আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
চট্টগ্রামে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন কোটা বহালে হাইকোর্টের রায় বাতিল চেয়ে লিভ টু আপিল ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু রাবিতে হলে ঢুকে মোটরসাইকেলে আগুন, ব্যাপক ভাঙচুর চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২ রায়সাহেব বাজারে গুলি, আহত জগন্নাথের ৪ শিক্ষার্থী রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীর মৃত্যু রণক্ষেত্র সায়েন্সল্যাব: দফায় দফায় চলছে সংঘর্ষ, ঘটনাস্থলে নেই পুলিশ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

রাঙ্গামাটিতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৩!

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ জুন 20২২ | অনলাইন সংস্করণ
Image

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী দুর্গম বড়থলি ইউনিয়নে বম পার্টি নামে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের গুলিতে তিনজন গ্রামবাসী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সাইজাম পাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আতোমং মারমা।

ইউপি চেয়ারম্যান আতোমং মারমা বলেন, গতকাল (মঙ্গলবার) সন্ধ্যার দিকে ইউনিয়নের সাইজাম পাড়ায় হত্যাকান্ডে ঘটনা ঘটে। দুর্গম গ্রামের এই পাড়াটিতে কয়েকটি বম ও ত্রিপুরা পরিবার বসবাস করে আসছেন। গতকাল সন্ধ্যার দিকে বম পার্টি খ্যাত কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) পার্টি তাদের ওপর হামলা করে এবং হামলায় তিনজন নিহত হন। কয়েকজন আহত হয়েছেন।

তিনি বলেন, এর আগেও মে মাসের দিকে ওই পাড়ায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। তখন হতাহতের খবর না পেলেও এবার তিনজন মারা গেছেন। মে মাসে গ্রামবাসীর উপর হামলার কারণে তখন নিরাপত্তার অভাবে অনেক পরিবার বান্দরবানের রুমায় চলে যায়। কিছুদিন পুর্বে কয়েকটি পরিবার ফিরে আসে, আর তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানান, ফারুয়া-বড়থলি এসব এলাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নিয়ন্ত্রিত এলাকা, সেখানে নিয়ন্ত্রণ নিতে মাঝে মধ্যে সংস্কার বম পার্টি হানা দেয়। বম পার্টিদের ধারণা এলাকাবাসী জেএসএসকে সহযোগিতা করে, এই ধারণা থেকে হামলা করতে পারে। তবে মোবাইল নেট ও ইন্টারনেট সেবা না থাকায় সেখান থেকে কোন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

তবে কুকি চেইন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) তাদের ফেবুক পেজে তথ্য দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৩ এই বিষয়টি আইন শৃঙ্খলাবাহিনীও বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারছে না।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মাহমুদা বেগম বলেন, 'হতাহতের ঘটনা শুনেছি। তবে সত্য মিথ্যা এখনো নিশ্চিত না। দুর্গম এলাকা সেখানে পৌঁছানো কঠিন, তদন্ত চলছে।


আরও খবর



সিলেটের কাস্টমস কমিশনার এনামুলের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

প্রায় ১০ কোটি টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সিলেটের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হকের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। দুদকের উপ-পরিচালক ও প্রসিকিউশন শাখার কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ক্রোককৃত সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে গুলশানের জোয়ার সাহারায় ৬১ হাজার টাকার তিন কাঠা জমি, খিলক্ষেতে ৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকার ৩৩ শতাংশ জমি, কাকরাইলের আইরিশ নূরজাহান টাওয়ারে কমন স্পেসসহ ১১৭০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট, যার মূল্য ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৫০০ টাকা, একই ভবনে কারপার্কিং স্পেসসহ ১৮৩৫ বর্গফুটের ফ্ল্যাট যার মূল্য ৫১ লাখ ২৯০০ হাজার টাকা। এছাড়া কাকরাইলে ১৯০০ বর্গফুট ও ৩৮০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাটসহ কারপার্কিং যার মূল্য ২ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। গাজীপুরে ৬২ লাখ ৪০ হাজার টাকার পাঁচ কাঠা জমি। মোহাম্মদপুরে তিনটি বাণিজ্যিক ভবনে চার হাজার বর্গফুটের তিনটি স্পেস, যার প্রতিটির মূল্য ৭১ লাখ ৩৫ হাজার করে।

এছাড়া মোহাম্মদপুরে ১০ হাজার ৯৬৫ বর্গফুটের স্পেস রয়েছে, যার মূল্য দুই কোটি ৩৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এছাড়া গুলশানের ৭২ লাখ টাকার ২৪২৮ বর্গফুটের ফ্ল্যাট এবং বাড্ডায় চার কাঠা নাল জমি যার মূল্য ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক ফারজানা ইয়াসমিন আবেদনে উল্লেখ করেন, ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে ৯ কোটি ৭৬ লাখ ৯৭ হাজার টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার (আসামি) বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে, আসামি তার মালিকানাধীন ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন, যা করতে পারলে এই মামলার ধারাবাহিকতায় আদালতে চার্জশিট দাখিল, আদালত কর্তৃক বিচার শেষে সাজার অংশ হিসেবে অপরাধলব্ধ আয় থেকে অর্জিত সম্পত্তি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করাসহ সব উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে। তাই মামলার তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে চার্জশিট দাখিলের পর আদালত কর্তৃক বিচার শেষে সরকারের অনুকূলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের সুবিধার্থে তথা সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে তার স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করা একান্ত প্রয়োজন।


আরও খবর
সেই মিল্টন সমাদ্দারের জামিন

সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪




পদ্মা সেতুর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আনুষঙ্গিক সব কাজ শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন। ফলে এর আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘোষণা করতে অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (৫ জুলাই) দুপুর ৩টা ৫৩ মিনিটে সেতু বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠানস্থলের মঞ্চে উঠেন তিনি। সে উপলক্ষে একটি সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সেতু বিভাগ। সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পদ্মা সেতুর উত্তর থানা সংলগ্ন মাঠে এই সমাপনী অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই একই মাঠে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ও রেল সংযোগ প্রকল্পের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এর আগে বিকেল ৩টা থেকে আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থলে আসতে শুরু করেন।

জানা গেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি উপলক্ষে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ। বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথি ছাড়াও থাকবেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা আর সর্বাত্মক প্রস্তুতি থাকার কথা জানিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ৫ জুলাই বিকেলে পদ্মা সেতু প্রকল্পের মাওয়া এলাকায় আসার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। মূলত পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজের মেয়াদ সমাপ্তি উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী আসবেন। বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিসহ যারা এই সেতুর কাজে বিভিন্ন সময় অংশ নিয়েছেন, তাদের নিয়ে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সংশ্লিষ্টদের কথা শোনার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন ও সব দপ্তরের অংশগ্রহণে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়ায় প্রথম পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। এরপর নানা প্রতিবন্ধকতায় আর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা শেষে যাত্রা শুরু হয় দেশের আলোচিত প্রকল্পটির মূল কাজ। যার সবশেষ মোট বরাদ্দ ছিল ৩২ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা।


আরও খবর



আসামি ধরতে নদীতে ঝাঁপ, পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ধরতে গিয়ে আসামির পেছনে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে উপ-পরিদশর্ক (এসআই) রেজাউল ইসলাম শাহর (৪৫) মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের সরস্বতী নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রেজাউল ইসলাম শাহ রায়গঞ্জ থানায় উপ-পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নওগাঁর সাপাহার গ্রামের তোজাম্মেল হক শাহর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রায়গঞ্জের এরান্দহ গ্রামের আলোচিত চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজা খুনের মামলা ও ডাকাতি মামলার প্রধান আসামি নাজমুল হাসানকে (৩০) গ্রেপ্তারে অভিযানের সময় আসামি সরস্বতী নদীতে ঝাঁপ দেন। এ সময় এসআই রেজাউল ইসলামও নদীতে ঝাঁপ দেন। কিন্তু আসামি নদী পার হলেও এসআই রেজাউল নদীর মাঝখানে তলিয়ে যান। পরে উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রেজাউল ইসলাম মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার এমন মৃত্যুতে সবার মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. গোলাম আম্বিয়া বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে নিহতের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে।

সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল বলেন, সকালে ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামি ধরতে গিয়ে অভিযানের সময় পানিতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ডুবে নিখোঁজ হন রেজাউল ইসলাম শাহ। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এখন তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

নিউজ ট্যাগ: এএসআই

আরও খবর



ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে রাবি শিক্ষকরা

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আসিক আদনান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Image

সর্বজনীন পেনশন স্কিম সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার ও প্রতিশ্রুত সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তনের বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবিতে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও কর্মচারীরা। ফলে বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার ক্লাস-পরীক্ষা।

সোমবার (১ জুলাই) সকাল থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করে বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবন চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার সমিতিও ১ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত লাগাতার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের অনেক সুবিধা উঠিয়ে দেওয়া ও আর্থিক সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে কার্পণ্য হতে দেখেছি। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি সঠিকভাবে না চলে তাহলে জাতির সামনে অশনি সংকেত অপেক্ষা করে। যেসব মেধাবী শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে তারা যদি মেধাবী শিক্ষক না পান তাহলে তারা দেশকে কিছুই দিতে পারবে না। মেধাবী শিক্ষক পেতে গেলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করতে হবে। যেন তারা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসেন। তাদের আকর্ষণ করার জন্য আর্থিক সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। আরও কত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যায় সেই চেষ্টা করবেন। প্রতিবেশী অনেক দেশে শিক্ষকদের বেতন সাধারণ চাকরি থেকে অনেক বেশি৷ কিন্তু বাংলাদেশে স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের কথা বারবার বলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি৷

রাবির শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, গত দুই মাস থেকে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। ভেবেছিলাম এমন পরিস্থিতি আসবে যে আমাদের আর লাগাতার কর্মসূচির মধ্যে যেতে হবে না। যেহেতু তেমন কিছু হয়নি তাই আমাদের লাগাতার কর্মসূচিতে যেতে হচ্ছে এবং সরকারের অবস্থান খুব অনড় বলেই মনে হচ্ছে। এজন্য আমাদের এটা আরও চালিয়ে যেতে হবে। গতকাল থেকে আন্তঃকর্মকর্তা ও কর্মচারী পরিষদ আছে তারাও আমাদের সাথে একাগ্রতা প্রকাশ করেছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে যখনি কোনো কিছু ঘটে তখন সবকিছু শিক্ষকদের ওপরেই সব সময় আসে। আর্থিক খাত থেকে বিভিন্ন জায়গায় বঞ্চিত করা হয়েছে। আপনারা জানেন ২০১৫ সালে অবনবন করা হয়েছে। আবার সর্বজনীন পেনশন স্কিমের নামে আর্থিকভাবে ক্ষতি করছে। শুধু আর্থিকভাবে নয় আমি মনে করি এটার সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। এটা উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র বলে মনে করি। সরকার এগিয়ে যাচ্ছে কিন্তু সরকারের মধ্যে থাকা কিছু ষড়যন্ত্রী আমাদের সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। আমরা দ্রুত এর প্রত্যাহার চাই।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে বিবৃতি প্রদান, গণস্বাক্ষর সংগ্রহ, মানববন্ধন, প্রতীকী কর্মবিরতি, স্মারকলিপি প্রদান এবং অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময়ে সরকারের তরফ থেকে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় গত ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালিত হয় এবং ৩০ জুন পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেন। আজ ১ জুলাই সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করছেন তারা।


আরও খবর



ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দলীয় নেতাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

সোমবার (১৭ জুন) সকালে তিনি তার সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এরপর ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর আওয়ামী লীগ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ ও ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।


আরও খবর