আজঃ শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শিরোনাম

রাইসিকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, বললেন ইসরায়েলি নেতা

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কয়েকজন ইহুদি ধর্মীয় নেতা। এটা ঈশ্বরের পক্ষ থেকে শাস্তি বলেও বিশ্বাস তাদের। হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় রাইসির মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট করেছেন ইহুদি ধর্মীয় নেতারা। ইসরায়েল সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না বললেও ইহুদি ধর্মীয় নেতারা রাইসির মৃত্যুর পর তার প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন।

ঘন কুয়াশার কারণে রোববার ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। সফরসঙ্গীসহ রাইসি নিহত হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্বের বিভিন্ন নেতারা শোক প্রকাশ করছেন। তার বিপরীতের ইহুদি ধর্মীয় নেতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি ইহুদি ধর্মীয় নেতা দাবি করেছেন, এটা ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপ ছিল।

রাইসিকে তেহরানের জল্লাদ’ উল্লেখ করেছেন রাবি মেইর আবুতবুল। ফেসবুকে এক পোস্ট করে তিনি রীতিমতো রাইসির সমালোচনা করেছেন। ইসরায়েল ও ইহুদিদের প্রতি রাইসির মনোভাবের কঠোর নিন্দা জানান আবুতবুল। তার ভাষায়, এই হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনা ঐশ্বরিক শাস্তি। খুব নোংরা ভাষায় আবুতবুল লেখেন, সে ইহুদিদের ঝুলাতে চেয়েছিল, তাই ঈশ্বর তাকে এবং তার সঙ্গে থাকা ইসরায়েল বিরোধী ক্রুকে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত করে বাতাসে বিক্ষিপ্ত করে দিয়েছেন।

ইরানের সদ্য প্রয়াত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে বিষবাষ্প উগড়ে দিয়েছেন রাবি নির বেন আর্টজিও। এ ঘটনাকে ঈশ্বরের অসন্তোষ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। এক ফেসবুক পোস্টে এই রাবি লেখেন, নিজের প্রতি জুলুম করো না, ঈশ্বর বলেছেন, যথেষ্ট হয়েছে। আপনি ঈশ্বরকে রাগান্তিত করেছেন। রাইসি ও তার প্রশাসনের পদক্ষেপের দিকে ইঙ্গিত করে এমন মন্তব্য করেন বেন আর্টজি।

ইহুদি আরেক ধর্মীয় নেতা রাবি ইৎজ-চাক বাৎজরি আরও এক কাঠি সরেস। তিনি রাইসিকে ফেরাউনের দোসর হামানের সঙ্গে তুলনা করেছেন। রাইসির মৃত্যুর খবর আসার আগে বাৎজরি ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে দুষ্টু হামান। নিজের পোস্টে বাইবেলের একটি লাইনও জুড়ে দেন এই রাবি।

ইরানের উত্তরাঞ্চলে মর্মান্তিক ওই হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় রাইসিসহ আরোহী ৯ জনের কেউ প্রাণে বাঁচেননি। প্রায় ১৫ ঘণ্টার অভিযান শেষে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকারীরা কারও জীবনের চিহ্নই খুঁজে পাননি। ইরানের সরকার জানিয়েছে, হার্ড ল্যান্ডিং কারণে এই দুর্ঘটনার ঘটেছে। তবে দুর্ঘটনার আগে হেলিকপ্টার থেকে একবার যোগাযোগ করা হয়, সেই ছিল শেষ কথা।


আরও খবর



অপরাধ করলে শাস্তি পেতেই হবে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অপরাধীকে আমরা অপরাধী হিসেবে দেখি। অপরাধ করলে তাকে শাস্তি পেতে হবে। সরকার কাউকে প্রটেকশন দেয় না। শুক্রবার সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ব্যক্তি যত প্রভাবশালী হোক অপরাধ করতে পারে, প্রশ্ন থেকে যায় সরকার অপরাধের শাস্তির ব্যাপারে সৎ সাহস দেখিয়েছে কি না। শেখ হাসিনা সরকারের সেই সৎ সাহস আছে। কেউ পার পাবে না। বিচার বিভাগ, দুদক স্বাধীন। সেখানে কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে আমরা তাকে প্রটেক্ট করতে যাব না।

তিনি বলেন, ব্যক্তি অপরাধ করতে পারে। কথা হচ্ছে সরকার প্রটেকশন দিচ্ছে কি না। শেখ হাসিনা সরকার এখানে জিরো টলারেন্স। অপরাধ করলে শাস্তি তাকে পেতেই হবে।

এসময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক আব্দুস সোবহান গোলাপ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফা আক্তার পপি ও নির্মল চ্যার্টাজী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের

আরও খবর



এমপি আনারের মরদেহ পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভারতে খুন হওয়া বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহ পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা বসে নেই, আশা করি, কিছু পাব।

মঙ্গলবার (২৮ মে) বিকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঈদুল আজহার প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রায় একই সময়ে কলকাতার নিউ টাউনের সঞ্জীবা আবাসনের বিইউ-৫৬ ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংক থেকে কিছু মাংস উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি। কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ওই সেপটিক ট্যাংক থেকে প্রায় চার কেজি মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। একটি কাচের জারে নুন মিশ্রিত পানিতে মাংসগুলো রাখা হয়েছে। মাংসের টুকরোগুলো অনেকটা পাকোড়ার মতো। এই মাংসের অংশগুলো কসাই জিহাদ হাওলাদার ওয়াশরুমের কমোডে ফেলে দিয়েছিল বলে আগেই নিশ্চিত হয়েছে সিআইডি।

আনারের মরদেহ পাওয়ার বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার মরদেহের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো খবর আমাদের কাছে আসেনি। আপনারা যে রকম শুনছেন আমরাও সে রকম শুনছি। বাংলাদেশ থেকে তিনজন গোয়েন্দা সদস্য সেখানে গিয়েছেন। ভারতের পুলিশও কাজ করছে। ডেড বডিটা পাওয়া ছাড়া সমস্ত ইনফরমেশন- যারা যারা এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, যারা যারা খুন করেছেন সব কিছুরই খবর আমরা পেয়েছি। তারা যেভাবে খুন করেছেন তাতে ডেড বডিটা উদ্ধার করাই বাকি আছে। আর সবকিছুই আমাদের কাছে চলে আসছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার মরদেহ পাওয়া নিয়ে আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা বসে নেই, আমরা আশা করি, আমরা সব সময়ই আশা করি কিছু আমরা পাব।

মরদেহ না পাওয়া গেলে কোনো আইনি জটিলতা হবে কি না, এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, যারা যারা দেখেছেন, যারা যারা হত্যা করেছেন, তারা তো স্বীকার করেছেন। সেখানে কী হবে সেটা আইনজ্ঞরাই জানেন, আইন মন্ত্রণালয় বলতে পারবে।

মরদেহ না পেলে তার আসন শূন্য ঘোষণা করা যাচ্ছে না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, সেটি স্পিকার জানেন। সংবিধান অনুযায়ী তিনি সিদ্ধান্ত দেবেন।

এ বিষয়ে স্পিকারকে আপনারা অবহিত করবেন কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্পিকারকে অবহিত করা আমাদের কাজ নয়। স্পিকারের ওখানে অফিস আছে, তারাই সিদ্ধান্ত নেবেন পরবর্তী অ্যাকশন কী হবে।

আরও খবর



এবার প্রকাশ্যে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর ওপর হামলা

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন রাজধানীর ব্যস্ত স্থানে প্রকাশ্যে হামলার শিকার হয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৭ জুন) কোপেনহেগেনে এক ব্যক্তি এই হামলা চালায় বলে তার কার্যালয় জানিয়েছে।

জানা গেছে, সন্ধ্যায় কোপেনহেগেনের কুলতোরভেটে (পাবলিক স্কয়ার) প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনকে এক ব্যক্তি সজোরে ধাক্কা মারেন। পরে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মেটে ফ্রেডেরিকসেন হামলার ঘটনায় হতবাক’ হয়ে পড়েছেন। শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি চত্বরে এমন হামলা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেইন এটিকে ঘৃণ্য কাজ’ বলে অভিহিত করেছেন।

দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, তারা একজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করছে। তবে এর বেশি কিছু বলতে রাজি হয়নি। হামলার কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

দুই প্রত্যক্ষদর্শী ম্যারি আদ্রিয়ান ও আনা রাভন স্থানীয় সংবাদপত্র বিটিকে বলেছেন, তারা হামলাটি প্রত্যক্ষ করেছেন। বিপরীত দিক থেকে এক ব্যক্তি এসে প্রধানমন্ত্রীর কাঁধে জোরে একটা ধাক্কা দেয়। যার ফলে সে পাশে পড়ে যায়। এটি একটি শক্তিশালী ধাক্কা’ হলেও প্রধানমন্ত্রী মাটিতে পড়ে যাননি।

হামলার পর দেশটির পরিবেশমন্ত্রী ম্যাগনাস হিউনিক বলেন, রাজনৈতিক মতবিরোধ, নির্বাচনী প্রচারণা যাই হোক না কেন, একে অপরের দেখাশোনা করা প্রত্যেকের দায়িত্ব। আমাদের সুন্দর, নিরাপদ এবং মুক্ত দেশে এ ধরনের কিছু ঘটতে পারে না। এটি কুৎসিত এবং অগ্রহণযোগ্য। আসুন আমরা দেখাই যে, ডেনমার্ক অনেক ভালো।

ডেনমার্কের মধ্য-বামপন্থী সোশ্যালিস্ট ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা ফ্রেডেরিকসেন ২০১৯ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।


আরও খবর



জলাবদ্ধতায় কেজিডিসিএল কাছে ৫৬ স্পটের তালিকা দিলেন সিডিএ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার জন্য কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) ৫৬ টি স্পটের পাইপ লাইন চিহ্নিত করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

চিহ্নিত এসব স্পটের তালিকা মঙ্গলবার দুপুরে কেজিডিসিএল ভবনে গিয়ে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবু সাকলায়েনের হাতে তুলে দেন সিডিএ'র চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ।

এ সময় সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, 'জলাবদ্ধতা প্রকল্পের আওতায় নগরীর খাল সংস্কার,খনন ও প্রতিরোধ দেয়াল নির্মিত হচ্ছে। বৃষ্টির সময় দেখা যায়, খালের পানি অনেক নিচে। নালার পানি জমে উঁচু এলাকায়ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।  সিডিএ'র প্রকৌশল টিমের সরেজমিন পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে সেবা সংস্থাগুলোর পাইপের সাথে পলি বর্জ্য জমে   পানি জমে যায়। সোমবার চট্টগ্রাম ওয়াসাকে চিহ্নিত করা ৭৫ টি পাইপ লাইনের তালিকা দিয়ে এসেছি। অনুরূপভাবে টিঅ্যান্ডটিকে জলাবদ্ধতার জন্য চিহ্নিত স্পটের তালিকা দেয়া হবে।'

তিনি আরও বলেন, সেবা সংস্থাগুলোর দুর্ভোগে দায়ী পাইপ লাইন সংস্কার করার পর অনিয়ন্ত্রিত জলাবদ্ধতা কমে যাবে।

অন্যদিকে কেজিডিসিএল'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আবু সাকলায়েন তালিকা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উর্ধতন প্রকৌশলীদের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা এখন চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানে আমরা বদ্ধপরিকর। সিডিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের তালিকা অনুযায়ী পাইপ সংস্কারে আমরা কাজ করবো।


আরও খবর



নাম বলার পরেও অপরাধীদের পুলিশ ধরছে না

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মা-বাবা ও দুই শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের পর এক শিশুর মা দায়নি ঋষী (৪২) কে পিটিয়ে হত্যার পর গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগে দোষীদের দৃষ্টান্তমুলক শান্তির দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে মানবন্ধন করেছে মহিলা পরিষদ।

শুক্রবার (২৪ মে) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ জেলা শাখার ব্যানারে শহরের চৌরাস্তায় এ মানববন্ধন করেন তাঁরা।

মহিলা পরিষদ জেলা শাখার যুগ্ন আহবায়ক সুরভী কেরকেটার সভাপত্বিতে নিহত দায়ন ঋষীর স্বামী বিষ্ণু ঋষী, দুই সন্তান সাজন, রাজেন, জেলা মহিলা পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুচরিতা দেব, সদস্য মাহমুদা আক্তার, শাহানাজ বেগমসহ বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, চুরির অপবাদে দায়ন ঋষীর ছেলেকে ধরে নিয়ে মারপিটের পর মাকেও তুলে নিয়ে মারপিট করে হত্যার করা হয়েছে। যা নিহতের সদস্যরা দাবি করছেন।

কারা বাসা থেকে তাদের তুলে নিয়ে গেছে স্পস্ট নামও বলছে। তারপরেও পুলিশ সেভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। এখন পর্যন্ত একজনকে আটক করেছে। ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠির মানুষ এমনিতেই অবহেলিত। যে ব্যক্তিটি চুরির অপবাদ দিয়ে বাসায় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মারপিট করলো সে কেনো পুলিশের হাতে তুলে দিলো না। আইন নিজের হাতে কেনো তুলে নিলেন তিনি? অবিলম্বে এ ঘটনার বিচারের দাবি করেন বক্তারা। তা না হলে আরো কঠোর কর্মসুচির হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা।

উল্লেখ্য, গেল সোমবার (২০মে) পরিষদপাড়ার নুর আলম লিটনের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় লিটনসহ তার লোকজন পরদিন মঙ্গলবার (২১ মে) চোর সন্দেহে একই গ্রামের দায়ন ঋষির ছোট ছেলে রাজেন (১৩) ও একই গ্রামের মৃত যোগেনের ছেলে সঞ্জিত (১৫) কে তুলে নিয়ে বাসায় আটকে রাখে। পরে চুরির অপবাদে কয়েক দফায় তাদের পাশবিক নির্যাতন চালায় লিটনসহ তার লোকজন। শুধু তাই নয়। ছেলেকে পেটানোর পর মাকে তুলে নিয়ে মারপিট করে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

পরে বুধবার (২২ মে) সকালে জেলা শহরের পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ড পরষিদপাড়ার একটি লিচু গাছে ওই নারীর মরদেহ ঝুলে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবিএম ফিরোজ ওয়াহিদ বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নারীর মৃত্যুর ঘটনায় থানায় মামালা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর