জবাবে এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। বাংলাদেশ ডেল্টাকে রক্ষার জন্য বাংলাদেশ ১০০ বছরের ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য গৃহ নির্মাণ করে দিচ্ছে। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও গবেষণা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সব সময় আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালো বক্তব্য তুলে ধরে আসছে। জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সহযোগিতা ও বাস্তবসম্মত সমাধানে আসা প্রয়োজন।

রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ সময় মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, রোহাঙ্গিদের প্রতি বাংলাদেশ সর্বোচ্চ সহানুভূতি দেখিয়েছে। বর্তমানে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকরা বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশের জন্য বড় ধরণের চাপের কারণ। বাংলাদেশ চায় রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে সম্মানজনকভাবে ফিরে যাক। গোটা বিশ্বের রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের নিয়ে দায়িত্ব রয়েছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে উন্নত রাষ্ট্রসমূহের ভূমিকা নেয়া উচিত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এ বিষয়ে মিয়ানমারের উপর চাপ অব্যাহত রাখা। তাছাড়া যেসব দেশের সামর্থ্য আছে তারা নিজ নিজ দেশে নিয়ে গিয়ে রোহিঙ্গাদের উন্নত জীবনযাপনে সহযোগিতা দিতে পারে।


আরও খবর



বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে শুক্রবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। এবার অংশ নিচ্ছেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা। ইতোমধ্যে সামিয়ানা টাঙানোর কাজ সমাপ্ত হয়েছে। মুসল্লিদের ভিড়ও বাড়ছে। তিন দিনের ইজতেমা ঘিরে টঙ্গী ও আশপাশের এলাকায় ধর্মীয় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের নামাজের পর ধর্মীয় বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। পরবর্তী তিন দিন দেশ বিদেশের মাওলানারা বয়ান করবেন। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে ইজতেমা। জানা গেছে, সন্ধ্যায় দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজ থেকে সাদের তিন ছেলেসহ ১৪ জনের একটি জামাত ইজতেমায় এসে পৌঁছেছে।

ইজতেমায় অংশ নিতে বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা আসছেন। এবারও ইজতেমা স্থলের আশেপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা।

এদিকে বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) মাওলানা সাদকে ইজতেমায় আসার অনুমতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার অনুসারী বাংলাদেশ মুসল্লি পরিষদ। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তারা। অন্যথায় ক্ষুব্ধ মুসল্লিরা কোনো প্রকার ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করলে তার দায়ভার সরকারকে নিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

সরেজমিন দেখা গেছে, ইজতেমা ময়দানের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষের পথে। প্রথম পর্বের মুসল্লিদের ফেলে যাওয়া ময়লা-আবর্জনা ইতোমধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। ময়দানের পশ্চিম পাশে তুরাগ নদের পূর্বপাড়ে নামাজের মিম্বর ও উত্তর-পশ্চিম কোণে বিদেশি মেহমানদের জন্য নির্ধারিত কামরার পাশে বয়ানমঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও শামিয়ানা টানানো, বিদ্যুৎ ও মাইক সংযোগের জন্য তার টানানোসহ তাশকিল কামরা, জুড়নেওয়ালি জামাতের কামরা, তুরাগ নদের পশ্চিমপাড়ে বধিরদের বয়ান শোনার জন্য পৃথক কামরা তৈরি করা হয়েছে।

বুধবার থেকেই দেশি ও বিদেশি মেহমানরা আসতে শুরু করেছেন। আজকের মধ্যেই দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লি ময়দানে এসে তাদের জন্য নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান নেবেন বলে জানিয়েছেন দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরুব্বি প্রকৌশলী শাহ মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ।

অন্যদিকে প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমাও ভালোভাবে পরিচালিত হবে বলে গাজীপুর জেলা প্রশাসক, সিটি করপোরেশনের মেয়র, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী র‌্যাব, পুলিশ, সিটিএসবি, ডিএসবিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। এদিকে ইজতেমা চলাকালে ট্রাফিক ও যাতায়াত ব্যবস্থা আগের মতোই বলবৎ থাকবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে টঙ্গীর এই ময়দানে তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা হয়ে আসছে। তবে তাবলীগ জামায়াতের নেতাদের বিভেদের কারণে ২০১৭ সাল থেকে দুই পর্বে হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নদীর তীরের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি, ৩ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:

বরগুনার তালতলীতে আন্ধারমানিক নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির দায়ে একজনকে ২ মাস ও দুইজনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১৭ ফেব্রয়ারি) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকায় আন্ধারমানিক নদীর তীরে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা।

জানা যায়, তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকার আন্ধারমানিক নদীর তীর পার্শবর্তী পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার যমুনা ব্রিকসের কাছে প্রতি কাঠা ৩ হাজার টাকা করে বিক্রি করেন স্থানীয় সুজন ও নিপেন রায় নামের দুই ব্যক্তি। পরে যমুনা ব্রিকসের লোকজন ভেকু মেশিন দিয়ে আন্ধারমানিক নদীর তীর কেটে মাটি নিয়ে যায়। নদীর তীর কাটার ফলে গ্রাম রক্ষা বাঁধটি হুমকির মুখে পড়ার শঙ্কায় ঐ এলাকার পরিমল রায় নামের এক ব্যক্তি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও মাটি কাটা ফেরানো যায়নি। পরে শনিবার সকালে স্থানীয়রা মাটি কাটা বাধা দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে খবর দেয়। খবব পেয়ে ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটি কাটা অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তিন জনকে আটক করে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ এর ৪(গ) ধারার বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

যমুনা ব্রিকস এর ম্যানেজার আবুল বাশার বলেন, আমরা নদীর তীরের মাটি ক্রয় করেছি। সেই মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে নিয়ে আসতেছি। নদীর তীরের মাটি ক্রয় কিভাবে করা হলো জানতে চাইলে ফোনের লাইন কেটে দেয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, আন্ধারমানিক নদীর তীর কেটে মাটি বিক্রী করার অপরাধে তিন জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাটি কাটার ভেকু মেশিন ও টার্মিনাল জব্দ করা হয়েছে।


আরও খবর



ফিলিপাইনে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৬৮

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিপাইনে ভূমিধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ জনে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে দেশটির সোনার খনি সমৃদ্ধ একটি গ্রামে ভূমিধস আঘাত হানে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দাভাও দে ওরো প্রদেশে ওই বিপর্যয়ের পর এখনও পর্যন্ত ৫১ জন নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, সেখানে আর কারও বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সেখানে সর্বশেষ তিন বছর বয়সী এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ভূমিধসের ৬০ ঘণ্টা পর ওই শিশুকে উদ্ধারের ঘটনাকে অলৌকিক বলে দাবি করেন উদ্ধারকর্মীরা। দাভাও দে ওরো প্রদেশের দুর্যোগ সংস্থার কর্মকর্তা এডওয়ার্ড ম্যাকাপিলি বলেন, সে সময় ওই শিশুটিকে উদ্ধারের ঘটনা উদ্ধারকারীদের মনে আশা জুগিয়েছে।

তবে এখন আর কাউকে জীবিত উদ্ধারের আশা খুবই ক্ষীণ। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রয়ারি) মিন্দানাও দ্বীপের দাভাও দে ওরো প্রদেশের খনিসমৃদ্ধ গ্রাম মাসারোয় ভয়াবহ ভূমিধস ঘটে। এই ঘটনায় অন্তত ৩১ জন আহত হন। এখনও অনেকেরই কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

ভূমিধসের সময় খনি শ্রমিকদের পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত তিনটি বাস ও জিপ গাড়ি কাদায় আটকে যায়। বাসগুলোতে থাকা ২৮ শ্রমিকের মধ্যে ৮ জন বেরিয়ে আসতে পারেন। তাছাড়া এ দুর্ঘটনায় গ্রামটির অনেক বাড়িঘরও ধ্বংস হয়েছে।

প্রাদেশিক কর্মকর্তা ম্যাকাপিলি জানান, ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে ভূমিধসের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটিকে নো বিল্ড জোন বা স্থাপনা তৈরি করা যাবে না বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার পর এলাকাবাসীকে এই স্থান ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা আবারও সেখানে ফিরে আসেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ফিলিপাইনের এই অঞ্চলে ভূমিকম্প, ভূমিধস ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা বেড়ে গেছে। ভবিষ্যতে ভূমিধসের আশঙ্কায় মাসারা ও আশপাশের চারটি গ্রামের শত শত পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে জরুরি কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল-কলেজ।


আরও খবর