আজঃ সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

রাজধানীতে ধর্ষণের শিকার কিশোরীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৩৪জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মায়ের সঙ্গে অভিমান করে তার দুই মেয়ে সেদিন বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। রাতে বাসায় না ফেরায় খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরপর আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন

রাজধানীতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী মেয়েটির পাশে ছিল একটি চিরকুট। চিরকুটে লেখা ছিল মা–বাবাকে খুব ভালোবাসে।’ চিরকুটটি ১৩ বছরের এক কিশোরীর বিছানার পাশে পাওয়া গিয়েছিল। পুলিশ বলছে, আত্মহত্যার আগে সে এই চিরকুটটি লিখে গিয়েছিল।

স্থানীয় পুলিশ ও মামলার নথি থেকে জানা যায়, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর বাসা থেকে গত ২৯ জানুয়ারি বিকেলে মায়ের সঙ্গে রাগ করে দুই বোন বের হয়। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ১৩ বছর ও অন্যজনের ৭ বছর। বড় বোন তার এক বান্ধবীকে (১৪) সঙ্গে নেয়। এরপর ঘুরতে ঘুরতে তিনজন জুরাইন বাসস্ট্যান্ডে একটি বাসে ঘুমিয়ে পড়ে। ভোররাতে বাস থেকে নেমে একজন নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর সেখানে আসা দুই কিশোর তিনজনকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে রিকশায় করে তারা নিয়ে যায়।

শিশুসহ দুই কিশোরীকে কদমতলী এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ভবনের কাছে নিয়ে যায় দুই কিশোর। সেখানে একটি ভবনের দোতলায় নিয়ে ১৩ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণ করে এক কিশোর। সকালে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী ও তার বোনকে দনিয়া এলাকায় খুঁজে পান তাদের বাবা। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে দুই কিশোর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

খুদে ব্যবসায়ী কিশোরীর বাবা বলেন, সেদিন ছিল শুক্রবার। মায়ের সঙ্গে অভিমান করে তার দুই মেয়ে সেদিন বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। রাতে বাসায় না ফেরায় খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরপর আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। দুই মেয়েকে না পেয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় যান সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে। পরে সকালে তিনি দনিয়া এলাকায় মেয়েদের খুঁজে পান।

তিনি আরও বলেন, দুই মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে তার সংসার। কিন্তু ধর্ষণের শিকার হয়ে মেয়েটি আত্মহত্যা করল। যারা তার অল্পবয়সী মেয়েকে ধর্ষণ করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

পুলিশ পরিদর্শক শাহীনুর রহমান বলেন, কিশোরীর আত্মহত্যার ঘটনাটি মর্মান্তিক, হৃদয়বিদারক। আদালতে দুই আসামি জবানবন্দিতে পুরো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে। কিশোরী ধর্ষণে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহিনুর রহমান বলেন, দুই বোনের মধ্যে বড় বোন কদমতলী এলাকায় ধর্ষণের শিকার হয়। পরে ওই কিশোরী বাসায় ফিরে বিষপানে আত্মহত্যা করে। দুই কিশোর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। যে কিশোর ধর্ষণ করেছে, সে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Share

আরও খবর



নবজাতকের পা ধরে টেনে ছিড়ে আনল আয়া, মাথা মায়ের পেটে

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৬২জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যশোর থেকে ইয়ানূর রহমান

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সন্তান প্রসবের সময় নবজাতকের পা ধরে টেনে ছিড়ে এনেছেন এক মোমেনা নামে এক আয়া। এসময় শিশুর মাথা থেকে যায় মায়ের পেটের মধ্যে। শনিবার রাতে আন্না (২৫) নামে এক গৃহবধূর সন্তান প্রসবের সময় এ ঘটনাটি ঘটে।

স্বজনদের অভিযোগ, সন্তান প্রসবের সময় সেখানে দায়িত্বরত সেবিকা ও চিকিৎসক কেউ উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনার পর ওই আয়া ওয়ার্ড থেকে পালিয়ে যান। কর্তৃপক্ষ বলছেন, গর্ভের নবজাতক মৃত অবস্থায় ছিলো।

যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার গাজীপুর গ্রামের ইয়াকুব আলীর স্ত্রী আন্না বেগমকে শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে প্রসব কালিন ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে ওয়ার্ড ডা. তানজিলা আখতার একবার রোগীকে দেখে আল্ট্রাসনো করতে বলেন। আল্ট্রাসনো রিপোর্টে ২০ সপ্তাহের বাচ্চার উপস্থিতি মেলে। তার ওজন ছিলো ৩৩৯ গ্রাম। চিকিৎসকের পরামর্শে জরায়ুর মুখ খোলার ওষুধ দেয়া হয়। যাতে করে মৃত বাচ্চাটি নরমালে প্রসব হয়। শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে আন্নার গর্ভে থাকা ছেলের দুই পা বেরিয়ে আসলে ওই ওয়ার্ডে দায়িত্বরত আয়া মোমেনা রোগী আন্নাকে ওটিতে নিয়ে যান। চিকিৎসক সেবিকার অনুপস্থিতিতে আয়া মোমেনা নবজাতকের  দুই পা ধরে টানাটানি করার সময় গলা থেকে ছিড়ে চলে আসে। বাকী অংশ অর্থাৎ মাথা গৃহবধূর পেটের মধ্যে থেকে যায়। এরপর রোগীকে ফেলে ভয়ে তিনি পালিয়ে যান। রোগীর চিৎকারে স্বজনরা গিয়ে এই অবস্থা দেখে চেচামেচি শুরু করেন। তখন সেবিকারা গিয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য জানান। আয়ার কান্ডে বাক শক্তি হারিয়ে ফেলেন আন্না ও তার পরিবারের লোকজন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফ আহমেদ জানান, আয়ার বাড়াবাড়িতে এমনটা হয়েছে। চিকিৎসক সেবিকার অনুপস্থিতিতে তিনি এই কাজ করতে পারেন না। তিনি আরো জানান, গৃহবধূর পেটে নবজাতকটি আগেই মারা গিয়েছিলো। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: যশোর নবজাতক
Share

আরও খবর
গুলি করে ইউপি সদস্যকে হত্যা

সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১




ভূঞাপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই পাঁচটি দোকান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শুক্রবার (৫ মার্চ) ভোর সাড়ে ৬টায় হাজী মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন একঘণ্টার চেষ্টায় সাড়ে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে যায় টিভি, ফ্রিজ, জুতার দোকানসহ ৫টি দোকান। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকা। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

স্থানীয়রা জানান, ফজরের নামাজ শেষে মুসুল্লিরা বাসায় ফেরার সময় হাজী মার্কেটের একটি দোকানে হঠাৎ আগুন দেখতে পান। মুহূর্তেই আগুন পাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা ভূঞাপুর ফায়ার স্টেশনে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক ইব্রাহীম আকন্দ বলেন, আমার চারটি দোকানে টিভি, ফ্রিজ ও প্লাস্টিকের ফার্নিচার ছিলো। সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কিছুই বের করতে পারিনি। ১৬ লাখ টাকার মালামাল নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসের লিডার একাব্বর আলী জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে অল্প সময়ের মধ্যে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Share

আরও খবর



রাজধানীর কুমিল্লা পট্টির আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশিত:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | ৮০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর মানিকনগরে কুমিল্লা পট্টিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

এক ঘণ্টা ২৫ মিটিটের চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া কর্মকর্তা মো. রায়হান এ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুনে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

Share

আরও খবর



একুশের অবিনাশী চেতনাই যুগিয়েছে অফুরন্ত প্রেরণা : রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | ৮৪জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মহান ভাষা-আন্দোলন আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। তিনি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি ১৯৪৮ সালে মাতৃভাষার দাবিতে গঠিত ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, মাতৃভাষা ও নিজস্ব সংস্কৃতি রক্ষায় বিশ্ববাসীকে সোচ্চার হতে হবে। আগামীকাল অমর ২১ ফেব্রুয়ারি, মহান শহীদ দিবসআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২১ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন।

মহান শহীদ দিবসআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২১ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি বাংলাসহ বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগণ ও জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, মাতৃভাষা এবং নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে দিবসটি উদযাপন একটি অনন্য উদ্যোগ।

তিনি বলেন, মহান ভাষা-আন্দোলন আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। তিনি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি ১৯৪৮ সালে মাতৃভাষার দাবিতে গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ এর নেতৃত্ব দেন এবং কারাবরণ করেন। তিনি স্মরণ করেন তৎকালীন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্তসহ সকল ভাষা-সংগ্রামীকে, যাঁদের দূরদৃষ্টি, অসীম ত্যাগ, সাহসিকতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা-আন্দোলন চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। বাঙালি পায় মাতৃভাষার অধিকার। রাষ্ট্রপতি মাতৃভাষা বাংলার অধিকার আদায়ে জীবন-উৎসর্গকারী ভাষা শহীদ রফিক, সালাম, বরকত, জব্বার, শফিউরসহ নাম না জানা শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, ভাষা-আন্দোলন ছিল আমাদের মাতৃভাষার অধিকার-প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নিজস্ব জাতিসত্তা, স্বকীয়তা ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র রক্ষারও আন্দোলন। আমাদের স্বাধিকার, মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে অমর একুশের অবিনাশী চেতনাই যুগিয়েছে অফুরন্ত প্রেরণা ও অসীম সাহস। ফেব্রুয়ারির রক্তঝরা পথ বেয়েই অর্জিত হয় মাতৃভাষা বাংলার স্বীকৃতি এবং এরই ধারাবাহিকতায় আসে বাঙালির চিরকাঙ্খিত স্বাধীনতা, যার নেতৃত্ব দিয়েছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আবদুল হামিদ বলেন, মাতৃভাষার জন্য জীবন-উৎসর্গ বিশ্বে বিরল ঘটনা। ১৯৯৯ সালে কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশির প্রাথমিক উদ্যোগ এবং সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বতঃস্ফূর্ত আগ্রহ ও ঐকান্তিক চেষ্টায় জাতিসংঘ ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। এটিও বাঙালি হিসেবে জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

তিনি বলেন, পৃথিবীতে অনেক ভাষাই এখন বিপন্ন। একটা ভাষার বিলুপ্তি মানে একটা সংস্কৃতির বিলোপ, জাতিসত্তার বিলোপ, সভ্যতার অপমৃত্যু। তাই মাতৃভাষা ও নিজস্ব সংস্কৃতির বিকাশসহ সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতিরক্ষায় বিশ্ববাসীকে সোচ্চার হতে হবে। বিশ্বের বিকাশমান ও বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলোর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় গবেষণার জন্য ২০০১ সালে ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাছাড়া দেশে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও উন্নয়নে তাদের নিজস্ব ভাষায় পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, একই সাথে যে বাংলাভাষার জন্য আমরা জীবন দিয়েছি, তার উন্নয়নে সর্বস্তরে শুদ্ধ-বাংলার প্রচলনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। নিজভাষার উন্নয়ন ও সংরক্ষণের পাশাপাশি বহুভাষিক শিক্ষার মাধ্যমে টেকসই ভবিষ্যৎ-বিনির্মাণ করতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।’

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতিরক্ষায় অমর একুশের চেতনা আজ অনুপ্রেরণার অবিরাম উৎস। এ চেতনাকে ধারণ করে পৃথিবীর নানা ভাষাভাষী মানুষের সাথে নিবিড় যোগসূত্র স্থাপিত হোক, লুপ্তপ্রায় ভাষাগুলো আপন মহিমায় নিজ-নিজ সম্প্রদায়ের মধ্যে উজ্জ্বীবিত হোক, গড়ে উঠুক নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির বর্ণাঢ্য বিশ্ব। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে তিনি এ কামনা করেন।

Share

আরও খবর



সারাদেশে করোনায় নতুন রোগী শনাক্ত ৪০৬

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪০৬ জন। এতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৫ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ জনে

করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও দুইজন নারী। মৃতদের সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ নিয়ে দেশে এই মহামারিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৩৩৭ জনে।

এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪০৬ জন। এতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৫ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৪টি ল্যাবরেটরিতে ১৪ হাজার ২৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৩৯ লাখ ২২ হাজার ৪৮৯টি।

শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় এবং ১৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়।

Share

আরও খবর