আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপি চার নেতার বিরুদ্ধে পরোয়ানা

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | ১০৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মহানগর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন

জাতির পিতাকে কটূক্তি ও প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ায় রাজশাহীতে বিএনপির চার নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ। প্রতিবেদন গ্রহণ করে আদালত চার নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

বুধবার (৩১ মার্চ) দুপুরে মহানগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ (আমলী আদালত বোয়ালিয়া) এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

আদালতের বিচারক মো. সাইফুল ইসলাম পুলিশের দাখিল করা প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। এরপর প্রতিবেদনের ওপর শুনানি শেষে চার বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার পরবর্তী দিন আগামী ২৬ এপ্রিল ধার্য করেন বিচারক।

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামিরা হলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মহানগর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন।

গত ২ মার্চ বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে মিজানুর রহমান মিনু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মামলাটি করা হয়। বিএনপির ওই সমাবেশে মামলার অন্য তিন আসামি উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে মিনু আরেকটি ১৫ আগস্ট ঘটানোর ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন উল্লেখ করে ৯ মার্চ মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আবেদন করা হয়। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মামলার অনুমতি দেয়।

পরে ১৬ মার্চ আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। সেদিন আদালত মামলার প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন ৩১ মার্চ দাখিলের জন্য রাজপাড়া থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। নির্ধারিত দিনেই ওসি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন ওসি।

তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় মামলার বাদী রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোসাব্বিরুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর শুনানিতে অংশ নেন বাদীর আইনজীবী আসলাম সরকার। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মো. সাইফুল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে মামলার পরবর্তী তারিখ ২৬ এপ্রিল ধার্য করা হয়।


আরও খবর



রাজশাহীতে গুলি করে ও কুপিয়ে যুবককে হত্যা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার দুর্গম চরে গতকাল বুধবার রাতে গুলি করে ও কুপিয়ে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের চৌমাদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই যুবকের নাম ইব্রাহিম হোসেন (২৮)। তিনি ওই গ্রামের হাজি দেওয়ানের ছেলে। পুলিশ রাতেই লাশ উদ্ধার করেছে।

পদ্মা নদীর ওপারে চৌমাদিয়া গ্রামটির অর্ধেক অংশ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মধ্যে পড়েছে। এই চরে প্রায় এক মাস ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এরই জের ধরে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকাবাসীর ভাষ্য। এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই দিন চারজন গুলিবিদ্ধ হন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন আরও চারজন।

পুলিশ জানিয়েছে, চৌমাদিয়া গ্রামের সেলিম দরজি ও দিদার বেপারীর জমি আছে পার্শ্ববর্তী কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানা এলাকার মধ্যে। এক মাস আগে সেলিম আগুন দিয়ে কলাবাগানের ভেতরে থাকা ঘাস পুড়িয়ে দিয়েছিলেন। তখন দিদারের গমখেতে আগুন ধরে যায়। বিষয়টি নিয়ে টানা কয়েক দিন উত্তেজনার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর গতকাল রাতে খুন হন ইব্রাহিম।

বাঘা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল বারী বলেন, রাতে চৌমাদিয়া বাজারে মোশাররফ হোসেন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন ইব্রাহিম হোসেন। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন অতর্কিত তাঁদের ওপর হামলা চালায়। ইব্রাহিমকে প্রথমে গুলি করা হয়। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কোপানো হয়। খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) স্থানীয় সীমান্ত ফাঁড়ির সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। এ সময় তাঁরা মোশাররফকে উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে যান। গুরুতর আহত ইব্রাহিমকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক ইব্রাহিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাত ১২টার দিকে পদ্মা নদী পার হয়ে চৌমাদিয়া যাচ্ছিলেন বাঘা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুনুর রশীদ। ২৮ ফেব্রুয়ারির সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তিনি। তিনি বলেন, আগের মামলার আসামিদের ধরতে তিনি চরে গিয়েছিলেন। আসামিদের বাড়ি থেকে ১০ হাত দূরেই ভারতীয় সীমান্ত। ধরতে গেলেই তাঁরা ভারতের সীমানায় ঢুকে পড়েন।

স্থানীয় চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আজিজুল আলম বলেন, ঘটনার পর থেকে পুরো চরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। একসময় এখানে লালচান ও পান্না বাহিনীর উত্থান ঘটেছিল। এখন আরেকটি নতুন বাহিনী গড়ে উঠেছে, যারা এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।

নিউজ ট্যাগ: রাজশাহী

আরও খবর



দিল্লিতে এক সপ্তাহের কারফিউ জারি

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজাল ও রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এরপরই এমন ঘোষণা আসলো

ভারতে মহামারি করোনাভাইরাসের উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের কারণে রাজধানী দিল্লিতে কারফিউ জারি করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাত থেকে শুরু হয়ে আগামী সপ্তাহের সোমবার সকাল পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। গতকাল রবিবার এ ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এ খবর জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিবার দিল্লিতে কোভিড-১৯ এর বর্তমান সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজাল ও রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এরপরই এমন ঘোষণা আসলো।

করোনায় ভারতের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যের তালিকায় দিল্লি অন্যতম। আগে থেকেই সেখানে রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা ছিল। যা আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যেই এবার ২৪ ঘণ্টার কারফিউ জারি করা হলো।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্তের দিক দিয়ে পূর্বের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে ভারতের রাজধানী। একদিনের ব্যবধানেই শনাক্ত হয়েছে ২৫ হাজার ৪৬২ জন। প্রতি ৩টি রিপোর্টের মধ্যে একজনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হচ্ছে।

অন্যদিকে, একদিনের ব্যবধানে আবারও করোনায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত ও মৃত্যুর মুখোমুখি হলো ভারত। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২ লাখ ৭৩ হাজার ৮১০ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ১ হাজার ৬১৯ জন মানুষ।


আরও খবর



সৌদি এয়ারলাইন্সের অফিসের সামনে যাত্রীদের ভিড়

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজও সৌদি এয়ারলাইন্সের রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প‌্যান প‌্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের অফিসের সামনে ভিড় করেছেন প্রবাসী যাত্রীরা।

আজ সোমবার (১৯ এপ্রিল) ভোর থেকে প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের ফটকের সামনে তারা অপেক্ষা করছেন। তবে এ সময় সামাজিক দূরত্ব মানতে দেখা যায়নি। কারও কারও মাস্কও থুতনিতে ঝুলতে দেখা গেছে।

সৌদি এয়ারলাইন্সের অফিস সকাল ১০টায় খোলার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দায়িত্বরত আনসার সদস্যা মো. মোক্তার।

জানা গেছে, শনিবার (১৭ এপ্রিল) থেকে সৌদি এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ প্রবাসীদের টিকিট দেওয়া শুরু করেছে। গত ১৪ এপ্রিল থেকে যাত্রীদের টিকিট দেওয়া হচ্ছে। রবিবার (১৮ এপ্রিল) সৌদি প্রবাসীদের ১৪ থেকে ১৮ এপ্রিলেরর যাত্রীদের টিকিট দেওয়া হয়েছে। একইভাবে সোমবারও অপেক্ষারত যাত্রীদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী তারিখের টিকিট দেওয়া হবে। তবে রবিবার রাত ১১ পর্যন্ত যেসব যাত্রী লাইনে দাঁড়িয়েও টিকিট পাননি, তাদেরকে সৌদি এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ টোকেন দিয়েছে। টোকেন পাওয়া যাত্রীদের সোমবার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকিট দেওয়া হবে। টিকিটের জন‌্য ভোর থেকেই প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের সামনে ভিড় করতে থাকেন যাত্রীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টিকিটের লাইন আরও দীর্ঘ হয়।

নিউজ ট্যাগ: সৌদি এয়ারলাইন্স

আরও খবর



সব সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিত্যপণ্যের বাজারে দামের উত্তাপ এখনও থামেনি। লকডাউন ও রোজা শুরুর পর থেকে কাঁচাবাজারে নানা পণ্যের দাম বেড়ে চলছে। বেগুন, শসা, টমেটো ও লেবুর দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। এর মধ্যে বেগুন ও শসার কেজি এবং লেবুর হালির দামে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কম দামি টমেটোর দামও হাফসেঞ্চুরি করেছে। ইফতারের উপকরণ হিসেবে এগুলোর কদর থাকায় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর সুযোগ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

বুধবার থেকে রোজা ও কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে। এই সুযোগে সবজির বাজারে দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারা অভিযোগ করেন, গত সোমবার রাজধানীর বাজারে ক্রেতারা বেগুন ও শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকায় কিনেছেন। এখন ৯০ থেকে ১০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। বাজারে সবচেয়ে কম দামি সবজি টমেটোর কেজিও ৫০ টাকায় পৌঁছেছে।

রোজার প্রথম দিনেই অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে এসব সবজির। গতকাল বৃহস্পতিবারও একই দাম ছিল। গত দু'দিনে দাম দ্বিগুণ হয়েছে। এখন শসার কেজি প্রায় ১০০ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে চার গুণ দাম বেড়েছে লেবুর। গত বুধবার প্রতি হালি লেবু ২০ থেকে ২৫ টাকা ছিল। এখন তা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় উঠেছে। রাজধানীর তালতলা বাজারে ১২০ টাকায়ও হালি বিক্রি হয়েছে। মঙ্গলবারও ৪০ টাকা হালি ছিল এই বাজারে। এখন পাকা টমেটো ৫০ টাকা ও বেগুনের দামও ৮০ থেকে ১০০ টাকা। গত সপ্তাহে পাকা টমেটো ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। দু'সপ্তাহ আগে কৃষকরা টমেটো ফেলে দিয়েছেন। তখন ক্ষেতে দুই টাকায় কেজি বিক্রি করেছেন তারা। বাজারে এখন আলু ও পেঁপে ছাড়া বেশিরভাগ সবজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা আগের সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ টাকা ছিল। আলুর দামও কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং পেঁপে ৩৫-৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, মাছ, মাংসসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বেশি থাকায় সবজির চাহিদা বেশি। এ কারণে এবার পাইকারি মোকামে সবজির দামও বেশি। তাছাড়া করোনা মহামারির কারণে লকডাউনে কড়াকড়ি আরোপ করায় বাজারে সবজির সরবরাহ কম। এতেও দাম বাড়ছে। বিশেষ করে করলার কেজি দ্বিগুণ বেড়ে ১০০ টাকা হয়েছে। অন্যান্য সবজির মধ্যে বরবটি, ঢেঁড়স ও পটোলের কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা হয়েছে। কাঁচাবাজারে এসব পণ্যের নির্ধারিত দর না থাকায় তদারকিতে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না বাজার মনিটরিং টিম। তবে সরকার যেসব পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেসব পণ্যও অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জরিমানা করা হলেও ব্যবসায়ীরা বাড়তি দাম নিচ্ছেন।

বাজারে শুধু গরুর মাংস বেঁধে দেওয়া দাম প্রতি কেজি ৬০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। নির্ধারিত দাম অনুয়ায়ী খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ৪০ টাকা, চিনি ৬৭ থেকে ৬৮ টাকা, ছোলা ৬৩ থেকে ৬৭ টাকা, মসুর ডাল উন্নতমানের হলে দাম হবে ৯৭ থেকে ১০৩ টাকা ও সাধারণ মোটা মসুর হলে ৬১ থেকে ৬৫ টাকা, খেজুর সাধারণ মানের ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং মধ্যম মানের ২০০ থেকে ২৫০ টাকা এবং সয়াবিন তেল লিটারে ১৩৯ টাকা। এসব পণ্যই নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও পেঁয়াজ ও গরুর মাংস নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে। অন্য সব পণ্যে বেশি দাম গুনতে হচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোম ও মঙ্গলবারের তুলনায় গত দু'দিন বাজারে ক্রেতাদের ভিড় কিছুটা কম ছিল। কঠোর লকডাউনের মধ্যে বাজারে এলেও ক্রেতারা মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। অনেকের মুখে ছিল না মাস্ক। আবার কারও কারও কাছে মাস্ক থাকলেও তা থুতনিতে ছিল।


আরও খবর



করোনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন প্রধান বিচারপতি

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি বলেছেন, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণেই করোনার সংক্রমণ বাড়ছে।

আজ বুধবার সকালে অবকাশকালীন ছুটি শেষে ভার্চুয়াল আপিল বিভাগের শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আদালতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। আদালতে প্রবেশের সময় অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। অন্যথায় করোনার সংক্রমণ বাড়তেই থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও মাস্ক না পরার কারণেই করোনা বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় প্রধান বিচারপতি সিনিয়র আইনজীবীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার  রাতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট ও দেশের সব অধস্তন আদালতে বিচারক এবং আইনজীবীদের কালো কোট এবং গাউন পরার বাধ্যবাধকতার বিষয়টি শিথিল করা হয়। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত মামলার শুনানির সময় আইনজীবী ও বিচারকদের কালো কোর্ট ও গাউন পরতে হবে না। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে পরামর্শ করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: প্রধান বিচারপতি

আরও খবর