আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

রাত ১২টার মধ্যেই কুরবানির পশুর শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে: আতিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)-এর সব এলাকায় রাত ১২টার মধ্যেই কুরবানির পশুর বর্জ্য শতভাগ অপসারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সকালে ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় কুরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের খোঁজখবর নিতে গিয়ে মেয়র এ কথা বলেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল বাসার মুহাম্মদ তাজুল ইসলামের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসির সব এলাকায় বুধবার রাত ১২টার মধ্যেই প্রথম দিনের শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলরসহ সবার আন্তরিক সহযোগিতার ফলে এত অল্প সময়ের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সব এলাকা থেকেই কুরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে। ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলের ৫৪টি ওয়ার্ডে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আওতায় এবার কুরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কাজে সর্বমোট ১১ হাজার ৫ শত ৮ জন কর্মী নিয়োজিত রয়েছে।

মেয়র বলেন, কুরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে গুলশানের নগর ভবনে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়, কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলো হলো- ০২৫৮৮১৪২২০, ০৯৬০২২২২৩৩৩ এবং ০৯৬০২২২২৩৩৪। কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলো ছাড়াও সবার ঢাকা মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে কুরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়।

আতিকুল ইসলাম বলেন, কুরবানির পশুর বর্জ্য দ্বারা যাতে নগরীর কোথাও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি না হয় সেজন্য নগরবাসীকে যথাসময়ে ৬ লাখ ৫০ হাজার বর্জ্য ব্যাগ, ৫০ মেট্রিক টন ব্লিচিং পাউডার এবং ৫ লিটার আয়তনের ১ হাজার ৫ ক্যান স্যাভলন বিতরণ করা হয়।

ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া থেকে বাঁচতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা মহামারিকালে যাতে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ায় কারও মৃত্যু না হয়, সেজন্য নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশেপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তারকে রোধ করতে হবে।

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ডিএনসিসি মেয়র।



আরও খবর



গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় বরিশালে আরও ১৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | ১০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায়  করোনায় ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে ৬০০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন,  যা নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৮৮৭ জনে।

রবিবার সকালে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ছয়জন এবং করোনা ওয়ার্ডে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বিভাগের অন্যান্য হাসপাতালে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস।

তিনি জানান, মোট আক্রান্ত ২৫ হাজার ৮৮৭ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৬ হাজার ৮৭৯ জন। 

আক্রান্ত সংখ্যায় বরিশাল জেলায় নতুন সর্বোচ্চ ১৯৭ জন নিয়ে মোট ১০ হাজার ৯৮৫ জন, পটুয়াখালী জেলায় নতুন ৬৯ জন নিয়ে মোট তিন হাজার ২০৬, ভোলা জেলায় নতুন ৬১ জনসহ মোট ২ হাজার ৫৮৬, পিরোজপুর জেলায় নতুন ৯৬ জনসহ মোট তিন হাজার ৫৬৪, বরগুনা জেলায় নতুন ৭০ জন নিয়ে মোট আক্রান্ত দুই হাজার ২২৬ জন এবং ঝালকাঠি জেলায় নতুন ১০৭ জন শনাক্ত নিয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৩২০ জন।

এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ছয়জনের এবং করোনা ওয়ার্ডে চারজনের মৃত্যু হয়েছে, যা নিয়ে শুধু শেবাচিম হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডেই উপসর্গ নিয়ে ৬৫৯ জন এবং করোনা ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর



‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস’র প্রতিবেদন বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনা বিরোধী চক্রান্ত

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | ১২৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস কী তথ্যের ভিত্তিতে কার স্বার্থরক্ষায় এই ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ করল- তা বোধগম্য নয়। এর আগেও আলজাজিরা টিভি চ্যানেল একই ধরনের অপপ্রয়াস চালিয়েছিল

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার শিকারি উল্লেখ করে প্যারিসভিত্তিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার (আরএসএফ) প্রতিবেদন প্রকাশ করায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)।

বুধবার (৭জুলাই) এক বিবৃতিতে বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ এ প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান। তারা বলেন, ওই প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর, অগ্রহণযোগ্য, উদ্দেশ্যমূলক ও ঈর্ষান্বিত।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, বিএফইউজে মনে করে- সাংবাদিকবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা ও তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি হওয়ায় এবং সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ঈর্ষান্বিত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তি দ্বারা প্ররোচিত হয়ে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার (আরএসএফ) এই অপমানকর ও উদ্ধত্যপূর্ণ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

বিএফইউজের নেতারা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষা ও মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য গণমাধ্যম কর্মী আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে। টিভি চ্যানেলের জন্য সম্প্রচার নীতিমালাও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সাংবাদিকদের আপৎকালে আর্থিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যা থেকে প্রতিবছর শত শত অসুস্থ অসহায় অসচ্ছল সাংবাদিক চিকিৎসাসহ নানাবিধ সহায়তা পাচ্ছেন। এছাড়াও করোনা মহামারির এই আপৎকালে তিনি সারা দেশের হাজার হাজার সাংবাদিককে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন, এখনো দিচ্ছেন। যা এই উপমহাদেশে বিরল দৃষ্টান্ত।

তারা বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের বিকাশ সাধন ও বিস্তারে ব্যাপক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে বেসরকারি খাতে অর্ধশতাধিক টিভি চ্যানেল, ৩ হাজারেরও বেশি সংবাদপত্র, দুই শতাধিক অনলাই নিউজপোর্টাল অনুমোদন পেয়েছে। তাছাড়াও অনেক আইপি টিভি অনুমোদনের অপেক্ষায়।

তারা বলেন, সাংবাদিকদের আবাসন সমস্যার সমাধানে ধানমন্ডি, গুলশান, উত্তরা, পূর্বাচল ও ঝিলমিল প্রকল্পে শতশত সাংবাদিককে প্লট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে বর্তমানের বাংলাদেশের সাংবাদিকদের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই একমাত্র ভরসাস্থল।

নেতারা আরও বলেন, রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস কী তথ্যের ভিত্তিতে কার স্বার্থরক্ষায় এই ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ করল- তা বোধগম্য নয়। এর আগেও আলজাজিরা টিভি চ্যানেল একই ধরনের অপপ্রয়াস চালিয়েছিল। বিএফইউজে মনে করে, এসব অপপ্রচার বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চক্রান্তেরই অংশ। বাংলাদেশের একটি স্বার্থান্বেষী মহল এ ধরনের চক্রান্তে মদদ দিয়ে থাকে।

দেশের কল্যাণে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার স্বার্থে এ ধরনের চক্রান্তের বিষয়ে সব মহলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান বিএফইউজে নেতারা।


আরও খবর



২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু আরও ১০ হাজার

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও প্রাণহানি বেড়েছে। সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০ হাজার ২৯০ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যু বেড়েছে প্রায় ২০০ জন। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৪২ লাখ ১৩ হাজার ১২০ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৫৫ হাজার ৫২০ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ২ হাজার। এতে মহামারির শুরু থেকে ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৭৩ লাখ ১৩ হাজার ৪২২ জনে।এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৭ কোটি ৮৪ লাখ ৯১ হাজার ১৮৪ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে শুক্রবার (৩০ জুলাই) সকালে এই তথ্য জানা গেছে।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৮৪ হাজার ১৯২ জন আর মারা গেছেন ৬ লাখ ২৮ হাজার ৪৮৭ জন।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৭১ হাজার ২৯৫ জনে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ২৩ হাজার ২৪৪ জনের।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগী ১ কোটি ৯৮ লাখ ৩৯ হাজার ৩৬৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৬২৬ জনের।

অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ায়। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৮৯৩ জন এবং নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৪৭৯ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩৩ লাখ ৩১ হাজার ২০৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৯০ হাজার ৫৫২ জনের।

এছাড়া এখন পর্যন্ত ফ্রান্সে ৬০ লাখ ৭৯ হাজার ২৩৯ জন, রাশিয়ায় ৬২ লাখ ১৮ হাজার ৫০২ জন, যুক্তরাজ্যে ৫৮ লাখ ১ হাজার ৫৬১ জন, ইতালিতে ৪৩ লাখ ৩৬ হাজার ৯০৬ জন, তুরস্কে ৫৬ লাখ ৮২ হাজার ৬৩০ জন, স্পেনে ৪৪ লাখ ২২ হাজার ২৯১ জন, জার্মানিতে ৩৭ লাখ ৭২ হাজার ৩০৭ জন এবং মেক্সিকোতে ২৭ লাখ ৯০ হাজার ৮৭৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ফ্রান্সে এক লাখ ১১ হাজার ৭৬৪ জন, রাশিয়ায় এক লাখ ৫৬ হাজার ৯৭৭ জন, যুক্তরাজ্যে এক লাখ ২৯ হাজার ৫১৫ জন, ইতালিতে এক লাখ ২৮ হাজার ২৯ জন, তুরস্কে ৫১ হাজার ১৮৪ জন, স্পেনে ৮১ হাজার ৪৪২ জন, জার্মানিতে ৯২ হাজার ১৩১ জন এবং মেক্সিকোতে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ জন মারা গেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।



আরও খবর
ভারতে আবারও বেড়েছে মৃত্যু

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




লকডাউনে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | ১৩১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
করোনাভাইরাস সংক্রমণের রোধে সরকারি বিধিনিষেধের মেয়াদ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে ৩০ জুন জারি করা ডিওএস

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বগতির কারণে চলমান লকডাউন ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময় ব্যাংকে লেনদেনের সময় আরও এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। নতুন সময় অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেন চলবে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের রোধে সরকারি বিধিনিষেধের মেয়াদ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে ৩০ জুন জারি করা ডিওএস সার্কুলার লেটারে কিছুটা পরিবর্তন এনে নতুন এ চিঠি দেওয়া হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার ছাড়াও ১১ জুলাই রবিবার ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ৮ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। লেনদেন পরবর্তী কাজ গোছানোর জন্য ব্যাংক খোলা রাখা যাবে বেলা ৪টা পর্যন্ত।


আরও খবর
আজ ব্যাংক বন্ধ

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




আগে মানুষের জীবন, পরে অর্থনীতি

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নভেল করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বগতি রোধে দেশব্যাপী সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ (লকডাউন) কঠোরভাবে পালনের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের আগে মানুষের জীবন রক্ষা করতে হবে, পরে দেশের অর্থনীতি। মানুষকেই যদি বাঁচানো না যায়, সেক্ষেত্রে অর্থনীতি দিয়ে কী হবে? অর্থনীতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে আগে মানুষের জীবন বাঁচাতে হবে।

টিকাদান কর্মসূচি আরও জোরদার করার নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে টিকা দেওয়া ও করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।

মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে নির্ধারিত এজেন্ডার বাইরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় অনেকগুলো নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরাও করোনা নিয়ন্ত্রণ ও সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেছি। পাশাপাশি করোনার টিকা আমদানির বিষয়টিও তুলে ধরেছি।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাগুলো তুলে ধরে জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী টিকা কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছেন। ওয়ার্ড পর্যায়ে বয়স্ক লোকদের টিকার আওতায় আনার ব্যবস্থা করতে বলেছেন। টিকা নেওয়ার বিষয়ে বয়স্কদের মধ্যে একটা অনীহা আছে। হাসপাতালে দেখা গেছে, গ্রামের বয়স্ক লোকরাই আছেন ৭৫ শতাংশ। তাদের মৃত্যুর সংখ্যা বেশি, আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৯০ শতাংশ। তাদের সবাইকে টিকা দেওয়ার জন্য আমাদের চেষ্টা করে যেতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ফ্রন্টলাইন কর্মী হিসেবে ডাক্তার-নার্স, আর্মি, পুলিশ, গণমাধ্যমের কর্মীরাও রয়েছেন। এদের মধ্যে যারা পেয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে বাকিদেরও দ্রুত টিকা দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেইসঙ্গে তাদের পরিবারকেও টিকা দেওয়ার জন্য বলেছেন তিনি। তাদের পরিবারে যদি কোনো ড্রাইভার থাকে, তাকেও দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পরিবারে ১৮ বছরের বেশি যাদের বয়স, তারা সবাই এ টিকা পাবে।

ওয়ার্ড পর্যায়ে করোনার টিকা প্রদান ও পরীক্ষার ব্যবস্থা করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে জাহিদ মালেক জানান, বর্তমানে টিকা কার্যক্রম তো চলছেই। এখন আমরা ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ে বেশি জোর দেব। পাশাপাশি টেস্টের বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে। গ্রামের লোকেরা অনেক সময় পরীক্ষা করতে চান না। তাদের মধ্যে একটি ভুল ধারণা রয়েছে, যদি করোনা পজিটিভ হয় তাহলে হয়তো গ্রামে তাঁকে থাকতে দেওয়া হবে না। এ ধরনের ভুল ধারণা থেকে অনেক বয়স্ক লোক করোনার পরীক্ষা করতে চান না।

মানুষকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, লকডাউনের তিন-চার দিন চলছে। কিন্তু রাস্তাঘাটে মানুষ যেভাবে চলাফেরা করছে, যেভাবে গাড়ি চলাচল করছে তাতে আমরা খুবই দুঃখিত। যারা লকডাউন ব্রেক করছে, তারা নিজেদের ক্ষতি করছে। প্রতিটি রাষ্ট্রের সক্ষমতার একটা সীমাবদ্ধতা আছে। আমাদের হাসপাতালে ৯০ শতাংশ সিট বুক হয়ে গেছে। এখনো প্রচুর রোগী আসছে। নতুন করে আর কোথায় হাসপাতাল চালু করব? নতুন তো কোনো ভবনও নেই। ডাক্তার-নার্সরাও ক্লান্ত হয়ে গেছেন। তাঁরা আর কত কাজ করবেন? নতুন চার হাজার ডাক্তার নেওয়া হচ্ছে, নার্স নেওয়া হচ্ছে।



আরও খবর