আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

প্রথমবার পূর্ণমন্ত্রী হয়েই চমক দেখালেন যাঁরা

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | ২৮৯১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
করোনা সঙ্কটের সময় ডেইরি শিল্প, পোল্ট্রি শিল্পকে বাঁচানোর জন্য তার বিভিন্ন উদ্যোগ এবং উদ্যোগ সাড়া জাগিয়েছে। ডিম, দুধ, মৎস্য খামারিদের করোনার প্রথম ওয়েব মোকাবেলার সময় প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন

প্রথমবার মন্ত্রী হয়েই অনেকে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন, ভালো কাজ করছেন। তাদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ড প্রশংসিত হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার। তিন দফায় তিনরকম মন্ত্রীসভা গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমবারের মন্ত্রীসভা ছিলো নবীন ও প্রবীণের মিশেলে। দ্বিতীয় দফার মন্ত্রীসভায় হেভীওয়েটদের প্রাধান্য ছিলো। আর তৃতীয় দফায় একেবারে নতুন মুখদের প্রাধান্য দিয়েছেন শেখ হাসিনা। এবারের মন্ত্রীসভায় বেশ কয়েকজন মন্ত্রী আছেন, যারা প্রথমবারই পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন। এদের কয়েকজন দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভালো কাজের জন্য। এরকম কয়েকজন হলেন:

১. শ ম রেজাউল করিম: অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম এবারই প্রথম সংসদ সদস্য হন। প্রথমবারই তাকে পূর্ণমন্ত্রী করা হয়। প্রচন্ড চাপ ও প্রলোভন উপেক্ষা করে দায়িত্ব পালন করতে পারেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। প্রথমবার গৃহায়ণ এবং গণপূর্ত মন্ত্রাণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে সেই মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি দমনে তাঁর কঠোর পদক্ষেপের কারণে আলোচিত হয়েছিলেন। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বালিশ দুর্নীতির ঘটনা তদন্ত করে ৩৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং সংবাদ সম্মেলন করে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের বিরল নজিরও স্থাপন করেছিলেন। সেবা খাতকে ভোগান্তিমুক্ত এবং সেবা সহজ করতে রাজউকর নকশা অনুমোদনের ১৬ স্তরের ছাড়পত্রের সংস্কার করে ৪ স্তরে আনা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নকশা অনুমোদনের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত প্রদান করেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ওঠে আসেন।

করোনা সঙ্কটের সময় ডেইরি শিল্প, পোল্ট্রি শিল্পকে বাঁচানোর জন্য তার বিভিন্ন উদ্যোগ এবং উদ্যোগ সাড়া জাগিয়েছে। ডিম, দুধ, মৎস্য খামারিদের করোনার প্রথম ওয়েব মোকাবেলার সময় প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এবার আর্থিক প্রণোদনার পরিবর্তে ভিন্নভাবে মৎস্য ও পোল্ট্রি খামারিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় খামারিদের রক্ষায় মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম দেশজুড়ে চালু করেছেন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র।

দেশের প্রতিটি জেলা উপজেলায় কর্মরত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র। এসব ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে সারাদেশের খামারিরা তাদের মৎস্য ও প্রাণিজ পণ্য ন্যায্যমূল্যেই বিক্রি করছেন। মন্ত্রীর উদ্যোগে প্রান্তিক খামারিরা উপকৃত হচ্ছেন। হাফ ছেড়ে বেঁচেছেন করোনায় জীবন-জীবিকা থমকে দাঁড়ানো স্বল্প আয়ের মানুষেরাও।

২. তাজুল ইসলাম: এবারের মন্ত্রীসভায় সবচেয়ে বড় চমক ছিলো তাজুল ইসলামের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হওয়াটা। দীর্ঘদিন ধরে ঐতিহ্য ছিলো যে ক্ষমতাশালী দলের সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই গত মেয়াদে এই প্রথা ভাঙ্গেন। দলের সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেনকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী করেন। এবার আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ নেতা না হয়েও তাজুল ইসলাম এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। মন্ত্রী হিসেবে প্রথম দিকে আড়ষ্ট হলেও আস্তে আস্তে নিজেকে মেলে ধরেছেন। তার কর্মতৎপরতা সকলের নজর কেড়েছে।

৩. ড. আবদুল মোমেন: ড. মোমেনও প্রথমবার এমপি, প্রথমবারেই পূর্ণ মন্ত্রী। কঠিন সময়ে স্পর্শকাতর ইস্যু বেশ সাফল্যের সংগেই মোকাবেলা করছেন এই ফাস্ট মিনিস্টার। বিশেষ করে টিকা কূটনীতিতে তার উদ্যোগ সব মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

৪. টিপু মুন্সী: টিপু মুন্সী দীর্ঘদিন আওয়ামী রাজনীতির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে থাকলেও এবারই প্রথম মন্ত্রী হন। মন্ত্রিত্বের শুরুটা ছিলো বেশ খারাপ। কিন্তু দ্রুত শিখে, ভুল সংশোধনের জন্য তিনি আলোচিত এবং প্রশংসিত।

৫. নুরুল ইসলাম সুজন: নুরুল ইসলাম সুজনও প্রথম মন্ত্রী। তার দপ্তরে সাফল্য ব্যর্থতা দুটোই আছে। কিন্তু একজন পরিশ্রমী মন্ত্রী হিসেবে তিনি আদৃত হচ্ছেন সব মহলে।


আরও খবর



সংসদে বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) অভিঘাত মোকাবিলায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে জাতীয় সংসদে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল। দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম বাজেট এটিই। বাজেটে মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি  টাকা। ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এই বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী।

এর আগে, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২১-২২ অর্থবছরের এই বাজেট অনুমোদন করা হয়। এরপর সেই বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের অনুমতি দিয়ে তাতে সম্মতিসূচক সই করেছেন রাষ্ট্রপতি।

এরপর বাজেট সংক্রান্ত নথিপত্র চিরাচরিত ব্রিফকেসে হাতে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এসময় অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত সংসদ সদস্যরা তাদের স্বাগত জানান।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি থেকে এখনো মুক্তি মেলেনি। অর্থনীতিতে করোনার অভিঘাতও কাটেনি। বেশকিছু গবেষণার তথ্য বলছে, করোনার কারণেই অনেক মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছেন। কর্মসংস্থান হারিয়েছেন অনেকেই। বিশেষ করে সমাজের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষেরা এই করোনার অভিঘাতের সবচেয়ে বড় শিকার। দেশের সার্বিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে বিশেষত এই প্রান্তিত জনগোষ্ঠীকে গুরুত্ব দিয়েই আসছে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তার তৃতীয় এই বাজেটের শিরোনাম রেখেছেন জীবন-জীবিকায় প্রাধান্য দিয়ে সুদৃঢ় আগামীর পথে বাংলাদেশ

২০২১-২২ অর্থবছরের এই বাজেটটি দেশের ৫০তম জাতীয় বাজেট। আ হ ম মুস্তফা কামালের এটি টানা তৃতীয় বাজেট। আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের এটি টানা ১৩তম বাজেট।

২০২১-২২ অর্থবছরে বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। এটি মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে জিডিপির আকার ধরা হয়েছে ৩৪ লাখ ৭৩ হাজার ৯১১ কোটি টাকা। এটি চলতি সংশোধিত বাজেটের তুলনায় নতুন বাজেটের আকার বাড়ছে প্রায় ৬৪ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা এবং  চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে ৩৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা বেশি।

আগামী অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ। প্রথমবারের মতো জিডিপির ৬ শতাংশের বেশি ঘাটতি ধরে চূড়ান্ত করা হয়েছে আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট। করোনার কারণে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার পুরোপুরি হয়নি। ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন খাত, পরিবহন ও হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায় এখনো মন্দা চলছে। যে কারণে জিডিপির প্রবৃদ্ধি খুব বেশি হবে না এমন হিসাব থেকে আগামী বাজেটে এ প্রবৃদ্ধি ধরা হয়। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের মতো আগামী বাজেটেও  মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেটের আয়-ব্যয় ও ঘাটতি

মহামারি কোভিড মোকাবিলায় সরকারকে বেশি আয় করে বেশি ব্যয় করতে হবে। এই বিবেচনায় সরকার ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট পেশ করতে যাচ্ছে। কোভিডকালীনও বাজেটে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এটি জিডিপির ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। মোট আয়ের মধ্যে রাজস্ব খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক অনুদান নেওয়া হবে ৩ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।

চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। সেই হিসাবে মহামারি কোভিডকালেও চলতি অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ৩৬ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আয় করতে চায় সরকার।

সূত্র জানায়, নতুন অর্থবছরে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য পূরণে কর খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা। এই করের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিআর বহির্ভূত কর ১৬ হাজার কোটি টাকা। তাছাড়া কর ছাড়া প্রাপ্তি ধরা হচ্ছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

সূত্র জানায়, বৈশ্বিক মহামারি কোভিড আগামী অর্থবছরেও থাকবে এমনটি ধরেই বাজেটে ব্যয় খাত নির্ধারণ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এতে স্বাস্থ্য, চিকিৎসাসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় বাড়বে। যে কারণে ২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারের পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এর মধ্যে আবর্তক ব্যয় ৩ লাখ ২৮ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বা উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৩ কোটি ৯ টাকা, ঋণ ও অগ্রিম ৪ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা।

ঘাটতি বাজেট যেভাবে পূরণ হবে

কোভিডকালীন আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান বেড়ে যাওয়ায় আসছে বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ঘাটতি বাজেট জিডিপির ৫ দশমিক ৯ শতাংশের মধ্যে রাখা আছে। তবে আগামী বছর অনুদানসহ ঘাটতির পরিমাণ ৬ দশমিক ১ শতাংশ চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা টাকার অঙ্কে ২ লাখ ১১ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। আর অনুদান ছাড়া ঘাটতির পরিমাণ হচ্ছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ৬ দশমিক ২ শতাংশ। সাধারণ ঘাটতি পূরণ করা হয় ঋণের মাধ্যমে। কোভিড-১৯ এর কারণে বিভিন্ন দাতা সংস্থা বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।

বাজেট সহায়তা হিসাবে আসন্ন বাজেট ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ নেওয়া হবে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকিং খাত থেকে নেওয়া হবে ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ৭৯ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা। এছাড়া সঞ্চয়পত্র থেকে ৩২ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে নেওয়া হবে ৫ হাজার ১ কোটি টাকা। পাশাপাশি বিদেশি ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯৭ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা। ঋণ করার কারণে বিপরীতে সুদ পরিশোধ করতে হয়। এজন্য আসছে বছরে সুদ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৭ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা।


আরও খবর



ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে আবার যুদ্ধ শুরু হবে: হামাস

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, ইহুদিবাদী ইসরাইল যদি ফিলিস্তিনে আগ্রাসন অব্যাহত রাখে তাহলে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনসহ বিভিন্ন সংগঠন আবার যুদ্ধ শুরু করবে।

তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন হামাসের অন্যতম মুখপাত্র সামি আবু জুহরি। 

সামি আবু জুহরি বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল চুক্তির প্রতি সম্মান দেখাচ্ছে না এবং পশ্চিমতীরের শহরগুলোতে নিয়মিত আগ্রাসন চালাচ্ছে। এছাড়া, পবিত্র জেরুজালেম আল-কুদস শহরের লোকজনকে উদ্বাস্তু করে দেয়ার গোপন মিশন এখনও চলছে।

এ অবস্থা চলতে থাকলে ইসরাইলের বিরুদ্ধে নতুন করে যুদ্ধ শুরু করতে পারে হামাস।

সামি আবু জুহরি বলেন, মিশরের মধ্যস্থতায় হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে যে দুর্বল যুদ্ধবিরতি হয়েছে হামাস তা এখনো মেনে চলছে। তবে ইসরাইলের আচরণের ওপর এর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।

তিনি সুস্পষ্ট করে বলেন, ইসরাইল যতক্ষণ পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলবে হামাসও ততক্ষণ পর্যন্ত তা মানবে। দখলদার ইসরাইলের অপরাধমূলক তৎপরতার কারণে এই অস্ত্রবিরতি চুক্তি অনেকটাই ভঙ্গুর।


নিউজ ট্যাগ: হামাস- ইসরাইল

আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




বান্দরবানে ডায়রিয়ায় ৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার করুকপাতা ইউনিয়নে তিনটি পাড়ায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রবিবার ও আজ সোমবার এ দুদিনে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। আজ ঘটনাস্থলে দুটি মেডিকেল টিম পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

মৃতরা হলেন মেনলিও ইয়ংচা পাড়ার বাসিন্দা রামধন ম্রো, খাইচাং ম্রো, থুংলাক ম্রো, সোনাদি পাড়ার জনরুন ত্রিপুরা এবং মাংলুম পাড়ার মাংধন ম্রো, রেংচং ম্রো, চিংরে ম্রো।

স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয়রা জানায়, জেলার আলীকদম উপজেলার করুকপাতা ইউনিয়নের দুর্গম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ম্রো জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত ইয়ংচা পাড়া, মেনলিও পাড়া, সোনাদি পাড়া, মেনরুং পাড়া, কচ্ছপিয়া পাড়া, আলিশ্যাপা পড়া, রুইথং পাড়া, তংরিং পাড়া এবং মাংলুম পাড়াসহ পার্শ্ববর্তী ১০টি পাহাড়ি গ্রামে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট এবং প্রচণ্ড গরমে প্রায় এক সপ্তাহেরও অধিক সময় ধরে ছড়িয়েপড়া ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে শিশু, কিশোর ও বয়স্ক দুশতাধিকের বেশি।

অসুস্থদের মধ্যে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে সাতজনকে। গতকাল রোববার এবং আজ সোমবার দুদিনে পাড়াগুলোতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

করুকপাতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ক্রাতপু ম্রো বলেন, তিনটি পাড়ায় ডায়রিয়ায় এরই মধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ডায়রিয়া প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া ইউনিয়নের ১০টি পাড়ায় আক্রান্ত হয়েছে দুশতাধিকেরও বেশি মানুষ।

ক্রাতপু ম্রো বলেন, ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ার খবরে গতকাল রোববার এবং আজ ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের দুটি মেডিকেল টিম। এছাড়াও সেনাবাহিনীর দুটি মেডিকেল টিমও ঘটনাস্থলে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা হেলিকপ্টারে মেডিকেল টিমের কাছে প্রয়োজনীয় জরুরি ওষুধ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং খাবার স্যালাইন পাঠিয়েছি আক্রান্ত এলাকাগুলোতে।

পার্বত্য জেলা পরিষদ বান্দরবানের সদস্য ম্রো গবেষক সিইয়ং ম্রো জানান, ম্রো জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত করুকপাতা ইউনিয়নে প্রচণ্ড গরম এবং বৃষ্টিতে ছড়া-খালের দূষিত হওয়া পানি ব্যবহারের ফলে ব্যাপকভাবে ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে। ডায়রিয়ায় এরই মধ্যে সাতজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে স্বাস্থ্য বিভাগ এবং সেনাবাহিনীর একাধিক মেডিকেল টিম পৌঁছেছে।


আরও খবর



মুজিববর্ষে নেত্রকোণা ও শরীয়তপুরের দুটি গ্রামকে ‘মৎস্য গ্রাম’ ঘোষণা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গৃহীত কার্যক্রমের আওতায় নেত্রকোণা জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ও শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার হালইসার গ্রামকে ফিশার ভিলেজ বা মৎস্য গ্রাম ঘোষণা করা হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সোমবার (২১ জুন) এ ঘোষণা সংক্রান্ত পত্র জারি করেছে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য অধিদপ্তর। বর্তমান সরকারের বিশেষ কর্মসূচি আমার গ্রাম, আমার শহর বাস্তবায়নে মৎস্য অধিদপ্তরের মৎস্য গ্রাম কার্যক্রম মূলত সমৃদ্ধ গ্রাম গড়ে তোলার উদ্যোগ।

এ কার্যক্রমের আওতায় গ্রামাঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন, মৎস্য চাষ, কৃষিনির্ভর শিল্প, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, কৃষির বহুমুখীকরণ ও বাজার ব্যবস্থাপনাসহ নানারকম সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও জীবনমান উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তর এ গ্রাম দুটিতে ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-গ্রামের সকল পুকুর ও দিঘীতে বিজ্ঞানসম্মত মাছ চাষ কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে ব্যবস্থা গ্রহণ, মাছ চাষিদের দল গঠন, প্রশিক্ষণ ও প্যাকেজভিত্তিক পুকুরে মাছ চাষ প্রদর্শনী, জেলেদের দল গঠন, প্রশিক্ষণ, বিকল্প কর্মসংস্থান ও ঋণ সহায়তা প্রদান, উন্মুক্ত জলাশয় তথা বিল ও প্লাবনভূমিতে সমাজভিত্তিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা দল গঠন, বিল নার্সারি স্থাপন ও পোনা অবমুক্তকরণ, জলাশয় সংস্কার ও মাছের অভয়াশ্রম স্থাপন এবং কমিউনিটি সঞ্চয় দল গঠনের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন।

এছাড়া গ্রাম দুটিতে সরকারের অন্যান্য দপ্তরের সহায়তায় যে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তা হলো, গভীর নলকূপ ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা স্থাপন, যানবাহন চলাচল উপযোগী রাস্তা নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ, সুফলভোগীদের হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশুর চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গ্রামের অধিবাসীদের সন্তানদের শতভাগ শিক্ষা কর্মসূচি নিশ্চিতকরণ ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ।

উল্লেখ্য, মৎস্য গ্রাম হবে একটি আদর্শ গ্রাম যে গ্রামের সকল উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং অর্জিত সাফল্য অন্যান্য গ্রামের জন্য অনুকরণীয় হবে।


আরও খবর



বেরোবির নতুন ভিসি হাসিবুর রশীদ

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | ১১৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) নতুন ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগের ভিসি ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। নতুন ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ড. হাসিবুর রশীদ।

ড. হাসিবুর রশীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন পরীক্ষা কমিটির আহ্ববায়ক ছিলেন।


আরও খবর