আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

রাফসানের সাথে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন জেফার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

২০২০ সালের ২০ অক্টোবর নানা আয়োজন করে চিকিৎসক সানিয়া এশাকে বিয়ে করেছিলেন উপস্থাপক রাফসান সাবাব। এতদিন সেই সম্পর্ক নিয়ে কোনো চর্চা শোনা না গেলেও তিন বছরের মাথায় ভেঙে গেল তাদের সংসার। গত ৯ নভেম্বর রাতে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে ডিভোর্সের খবর জানান রাফসান।

একই সঙ্গে গুঞ্জন উঠেছেসংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী জেফার রহমানের সঙ্গে প্রেম রয়েছে রাফসানের। এ কারণে ডিভোর্সের পথে হেঁটেছেন তিনি।

এরই মধ্যে গত ১২ নভেম্বর রাতে রাফসানের সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে কথা বলেন তার স্ত্রী সানিয়া এশা। ওই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, আমি কখনোই এই বিচ্ছেদ চাইনি। এটা পারস্পরিক সিদ্ধান্ত ছিল না। আমি শেষ পর্যন্ত অনেক চেষ্টা করে গেছি আমার বিয়েটা টিকিয়ে রাখার জন্য।

আমার স্বামী এবং আমার বিয়ে আমার প্রথম অগ্রাধিকার ছিল, আমি তার প্রতি সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলাম। কিছু বড় সমস্যা ছিল, যেগুলোর জন্য আমি নিজেই হয়তো সব শেষ করে দিতে পারতাম। কিন্তু একটা মেয়ে কখনোই চায় না তার সংসারটা ভেঙে যাক। অনেক বিষয় আছে যেগুলো আমি এখন প্রকাশ করতে চাই না।

সানিয়া এশার এমন স্ট্যাটাসের পর জেফারের সঙ্গে রাফসানের প্রেমের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। আর এ আলোচনার মধ্যেই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন জেফার। তিনি বলেন, আমি সাধারণত এসব বিষয় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। এখন দেখছি রাফসানকে নিয়ে অনেক দূর গড়িয়েছে আলোচনাটা। ওর সঙ্গে সম্পর্কটা আমার শুধুই বন্ধুত্বের। এমন বন্ধু ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকেই আছে। আমরা একসঙ্গে শো করেছি। বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি, ঘুরেছি। তবে সেটা শুধু দুজন মিলে নয়। আমাদের সঙ্গে অন্য বন্ধুরাও ছিল।

আরও পড়ুন>> কার প্রেমে পড়লেন শেহনাজ গিল?

তিনি আরও বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় যা পড়বেন তাই-ই বিশ্বাস করবেন না। কেউ একজন এসে অভিযোগ তুললো কোনো প্রমাণ ছাড়াই, এর অর্থ এই নয় সেটা বিশ্বাস করতে হবে।

এর আগে গত ৯ নভেম্বর রাতে এক স্ট্যাটাসে রাফসান সাবাব লেখেন, ভারাক্রান্ত হৃদয়ে ঘোষণা করতে হচ্ছে, এশার সঙ্গে আমার সম্পর্কের ইতি টানতে হয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়াটা খুব সহজ ছিল না, কিন্তু অনেক চিন্তাভাবনার পরে দুজনের আলাদা হয়ে যাওয়াটাই আমার কাছে সেরা উপায় বলে মনে হয়েছে। আমাদের একসঙ্গে তিন বছরের পথ চলা এবং আমি চাই শেষটা সম্মানজনকভাবেই হোক।


আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




১৫ বছর আগে ভাতের হাহাকার ছিল, এখন তা নেই : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৫ বছর আগে ভাতের হাহাকার ছিল। ভিক্ষুকরা তখন ভাতের ফেন চাইতো।  এখন তা নেই।

শুক্রবার সকাল ১০টায় গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা জানাতে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪-এ যোগ দিতে ১৫ ফেব্রুয়ারি জার্মানি যান।  তিনি দেশে ফিরে আসেন ১৯ ফেব্রুয়ারি। মিউনিখে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দেয়া ছাড়াও বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

এসময় যুদ্ধ এবং নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যুদ্ধ এবং স্যাংশন ও পাল্টা স্যাংশন বিশ্বের কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। এগুলো বন্ধ করার জন্য আমি বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছি।


আরও খবর



আজ রোজ ডে : কোন রঙের গোলাপের কী অর্থ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ শুরু হয়ে যায় প্রেমের সপ্তাহ। শেষ হয় গিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে। এর আগে একেকদিন একেক দিবস। ৭ তারিখ যেমন রোজ ডে। এইদিন হলো প্রিয় মানুষটিকে গোলাপ দেওয়ার দিন। আমাদের হৃদয়ে লুকিয়ে থাকা ভালোবাসার প্রকাশে গোলাপের ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। একেক রঙের গোলাপ একেক ধরনের অনুভূতি প্রকাশ করে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক-

১. সাদা গোলাপ : সাদা মানেই পবিত্রতার এক রূপ। অনেক দেশে বিয়ের সময় কনের হাতে রাখা হয় সাদা গোলাপ। কারণ এই ফুলকে মনে করা হয় নতুন শুরুর প্রতীক। এটি কারও অনুপস্থিতিতে তাকে অনুভব করাও বোঝায়। তাই প্রিয় মানুষটিকে মনে পড়লে আর এই মুহূর্তে তার কাছে যাওয়ার সুযোগ না থাকলে তার ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে পারেন একগুচ্ছ সাদা গোলাপ।

২. লাল গোলাপ: লাল গোলাপ কীসের প্রতীক সেকথা আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না নিশ্চয়ই? অসংখ্য কবির লেখা কবিতায়, গীতিকারের লেখা গানে, লেখকের লেখা গল্প কিংবা উপন্যাসে প্রেমের প্রতীক হিসেবে এসেছে লাল গোলাপের কথা। এই গোলাপ ভালোবাসা, মুগ্ধতা, বিশ্বস্ততা, সৌন্দর্যের প্রতীক। প্রেম নিবেদনের ক্ষেত্রে লাল গোলাপের আবেদন কখনো পুরনো হবে না।

৩. হলুদ গোলাপ: গোলাপ মানেই সুন্দর। হলুদ রঙের গোলাপ আসলে কীসের প্রতীক? এটি আসলে প্রেমেরও আগের ধাপ, অর্থাৎ বন্ধুত্বের প্রতীক। হৃদয়ে আনন্দ উপচে পড়লে একগুচ্ছ হলুদ গোলাপ দিতে পারেন বন্ধুর হাতে। আবার কারও আরোগ্য কামনায়ও এই গোলাপ উপহার দেওয়া যায়। কারণ এটি সুস্থতারও প্রতীক।

৪. গোলাপি গোলাপ: প্রেমের ভাষা যে কেবল লাল গোলাপই তুলে ধরে, তা কিন্তু নয়। গোলাপী রঙের গোলাপও এক্ষেত্রে কম যায় না। আপনার মনের ভাষা মুখে না বলতে পারলে প্রিয় মানুষটির হাতে তুলে দিন একগুচ্ছ গোলাপি রঙের গোলাপ। এটি কৃতজ্ঞতা, স্বীকৃতি, ভালোবাসার প্রতীক। আবার প্রিয় বন্ধুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের গোলাপি রঙের গোলাপ দিতে পারেন।

৫. কমলা গোলাপ : কমলা গোলাপ ব্যবহার করা হয় হৃদয়ের আবেগ, উৎসাহ, উদ্দীপনা বোঝাতে। নিজের সঙ্গী কিংবা মনের মানুষকে কোনো বিষয়ে সমর্থন দেওয়ার জন্য এই গোলাপ উপহার দিতে পারেন। কমলা রঙের গোলাপ উপহার দেওয়ার অর্থ হলো আপনি তার সঙ্গী হয়ে আছেন। এতে সে স্বপ্ন জয়ের পথে আরও দৃঢ় পায়ে এগিয়ে যেতে পারবে।


আরও খবর
খাতনা করার আগে-পরে যেসব বিষয় জানা জরুরি

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে জাতির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার প্রথম প্রহরে প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও পরে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় অমর একুশের কালজয়ী গান আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…’ বাজানো হয়।

এর আগে রাত ১১টা ৫১ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে এসে পৌঁছলে তাকে অভ্যর্থনা জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

রাত ১১টা ৫৩ মিনিটে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মিনার অঙ্গনে উপস্থিত হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ঢাবি উপাচার্য তাকে অভ্যর্থনা জানান।


আরও খবর



মাদারীপুরে ভাতিজার ৫১ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, কারাগারে চাচা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মীর ইমরান, মাদারীপুর

Image

মাদারীপুরে ভূমি অধিগ্রহ‌ণে ক্ষতিপূরণের ৫১ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে চাচা মো. হাবিবুর রহমান। বিষয়টি বুঝতে পেরে মাদারীপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতারণার মামলা করেছেন ভাতিজা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

এ মামলায় মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ আসামি হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার ১০৬ নম্বর মহিষেরচর মৌজায় এস.এ ১৬৫১ নং খতিয়ানে ২৬২৩ ও ২৬২৪ দাগের রেকর্ডের মালিক আব্দুল মোতালেব। পড়ে আব্দুল মোতালেব মারা গেলে এই সম্পত্তির মালিক হয় তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। এছাড়া একই দাগে দুই দলিলে ১৮.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন আব্দুল মোতালেবের ছেলে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। পৈতৃক সম্পত্তি ও ক্রয় ক‌রে জমি মিলে এই দুই দাগের মোট ৪৭.৫০ শতাংশ জমির মালিক হন মিজানুর রহমান। মাদারীপুর বিসিক শিল্পনগরের জন্য জমি অধিগ্রহণ করলে সেখানে মিজানুর রহমানের ওই দুই দাগের ২৮ শতাংশ জমির অধিগ্রহণ হয়।

অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণের টাকা কীভাবে তুলতে হবে বিষয়টি না জানায় চাচা হাবিবুর রহমানের সহযোগিতা চায় এতিম ভাতিজা মিজানুর রহমান। আর এই সুযোগে মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান অধিগ্রহণকৃত নিজের জমির সঙ্গে মিজানুর রহমানের অধিগ্রহণকৃত জমির বিল একসঙ্গে উঠানোর কথা বলে চাচা হাবিবুর রহমান। এতে মিজান রাজি হয়ে জমির টাকা উঠানের জন্য ক্ষমতাপত্র তার চাচার কাছে দেন। নিজের জমির সঙ্গে ক্ষমতাপত্রের বলে ভাতিজার ৫১ লাখ টাকার বিল তুলে নেয় চাচা হাবিবুর রহমান। ভাতিজাকে কোনো টাকা না দিয়ে সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেন চাচা হাবিব।

টাকার জন্য চাচার পেছনে দীর্ঘদিন ঘুরেও টাকা না পেয়ে মাদারীপুর চিপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ভাতিজা মিজানুর রহমান। মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর জেলা পুলিশ শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকালে হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পরে আদালতে প্রেরণ করেন।

মাদারীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম সালাউদ্দিন হোসেন বলেন, এনআই অ্যাট একটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পেয়ে হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কুমিল্লায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে মেঘনার চালিভাঙ্গা গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়। নিহত কামরুল ইসলাম (৪০) চালিভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির ও জেলা পরিষদের সদস্য আবদুল কাইয়ুমের পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছে। এর জেরে আজ বিকেলে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে কাইয়ুমের পক্ষের কামরুল ইসলাম মারা যান। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, এলাকায় আওয়ামী লীগের দুটি পক্ষ করেছে। উভয়পক্ষের সংঘর্ষে গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর চালিভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরের ছোট ভাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নিজাম টেঁটাবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আজ বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ ঘটনায় শুনেছি কামরুল ইসলাম নামের একজন মারা গেছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪