আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

প্রতিটি জেলায় রেল লাইন স্থাপন করা হচ্ছে: নুরুল ইসলাম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ মার্চ ২০২১ | ১৯৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
প্রতিটি জেলায় রেল লাইন স্থাপন করা হচ্ছে। এ বছরের মধ্যে আমরা ৫০টি রেলওয়ে স্টেশন সংস্কার করছি। দেওয়ানগঞ্জ বাজার স্টেশন ডিসেম্বরের মধ্যে সংস্কার করে আধুনিকায়ন করা

রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, সারাদেশে ট্রেন সার্ভিস বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) দুপুরে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে আন্তঃনগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের অত্যাধুনিক কোচ প্রতিস্থাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

রেল লাইন সম্প্রসারণের কথা জানিয়ে এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি জেলায় রেল লাইন স্থাপন করা হচ্ছে। এ বছরের মধ্যে আমরা ৫০টি রেলওয়ে স্টেশন সংস্কার করছি। দেওয়ানগঞ্জ বাজার স্টেশন ডিসেম্বরের মধ্যে সংস্কার করে আধুনিকায়ন করা হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকায় রেলসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে আন্তঃনগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেন ১৬টি কোচ নিয়ে চলাচল করবে। এর মোট আসন সংখ্যা হবে ৭৯৫টি।

রেলের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাফ্ফর এমপি, জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরীসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।

তিনি স্থানীয় নেতৃবৃন্দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ রুটের আন্তঃনগর বিজয় এক্সপ্রেসের চলাচল দেওয়ানগঞ্জ বাজার পর্যন্ত বর্ধিত করার ঘোষণা দেন।


আরও খবর



টাকা দিয়েও গাঁজা না পেয়ে বন্ধুকে গলাকেটে হত্যা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১১৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুইশ টাকা দিয়েও গাঁজা না পেয়ে বন্ধু সালাউদ্দিনকে (১৫) ছুরি দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে সাগর (১৪)। শনিবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার হওয়া আত্মস্বীকৃত হত্যাকারী সাগর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এমনই জবানবন্দি দিয়েছে।

একইসঙ্গে পুলিশ তার দেওয়া তথ্য মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি বেতলা বাইপাস সড়কের নয়নের গ্যারেজ থেকে উদ্ধার করেছে।

সাগরের উদ্ধৃতি দিয়ে পুলিশ শনিবার রাতে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে জানায়, শুক্রবার (৯ এপ্রিল) দিবাগত রাতে সালাউদ্দীনের বাসায় শুয়েছিল সাগর। তারা দুজনই মাদকাসক্ত। সাগর গাঁজা কেনার জন্য সালাউদ্দীনকে দুইশ টাকা দিয়েছিল। কিন্তু সালাউদ্দীন গাঁজা না নিয়ে এসে সাগরকে জানায়, গাঁজা আনার সময় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে সে গাঁজা ফেলে পালিয়ে এসেছে। গাঁজা না আনায় রাতে পাশে শুয়ে সালাউদ্দীনকে হত্যার পরিকল্পনা করে সাগর। রাত ৩টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় সালাউদ্দীনকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। সালাউদ্দীনের দেহ নিস্তেজ হয়ে পড়লে সে ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়।

শনিবার সকালে সাগর তার বাবা শহিদুল ইসলামকে ফোন করে ঘটনাটি জানায় এবং সালাউদ্দীনের বাবাকে জানাতে বলে। পরবর্তীতে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে পুলিশ সংবাদ পেয়ে দুপুর ২টার দিকে সালাউদ্দীনের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও সাগরকে গ্রেফতারের জন্য মাঠে নামে। একপর্যায়ে বিকেল ৪টায় শহরের রসুলপুর এলাকা থেকে সাগরকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার দেওয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি বেতলা বাইপাসের নয়নের গ্যারেজ থেকে উদ্ধার করা হয়।

সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



নিয়মিত পান করুন লবঙ্গ চা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কাজের ফাঁকে, ক্লান্তির মাঝে অথবা অবসর সময়ে চাই এক কাপ ধূমায়িত চা। আড্ডা অথবা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও চা চাই। এ চা কিন্তু অনেক ভাবেই খাওয়া যায়। যেমন- দুধ চা, রঙ চা, লেবু চা, আদা চা, তুলসী পাতা চা। তবে নানান রকমের চায়ের কথা জানলেও লবঙ্গ চায়ের কথা মোটামুটি অনেকেরই অজানা। এই লবঙ্গ চায়ের নানা গুণের কথাও আমাদের অজানা।

গবেষকরা বলছেন, আপনার বয়স যদি ২৫-৪০ এর মধ্যে হয়ে থাকে তাহলে প্রতিদিন আপনাকে লবঙ্গ চা খেতেই হবে।

লবঙ্গ চা বানানোর প্রক্রিয়া

প্রথমে পরিমাণ মতো লবঙ্গ নিয়ে বেঁটে নিতে হবে। তারপর সেই লবঙ্গের গুঁড়ো এক কাপ পানিতে মিশিয়ে কম করে ৫-১০ মিনিট ফোটাতে হবে। যখন দেখবেন পানিটা ফুটতে শুরু করেছে, তখন তাতে হাফ চামচ চা পাতা দিন। আর কিছু সময় অপেক্ষা করে পানিটা ছেঁকে নিলেই হয়ে গেলো লবঙ্গ টি।

চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে যারা চর্চা করেন তাদের মতে, প্রতিদিন দুবার করে লবঙ্গ চা খেলে শরীরে প্রবেশ করে- ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন কে, ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্য়াঙ্গানিজ সহ আরও একাধিক উপকারি উপাদান। যা নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে।

লবঙ্গ চায়ের নানা উপকার-

দেহের অন্দরে প্রদাহের মাত্রা হ্রাস পায়

নানা কারণে অনেক সময়ই আমাদের শরীরের অন্দরে প্রদাহ বা ইনফ্লেমেশন রেট এতটাই বেড়ে যায় যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের উপর খারাপ প্রভাব পরে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানা রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। আর এমনটা কিন্তু যে কারও সঙ্গে হতে পারে। কিন্তু যদি চান আপনার সঙ্গে না ঘটুক, তাহলে নিয়মিত লবঙ্গ চা খেতে ভুলবেন না। কারণ এমনটা করলে শরীরে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে প্রদাহের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আর কোনও আশঙ্কাই থাকে না।

ক্যান্সার দূরে থাকে

লবঙ্গের ভেতরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ক্যান্সার এজেন্ট। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে লবঙ্গ চা জায়গা করে নিলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের ভেতরে ক্যান্সার নিরোধক উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে দেহে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে

সরকারি এবং বেসরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী- গত এক দশকে আমাদের দেশে যে হারে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বেড়েছে, তাতে আমাদের দেশ সারা বিশ্বের মধ্যে ডায়াবেটিস ক্যাপিটালে পরিণত হয়েছে। আর সবথেকে ভয়ের বিষয় হল প্রতি বছর নতুন করে এই মারণ রোগে যারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের বেশিরভাগেরই বয়স ৪০ এর নিচে। এমন পরিস্থিতিকে যুব সমাজদের সুস্থ রাখতে পারে একমাত্র লবঙ্গ চা। কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটির ভেতরে উপস্থিত নিগেরিয়াসিন, শরীরে প্রবেশ করার পর ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাকে এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার সুযোগই পায় না।

স্ট্রেস লেভেল নিমেষে কমে যায়

ডায়াবেটিসের পর যে সমস্যাটা গত কয়েক বছরে বেশ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে তা হল স্ট্রেস। পরিসংখ্যান বলছে, আমাদের দেশের যুব সমজারে সিংহভাগই স্ট্রেসের শিকার। আর ভয়ের বিষয় হচ্ছে- যে কয়টা মারণ রোগ এখন পৃথিবীতে দাপাদাপি করছে, তার প্রায় সবকটির সঙ্গেই স্ট্রেসের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই এমন মারণ পরিস্থিতির খপ্পরে পরতে যদি না চান, তাহলে প্রতিদিন লবঙ্গ চা খেতে ভুলবেন না। কারণ এই পানীয়টির ভেতরে উপস্থিত নানাবিধ উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ফিল গুড হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে স্ট্রেস লেভেল কমতে একেবারে সময় লাগে না।

চটজলদি আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা কমে

লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ হাড়ের রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এক্ষেত্রে এক কাপ লবঙ্গ চা বানিয়ে কয়েক ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর সেই ঠান্ডা চা ব্যথা জায়গায় কম করে ২০ মিনিট লাগালে দেখবেন যন্ত্রণা একেবারে কমে গেছে।

প্রসঙ্গত, জয়েন্ট পেন কমানোর পাশাপাশি পেশির ব্যথা এবং ফোলা ভাব কমাতেও এই ঘরোয়া ঔষধিটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

জ্বরের চিকিৎসায় কাজে আসে

লবঙ্গে থাকা ভিটামিন কে এবং ই, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে শরীরে উপস্থিত ভাইরাসেরা সব মারা পরে। ফলে ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।

প্রসঙ্গত, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার হয়ে যাওয়ার পর সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।

দাঁতের ব্যাথা কমে যায়

লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমে যায়। তাই এবার থেকে দাঁতে অস্বস্তি বা মাড়ি ফোলার মতো ঘটনা ঘটলে এক কাপ গরম লবঙ্গ চা খেয়ে নেবেন। দেখবেন উপকার পাবেন।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে

লাঞ্চ বা ডিনারের আগে লবঙ্গ দিয়ে বানানো এক কাপ গরম গরম চা খেলে হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে পেটের দিকে রক্ত প্রবাহেরও উন্নতি ঘটে। ফলে খাবার হজম হতে সময় লাগে না। তাই যাদের কম ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার খেলেও বদ-হজম হয়, তারা লবঙ্গ চা পান করে একবার দেখতে পারেন। এমনটা করলে উপকার যে মিলবে, তা হলফ করে বলতে পারি।

নিমেষে করবে সংক্রমণের চিকিৎসা

এবার থেকে কোনও ধরনের ত্বকের সংক্রমণ হলেই চোখ বুজে ক্ষতস্থানে লবঙ্গ চা লাগাতে ভুলবেন না। এমনটা করলে দেখবেন কষ্ট কমতে সময়ই লাগবে না। আসলে লবঙ্গে উপস্থিত ভোলাটাইল অয়েল শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে জীবাণুদেরও মেরে ফেলে। ফলে সংক্রমণজনিত কষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগে না।

সাইনাসের প্রকোপ কমে

এই প্রকৃতিক উপাদানটির শরীরে উপস্থিত ইগুয়েনাল নামে একটি উপাদান সাইনাসের কষ্ট কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই নিয়মিত এ পানিও আপনি পান করতে পারেন।

নিউজ ট্যাগ: লবঙ্গ চা

আরও খবর
যেভাবে বানাবেন শসার স্মুদি

সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১




সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | ১১৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ট্রাক ও করিমন (শ্যালোইঞ্জিন চালিত যান) মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩ জন।

আজ রবিবার সকাল ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা আঞ্চলিক মহাসড়কের লোকনাথপুর তালবাগান এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- করিমন চালক আশানুর রহমান (৩৮) ও তার ছেলে আজম আলী (১১)। তাদের বাড়ি দামুড়হুদা উপজেলার ডুগডুগি গ্রামে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে করিমনে সিমেন্ট বোঝাই করে দর্শনার দিকে যাচ্ছিলেন চালক আশানুর রহমান। এসময় দর্শনা দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে তার করিমনের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলিশ বক্সে গিয়ে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান করিমনে থাকা চালক আশানুরের ছেলে আজম আলী। আহত হন করিমন যাত্রী ডুগডুগি গ্রামের জামাত আলীর ছেলে জীবন আলী (১০), ট্রাক চালক ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার মাইলবাড়ি গ্রামের ইয়াসিন আলী (২৫) ও ট্রাক শ্রমিক একই উপজেলার ঝিষ্টিপোতা গ্রামের নওশের আলম ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩০)।

খবর পেয়ে দর্শনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে করিমন চালক আশানুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা ওয়াহিদ জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় হাসপাতালে নেয়ার আগেই মারা যান করিমন চালক আশানুর। দুর্ঘটনায় আহত বাকিদের হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আব্দুল খালেক জানান, দুর্ঘটনার পর সহকারী পালিয়ে গেলেও ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ট্রাকটি ইট নিতে কুষ্টিয়ার দিকে যাচ্ছিল। ওই ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে বলে জানান দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা রহমান।


আরও খবর



ঝুঁকিপূর্ণ জীবন নিয়ে কেন্দুয়া ব্রীজ পার হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্রীপুর ( গাজীপুর ) থেকে সোহেল রানা:

একসময়ে ব্যবসা বাণিজ্যের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ছিলো গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজার । এ  বাজারে দিন ছাড়াও রাতের বেলায় ব্যবসায়ীক কাজে জমায়েত হয় হাজারো মানুষ। হাজারো মানুষের চলাচলের জন্য অর্ধ শতাব্দী আগে নির্মিত হয়েছিল এ ব্রীজ। এটি বরমী বাজারের নলজোড়া খালের উপর নির্মিত কেন্দুয়া ব্রিজ। বর্তমানে এর বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে পড়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে ব্রীজ দিয়ে চলাচলকারী হাজারো জনতা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ব্রিজটির উপর দিয়ে প্রতিদিন কয়েকশ ভারি যানবাহন এবং হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বড় কোন দূর্ঘটনা ঘটার আগেই  সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি প্রত্যাশি বরমী বাজারের ভুক্তভোগী সকল জনগণ।

বিগত দিনে বরমী ইউনিয়ন তথা বাজারের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হলেও ঝুকিপূর্ণ এ ব্রীজটির কোন সংস্কার বা উন্নয়ন কোনটাই এখনো চোখে পড়েনি। যার কারণে এ ব্রীজটির সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বরমীবাসী ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার সাধারণ মানুষ।এমনিতেই  ব্রীজটির অবস্থা ভঙ্গুর প্রকৃতির, তার উপর এর ব্রীজটি দিয়ে প্রতিনিয়ত বালুবোঝাই ওভারলোড যানবাহন চলাচল করায় তা ঝুঁকির সর্বোচ্চ মাত্রা অতিক্রম করছে। আবার ব্রীজটির প্রশস্ততা এতোই সরু যে ব্রীজের ওপর একটি গাড়ি ওঠে গেলে সেখান দিয়ে একজন মানুষের হাঁটারও জায়গা থাকে না। ফলে এ ব্রীজটি এখন গণমানুষের মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ব্রীজটি সংস্কার করা কিংবা তা ভেঙ্গে পুনঃনির্মাণ করা একান্ত অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এছাড়াও বরমী বাজারের ব্যবসা-বাণিজ্যের গতিশীলতা আনয়নে ব্রীজটি সংস্কার কিংবা পুনঃনির্মান করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চাহিদায় পরিণত হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা ।

এই বরমী বাজারে রয়েছে কয়েক হাজার ছোট, মাঝারী, বড় ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ঝুকিপূর্ণ এই ব্রীজের কারণে এবং দ্বিতীয় বিকল্প  কোন রাস্তা না থাকায় বাজারের জৌলুস অনেকটা কমে যাচ্ছে। প্রায় ১০ বছর হয়ছে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা মেরামতের কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে জানান পথচারীরা ।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ১৯৮০ সালের দিকে এই ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বরমী বাজারের নলজোড়া খালের উপর ব্রিজটির বেহাল দশা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজটির রেলিং ভেঙ্গে যাওয়াসহ উপরের সিমেন্টের তৈরি পাটাতন ধ্বসে যাওয়ায় এ ব্রিজটি এখনো মরণ ফাঁদ। ঝুঁকি নিয়েই পার হতে হয় হাজারো মানুষের।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ব্রিজটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরের কোনো মাথা ব্যথাই নেই। মাঝে মধ্যে শুনি টেন্ডার হয়েছে, তবে মেরামত কবে হবে জানা নেই। বরমী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদ-প্রার্থী নিজাম মোড়ল জানান, দীর্ঘ সাত বছর যাবৎ এ ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে । আশা করা যাচ্ছে খুব দ্রুত  কতৃপক্ষ মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ।

বরমী বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম সরকার বলেন, এই ব্রিজটির  টেন্ডার হয়েছে আশা করি খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে। 

বরমী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার হারুন খন্দকার জানান, ব্রীজটির জন্য টেন্ডার হয়েছে খুব শীঘ্রই ব্রীজটি আরো প্রসস্থ করে কাজ শুরু হবে। বরমী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তোফাজ্জল বলেন, একাধিকবার এ ব্রিজ নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতির সাথে কথা বলেও কোনো কাজ হয়নি ।

শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান বলেন, বরমী বাজারের এই ব্রিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এবং অতি দ্রুত ব্রিজটি সংস্কার করা হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে মামুনুলের ফেসবুক স্ট্যাটাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হেফাজতে ইসলামের পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি শুক্রবার (২ এপ্রিল)। দলটির আমিরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর নির্দেশে যেভাবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে তা জানিয়ে ভেরিফায়েড ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আল্লামা মামুনুল হক।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে মামুনুল হক তার ফেসবুক পেজে লেখেন, পূর্বঘোষিত ওই বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে বাদ জুমা সমাবেশ হবে। সমাবেশে আসা বা ফেরার পথে মিছিল হবে না। নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করে সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করা হবে।

গত রোববার (২৮ মার্চ) দিনব্যাপী হরতাল পালন শেষে বিকেলে রাজধানীর পল্টনে হেফাজতের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন।  

নিউজ ট্যাগ: মামুনুল হক

আরও খবর